জাতীয়
মোট সংবাদ: 90 টি
এক কার্ডেই মিলবে নাগরিকের সব সেবা, আসছে ‘এক-আইডি’
এক কার্ডেই মিলবে নাগরিকের সব সেবা, আসছে ‘এক-আইডি’আজকের পয়গাম ডেস্কদেশের সব নাগরিককে একক পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ নামে এই পরিচয়পত্র চালু করা হবে। জন্মের পরই শিশুরা এ পরিচয়পত্র পাবে। ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এই পরিচয়পত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়ার জন্য প্রকল্পটি ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।বর্তমানে দেশে জন্মনিবন্ধনের পর শিশুদের জন্মসনদ দেওয়া হয় এবং ১৮ বছর বয়স হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়া হয়। তবে নতুন ব্যবস্থায় জন্মের পর থেকেই প্রত্যেক নাগরিকের জন্য স্থায়ী ও স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি হবে। ফলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে একই তথ্য বারবার দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একক পরিচয়পত্র চালু হলে ধীরে ধীরে বিদ্যমান বিভিন্ন কার্ডের কার্যকারিতা কমে আসতে পারে। এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিভিন্ন সেবাও নতুন ‘এক-আইডি’র মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে ২০ কোটি। প্রতিটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই মার্কিন ডলার এবং বিতরণ ও সরবরাহে আরও এক ডলার। সব মিলিয়ে প্রতিটি কার্ডে ব্যয় হতে পারে প্রায় ৩৬৯ টাকা।প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আসার কথা রয়েছে। কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হবে। এ খাতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে বর্তমানে এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও টিআইএনের মতো বিভিন্ন পরিচয়পত্র ও তথ্যভান্ডার রয়েছে। এসব তথ্যভান্ডারের মধ্যে কার্যকর আন্তঃসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিকের একই তথ্য বারবার সংগ্রহের প্রয়োজন হবে না। এতে সরকারি সেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমবে এবং সেবাদানের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসাইনের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া
সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসাইনের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়াবরিশাল প্রতিনিধি: দৈনিক বণিক বার্তার বরিশাল ব্যুরো প্রধান ও সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসাইনের ইন্তেকালে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের পর নগরীর চাঁদমারি এলাকায় সংগঠনটির মহানগর কার্যালয়ে এ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।মহানগর সাধারণ সম্পাদক গাজী ত্বলহা আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। এতে মরহুম সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসাইনের বড় ছেলে মাহিমুল হাসান এমদাদ এবং পরিবারের সদস্য জিহাদ ও রোহান উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংগঠনের মহানগর সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম সুজন, তথ্য, গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম তানভীর, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জিহাদুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ আশরাফুল ইসলাম, কওমি মাদ্রাসা সম্পাদক মুহাম্মাদ রবিউল ইসলাম, আলিয়া মাদ্রাসা সম্পাদক মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল ফারুকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।দোয়া অনুষ্ঠানে সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসাইনের কর্মময় জীবন ও সংবাদজগতে তাঁর অবদান নিয়ে স্মৃতিচারণ করা হয়। বক্তারা তাঁর নেক আমল কবুল, ভুল-ত্রুটি ক্ষমা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করা হয়।পরে মরহুমের রুহের মাগফিরাত, কবরের প্রশান্তি ও জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন গাজী ত্বলহা আজাদ।
কলমের খোঁচায় যেন কারও মানসম্মান নষ্ট না হয়: ভোলায় তথ্যমন্ত্রী
কলমের খোঁচায় যেন কারও মানসম্মান নষ্ট না হয়: ভোলায় তথ্যমন্ত্রীভোলা প্রতিনিধি:তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। সাংবাদিকদের লেখনী যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের নীতি ও নৈতিকতার পরিবর্তন না হলে শুধু আইন করে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই করে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে গণমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। এই স্বাধীনতার যথাযথ ব্যবহার করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে।সভায় মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গণমাধ্যমসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে, দুই মামলা; জরিমানা ৬ হাজার টাকা
মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে, দুই মামলা; জরিমানা ৬ হাজার টাকানিজস্ব প্রতিবেদকউল্টোপথে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের গাড়ির বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে ট্রাফিক পুলিশ। এ ঘটনায় মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৮ মিনিটের দিকে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।ট্রাফিক পুলিশ জানায়, মন্ত্রীর পতাকাবাহী রেঞ্জ রোভার গাড়িটি সার্কিট হাউজ সড়কের উল্টোপথে সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ গাড়িটি থামিয়ে দেয়। পরে চালককে উল্টোপথে গাড়ি চালানো আইন লঙ্ঘন বলে জানানো হয়।এ ঘটনায় গাড়িচালক আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা করা হয়। দুটি মামলায় তিন হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রীর গাড়িটি যখন উল্টোপথে যাচ্ছিল, তখন পাশের সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। ঘটনার সময় গাড়িতে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও ছিলেন।এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। অতীতেও যানজট এড়াতে বা দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার ঘটনা গণমাধ্যমে এলেও মামলা হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।
দীর্ঘ পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস
দীর্ঘ পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাসসিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে ঢাকার পথে বিএনপির এই নেতানিজস্ব প্রতিবেদকসিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। পারিবারিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। তার সঙ্গে স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও দেশে ফিরছেন।এর আগে গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় পানি পান করতে গিয়ে হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে গভীর রাতে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে কয়েক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে দেশে ফিরছেন তিনি।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যের পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।
কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা
কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনাআজকের পয়গাম ডেস্ককওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।সংসদে কওমি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আইনি কাঠামোর বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি জানান, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন এবং পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।পরবর্তীতে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ জামাত ‘দাওরায়ে হাদিস’ সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির (স্নাতকোত্তর) সমমান দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে আইন পাস করা হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ওই আইনের অধীনে দেশের কওমি মাদরাসাগুলো পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি শিক্ষা বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।শিক্ষা বোর্ডগুলো হলো—১. বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ২. বেফাকুল মাদারিসিল কওমি গহরডাঙ্গা বাংলাদেশ৩. আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ৪. আজাদ দ্বীনী ইদারায়ে তালীম বাংলাদেশ৫. তানজিমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ৬. জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ।
বুলবুলের কবর জিয়ারত ও সমবেদনা জ্ঞাপন করলেন মুফতি ফয়জুল করিম
বুলবুলের কবর জিয়ারত ও সমবেদনা জ্ঞাপন করলেন মুফতি ফয়জুল করিম আজকের পয়গাম ডেস্ক:নারায়ণগঞ্জের রাজপথের সাহসী যুবনেতা মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুলের রুহের মাগফিরাত কামনায় তাঁর কবর জিয়ারত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়েখ চরমোনাই)।কবর জিয়ারত শেষে তিনি মরহুমের বাসভবনে যান এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি পরিবারটিকে সমবেদনা জানান, তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের ধৈর্য ধারণ করার তাগিদ দেন।এ সময় অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন:মাওলানা নেছার উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশমাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, সহকারী মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশইঞ্জিনিয়ার মারুফ শেখ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ)দ্বীন ইসলাম, সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখাএ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর ইসলামী আন্দোলন এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জিয়ারত ও সাক্ষাৎ শেষে মরহুম বুলবুলের রুহের মাগফিরাত এবং জান্নাতুল ফেরদাউস কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: দলের নাম সংশোধনের আহ্বান এডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: দলের নাম সংশোধনের আহ্বান এডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরেরনিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের পয়গামবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির। দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সম্প্রতি দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।বিবৃতিতে এডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির উল্লেখ করেন, আপাতদৃষ্টিতে দেশের জনগণের কাছে ইসলামের ভাবমূর্তির ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, দলটির এমপি পদপ্রার্থী ও শীর্ষ পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠে এসেছে, যা প্রাথমিকভাবে জনগণের কাছে প্রমাণিত বলে মনে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও বিতর্কের কারণে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে ‘ইসলাম’ শব্দটিকে ঘিরে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা বা আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মুমিন-মুসলমানদের সম্মান, ইসলামের সঠিক ভাবমূর্তি রক্ষা এবং সার্বিক কল্যাণের কথা বিবেচনা করে জামায়াতে ইসলামীকে তাদের দলের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দলটির নেতৃবৃন্দের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দেশব্যাপী গণমিছিলের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দেশব্যাপী গণমিছিলের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনেরবিশেষ প্রতিনিধি | আজকের পয়গামজুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট দেশব্যাপী গণমিছিলসহ নানা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই দিন সকাল ১১টায় রাজধানীর পল্টন মোড়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং জোহরের নামাজের আগে সমাবেশ শেষে একটি গণমিছিল বের করা হবে।সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ কর্মসূচির কথা জানান। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) দেশের প্রতিটি জেলায় একযোগে এ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পল্টন মোড়ের সমাবেশ ও পরবর্তী গণমিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জরুরি সেবা ছাড়া অন্য গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন ও হুটার ব্যবহার নিষিদ্ধ করল বিআরটিএ
বিশেষ প্রতিনিধি | আজকের পয়গামঅ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, উদ্ধারকারী যান এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি কাজে নিয়োজিত গাড়ি ব্যতীত অন্য সব ধরণের মোটরযানে তীব্র, কর্কশ ও বিকট শব্দের হর্ন বা হুটার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর ৮১ নম্বর বিধি অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বহুমুখী ও হাইড্রোলিক হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী হুটার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। এ ধরনের শব্দদূষণ চালকদের মধ্যে বেপরোয়া মানসিকতা গড়ে তোলে এবং দ্রুতগতিতে গাড়ি চালনায় প্ররোচিত করে, যা সড়ক দুর্ঘটনার হার বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া সাধারণ যানবাহনে এ ধরনের যন্ত্রের ব্যবহার জনভোগান্তি ও গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করছে, যা দেশের প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত জরুরি সেবার বাহন ছাড়া অন্য যেকোনো মোটরযানে বহুমুখী হর্ন, হাইড্রোলিক হর্ন, হুটার কিংবা যেকোনো ধরনের ভীতিকর শব্দের হর্ন সংযোজন ও বাজানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ হর্ন বা হুটার ব্যবহার অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিআরটিএ।
সালাহউদ্দিন আহমেদের ‘গ্রিন সিগন্যালে’ ছাত্রলীগের মিছিল: বিএনপিকে কঠোর বার্তা সারজিস আলমের
সালাহউদ্দিন আহমেদের ‘গ্রিন সিগন্যালে’ ছাত্রলীগের মিছিল: বিএনপিকে কঠোর বার্তা সারজিস আলমেরবিশেষ প্রতিনিধি:কক্সবাজার ও গাজীপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও মিটিংয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক সারজিস আলম। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদের নিজ জেলা কক্সবাজার ও গাজীপুরে পুলিশের সহযোগিতায় এই মিছিল হয়েছে দাবি করে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে সারজিস আলম বিএনপির উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিএনপি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের গ্ৰিন সিগনালে এবং পুলিশের সহযোগিতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ জেলা কক্সবাজার এবং গাজীপুরে ছাত্রলীগের মিটিং ও ঝটিকা মিছিল হয়েছে। প্রিয় বিএনপি, এত তাড়াতাড়ি আপনাদের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের ওপর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের করা ১৭ বছরের জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন সব ভুলে গেলেন?"শহিদদের রক্ত ও খালেদা জিয়ার নির্মমতার প্রসঙ্গজুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের ত্যাগ স্মরণে এনে তিনি বলেন, "এত তাড়াতাড়ি শহিদ ওয়াসিমসহ জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন দেওয়া, রক্ত দেওয়া আপনাদের শত শত নেতাকর্মীদের সব ত্যাগ ভুলে গেলেন? নাকি আপনাদের নেতাকর্মীদের ওপর এত জুলুম, নির্যাতন কিংবা তাদের রক্ত, জীবনের কোনো মূল্য আপনাদের কাছে নেই? নাকি যা বলেন কিংবা যা করেন সবই লোক দেখানো?"বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অতীত প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম আরও যোগ করেন, "নেতাকর্মীদের কথা বাদই দিলাম, বেগম খালেদা জিয়ার সাথে যে নির্মমতা হলো, সেসব কীভাবে ৬ মাস যেতে না যেতেই ভুলে গেলেন?"বক্তব্যের শেষে তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "মনে রাখবেন, পাপ কিন্তু বাপকেও ছাড়ে না।"ছাত্রলীগের পুনর্বাসন ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির এই নেতার কড়া মন্তব্য ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস
১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিসআজকের পয়গাম ডেস্ক:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ত্যাগ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার ৩য় সাধারণ বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস। বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এই ঐক্যের কার্যকারিতা বাস্তবে শেষ হয়ে গেছে। এর পরও নির্বাচন-পরবর্তী কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নিলেও এখন থেকে এই জোটের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে দলটি। তবে ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে প্রয়োজন হলে আবারও বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।এর আগে জোটের ছাড়ার বিষয়ে কথা বলেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমি। তিনি স্পষ্ট জানান, নির্বাচন-পরবর্তী সমঝোতা বজায় রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বেশ কিছু ইস্যুতে নিজেদের পৃথক অবস্থান থেকে কাজ করে যাবে দল।উল্লেখ্য, সম্প্রতি কওমি ঘরানার দলগুলোর মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হয়েছে। ইতোপূর্বে খেলাফত আন্দোলন জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এবার একই পথে হাঁটল খেলাফত মজলিসও। তবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখনো এই ঐক্যে বহাল রয়েছে।
নয়া নৌ প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নয়া নৌ প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রীআজকের পয়গাম ডেস্ক | ঢাকাবাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার র্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তাঁকে এই ব্যাজ পরিয়ে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসান।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে নতুন দায়িত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। অন্যদিকে, ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম — প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাএয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান — বিমান বাহিনী প্রধানলেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান — সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেললেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান — সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও)মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক — প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবআতিকুর রহমান রুমন — প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারিবর্ণাঢ্য সামরিক জীবন ও পরিচিতিদীর্ঘ প্রায় চার দশকের পেশাদার সামরিক জীবনে ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ নানা দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেছেন।কমিশন লাভ: ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন পান। তিনি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভিতে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।শিক্ষা ও ডিগ্রি: দেশ-বিদেশে উচ্চতর সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি তিনি 'মেরিটাইম গভর্ন্যান্স' বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন: তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, সাবমেরিন কমান্ডার, নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং নৌ সদর দপ্তরে পরিচালক (নৌ অপারেশনস) ও পরিচালক (নৌ পরিকল্পনা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আন্তর্জাতিক সাফল্য: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে লেবানন ও কঙ্গোতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও প্রবাসী কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।অসামান্য পেশাদারিত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), নৌ-পারদর্শিতা পদক (এনপিপি) এবং জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি-আলিম পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের
বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি-আলিম পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনেরডেস্ক রিপোর্ট , আজকের পয়গাম:দেশব্যাপী চলমান অতিবৃষ্টি, বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও জলাবদ্ধতার কারণে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও আলিম সমমানের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার জোর দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়হীনতার তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রীর নৈতিক দায় স্বীকারপূর্বক পদত্যাগের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর আইসিএবি (ICAB) মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ষান্মাসিক পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব দাবি জানান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ।বৈঠকে মুনতাছির আহমাদ বলেন, "দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বর্ষণ, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বহু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অসংখ্য শিক্ষার্থীর পক্ষে নিরাপদে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কঠিন বাস্তবতায় পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত শারীরিক দুর্ভোগ, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও মানসিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"শিক্ষা প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "সম্প্রতি শিক্ষা প্রশাসনের চরম সমন্বয়হীনতা ও দায়িত্বহীন সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরণের চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষা আয়োজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিভ্রান্তি ও অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত উপায়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীর নৈতিক দায় স্বীকার করে পদত্যাগের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও আলিম সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এমনভাবে সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।দুর্যোগের এই সময়ে মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও মানবিক প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সাময়িক স্থগিতের প্রজ্ঞাপন জারি করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত পর্যালোচনা বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান, সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল, তথ্য-গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক এস এম কামরুল ইসলাম, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
ইতিহাস বদলে দেওয়া জুলাই বিপ্লবের সূচনা দিবস আজ
ইতিহাস বদলে দেওয়া জুলাই বিপ্লবের সূচনা দিবস আজবিশেষ প্রতিবেদন:আজ ১ জুলাই। বৈশ্বিক ইতিহাসে ছাত্র-জনতার এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় সংগ্রামের সূচনা দিবস। ২০২৪ সালের এই দিনটিতেই শুরু হয়েছিল দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়া ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লব। রক্তস্নাত সেই গণঅভ্যুত্থানের আজ দ্বিতীয় বার্ষিকী।২০২৪ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’র ব্যানারে রাজপথে নেমেছিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া এই আন্দোলনকে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দমনের চেষ্টা করলে ১৫ জুলাই থেকে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে এবং ১৬ জুলাই আবু সাঈদসহ অন্যান্যদের প্রাণহানির মধ্য দিয়ে তা তীব্র গণআন্দোলনে রূপ নেয়।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের নির্বিচার দমন-পীড়নের মুখে আন্দোলন দ্রুতই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের দাবি রূপ নেয় একদফা অর্থাৎ সরকার পতনের আন্দোলনে। যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার তুমুল গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতার মসনদ আঁকড়ে থাকা শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। মুক্ত হয় বাংলাদেশ।যেভাবে শুরু হয়েছিল আন্দোলনজুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের পরিপত্রকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে পরিপত্র জারি করেছিল সরকার। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট ওই পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে আবারও ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল হয়।এর প্রতিবাদে ২০২৪ সালের জুন মাস থেকেই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষিপ্ত প্রতিবাদ শুরু হয়। তবে আন্দোলন সুসংগঠিত রূপ নেয় ১ জুলাই। এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ নামে নতুন প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেয়।সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশী অবস্থান নেন এবং পরে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে ছাত্র সমাবেশ করেন। সমাবেশ থেকে দাবি আদায়ে ৪ জুলাই পর্যন্ত সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়।তৎকালীন সমন্বয়ক ও বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করেছিলেন, ৪ জুলাইয়ের মধ্যে আইনিভাবে এই বৈষম্যের চূড়ান্ত সুরাহা করতে হবে।সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভশুধু ঢাকা নয়, ১ জুলাই আন্দোলনের প্রথম দিনেই ঢাকার বাইরেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারের পাদদেশে সমাবেশ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ১০ মিনিটের জন্য প্রতীকী অবরোধ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্যারিস রোডে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন।আজ সেই ঐতিহাসিক ১ জুলাই। যে দিনটির হাত ধরে বাংলাদেশ নতুন এক স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল, দেশের ইতিহাসে আজ সেই বিপ্লব সূচনার দিন। দিনটি স্মরণে আজ সারা দেশের নানা স্তরের মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।
মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক
শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাকআজকের পয়গাম ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)-এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আগামীকালের (২৫ জুন) মধ্যে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দিয়েছে দলটি। অন্যথায় আগামী ২৬ জুন শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের সব মহানগর ও জেলায় একযোগে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।আজ ২৪ জুন, বুধবার বিকেলে পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদ বলেন,"মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম একজন জাতীয় নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শীর্ষ রাহবার। কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যের জের ধরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা একটি সুস্পষ্ট ফ্যাসিবাদী আচরণ। নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।" তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ২৫ জুনের মধ্যে এই ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার করা না হলে, ২৬ জুন শুক্রবার দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।লংগদুতে নেতাকে কুপিয়ে জখমের নিন্দা ও বিচার দাবিজরুরি বৈঠকে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় দলের জেলা জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল মান্নানের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। মাওলানা ইউনুছ আহমদ অভিযোগ করেন, লংগদু উপজেলার ৩ নং গুলশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ নির্মমভাবে কুপিয়ে মাওলানা মান্নানকে মারাত্মক জখম করেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনকে অবিলম্বে ওই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান তিনি।বৈঠকে উপস্থিত নেতৃবৃন্দইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই জরুরি বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:মাওলানা গাজী আতাউর রহমান (যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র)ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম (যুগ্মমহাসচিব)অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ (যুগ্মমহাসচিব)কে এম আতিকুর রহমান (সহকারী মহাসচিব)মাওলানা নেছার উদ্দিন (সহকারী মহাসচিব)শেখ ফজলুল করীম মারুফ (কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক)
উদ্বোধনের আগেই ভালুকা মডেল মসজিদে ফাটল, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী; ভবন বুঝে নেয়নি যাচাই কমিটি
উদ্বোধনের আগেই ভালুকা মডেল মসজিদে ফাটল, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী; ভবন বুঝে নেয়নি যাচাই কমিটিভালুকা (ময়মনসিংহ) | আজকের পয়গাম উদ্বোধনের আগেই ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বহুল প্রত্যাশিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের আগেই একাধিক স্থানে ফাটল ধরা পড়ায় স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ত্রুটিপূর্ণ ভবনটি বুঝে নেয়নি স্থানীয় যাচাই-বাছাই কমিটি। ফলে আটকে গেছে মসজিদটির উদ্বোধন।সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান ও নকশাভেদে প্রতিটি মসজিদ নির্মাণে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ভালুকা মডেল মসজিদটি নির্মাণের কাজ করছে 'নাঈমা রহমান' নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, যার দায়িত্বে রয়েছেন ঠিকাদার রাজিব চৌধুরী।সারজমিনে দেখা গেছে, উদ্বোধনের আগেই নবনির্মিত এই মসজিদের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি ফাটল দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু ফাটলই নয়, পুরো নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, ফাটল ঢাকতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে ঘষামাজা ও প্লাস্টার দিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, জনগণের করের টাকায় নির্মিত সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে ফাটলের প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।ত্রুটির বিষয়টি নিশ্চিত করে ভালুকা উপজেলা প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, "কমিটির সদস্যদের নিয়ে আমরা মসজিদটি পরিদর্শন করে বিভিন্ন স্থানে ফাটলসহ কিছু ত্রুটি পেয়েছি। সেগুলো মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তীতে আবারও ভালোভাবে যাচাই করে ভবনটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত পাওয়া গেলেই কেবল নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।"এই বিষয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, "ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ত্রুটিযুক্ত অবস্থাতেই মডেল মসজিদটি হস্তান্তর করতে চেয়েছিল। কিন্তু ফাটল নজরে আসায় আমরা ভবনটি গ্রহণ করিনি। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি প্রাক যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"এদিকে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ফাহমিদ ইফতেখার আলী জানান, "কিছু ক্রটি থাকায় ঠিকাদারকে তা দ্রুত সমাধান করতে বলা হয়েছে। ঈদের কারণে তাদের কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় এটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।"সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদার রাজিব চৌধুরী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির বিয়েতে জামায়াত এমপি, ছাত্রদল নেতার বিয়ে ঘিরে কালীগঞ্জে আলোচনা
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির বিয়েতে জামায়াত এমপি, ছাত্রদল নেতার বিয়ে ঘিরে কালীগঞ্জে আলোচনাঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক ব্যতিক্রমধর্মী বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতার সঙ্গে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতার মেয়ের বিয়েতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব।গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) কালীগঞ্জ উপজেলার বগেরগাছি গ্রামে অনুষ্ঠিত এ বিয়েতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি স্থানীয়ভাবে “টক অব দ্য টাউন”-এ পরিণত হয়েছে।জানা যায়, রাখালগাছি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম মন্টুর মেয়ে মেহেজাবিন ইসলাম তুলির সঙ্গে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব অতিথি হিসেবে যোগ দেন।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম মন্টু নিজ হাতে এমপি আবু তালিবকে খাবার পরিবেশন করছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিদুল ইসলাম মন্টুর বিরুদ্ধে একটি শিবির কর্মী হত্যা মামলাও চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।তবে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে মাওলানা আবু তালিব বলেন, “এটি আমার গ্রামের সামাজিক সম্পর্কের একটি অনুষ্ঠান। সামাজিকতার জায়গা থেকেই সেখানে গিয়েছি। একইসঙ্গে মামলার ভুক্তভোগী পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।”উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কালীগঞ্জে শিবিরকর্মী শামীম নিখোঁজ হওয়ার পর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ যশোরে উদ্ধার করা হয়। পরে ২০২৪ সালে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মহিদুল ইসলাম মন্টুসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।