জাতীয়
মোট সংবাদ: 58 টি
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতা
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতানিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।তবে মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে ছুটির তালিকায় কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের নির্ধারিত ছুটি অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল ছুটি থাকলেও ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নেই। ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের পরিবর্তে মাত্র একদিন ছুটি পাচ্ছে।জানা গেছে, বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্কুল-কলেজে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করবে শিক্ষার্থীরা।অন্যদিকে ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে ১২ ও ১৩ এপ্রিল মাদরাসায় ছুটি রাখা হয়নি। ফলে সেখানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, শুধুমাত্র ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছুটি থাকবে।ছুটি শেষে আগামী ১৫ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম শুরু হবে।
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহতনিজস্ব সংবাদদাতা:লেবানন-এর রাজধানী বৈরুত-এ ইসরাইলি বিমান হামলায় দিপালী নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন।শুক্রবার বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা যায়, বুধবার বৈরুতের হামরা এলাকায় তার কফিলের পরিবারের সঙ্গে অবস্থানকালে ভয়াবহ এয়ার স্ট্রাইকে তিনি নিহত হন।নিহত দিপালী ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শেখ মোফাজ্জলের মেয়ে।দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে বৈরুতের রফিক হারিরি হাসপাতালে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।এদিকে একই হামলায় দিপালীর কফিল ও তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রতিবেশীদের বরাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীনিজস্ব প্রতিবেদক:পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif ইসরায়েলকে “অশুভ এবং মানবতার জন্য অভিশাপ” বলে আখ্যায়িত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চলমান শান্তি আলোচনার মধ্যেই Israel লেবাননে হামলা চালাচ্ছে এবং নিরীহ মানুষের প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রথমে Gaza Strip, এরপর Iran এবং এখন Lebanon—একটির পর একটি অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে।এদিকে, পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad-এ United States ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনার আগ মুহূর্তে খাজা আসিফের এমন মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, তার এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান এবং নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রীস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১৪আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অযথা ভীত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রচলিত নকলের ধরণ পরিবর্তিত হয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে হচ্ছে। এ ধরনের নকল প্রতিরোধে শিগগিরই আইন প্রণয়ন করা হবে। এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এইচএসসি পরীক্ষা সব বোর্ডে একক প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই বরং এটি শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন যেকোনো কার্যক্রম সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। আগের মতো সরাসরি উপস্থিত না থেকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রায় ২,২৮৪টি কলেজে ৪০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে, যা দেশের মোট উচ্চশিক্ষার্থীর প্রায় ৭০ শতাংশ। এদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পাঠ্যক্রম আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নতুন কারিকুলামে টেকনিক্যাল ও দক্ষতাভিত্তিক কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। স্নাতক পর্যায়ে দ্বিতীয় বর্ষে উন্নত আইসিটি এবং তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে কর্মমুখী কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাখাতে বিনিয়োগের ঘাটতির কারণে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।তিনদিনব্যাপী এই কর্মশালায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়ে উঠবে।
সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউট
সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউটসংসদ রিপোর্টার📅 প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | 🕕 সময়: ১৮:১৫ (আপডেট: ১৮:২৫)‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। এ নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের এটি তৃতীয়বারের মতো ওয়াকআউট।ওয়াকআউটের সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধীদলের যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে একাধিক ‘গণবিরোধী’ বিল পাস করা হয়েছে, যার দায় তারা নিতে চান না। এরপর তার নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ ত্যাগ করেন।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, “আজকের দিন বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য বেদনাদায়ক। সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফাভাবে আইন পাস করছে, যা দেশের জন্য শুভ নয়।”এদিকে, বিরোধীদলের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বক্তব্য দিয়ে বলেন, বিরোধীদল আইন প্রণয়নের সব ধাপে অংশগ্রহণ করেছে, এমনকি সমর্থনও দিয়েছে। তাই তাদের ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে মাগরিবের নামাজের পর আবার সংসদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারের অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিলসহ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা সংক্রান্ত একাধিক বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়, যদিও এসব বিলে বিরোধীদল আপত্তি জানিয়েছিল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগাননিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬জুলাই বিপ্লবে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে রায়ের প্রতিবাদ জানান।বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বলেন, “আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।” এ সময় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, সাবেক ভিসিসহ কয়েকজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, সাবেক ভিসিসহ কয়েকজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পুলিশের এএসআই মো. আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন।রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশিদসহ আরও দুই শিক্ষককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি পমেল বড়ুয়াকে ১০ বছর, আওয়ামী লীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপের রংপুর সভাপতি ডা. মো. সারোয়াত হোসেন (চন্দন) কে ৫ বছর এবং আরএমপির সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান (বেল্টু) কে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে বেরোবির সাবেক প্রক্টর মো. শরীফুল ইসলাম খালাস পেয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়। গত বছরের ৬ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।মামলায় অভিযোগ রয়েছে—ঊর্ধ্বতন নির্দেশদাতা হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন।রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এই রায়ের মাধ্যমে বহুল আলোচিত আবু সাঈদ হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নিষ্পত্তি হলো।
বগুড়ায় এনসিপি নেত্রী রাফিয়ার ইন্তেকাল, পরিবার ও সংগঠনে শোকের ছায়া
বগুড়ায় এনসিপি নেত্রী রাফিয়ার ইন্তেকাল, পরিবার ও সংগঠনে শোকের ছায়াবগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাফিয়া আপু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মরহুমা রাফিয়া আপু ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল একজন সংগঠক। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন আপন বোনের মতো—সবার খোঁজখবর রাখা, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করা ছিল তার স্বভাব। বগুড়া জেলা এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাফিয়া আপু পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের ছিলেন। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি সবসময় আপনজনদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতেন। তার হঠাৎ চলে যাওয়া পরিবারে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনায় তারা ভেঙে পড়েছেন।তার মৃত্যুতে সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, রাফিয়া আপুর মতো নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হারানো সংগঠনের জন্য বড় ক্ষতি। তার আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবাই মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন—আল্লাহ যেন তাকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।
নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান দাবি জামায়াত আমিরের
নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান দাবি জামায়াত আমিরেরআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে জুলাই সনদের ওপর আনা মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আমিও একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। সেই মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন, আমাদের পরিবার কয়েক ফোঁটা রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ আমাদের সকলের।”মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রথম সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলেও পরবর্তীতে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়। তিনি দাবি করেন, বাহাত্তরের সংবিধানের অনেক অংশ সেই সময় হারিয়ে যায় এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থায় জনগণের ভোটের মূল্য কমে যায়।ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ২০০৯ সালে গঠিত সরকারের সময় বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার ভাষায়, “ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে নির্যাতনের শিকার হননি এমন সদস্য হয়তো সংসদে নেই। কেউ বারবার হয়েছেন, কেউ একবার। অনেকেই নির্যাতনের কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।”ফ্যাসিবাদ যেন আর ফিরে না আসে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশ ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, যেখানে সব নাগরিক সমান অধিকার পাবে। তিনি জানান, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কিছু সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি একটি আদেশ জারি করেছেন।
নিজ কক্ষে ডেকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজ কক্ষে ডেকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী স্টাফ রিপোর্টার। আজকের পয়গাম প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৭:১৬জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে নিজ কক্ষে ডেকে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে স্বাগত জানান এবং দুই নেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে তার কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্যতা উপস্থিতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং অনেকে তা প্রশংসা করেন।এর আগে বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। জানাজা শেষে তারা একসঙ্গে সংসদ ভবনের দিকে এগিয়ে যান।এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রধানমন্ত্রী তাকে সংসদ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান। পরে সেখানে প্রায় ২০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকটি ছিল সৌজন্যমূলক। আলাপ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ত্যাগ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে এগিয়ে দেন, যা তার স্বাভাবিক সৌজন্যতারই বহিঃপ্রকাশ।
মাওলানা আবু তাহের নদভীর মৃত্যুতে পীর সাহেব চরমোনাই-এর শোক প্রকাশ
মাওলানা আবু তাহের নদভীর মৃত্যুতে পীর সাহেব চরমোনাই-এর শোক প্রকাশআজকের পয়গাম রিপোর্ট:চট্টগ্রামের জামেয়া ইসলামীয়া পটিয়ার মুহতামিম, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবু তাহের নদভীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।আজ ৩০ মার্চ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই মরহুমের শোকাহত পরিবার, স্বজন ও ছাত্রবৃন্দের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, নিরবচ্ছিন্ন ইলিম চর্চায় মাওলানা আবু তাহের নদভীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে দেশের দ্বীনি ইলিম চর্চায় এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো।পীর সাহেব চরমোনাই মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে তাঁর জান্নাতে উচ্চ মাকাম কামনা করেন।
জর্ডানে বিনা খরচে ৫০০০ নারী কর্মী নেবে বোয়েসেল: সরাসরি সাক্ষাৎকারের ডাক
জর্ডানে বিনা খরচে ৫০০০ নারী কর্মী নেবে বোয়েসেল: সরাসরি সাক্ষাৎকারের ডাকনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাবাংলাদেশ ওভারসীজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) সরকারিভাবে জর্ডানের বিভিন্ন গার্মেন্টস কোম্পানিতে জরুরি ভিত্তিতে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) দক্ষ ও স্বল্পদক্ষ নারী মেশিন অপারেটর নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি সাক্ষাৎকার ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:সুযোগ-সুবিধা ও শর্তাবলি:মাসিক বেতন: ১৩০ জর্ডান দিনার (১ দিনার সমান ১৭০ টাকা হিসেবে প্রায় ২২,১০০ টাকা)।চাকরির মেয়াদ: ০৩ (তিন) বছর, যা পরবর্তীতে নবায়নযোগ্য।অতিরিক্ত সুবিধা: আবাসন, খাবার এবং প্রাথমিক চিকিৎসা খরচ নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করবে।যাতায়াত: জর্ডানে যাওয়ার বিমান ভাড়া সম্পূর্ণ ফ্রি (নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করবে)।কর্মঘণ্টা: দৈনিক ৮ ঘণ্টা। এর বাইরে কাজের জন্য ওভারটাইম সুবিধা পাওয়া যাবে।যোগ্যতা:প্রার্থীকে অবশ্যই গার্মেন্টস সেলাই মেশিন চালনায় দক্ষ বা স্বল্পদক্ষ হতে হবে।বয়সসীমা: ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।শুধুমাত্র নারী প্রার্থীরাই এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।প্রার্থীকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে।সাক্ষাৎকার ও পরীক্ষার সময়সূচি:আগামী ০৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ হতে প্রতি শুক্রবার সকাল ৭:০০ ঘটিকায় পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।পরীক্ষা কেন্দ্র: বাংলাদেশ-কোরিয়া টিটিসি ও মহিলা টিটিসি, মিরপুর, ঢাকা।
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকারের স্ত্রীর জানাজা সম্পন্ন
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকারের স্ত্রীর জানাজা সম্পন্ননিজস্ব প্রতিবেদক। আজকের পয়গাম প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সম্পন্ন হয়েছে।সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজনসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি অংশ নেন।জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শনিবার বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অধ্যাপক দিলারা হাফিজ। রোববার সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে আনা হয়।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ভেন্টিলেশনে রেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।মৃত্যুকালে অধ্যাপক দিলারা হাফিজের বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। ১৯৪৯ সালের ২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী ও মা করিমুন্নেছা খাতুন চৌধুরী।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি সরকারি ইডেন মহিলা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
গতি নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহনে চালু হচ্ছে জিপিএস
গতি নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহনে চালু হচ্ছে জিপিএসডেস্ক রিপোর্ট |আজকের পয়গাম সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে দেশের সব পাবলিক ও বাণিজ্যিক পরিবহনে জিপিএস সিস্টেম চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।মন্ত্রী বলেন, জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে যানবাহনের গতি, অবস্থান এবং ট্রাফিক আইন মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় সহজেই মনিটর করা যাবে। পাশাপাশি মাঝপথে যাত্রী ওঠানো, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে সব বাস ও কমার্শিয়াল যানবাহনে জিপিএস ডিভাইস স্থাপন করা হবে। নির্ধারিত গতিসীমা ৬০ বা ৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা অতিক্রম করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড সংরক্ষণ হবে এবং সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো গাড়ি ফিটনেস নবায়ন না করেও রাস্তায় নামলে জিপিএস ডাটার মাধ্যমে তা শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিআরটিএ ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করবে।ফেরি পারাপারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনার কথাও জানান তিনি। গাড়ি ওঠানোর আগে সব যাত্রী নামানো বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রয়োজনে ব্যারিয়ার স্থাপন করা হবে।তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সিসি ক্যামেরা ও স্পিড ক্যামেরার মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনা শুরু হয়েছে। জিপিএস চালু হলে এই ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে এবং সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ পরিচালিত দুই প্রতিষ্ঠান: মেধাতালিকায় উত্তীর্ণদের জন্য ওমরা আয়োজন
মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ পরিচালিত দুই প্রতিষ্ঠান: মেধাতালিকায় উত্তীর্ণদের জন্য ওমরা আয়োজনঢাকা রিপোর্ট: আজকের পয়গাম মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ ভাই পরিচালিত দুইটি প্রখ্যাত প্রতিষ্ঠান—মারকাযুত তাকওয়া ইসলামীক রিসার্স সেন্টার, ঢাকা এবং জামিয়া মুহিউসসুন্নাহ, কলাপাড়া—এবার বেফাকের মেধাতালিকায় শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন।উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাদেরকে ওমরা পালনের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হবে।ভর্তি ফি ও নতুন শিক্ষাবর্ষনতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য দুই মাদ্রাসাতেই ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা মাত্র।মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও বেফাকের মেধাতালিকায় যারা স্থান পাবেন, তাদের জন্য এই ওমরা আয়োজন অব্যাহত থাকবে।প্রতিষ্ঠান ও সাফল্যদীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সংকটের মধ্যেও মুফতীর দুই প্রতিষ্ঠান দারুণ সাফল্যের সাথে পরিচালিত হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা চাইলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হয়ে উচ্চমানের কওমি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবেন।যোগাযোগমারকাযুত তাকওয়া, ঢাকা: 01941-686495জামিয়া মুহিউসসুন্নাহ, কলাপাড়া: 01718-622382উল্লেখযোগ্য: শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহের এই উদ্যোগ শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন উদাহরণ স্থাপন করেছে।
স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের ইন্তেকালে এমপি আলি উল্লাহর শোক প্রকাশ
স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের ইন্তেকালে এমপি আলি উল্লাহর শোক প্রকাশআজকের পয়গাম | শোক বার্তাবাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী মিসেস দিলারা হাফিজ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য মোঃ আলি উল্লাহ এম.পি। তিনি এক শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।তিনি বলেন, এই শোকের মুহূর্তে তিনি শোকাহত পরিবারের পাশে আছেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে মরহুমার জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব কামনা করেন।
জ্বালানি তেল মজুদকারীদের লাইসেন্স স্থায়ী বাতিলের দাবি, কঠোর আইনের প্রস্তাব
জ্বালানি তেল মজুদকারীদের লাইসেন্স স্থায়ী বাতিলের দাবি, কঠোর আইনের প্রস্তাবনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামজ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ন্যায়পরায়ণ দেশপ্রেমিক মহল। প্রস্তাবিত আইনে জ্বালানি তেল নিয়ে কারসাজি করলে সংশ্লিষ্ট পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। ⚖️প্রস্তাবে বলা হয়, অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি তেল যেখানে পাওয়া যাবে, তা জব্দ করে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে যেখানে অবৈধ মজুদ পাওয়া যাবে, সেই স্থানের মালিক এবং জ্বালানি তেলের মালিককে সর্বনিম্ন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখতে হবে।এছাড়া অপরাধটি জামিন অযোগ্য করার জন্য দণ্ডবিধিতে পৃথক ধারা সংযোজনেরও দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে আরও বলা হয়, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ, পরিবহন, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি কিংবা অন্য যেকোনোভাবে সহযোগিতা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা নিশ্চিত করতে হবে।দাবিদারদের মতে, এ ধরনের কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হলে জ্বালানি তেল নিয়ে অনিয়ম, কারসাজি ও কৃত্রিম সংকট অনেকাংশে বন্ধ হবে।শেখ আবদুল্লাহ নাসিরএ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টমোবাইল: ০১৬৭৪৬৭১২৫৫
দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত
দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্তনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামচলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় জোরদার করতে দেশের সব পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২৭ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে।এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাদের অধিক্ষেত্রাধীন প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবেন।নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ অথবা বিপিসি নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন এবং দৈনিক ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে সভায় জানানো হয়।