জাতীয়
মোট সংবাদ: 74 টি
উদ্বোধনের আগেই ভালুকা মডেল মসজিদে ফাটল, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী; ভবন বুঝে নেয়নি যাচাই কমিটি
উদ্বোধনের আগেই ভালুকা মডেল মসজিদে ফাটল, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী; ভবন বুঝে নেয়নি যাচাই কমিটিভালুকা (ময়মনসিংহ) | আজকের পয়গাম উদ্বোধনের আগেই ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বহুল প্রত্যাশিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের আগেই একাধিক স্থানে ফাটল ধরা পড়ায় স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ত্রুটিপূর্ণ ভবনটি বুঝে নেয়নি স্থানীয় যাচাই-বাছাই কমিটি। ফলে আটকে গেছে মসজিদটির উদ্বোধন।সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান ও নকশাভেদে প্রতিটি মসজিদ নির্মাণে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ভালুকা মডেল মসজিদটি নির্মাণের কাজ করছে 'নাঈমা রহমান' নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, যার দায়িত্বে রয়েছেন ঠিকাদার রাজিব চৌধুরী।সারজমিনে দেখা গেছে, উদ্বোধনের আগেই নবনির্মিত এই মসজিদের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি ফাটল দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু ফাটলই নয়, পুরো নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, ফাটল ঢাকতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে ঘষামাজা ও প্লাস্টার দিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, জনগণের করের টাকায় নির্মিত সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা দ্রুত কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে ফাটলের প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।ত্রুটির বিষয়টি নিশ্চিত করে ভালুকা উপজেলা প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, "কমিটির সদস্যদের নিয়ে আমরা মসজিদটি পরিদর্শন করে বিভিন্ন স্থানে ফাটলসহ কিছু ত্রুটি পেয়েছি। সেগুলো মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তীতে আবারও ভালোভাবে যাচাই করে ভবনটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত পাওয়া গেলেই কেবল নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।"এই বিষয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, "ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ত্রুটিযুক্ত অবস্থাতেই মডেল মসজিদটি হস্তান্তর করতে চেয়েছিল। কিন্তু ফাটল নজরে আসায় আমরা ভবনটি গ্রহণ করিনি। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি প্রাক যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"এদিকে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ফাহমিদ ইফতেখার আলী জানান, "কিছু ক্রটি থাকায় ঠিকাদারকে তা দ্রুত সমাধান করতে বলা হয়েছে। ঈদের কারণে তাদের কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় এটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।"সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদার রাজিব চৌধুরী ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির বিয়েতে জামায়াত এমপি, ছাত্রদল নেতার বিয়ে ঘিরে কালীগঞ্জে আলোচনা
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির বিয়েতে জামায়াত এমপি, ছাত্রদল নেতার বিয়ে ঘিরে কালীগঞ্জে আলোচনাঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক ব্যতিক্রমধর্মী বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতার সঙ্গে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতার মেয়ের বিয়েতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব।গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) কালীগঞ্জ উপজেলার বগেরগাছি গ্রামে অনুষ্ঠিত এ বিয়েতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি স্থানীয়ভাবে “টক অব দ্য টাউন”-এ পরিণত হয়েছে।জানা যায়, রাখালগাছি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম মন্টুর মেয়ে মেহেজাবিন ইসলাম তুলির সঙ্গে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব অতিথি হিসেবে যোগ দেন।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম মন্টু নিজ হাতে এমপি আবু তালিবকে খাবার পরিবেশন করছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিদুল ইসলাম মন্টুর বিরুদ্ধে একটি শিবির কর্মী হত্যা মামলাও চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।তবে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে মাওলানা আবু তালিব বলেন, “এটি আমার গ্রামের সামাজিক সম্পর্কের একটি অনুষ্ঠান। সামাজিকতার জায়গা থেকেই সেখানে গিয়েছি। একইসঙ্গে মামলার ভুক্তভোগী পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।”উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কালীগঞ্জে শিবিরকর্মী শামীম নিখোঁজ হওয়ার পর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ যশোরে উদ্ধার করা হয়। পরে ২০২৪ সালে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মহিদুল ইসলাম মন্টুসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
নওগাঁ সীমান্তে পাল্টা ফায়ারে থামল উত্তেজনা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি
নওগাঁ সীমান্তে পাল্টা ফায়ারে থামল উত্তেজনা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবিনিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের পয়গাম নওগাঁ সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পাল্টা ফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিজিবি-৪৮ এর মিডিয়া সেলের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবির দ্রুত ও পেশাদার পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে বলেও জানিয়েছে বিজিবি।বিজিবি-৪৮ এর অধিনায়ক জানান, ঘটনার পর থেকেই সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জামায়াতকে কিছু জানানো হয়নি: ডা. শফিকুর রহমান
আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জামায়াতকে কিছু জানানো হয়নি: ডা. শফিকুর রহমাননিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমেরিকার সঙ্গে হওয়া কোনো চুক্তি সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামীকে জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি।শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর জামায়াত আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে বলছি, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একটি শব্দও আলোচনা করা হয়নি।”তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগকে জামায়াত স্বাগত জানায়। তবে তিস্তার স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত নয়। তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, তাদের দল গণতান্ত্রিক ধারায় বিশ্বাসী এবং সব নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। তবে সাম্প্রতিক উপ-নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করা উচিত নয়। জনগণের মতামত বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।এসময় বর্তমান সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক নিয়োগ নিয়েও সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। তিনি দাবি করেন, জনগণের প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।
“আদর্শের বিরুদ্ধে গেলে ওলামাদের দিল থেকে বের হয়ে যাবে”— হেফাজত আমির
চরমোনাই পীরকে প্রকাশ্যে ধন্যবাদ জানালেন বাবুনগরী, হাটহাজারীর বয়ানে দিলেন কঠোর বার্তা“আদর্শের বিরুদ্ধে গেলে ওলামাদের দিল থেকে বের হয়ে যাবে”— হেফাজত আমিরনিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের পয়গাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ–এর এক সভায় সংগঠনটির আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী চরমোনাই পীর সাহেবদের প্রকাশ্যে ধন্যবাদ জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তার এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামি অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বয়ানে বাবুনগরী বলেন, বর্তমান সময়ে হেফাজতে ইসলাম আদর্শিক অবস্থানকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেন, সংগঠন এখন এমন সাথীদের কাছেই থাকতে চায় যারা আকিদা ও আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন।বক্তৃতার শুরুতেই তিনি মাওলানা রেজাউল করিম ও ফয়জুল করিম–এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তাদের সাম্প্রতিক ভূমিকার কারণে ওলামায়ে কেরামের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে তিনি চরমোনাই পীর সাহেবদ্বয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।বাবুনগরী তার বক্তব্যে মুসলিম উম্মাহকে সীরাতে মুস্তাকিমের ওপর অটল থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে এমন কিছু গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে যারা সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে এবং তাদের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এ ধরনের চিন্তাধারাকে “বাতিল” আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “সাহাবায়ে কেরাম সত্যের মাপকাঠি।”তিনি আরও বলেন, “উম্মতে মুহাম্মদী ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, এর মধ্যে একটিমাত্র দল নাজাতপ্রাপ্ত হবে—যারা নবী ও সাহাবায়ে কেরামের অনুসারী।”বক্তৃতার একপর্যায়ে তিনি অভিযোগ করেন, এমন কিছু ব্যক্তি রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছেন যারা সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা স্বীকার করে না। এ সময় তিনি বলেন, “আমাদেরই কিছু মানুষের সহযোগিতায় তারা বড় জায়গায় পৌঁছেছে।”হেফাজত আমির আরও বলেন, বাতিল চিন্তাধারা যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন ওলামায়ে কেরামের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণকে সতর্ক করা এবং সত্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। অন্যথায় আলেম সমাজকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সবশেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, “নবী-রাসুল, সাহাবায়ে কেরাম ও আকাবিরদের পথে অটল থাকুন। আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে কেউই ওলামায়ে কেরামের সমর্থন পাবে না।”সভা শেষে বক্তব্যটির সারসংক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে চরমোনাই পীর সাহেবদের প্রতি প্রকাশ্য ধন্যবাদ এবং আদর্শিক অবস্থান নিয়ে কঠোর বার্তাকে অনেকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি, একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন
ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি, একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপনস্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে ছুটির সমন্বয়ে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪ মে (রোববার) অফিস খোলা থাকবে।সরকার জানিয়েছে, ছুটির সময় জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেটসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম।এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।এদিকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিচার বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি শিল্প-কারখানার ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় কিছু খাত এই ছুটির বাইরে থাকবে।
ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিনিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের পয়গাম আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৪ শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ছুটির আগে ২৩ ও ২৪ মে যথারীতি অফিস খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।সরকার জানিয়েছে, জনস্বার্থে কিছু জরুরি সেবা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা। এছাড়া ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহন ও কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করবেন।চিকিৎসা খাতও ছুটির বাইরে থাকবে। হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক-কর্মচারী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহন স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।এদিকে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিচার বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির বিষয়ে পৃথক নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা তরুণী আটক
বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা তরুণী আটকনিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশালপ্রকাশিত: ৩ মে ২০২৬বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ।রোববার (৩ মে) ভোর রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম নগরীর কলসগ্রাম এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।আটক তরুণীর নাম জাহিদা বেগম (২০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আল আমিন নাঈমের নেতৃত্বে রাত প্রায় ২টা ৫০ মিনিটে কলসগ্রাম এলাকায় অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়।তল্লাশির এক পর্যায়ে বাসের একটি আসনে বসা জাহিদা বেগমের ব্যাগ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত মাদক বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল।এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তেতুলিয়ায় তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবি
তেতুলিয়ায় তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবিনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম পাশের দেশের প্রভাব বা চাপকে ভয় না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জ্বালানি তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির। তিনি মনে করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় অনুসন্ধান চালালে তা লাভজনক হতে পারে।তিনি প্রস্তাব করেন, একটি পশ্চিমা কোম্পানি, একটি এশীয় কোম্পানি এবং বাংলাদেশ যৌথভাবে কাজ করলে তেলের খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।জানা যায়, পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ার শালবাহন এলাকায় ১৯৮৬-৮৭ সালে দেশি-বিদেশি যৌথ জরিপে প্রায় ৯০০ মিটার গভীরে উত্তোলনযোগ্য জ্বালানি তেলের অস্তিত্বের সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অনুসন্ধান দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে সে সময় প্রচারিত হয়। এ খবরে দেশজুড়ে আশার সঞ্চার হয় এবং অনেকেই ধারণা করতে থাকেন—বাংলাদেশ হয়তো তেলের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নির্দেশনায় তেল উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পেট্রোলিয়াম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে একটি ফরাসি কোম্পানিও অনুসন্ধানে যুক্ত হয়। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সরকার ও ওই কোম্পানির মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জাতীয় বাজেট থেকে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং শালবাহনে প্রায় ১০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ৮ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত কূপ খননও সম্পন্ন হয়।১৯৮৮ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন কূপের উদ্বোধন করা হলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই রহস্যজনকভাবে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ফরাসি কোম্পানি জানায়, সেখানে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য তেলের মজুদ পাওয়া যায়নি।বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শেখ আবদুল্লাহ নাসির বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বচ্ছ চুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের জরিপ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে তেতুলিয়ায় পুনরায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে।তিনি আরও বলেন, নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ উত্তোলন সম্ভব হলে দেশের আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
রাতেই কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা, ১১ জেলায় সতর্কতা
রাতেই কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা, ১১ জেলায় সতর্কতানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ রাতেই কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের অন্তত ১১টি জেলায় ঝড়ো হাওয়া, বজ্রবৃষ্টি ও দমকা বাতাস বয়ে যেতে পারে।আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত।এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকাতেও আবহাওয়া অস্থির থাকতে পারে। সেখানে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ভোলা, ফেনী, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী ও কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে।তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে গিয়ে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।সতর্কবার্তা:ঝড়ের সময় অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়া, নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা এবং নদীপথে চলাচলে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আহত ৫
কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আহত ৫নিজস্ব প্রতিনিধি | রাজশাহীরাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে এক শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজে ভাঙচুর ও অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এতে অধ্যক্ষসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আকবর আলী উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের কক্ষে প্রবেশ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। বিশেষ করে পূর্ববর্তী অধ্যক্ষের সময়কার আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।এর কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তরা অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায় এবং অফিস কক্ষে ভাঙচুর করে।আহতদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা, অধ্যাপক রেজাউল করিম আলমসহ আরও দুইজন কর্মচারী। আহতদের কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা অভিযোগ করে বলেন, “তারা নিয়মিত কলেজে এসে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইতেন, মূলত চাঁদার দাবিই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। অধ্যক্ষের পক্ষে কথা বলায় আমাকেও মারধর করা হয়েছে।”তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আকবর আলী দাবি করেন, কলেজের অনিয়ম ও দুর্নীতির হিসাব চাইতে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। তার ভাষ্য, “শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের ওপর হামলা করেন, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।”অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একটি মহল তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করায় এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেন।দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই উপস্থিত ছিল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে কিছু লোক জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবি, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবি, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কানিজস্ব প্রতিবেদক:সকল মানুষের দল-মত নির্বিশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির।তিনি বলেন, সম্প্রতি বিএনপি-সমর্থিত এক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সংসদে দাবি করেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যেতে হয়েছিল তৎকালীন প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী। প্রধান বিচারপতি নাকি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, তিনি জামিন দিলে তার পরিণতি সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার মতো হতে পারে।এই প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট নাসির বলেন, এমন পরিস্থিতি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকার ইঙ্গিত বহন করে। বিচার বিভাগকে যদি পরাধীন রাখা হয়, তাহলে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হয়ে ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায়, ভবিষ্যতে যে কোনো সরকারকেই বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে।এদিকে হাইকোর্টে ভার্চ্যুয়াল কোর্ট ব্যবস্থার বিরোধিতায় আইনজীবীদের চলমান আন্দোলন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, অনেক ক্ষেত্রে এই আন্দোলন ব্যক্তিগত আয়-সংক্রান্ত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। অথচ আইনজীবীদের উচিত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবিতে সোচ্চার হওয়া।অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির মনে করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় সকল আইনজীবীর ঐক্যবদ্ধভাবে উদ্যোগ নেওয়া নৈতিক দায়িত্ব।
সরকারি দায়িত্ব শেষে মাদ্রাসার শিক্ষকতায় ফিরলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
সরকারি দায়িত্ব শেষে মাদ্রাসার শিক্ষকতায় ফিরলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন শেষে আবারও নিজের মূল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে গেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া (জিরি মাদরাসা)-তে নিয়মিত পাঠদান করছেন।জানা গেছে, তিনি সপ্তাহে দুইদিন দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর সমমান) বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় শিক্ষককে ফিরে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানান, “হুজুরের ক্লাস শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি বাস্তব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—এটা আমাদের জন্য গর্বের।”প্রতিষ্ঠানটির মুহতামিম মাওলানা খুবাইব বিন তৈয়ব বলেন, “২০২১ সাল থেকে তিনি এখানে শিক্ষকতা করছেন। উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকাকালে নিয়মিত ক্লাস নিতে পারেননি, তবে এখন আবার শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরে আসা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।”নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ড. খালিদ হোসেন বলেন, “শিক্ষকতাই আমার মূল পরিচয়। জীবনের এই পর্যায়ে এসে আবার শিক্ষার্থীদের মাঝে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। বাকি সময়টুকু শিক্ষার সঙ্গেই কাটাতে চাই।”উল্লেখ্য, দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে তিনি ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৫ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় হাজিদের উদ্বৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা পায়। বর্তমানে তিনি ইতিহাস ও হাদিস শাস্ত্র পড়ানোর পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞানচর্চায় অবদান রেখে চলেছেন।
সাগরে ডুবছে শত শত যুবকের ইউরোপ স্বপ্ন
সাগরে ডুবছে শত শত যুবকের ইউরোপ স্বপ্নডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ যেতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন দেশের শত শত যুবক। দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে ১৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ করেও অনেকেই পৌঁছাতে পারছেন না গন্তব্যে; বরং প্রাণ হারাচ্ছেন ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউয়ে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “ইউরোপ গেম” নামে পরিচিত এই বিপজ্জনক যাত্রা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চাভিলাষী মানসিকতা ও দ্রুত সফল হওয়ার প্রবণতাও এ ঝুঁকির অন্যতম কারণ।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইতালি যাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই বাংলাদেশি। চলতি বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত ৫,৯০১ জন ইতালিতে পৌঁছেছেন, যার মধ্যে ১,৩৫৮ জন বাংলাদেশি।বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৬ থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবকরাই সবচেয়ে বেশি এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়াচ্ছেন। তাদের অধিকাংশই দেশের বিভিন্ন জেলার গ্রামাঞ্চল থেকে আসা।লিবিয়া ফেরত বাংলাদেশিদের তথ্য বলছে, প্রায় ৬০ শতাংশকে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ৮৯ শতাংশই কোনো কাজ পাননি, বরং নির্যাতন ও মানবেতর অবস্থার শিকার হয়েছেন।সম্প্রতি সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ঠান্ডা ও খাদ্যের অভাবে ১৩ বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতদের সবাই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ পরিবারের।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন। তবে এ যাত্রায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন, তার নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ধারণা করছে, ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই বাংলাদেশি।অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানব পাচার রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয়তা এবং সামাজিক-ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন তারা।সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অবৈধভাবে বিদেশগমন করলে পূর্ণ আইনি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে অবৈধ অভিবাসন রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, অবৈধ পথে বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়লে তা দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি পরিবারগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং ঝুঁকিপূর্ণ এ যাত্রা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।
এমপিরা কি নিজেদের বেতন নিজেরাই ঠিক করবেন? প্রশ্ন তুললেন ডাঃ তাসনিম জারা
এমপিরা কি নিজেদের বেতন নিজেরাই ঠিক করবেন? প্রশ্ন তুললেন ডাঃ তাসনিম জারাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণি যখন ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে আসছেন, তখন সংসদ সদস্যদের (এমপি) সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এমপিদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক ও বিশ্লেষক ডাঃ তাসনিম জারা।তিনি বলেন, শিক্ষকরা দিনের পর দিন আন্দোলন করেও ন্যায্য বেতন পান না, ডাক্তাররা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হন, নার্সরা আন্দোলনে নামেন, কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। একইসঙ্গে ছোট ব্যবসায়ীরাও নানা সংকটে হিমশিম খাচ্ছেন। অর্থাৎ, দেশ একাধিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু এই বাস্তবতায় সংসদে এমপিদের নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা দ্রুত অগ্রসর হয়। দাবি উঠলেই তা বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে দ্রুত সমাধানের দিকে এগোয়। অথচ সাধারণ জনগণের সমস্যায় এমন ঐক্য ও দ্রুততা খুব কমই দেখা যায়।ডাঃ জারা মনে করেন, এমপিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সংসদে যান—নিজেদের সুবিধা নির্ধারণের জন্য নয়। একজন শিক্ষক যখন মাসের পর মাস আন্দোলন করেও সাড়া পান না, আর এমপিরা কয়েক দিনের মধ্যে নিজেদের সুবিধা নির্ধারণ করে ফেলেন, তখন জনগণের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।তিনি আরও বলেন, এমপিদের নিজেদের বেতন-ভাতা নিজেরাই নির্ধারণ করা নীতিগতভাবে ভুল। পৃথিবীর কোনো পেশাতেই ব্যক্তি নিজে নিজের বেতন নির্ধারণ করেন না। এটি স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করে। যেমন—ডাক্তারের বেতন নির্ধারণ করে হাসপাতাল বা সরকার, শিক্ষকের বেতন নির্ধারণ করে শিক্ষা বোর্ড, সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণ করে পে কমিশন।এই প্রেক্ষাপটে তিনি একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, যা এমপিদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করবে। এই কমিটি বিভিন্ন পেশার সঙ্গে তুলনা করে এমপিদের দায়িত্ব, সময়, ঝুঁকি ও প্রয়োজন বিবেচনায় একটি যৌক্তিক কাঠামো নির্ধারণ করবে।তিনি বলেন, এই কমিটি শুধু সুবিধা বাড়ানো বা কমানোর জন্য নয়; বরং কোনটি প্রয়োজনীয় এবং কোনটি অপ্রাসঙ্গিক—তা নির্ধারণ করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমপিদের যাতায়াত ও জনসংযোগের জন্য সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে, আবার কিছু বিলাসবহুল সুবিধা সময়ের প্রেক্ষাপটে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়তে পারে।ডাঃ জারা আরও প্রস্তাব করেন, এই কমিটিতে বিচারক, অর্থনীতিবিদ, প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিও থাকা উচিত—যেমন একজন শিক্ষক, একজন নার্স বা একজন ছোট ব্যবসায়ী। কারণ এমপিদের সুবিধা নির্ধারণ শেষ পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, এমপিদের উচিত নিজেরাই এমন প্রস্তাব উত্থাপন করা। এতে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং স্বার্থের সংঘাত থেকে বের হয়ে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থার সূচনা হবে।
জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিস্টাফ রিপোর্টার | সিরাজগঞ্জ | ২১ এপ্রিল ২০২৬জামায়াতের সংসদ সদস্য আমির হামজা-এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-কে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে করা একটি মানহানির মামলায় এই পরোয়ানা জারি করা হয়।এর আগে আদালত আমির হামজাকে ১৯ এপ্রিল হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন আমির হামজা।এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়।
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতা
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতানিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।তবে মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে ছুটির তালিকায় কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের নির্ধারিত ছুটি অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল ছুটি থাকলেও ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নেই। ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের পরিবর্তে মাত্র একদিন ছুটি পাচ্ছে।জানা গেছে, বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্কুল-কলেজে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করবে শিক্ষার্থীরা।অন্যদিকে ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে ১২ ও ১৩ এপ্রিল মাদরাসায় ছুটি রাখা হয়নি। ফলে সেখানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, শুধুমাত্র ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছুটি থাকবে।ছুটি শেষে আগামী ১৫ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম শুরু হবে।
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহতনিজস্ব সংবাদদাতা:লেবানন-এর রাজধানী বৈরুত-এ ইসরাইলি বিমান হামলায় দিপালী নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন।শুক্রবার বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা যায়, বুধবার বৈরুতের হামরা এলাকায় তার কফিলের পরিবারের সঙ্গে অবস্থানকালে ভয়াবহ এয়ার স্ট্রাইকে তিনি নিহত হন।নিহত দিপালী ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শেখ মোফাজ্জলের মেয়ে।দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে বৈরুতের রফিক হারিরি হাসপাতালে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।এদিকে একই হামলায় দিপালীর কফিল ও তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রতিবেশীদের বরাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।