রাজনীতি
মোট সংবাদ: 128 টি
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন মডেল থানা দক্ষিণের দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন মডেল থানা দক্ষিণের দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিতপয়গাম ডেস্ক: বরিশালইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর আওতাধীন মডেল থানা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে দায়িত্বশীলদের নিয়ে এক তারবিয়াত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৬ মে ২০২৬) আয়োজিত এ তারবিয়াত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ রিফাত লস্কর।মডেল থানা দক্ষিণ শাখার সভাপতি মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তারবিয়াতে সংগঠনের আদর্শ, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও দায়িত্বশীলদের করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।বক্তারা বলেন, একজন দায়িত্বশীল কর্মীর মাঝে আদর্শিক চেতনা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয় থাকতে হবে। ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানানো হয়।তারবিয়াতে থানা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী আন্দোলনে আসছে ছাত্রী উইং, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
ইসলামী আন্দোলনে আসছে ছাত্রী উইং, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামসাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি প্রথমবারের মতো পৃথক ‘ছাত্রী উইং’ গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। আগামী ঈদুল আজহার পর এই ইউনিটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।দলীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নারী ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই নতুন এই ছাত্রী সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় দলটির কোনো স্বতন্ত্র নারী ইউনিট ছিল না। তবে গত বছরের ৮ মার্চ একটি মহিলা ইউনিট গঠন করা হয়। এরপর মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নে দেখা যায়, তরুণ নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে কার্যকর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন।দলটির নেতারা মনে করছেন, ইসলামি মূল্যবোধভিত্তিক নারী নেতৃত্ব তৈরিতে এই উইং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, দাওয়াহ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।গাজী আতাউর রহমান বলেন, নারীদের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম আগেও ছিল, তবে এখন পৃথক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তিনি জানান, নতুন এই ইউনিট ইসলামী আন্দোলনের অধীনেই স্বতন্ত্রভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, নেতৃত্বে আলেমা, চিকিৎসক ও শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। আগামী ১৮ মে কেন্দ্রীয় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরে গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারী শিক্ষার্থীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করছে দলটি। তবে ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রমে নতুন এই উইং কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণের ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণের ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণ শাখার ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ আশরাফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মাহাদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মান্না ইসলাম।কমিটি ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শপথ পাঠ করান ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মহানগরের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম।এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করেন এবং ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।২৫ নং ওয়ার্ড ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিতবরিশাল প্রতিনিধি: | আজকের পয়গাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সাগরদী কাফরা বাড়ি মসজিদে আয়োজিত এ বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসান মোঃ ইয়াহইয়া মাহমুদ।সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব জাকির হোসেন কাফরা এবং সঞ্চালনা করেন মাওলানা আঃ মান্নান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এম ফয়সাল খান।বৈঠকে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ নতুন উদ্দোমে মাঠপর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমকে বেগবান করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী নীলা ইসরাফিল।মঙ্গলবার (৬ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার শেয়ার করে এ ঘোষণা দেন তিনি। পোস্টে নীলা ইসরাফিল লিখেছেন, “সবার ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা আমাদের অধিকার। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”ঘোষণার পরপরই তিনি আরও দুটি পোস্ট দেন। এক পোস্টে ভোটারদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, “কাকে ভোট দিতে চান? রাজাকারের বাচ্চাদের নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারীকে?” অপর এক পোস্টে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও উন্নত নগর হিসেবে গড়ে তুলবেন। পাশাপাশি নগরীকে ‘রাজাকারমুক্ত’ রাখার কথাও উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, নীলা ইসরাফিল জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেও দলটির আরেক নেতা সারোয়ার তুষারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করেন।
বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে আমরা সমঝোতা ত্যাগ করেছিলাম
বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে আমরা সমঝোতা ত্যাগ করেছিলামনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে তারা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাননি এবং সবসময়ই স্বচ্ছ ও প্রকাশ্য রাজনীতি করেছেন।শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক দল যখন ইসলামকে উপেক্ষা করে গোপন আঁতাতে লিপ্ত ছিল, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। আমরা কোনো গুপ্ত রাজনীতি করি না; আমাদের কার্যক্রম সবই প্রকাশ্য।”শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে ফয়জুল করীম বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রমিক কার্ড চালুর দাবি জানান তিনি। এ কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের চিকিৎসা, খাদ্য ও আবাসনের নিশ্চয়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, সংসদে আবারও মুক্তিযুদ্ধ ও রাজাকার ইস্যু উত্থাপন করে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর উচিত তাদের অবস্থান পরিষ্কার করা—তারা শরিয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চায় নাকি প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করে।এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসা থেকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান তিনি। দেশে নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ তৈরির অভিযোগ তুলে এসব বন্ধ করার আহ্বানও জানান এই নেতা।সমাবেশে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইশরাককে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, পাল্টা জবাবে জামায়াত এমপি
ইশরাককে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, পাল্টা জবাবে জামায়াত এমপিনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬বিরোধী দলকে নিয়ে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বক্তব্যের পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্য।বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “যদি বিরোধী দলের পতনের কথা বলা হয়, তবে ভবিষ্যতে বিরোধী দলই ক্ষমতায় আসবে—ইনশাআল্লাহ।”এর আগে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, “বিরোধী দল যদি সরকারকে পতনের হুমকি দেয়, তাহলে তাদের অবস্থান থেকেই তাদের পতন ঘটানো হবে।”তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, কাল গেজেট
সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, কাল গেজেটস্টাফ রিপোর্টার:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। শূন্য পদের বিপরীতে সমসংখ্যক প্রার্থী থাকায় আইন অনুযায়ী সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হচ্ছে।ইসি সূত্রে জানা গেছে, গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এরপর তাদের শপথ গ্রহণের আয়োজন করা হবে।রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, প্রার্থীদের বৈধ তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্ড চান আসিফ মাহমুদ
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্ড চান আসিফ মাহমুদডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র এক অনুষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ “কার্ড” চালুর আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, দেশের বর্তমান বড় সমস্যা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে তিনি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবিরোধী কার্ড চালুর দাবি জানান।সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্বলতার পরিচয় দিচ্ছে। জ্বালানি সংকট, অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অসংগতি তুলে ধরেন তিনি।এনসিপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ বলেন, দলকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং নির্বাচনে ভোটের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, এনসিপিকে ভোট দিলে একটি ভোটও নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ, ইসহাক সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রাজশাহীতে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় দখল ঘিরে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
শ্রমিক দল ও প্রতিপক্ষ শ্রমিকদের মুখোমুখি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, ভাঙচুরে আতঙ্কনিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:রাজশাহীতে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।অভিযোগ রয়েছে, মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখির নেতৃত্বে তার সমর্থকরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে ৫ থেকে ৬টি ককটেলের বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আতঙ্কে স্থানীয় লোকজন ছুটোছুটি শুরু করেন। এ সময় দুই পক্ষের হাতেই রড, পাইপসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।জানা গেছে, সরকারের পরিবর্তনের পর রফিকুল ইসলাম পাখি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন শ্রমিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ ওঠে।এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পাখিকে অবরুদ্ধ করে ইউনিয়ন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং নতুন নির্বাচনের দাবি তোলেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নেয়।দুপুর থেকেই শিরোইল এলাকায় পাখির বিরোধী শ্রমিকরা অবস্থান নেন। অপরদিকে, তার সমর্থকরা রেলগেট এলাকায় জড়ো হন। পরে বিকেলে মিছিল নিয়ে শিরোইলের দিকে অগ্রসর হলে শুরু হয় সংঘর্ষ।সংঘর্ষ চলাকালে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। দোকানপাট, ভবনের কাঁচ ও একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেনি। অনেকটা নীরব দর্শকের মতো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে পুলিশ।তাণ্ডব শেষে হামলাকারীরা রেলগেট এলাকার দিকে সরে যায়। তবে সংঘর্ষের পর থেকে শিরোইল বাস টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
শিক্ষাঙ্গণে সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গণে সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশনিজস্ব প্রতিবেদক:শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও সহিংসতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান সহিংস ছাত্ররাজনীতি গভীর উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) মধুর ক্যান্টিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, পেশিশক্তির প্রদর্শন ও সহিংস কর্মকাণ্ড শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত জ্ঞানচর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নিরাপদ ক্ষেত্র। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও ভীতির সংস্কৃতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।তিনি আরও বলেন, অতীতের সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধ করে প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষাঙ্গনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সংবাদ সম্মেলন থেকে দুই দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়—১. ২৪ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ উত্তর গেইট থেকে সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা।২. ২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, দেশব্যাপী ক্যাম্পাসসমূহে সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাত; প্রতিবাদে বিক্ষোভ
রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাত; প্রতিবাদে বিক্ষোভনিজস্ব প্রতিনিধি, রাবি:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রদল নেতার অতর্কিত হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে রাকসু নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন—আমার ভাইকে মারল কেন, প্রশাসন জবাব চাইশিক্ষা-সন্ত্রাস একসাথে চলে নাঅ্যাকশন, অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশনবিচার চাই, সন্ত্রাসীদের বিচার চাইভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাসান জানান, চারুকলা এলাকায় বহিরাগতদের উৎপাতের জেরে প্রথমে তাদের এক সহপাঠীকে হেনস্তা করা হয়। পরে এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ছাত্রদল নেতা হাসিব তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ছুরিকাঘাত করে।একই বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন,আমরা দোষীদের শাস্তি চাই। ক্যাম্পাসে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন,এ ধরনের হামলা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জাজনক। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ বোধ করবে না।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদল নেতা হাসিব বহিরাগতদের নিয়ে এ হামলা চালায়।
মানহানির মামলায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানহানির মামলায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাডেস্ক রিপোর্ট। আজকের পয়গাম প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬মানহানিকর মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী নেতা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তাকে সমন জারি করা হয়েছিল। তবে হাজির না হওয়ায় আদালত শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে একটি ধর্মীয় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়, যা পরে আইনি জটিলতার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালতকে জানানো হয়েছিল যে সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে স্পিকারের অনুমতির বিষয় থাকতে পারে, তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিতে কোনো বাধা নেই—এই যুক্তি গ্রহণ করে আদালত আদেশ দেন।ঘটনাটির সূত্রপাত হয় ২৬ মার্চ, কুষ্টিয়ার একটি মসজিদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। ওই বক্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবিও করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।সব মিলিয়ে এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও আইনগত অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দেবীগঞ্জের তাসমিয়া প্রধান প্রথমবারের মতো যাচ্ছেন সংসদে
দেবীগঞ্জের তাসমিয়া প্রধান প্রথমবারের মতো যাচ্ছেন সংসদেউপজেলা প্রতিনিধি, দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়)প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন দেবীগঞ্জের কোনো সন্তান। সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়ন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে জোটের সিদ্ধান্তে তার মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই দেবীগঞ্জজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা ও আনন্দের আমেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাসমিয়া প্রধান।পঞ্চগড়-২ (দেবীগঞ্জ-বোদা) সংসদীয় আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাধীনতার পর থেকে এই এলাকার কোনো স্থানীয় বাসিন্দা জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও তারা কেউই ছিলেন না দেবীগঞ্জের নিজস্ব মানুষ। ফলে তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নকে দীর্ঘদিনের সেই শূন্যতা পূরণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।দেবীগঞ্জের জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতা রাকিব আদনান বলেন, “দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল—দেবীগঞ্জের একজন মানুষ সংসদে গিয়ে আমাদের কথা বলবেন। অবশেষে সেই আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।”স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নাজমুস সাকিব মুন বলেন, “এটি শুধু একটি মনোনয়ন নয়, বরং দেবীগঞ্জের দীর্ঘদিনের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বঞ্চনা কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের জন্ম দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের একটি রাজনৈতিক পরিবারে। তার বাবা মরহুম শফিউল আলম প্রধান ছিলেন দেশের একজন পরিচিত রাজনীতিক ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা। তার দাদা গমির উদ্দিন প্রধান পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের শেষ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তাসমিয়া প্রধান বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি লন্ডনের সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে ‘বার অ্যাট ল’ ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৮ সালে জাগপার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। একই বছরে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-2 আসন থেকে অংশ নিয়ে তিনি ওই আসনের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসেন।সব মিলিয়ে, দেবীগঞ্জবাসী এখন অপেক্ষায়—তাদের এই স্বপ্ন কবে বাস্তবে রূপ নেয় এবং ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউটনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবাররাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান।এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন নিয়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। বিতর্কের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “আজ আমরা দুঃখ নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। ভবিষ্যতে আবার দেখা হবে।”বিকেলে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ অধ্যাদেশ অনুমোদন নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়। জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি হুবহু অনুমোদনের সুপারিশ করলেও, পরে তিনটি সংশোধনী যুক্ত করে বিলটি পাস করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।বিল পাসের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, সংশোধনীর মাধ্যমে রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গ করা হয়েছে এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে সংশোধিত আকারে বিল পাস করা হয়েছে।অন্যদিকে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশোধনী সরকার আনেনি; একজন বেসরকারি সদস্য প্রস্তাব করেছেন। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে বিলটি আবার সংশোধনের সুযোগ রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।এ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।
বিসিসি নির্বাচন ঘিরে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ আবদুল্লাহ নাসির
বিসিসি নির্বাচন ঘিরে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ আবদুল্লাহ নাসিরস্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সিনিয়র আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির। দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ে তার নাম নিয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।জানা যায়, শেখ আবদুল্লাহ নাসির ইসলামী আইনজীবী পরিষদ বরিশাল এর সভাপতি এবং ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও বরিশাল আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বরিশাল নগরীর বাজার রোড, সাগর গলি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতা ছিলেন পুলিশ বিভাগের সদস্য, যিনি ন্যায়-পরায়ণতা ও সততার জন্য এলাকায় পরিচিত ছিলেন। পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আইন পেশার মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।শেখ আবদুল্লাহ নাসির বলেন, “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে জনগণের সেবাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমি নগরবাসীর খেদমত করতে চাই এবং তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। বরিশালকে একটি বাসযোগ্য ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো।”তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে নগরবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আমি বরিশালের ‘নগর বন্ধু’ হতে চাই এবং জনসাধারণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করবো।”সংশ্লিষ্টরা জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। তফসিল ঘোষণার পর বিএনপি, বাসদ, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাদের প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, রংপুরে ১১ দলের লিফলেট বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, রংপুরে ১১ দলের লিফলেট বিতরণনিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর | প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুর মহানগরে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরের প্রেস ক্লাব এলাকা, জাহাজ কোম্পানি মোড়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।কর্মসূচিতে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগরের আমির এটিএম আজম খান, সহকারী সেক্রেটারি আলামিন হাসান, কোতোয়ালি থানা আমির মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর মহানগরের সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলাল উদ্দিন কাদেরী শান্তি, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়নসহ জোটের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ জাতীয় সংসদের পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তারা বলেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পথ বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।বক্তারা আরও দাবি করেন, সরকার একতরফাভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া দুর্বল করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ তোলেন।জামায়াত নেতা এটিএম আজম খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান নেতারা।
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোটার উপস্থিতি কম
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোটার উপস্থিতি কমস্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া | ০৯ এপ্রিল ২০২৬বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ উঠেছে। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল বিএনপির বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছেন।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে শুরু থেকেই ভোটার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। বেলা বাড়লেও উপস্থিতি তেমন বাড়েনি। বগুড়ার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, দুপুর ১২টা পর্যন্ত অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ৭ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।বগুড়া করনেশন স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টায় মাত্র ১০৭টি ভোট পড়েছে, যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৬০ জন। কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি কম হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়বে বলে তিনি আশা করছেন।এদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মালতিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর যেসব কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার নিয়ম, তা সকালেই আগাম স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া রাজাপুর কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দিয়ে বিএনপি কেন্দ্র দখল করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনার সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৪ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৭৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১০ জন। মোট ১৫০টি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী— বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন (ফুলকপি)।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে ৮ প্লাটুন বিজিবি, পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবের টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক কর্মকর্তারাও দায়িত্ব পালন করছেন।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।