neexra

অপরাধ

হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক
27 মার্চ, 2026

হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক

হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালকস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী। অন্যদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান পাখি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৫০০-৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। এসময় গুলিতে দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন।পরে তাকে প্রথমে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়।

3 weeks,3 days আগে পড়ুন
১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারা
26 মার্চ, 2026

১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারা

১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারাকলকাতা প্রতিনিধিপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৮দিল্লির একটি বিশেষ আদালত দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ১১ দিনের জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর হেফাজতে পাঠিয়েছে। গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তারের পর ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের নয়াদিল্লিতে নেওয়া হয় এবং মঙ্গলবার বিশেষ এনআইএ আদালতে হাজির করা হয়।অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং পরে বাংলাদেশে ফেরার সময় বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়।গত ২৪ মার্চ পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রশান্ত শর্মা তাদের ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে এনআইএ জানায়, চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ থেকে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাদের আটক করে। এ সময় আদালত মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলে।বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর রাহুল ত্যাগী আদালতে বলেন, অভিযুক্তদের অবৈধ অনুপ্রবেশের পেছনে বৃহত্তর কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এ কারণে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় অটোরিকশায় ভ্রমণকালে গুলিতে নিহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এ হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; এর পেছনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এনআইএ বর্তমানে খতিয়ে দেখছে—ভারতে অবস্থানকালে অভিযুক্তদের কারা আশ্রয় ও সহায়তা দিয়েছে এবং মেঘালয় থেকে বনগাঁ পর্যন্ত তাদের চলাচলের নেটওয়ার্ক কীভাবে গড়ে উঠেছে।গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই ঘটনার সঙ্গে বৃহত্তর কোনো নাশকতার পরিকল্পনাও জড়িত থাকতে পারে। ফলে ঘটনাটি ঘিরে দুই দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

3 weeks,4 days আগে পড়ুন
neexra