দুর্ঘটনা
মোট সংবাদ: 7 টি
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজকের পয়গাম ডেস্ক | বরিশালবরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরআইচা গ্রামের বাসিন্দা রিনা আক্তারের ঘর অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন শায়খে চরমোনাই।সংবাদ পেয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই-এর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য টিন, ঘর মেরামতের বিভিন্ন সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় তুলে দেন বরিশাল মহানগর নেতৃবৃন্দ।নেতৃবৃন্দ বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মানুষের দুর্যোগ-দুর্বিপাকে পাশে থাকবে বলে তারা আশ্বাস দেন।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এ সহায়তা পেয়ে শায়খে চরমোনাই ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বরিশালে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, সন্ধানদাতাকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা
বরিশালে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, সন্ধানদাতাকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণানিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশালবরিশালে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম মো. জামাল খলিফা। তিনি নিজেকে সাইফুল ইসলাম নামেও পরিচয় দিয়ে থাকেন। তিনি বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বছর রমজান মাসে শিকলবন্দি অবস্থায় তালা ভেঙে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর থেকে বরিশাল ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে এক বছর অতিবাহিত হলেও এখনো তার খোঁজ মেলেনি।নিখোঁজ ব্যক্তির ছোট ভাই জানান, এখনো তারা তার সন্ধান পেতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো সুহৃদ ব্যক্তি তার সন্ধান দিতে পারলে কিংবা তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিলে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ ২০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার প্রদান করা হবে।এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি থানায় জিডি নং-১২১০, তারিখ: ২০/০৩/২০২৫ ইং দায়ের করা হয়েছে।যোগাযোগ:বরিশাল, রূপাতলী: ০১৭২৮৩১৯২৪৩ (হোয়াটসঅ্যাপ)ঢাকা, মোহাম্মদপুর: ০১৭৪৮৩১৪৫৫০
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্রীনভিউ পরিবহন দ্বিখণ্ডিত, হতাহতের আশঙ্কা
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্রীনভিউ পরিবহন দ্বিখণ্ডিত, হতাহতের আশঙ্কানিজস্ব প্রতিবেদন। আজকের পয়গামঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের বামরাইল ও বাটাজোড়ের মাঝামাঝি এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। আজ (রোববার) দুপুরে গ্রীনভিউ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। এতে হতাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে চলার সময় হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আঘাত করে। আঘাতের তীব্রতায় বাসটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন এবং আহতদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে প্রায়ই বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচলের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
পাটুরিয়ায় চলন্ত ফেরিতে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে — হতাহতের খবর নেই
পাটুরিয়ায় চলন্ত ফেরিতে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে — হতাহতের খবর নেইনিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের পয়গামমানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি চলন্ত ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেরিটি ঘাট ছাড়ার কিছু দূর যাওয়ার পরই হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচিতে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।তবে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনে।তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম জানান, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এ ধরনের সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং বর্তমানে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সেই বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার: দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া দুর্ঘটনা
সেই বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার: দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া দুর্ঘটনা।আজকের পয়গাম ডেস্ক। প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৯রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ বাসের চালক আরমান খান (৩১) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আরমান রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করা বাসটি ফেরিঘাটের পন্টুন দিয়ে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় আরমান নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন বলে দাবি করেছেন তার পরিবার ও বাসের অন্যান্য স্টাফরা।দুর্ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি গুজবের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত চালকের স্বজনরা। আরমানের ফুপাতো ভাই বলেন,"অনেকেই গুজব ছড়িয়েছেন যে আরমান পান খাওয়ার জন্য বাস থেকে নেমেছিলেন এবং হেলপার বাসটি চালাচ্ছিল। কিন্তু এই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আরমান যদি বাস থেকে নেমেই যেতেন, তবে পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হতো না।"নাম প্রকাশ না করার শর্তে সৌহার্দ্য পরিবহনের একজন কর্মী জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় বাসের চালক আরমান নিজেই ছিলেন এবং তার কাছে বৈধ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের শোক প্রকাশ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের শোক প্রকাশনিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ও পীর সাহেব চরমোনাই।আজ (২৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, “ঘটনার অভিঘাতে আমরা বাকরুদ্ধ ও স্তম্ভিত হয়েছি। এতোগুলো যাত্রী নিয়ে একটি বাস নদীতে ডুবে যাচ্ছে—এই দৃশ্যে আমরা শিউরে উঠেছি। বাসে থাকা যাত্রীদের পরিনতির ভাবনায় কম্পিত হয়েছি। এই দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের আল্লাহ শাহাদাতের মর্যাদা দান করুন—এ দোয়া করি। বেদানার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।”মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, “একই সাথে এখানে কারো অবহেলা ছিল কিনা এবং পদ্ধতিগত কোনো সমস্যা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা চাই না এই ধরনের দুর্ঘটনা পুনরায় ঘটুক।”স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে তৎপরতা চালাচ্ছেন, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
ঢাকাগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ভয়াবহ আগুন, অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো
ঢাকাগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ভয়াবহ আগুন, অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানোনিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় ঢাকাগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুনের সূত্রপাত হয়।প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি ফৌজদারহাট এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ পাওয়ার কারে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিতে ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রী দ্রুত বগি থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে চলে যান।খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বগিটি উদ্ধার করার কাজ চলছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।