সকল সংবাদ 439 টি
আন্তর্জাতিক
ঢাকায় ১০০ দিনের কার্যক্রম তুলে ধরলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঢাকায় ১০০ দিনের কার্যক্রম তুলে ধরলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূতনিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে নিজের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত হিসাব তুলে ধরেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা জানান। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে—এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ওয়াশিংটন আগ্রহী।বাংলাদেশে অবস্থানকালে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, তিনি ও তার স্ত্রী ডিয়ান বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে আন্তরিক অভ্যর্থনা পেয়েছেন। পহেলা বৈশাখ উদযাপন, সাংস্কৃতিক স্থান ভ্রমণ এবং স্থানীয় খাবারের স্বাদ গ্রহণের অভিজ্ঞতাও তিনি শেয়ার করেন।নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়কে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি তা বাস্তবায়নে কাজ করছেন।বাণিজ্য খাত নিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং উভয় দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।অভিবাসন প্রসঙ্গে তিনি জানান, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি রোধে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, যক্ষ্মা ও হামসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় নতুন অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে।রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শরণার্থীদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে কাজ করছে এবং সংকটের রাজনৈতিক সমাধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রথম ১০০ দিনের অভিজ্ঞতা তাকে আরও আশাবাদী করেছে এবং সামনে আরও সফলতা অর্জনের প্রত্যাশা করছেন তিনি।
জাতীয়
এমপিরা কি নিজেদের বেতন নিজেরাই ঠিক করবেন? প্রশ্ন তুললেন ডাঃ তাসনিম জারা
এমপিরা কি নিজেদের বেতন নিজেরাই ঠিক করবেন? প্রশ্ন তুললেন ডাঃ তাসনিম জারাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণি যখন ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে আসছেন, তখন সংসদ সদস্যদের (এমপি) সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এমপিদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক ও বিশ্লেষক ডাঃ তাসনিম জারা।তিনি বলেন, শিক্ষকরা দিনের পর দিন আন্দোলন করেও ন্যায্য বেতন পান না, ডাক্তাররা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হন, নার্সরা আন্দোলনে নামেন, কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। একইসঙ্গে ছোট ব্যবসায়ীরাও নানা সংকটে হিমশিম খাচ্ছেন। অর্থাৎ, দেশ একাধিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু এই বাস্তবতায় সংসদে এমপিদের নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা দ্রুত অগ্রসর হয়। দাবি উঠলেই তা বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে দ্রুত সমাধানের দিকে এগোয়। অথচ সাধারণ জনগণের সমস্যায় এমন ঐক্য ও দ্রুততা খুব কমই দেখা যায়।ডাঃ জারা মনে করেন, এমপিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সংসদে যান—নিজেদের সুবিধা নির্ধারণের জন্য নয়। একজন শিক্ষক যখন মাসের পর মাস আন্দোলন করেও সাড়া পান না, আর এমপিরা কয়েক দিনের মধ্যে নিজেদের সুবিধা নির্ধারণ করে ফেলেন, তখন জনগণের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।তিনি আরও বলেন, এমপিদের নিজেদের বেতন-ভাতা নিজেরাই নির্ধারণ করা নীতিগতভাবে ভুল। পৃথিবীর কোনো পেশাতেই ব্যক্তি নিজে নিজের বেতন নির্ধারণ করেন না। এটি স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করে। যেমন—ডাক্তারের বেতন নির্ধারণ করে হাসপাতাল বা সরকার, শিক্ষকের বেতন নির্ধারণ করে শিক্ষা বোর্ড, সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণ করে পে কমিশন।এই প্রেক্ষাপটে তিনি একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, যা এমপিদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করবে। এই কমিটি বিভিন্ন পেশার সঙ্গে তুলনা করে এমপিদের দায়িত্ব, সময়, ঝুঁকি ও প্রয়োজন বিবেচনায় একটি যৌক্তিক কাঠামো নির্ধারণ করবে।তিনি বলেন, এই কমিটি শুধু সুবিধা বাড়ানো বা কমানোর জন্য নয়; বরং কোনটি প্রয়োজনীয় এবং কোনটি অপ্রাসঙ্গিক—তা নির্ধারণ করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমপিদের যাতায়াত ও জনসংযোগের জন্য সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে, আবার কিছু বিলাসবহুল সুবিধা সময়ের প্রেক্ষাপটে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়তে পারে।ডাঃ জারা আরও প্রস্তাব করেন, এই কমিটিতে বিচারক, অর্থনীতিবিদ, প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিও থাকা উচিত—যেমন একজন শিক্ষক, একজন নার্স বা একজন ছোট ব্যবসায়ী। কারণ এমপিদের সুবিধা নির্ধারণ শেষ পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, এমপিদের উচিত নিজেরাই এমন প্রস্তাব উত্থাপন করা। এতে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং স্বার্থের সংঘাত থেকে বের হয়ে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থার সূচনা হবে।
সারাদেশ
প্রবাস জীবনে পা রাখছেন সাকিল আহমদ, বরিশালে বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
প্রবাস জীবনে পা রাখছেন সাকিল আহমদ, বরিশালে বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতস্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, বরিশাল মহানগরের আওতাধীন বিসিসি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মুহাম্মাদ সাকিল আহমদের প্রবাস জীবন উপলক্ষে এক বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা সাকিল আহমদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন এবং তাঁর প্রবাস জীবন সফল ও কল্যাণময় হওয়ার কামনা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে থেকেও তিনি যেন দেশ, জাতি ও দ্বীনের খেদমতে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পারেন।শেষে সাকিল আহমদের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও সফলতার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়ায় আল্লাহ তাআলার নিকট তাঁর রিজিক, কর্ম ও জীবনে বরকত কামনা করা হয়।দোয়া ও শুভকামনায়ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশবরিশাল মহানগর।
রাজনীতি
রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাত; প্রতিবাদে বিক্ষোভ
রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাত; প্রতিবাদে বিক্ষোভনিজস্ব প্রতিনিধি, রাবি:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর ওপর ছাত্রদল নেতার অতর্কিত হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে রাকসু নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন—আমার ভাইকে মারল কেন, প্রশাসন জবাব চাইশিক্ষা-সন্ত্রাস একসাথে চলে নাঅ্যাকশন, অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশনবিচার চাই, সন্ত্রাসীদের বিচার চাইভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাসান জানান, চারুকলা এলাকায় বহিরাগতদের উৎপাতের জেরে প্রথমে তাদের এক সহপাঠীকে হেনস্তা করা হয়। পরে এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ছাত্রদল নেতা হাসিব তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ছুরিকাঘাত করে।একই বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন,আমরা দোষীদের শাস্তি চাই। ক্যাম্পাসে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন,এ ধরনের হামলা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জাজনক। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ বোধ করবে না।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদল নেতা হাসিব বহিরাগতদের নিয়ে এ হামলা চালায়।
শিক্ষা
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি আলেমদের সুযোগ চেয়ে বৈঠক, দ্রুত গেজেটের আশ্বাস
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি আলেমদের সুযোগ চেয়ে বৈঠক, দ্রুত গেজেটের আশ্বাসনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ এবং সেই পদে কওমি আলেমদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদি আমীন উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জানান, দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে আলাদা ধর্মীয় শিক্ষক পদ সৃষ্টি এবং সেখানে কওমি আলেমদের নিয়োগের সুযোগ প্রদান অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে।বৈঠক শেষে জানানো হয়, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কওমি আলেমদের সুযোগ প্রদানের বিষয়টি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশ্বাস দিয়েছেন।এ সময় ২০২৪ সালের শিক্ষা সিলেবাসে বিদ্যমান বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে বিশদ গবেষণা প্রতিবেদন শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তুলে দেন মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম। গবেষণাটি পর্যালোচনা করে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আলেমদের এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেন।বৈঠকে বক্তারা দ্রুত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান এবং সেই পদে কওমি আলেমদের যথাযথ অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জাতীয়
জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিস্টাফ রিপোর্টার | সিরাজগঞ্জ | ২১ এপ্রিল ২০২৬জামায়াতের সংসদ সদস্য আমির হামজা-এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-কে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে করা একটি মানহানির মামলায় এই পরোয়ানা জারি করা হয়।এর আগে আদালত আমির হামজাকে ১৯ এপ্রিল হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন আমির হামজা।এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়।
রাজনীতি
মানহানির মামলায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানহানির মামলায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাডেস্ক রিপোর্ট। আজকের পয়গাম প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬মানহানিকর মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী নেতা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তাকে সমন জারি করা হয়েছিল। তবে হাজির না হওয়ায় আদালত শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে একটি ধর্মীয় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়, যা পরে আইনি জটিলতার সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালতকে জানানো হয়েছিল যে সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে স্পিকারের অনুমতির বিষয় থাকতে পারে, তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিতে কোনো বাধা নেই—এই যুক্তি গ্রহণ করে আদালত আদেশ দেন।ঘটনাটির সূত্রপাত হয় ২৬ মার্চ, কুষ্টিয়ার একটি মসজিদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। ওই বক্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবিও করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।সব মিলিয়ে এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও আইনগত অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজনীতি
দেবীগঞ্জের তাসমিয়া প্রধান প্রথমবারের মতো যাচ্ছেন সংসদে
দেবীগঞ্জের তাসমিয়া প্রধান প্রথমবারের মতো যাচ্ছেন সংসদেউপজেলা প্রতিনিধি, দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়)প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন দেবীগঞ্জের কোনো সন্তান। সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়ন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে জোটের সিদ্ধান্তে তার মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই দেবীগঞ্জজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা ও আনন্দের আমেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাসমিয়া প্রধান।পঞ্চগড়-২ (দেবীগঞ্জ-বোদা) সংসদীয় আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাধীনতার পর থেকে এই এলাকার কোনো স্থানীয় বাসিন্দা জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও তারা কেউই ছিলেন না দেবীগঞ্জের নিজস্ব মানুষ। ফলে তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নকে দীর্ঘদিনের সেই শূন্যতা পূরণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।দেবীগঞ্জের জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতা রাকিব আদনান বলেন, “দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল—দেবীগঞ্জের একজন মানুষ সংসদে গিয়ে আমাদের কথা বলবেন। অবশেষে সেই আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।”স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নাজমুস সাকিব মুন বলেন, “এটি শুধু একটি মনোনয়ন নয়, বরং দেবীগঞ্জের দীর্ঘদিনের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বঞ্চনা কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের জন্ম দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের একটি রাজনৈতিক পরিবারে। তার বাবা মরহুম শফিউল আলম প্রধান ছিলেন দেশের একজন পরিচিত রাজনীতিক ও জাগপার প্রতিষ্ঠাতা। তার দাদা গমির উদ্দিন প্রধান পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের শেষ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তাসমিয়া প্রধান বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি লন্ডনের সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে ‘বার অ্যাট ল’ ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৮ সালে জাগপার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। একই বছরে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-2 আসন থেকে অংশ নিয়ে তিনি ওই আসনের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসেন।সব মিলিয়ে, দেবীগঞ্জবাসী এখন অপেক্ষায়—তাদের এই স্বপ্ন কবে বাস্তবে রূপ নেয় এবং ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
জাতীয়
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতা
৩ দিনের ছুটিতে স্কুল-কলেজে সুবিধা, মাদরাসায় ভিন্নতানিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।তবে মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে ছুটির তালিকায় কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের নির্ধারিত ছুটি অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল ছুটি থাকলেও ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নেই। ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের পরিবর্তে মাত্র একদিন ছুটি পাচ্ছে।জানা গেছে, বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্কুল-কলেজে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করবে শিক্ষার্থীরা।অন্যদিকে ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে ১২ ও ১৩ এপ্রিল মাদরাসায় ছুটি রাখা হয়নি। ফলে সেখানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, শুধুমাত্র ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছুটি থাকবে।ছুটি শেষে আগামী ১৫ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম শুরু হবে।
জাতীয়
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত
ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহতনিজস্ব সংবাদদাতা:লেবানন-এর রাজধানী বৈরুত-এ ইসরাইলি বিমান হামলায় দিপালী নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন।শুক্রবার বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা যায়, বুধবার বৈরুতের হামরা এলাকায় তার কফিলের পরিবারের সঙ্গে অবস্থানকালে ভয়াবহ এয়ার স্ট্রাইকে তিনি নিহত হন।নিহত দিপালী ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার চর হাজীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শেখ মোফাজ্জলের মেয়ে।দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে বৈরুতের রফিক হারিরি হাসপাতালে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।এদিকে একই হামলায় দিপালীর কফিল ও তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রতিবেশীদের বরাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাজনীতি
রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউটনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবাররাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান।এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন নিয়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। বিতর্কের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “আজ আমরা দুঃখ নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। ভবিষ্যতে আবার দেখা হবে।”বিকেলে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ অধ্যাদেশ অনুমোদন নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়। জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি হুবহু অনুমোদনের সুপারিশ করলেও, পরে তিনটি সংশোধনী যুক্ত করে বিলটি পাস করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।বিল পাসের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, সংশোধনীর মাধ্যমে রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গ করা হয়েছে এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে সংশোধিত আকারে বিল পাস করা হয়েছে।অন্যদিকে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশোধনী সরকার আনেনি; একজন বেসরকারি সদস্য প্রস্তাব করেছেন। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে বিলটি আবার সংশোধনের সুযোগ রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।এ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।
আন্তর্জাতিক
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মিন অং হ্লাইং
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মিন অং হ্লাইংআজকের পয়গাম ডেস্ক:মিয়ানমারের সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। রাজধানী নেপিদো-তে পার্লামেন্ট ভবনে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৯ বছর বয়সী মিন অং হ্লাইং শপথ গ্রহণ করেন।পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেলজয়ী নেতা অং সান সুচি-র নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। ২০২১ সালের ওই ঘটনার পর থেকেই মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।প্রায় অর্ধ-দশক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেশ শাসনের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেন তিনি। তবে এই নির্বাচনে সুচির দলসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি। মূলত সাবেক সেনাসদস্য ও সেনাবাহিনীর মিত্রদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই একপেশে নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয় সামরিক সমর্থিত পক্ষ।শপথ গ্রহণের সময় মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারে ‘ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সাম্য প্রতিষ্ঠার’ অঙ্গীকার করেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাঁচ বছরের মেয়াদের শুরুতে তিনি বলেন, “আমি মিয়ানমারের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করছি।”এর আগে তিনি সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন। এদিকে আগামী সোমবার থেকে মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসব থিনগিয়ান শুরু হতে যাচ্ছে।তবে গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো পুরো প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে। তাদের মতে, এটি প্রহসনমূলক নির্বাচন এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সামরিক শাসনের কার্যত কোনো পার্থক্য নেই—নতুন মোড়কে পুরনো ব্যবস্থারই ধারাবাহিকতা।
ইসলাম ও জীবন
৩ হাজার হাদিস মুখস্থ শুনিয়ে আলোচনায় ছারছীনা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ইমরান ফারুক
৩ হাজার হাদিস মুখস্থ শুনিয়ে আলোচনায় ছারছীনা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ইমরান ফারুকআজকের পয়গাম ডেস্ক: বরিশালবরিশালের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছারছীনা দ্বীনিয়া মাদ্রাসা-র ছাত্র মুহাম্মদ ইমরান ফারুক একসঙ্গে তিন হাজার হাদিস মুখস্থ শুনিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই অসাধারণ কৃতিত্ব ইতোমধ্যে সহপাঠী, শিক্ষক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।জানা গেছে, ইমরান ফারুক বর্তমানে মাদ্রাসাটির ইফতা বিভাগে অধ্যয়নরত। দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যবসায় এবং গভীর মনোযোগের ফল হিসেবে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। সম্প্রতি আয়োজিত এক বিশেষ আসরে তিনি ধারাবাহিকভাবে তিন হাজার হাদিস মুখস্থ শুনিয়ে উপস্থিত আলেম-উলামাদের বিস্মিত করেন।মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, হাদিস শাস্ত্রে এমন দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত কঠিন এবং দীর্ঘ সাধনার বিষয়। বিশেষ করে এত বিপুল সংখ্যক হাদিস নির্ভুলভাবে মুখস্থ রাখা একজন শিক্ষার্থীর অসাধারণ মেধা ও অধ্যবসায়ের পরিচায়ক।শিক্ষকরা জানান, ইমরান ফারুক শুরু থেকেই মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্র হিসেবে পরিচিত। তার এই অর্জন ভবিষ্যতে তাকে একজন দক্ষ মুহাদ্দিস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।এদিকে সহপাঠীরাও তার এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তাকে অনুসরণ করে হাদিস শিক্ষায় আরও মনোযোগী হওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন। ধর্মীয় মহলের মতে, ইমরান ফারুকের এই কৃতিত্ব দেশের মাদ্রাসা শিক্ষার মান ও সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে।
শিক্ষা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সহায়তা ডেস্ক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সহায়তা ডেস্কআজকের পয়গাম ডেস্ক: বরিশাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬ (ক ইউনিট) উপলক্ষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আগত অভিভাবকদের সহায়তায় ভর্তি সহায়তা ডেস্ক বসিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান, পরীক্ষা কেন্দ্রের তথ্য দেওয়া, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে এবং তারা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা গ্রহণ করেন।ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের যেকোনো ধরনের ভোগান্তি কমানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান, পানির ব্যবস্থা, কলমসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেন এবং আগত অভিভাবকদের তথ্য সহায়তা প্রদান
রাজনীতি
বিসিসি নির্বাচন ঘিরে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ আবদুল্লাহ নাসির
বিসিসি নির্বাচন ঘিরে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ আবদুল্লাহ নাসিরস্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সিনিয়র আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির। দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ে তার নাম নিয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।জানা যায়, শেখ আবদুল্লাহ নাসির ইসলামী আইনজীবী পরিষদ বরিশাল এর সভাপতি এবং ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও বরিশাল আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বরিশাল নগরীর বাজার রোড, সাগর গলি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতা ছিলেন পুলিশ বিভাগের সদস্য, যিনি ন্যায়-পরায়ণতা ও সততার জন্য এলাকায় পরিচিত ছিলেন। পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আইন পেশার মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।শেখ আবদুল্লাহ নাসির বলেন, “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে জনগণের সেবাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমি নগরবাসীর খেদমত করতে চাই এবং তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। বরিশালকে একটি বাসযোগ্য ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো।”তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে নগরবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আমি বরিশালের ‘নগর বন্ধু’ হতে চাই এবং জনসাধারণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করবো।”সংশ্লিষ্টরা জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। তফসিল ঘোষণার পর বিএনপি, বাসদ, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাদের প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে।
রাজনীতি
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, রংপুরে ১১ দলের লিফলেট বিতরণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, রংপুরে ১১ দলের লিফলেট বিতরণনিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর | প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুর মহানগরে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরের প্রেস ক্লাব এলাকা, জাহাজ কোম্পানি মোড়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।কর্মসূচিতে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগরের আমির এটিএম আজম খান, সহকারী সেক্রেটারি আলামিন হাসান, কোতোয়ালি থানা আমির মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর মহানগরের সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলাল উদ্দিন কাদেরী শান্তি, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়নসহ জোটের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ জাতীয় সংসদের পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তারা বলেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পথ বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।বক্তারা আরও দাবি করেন, সরকার একতরফাভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া দুর্বল করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ তোলেন।জামায়াত নেতা এটিএম আজম খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান নেতারা।
জাতীয়
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীনিজস্ব প্রতিবেদক:পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif ইসরায়েলকে “অশুভ এবং মানবতার জন্য অভিশাপ” বলে আখ্যায়িত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চলমান শান্তি আলোচনার মধ্যেই Israel লেবাননে হামলা চালাচ্ছে এবং নিরীহ মানুষের প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রথমে Gaza Strip, এরপর Iran এবং এখন Lebanon—একটির পর একটি অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে।এদিকে, পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad-এ United States ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনার আগ মুহূর্তে খাজা আসিফের এমন মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, তার এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান এবং নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ
জাতীয়
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রীস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১৪আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অযথা ভীত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রচলিত নকলের ধরণ পরিবর্তিত হয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে হচ্ছে। এ ধরনের নকল প্রতিরোধে শিগগিরই আইন প্রণয়ন করা হবে। এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এইচএসসি পরীক্ষা সব বোর্ডে একক প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই বরং এটি শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন যেকোনো কার্যক্রম সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। আগের মতো সরাসরি উপস্থিত না থেকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রায় ২,২৮৪টি কলেজে ৪০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে, যা দেশের মোট উচ্চশিক্ষার্থীর প্রায় ৭০ শতাংশ। এদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পাঠ্যক্রম আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নতুন কারিকুলামে টেকনিক্যাল ও দক্ষতাভিত্তিক কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। স্নাতক পর্যায়ে দ্বিতীয় বর্ষে উন্নত আইসিটি এবং তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে কর্মমুখী কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাখাতে বিনিয়োগের ঘাটতির কারণে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।তিনদিনব্যাপী এই কর্মশালায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়ে উঠবে।