সকল সংবাদ 439 টি
রাজনীতি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিতবরিশাল প্রতিনিধি: | আজকের পয়গাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের নির্বাহী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সাগরদী কাফরা বাড়ি মসজিদে আয়োজিত এ বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসান মোঃ ইয়াহইয়া মাহমুদ।সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব জাকির হোসেন কাফরা এবং সঞ্চালনা করেন মাওলানা আঃ মান্নান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এম ফয়সাল খান।বৈঠকে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ নতুন উদ্দোমে মাঠপর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমকে বেগবান করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাজনীতি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী নীলা ইসরাফিল।মঙ্গলবার (৬ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার শেয়ার করে এ ঘোষণা দেন তিনি। পোস্টে নীলা ইসরাফিল লিখেছেন, “সবার ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা আমাদের অধিকার। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”ঘোষণার পরপরই তিনি আরও দুটি পোস্ট দেন। এক পোস্টে ভোটারদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, “কাকে ভোট দিতে চান? রাজাকারের বাচ্চাদের নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারীকে?” অপর এক পোস্টে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও উন্নত নগর হিসেবে গড়ে তুলবেন। পাশাপাশি নগরীকে ‘রাজাকারমুক্ত’ রাখার কথাও উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, নীলা ইসরাফিল জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেও দলটির আরেক নেতা সারোয়ার তুষারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করেন।
জাতীয়
বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা তরুণী আটক
বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা তরুণী আটকনিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশালপ্রকাশিত: ৩ মে ২০২৬বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ।রোববার (৩ মে) ভোর রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম নগরীর কলসগ্রাম এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।আটক তরুণীর নাম জাহিদা বেগম (২০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আল আমিন নাঈমের নেতৃত্বে রাত প্রায় ২টা ৫০ মিনিটে কলসগ্রাম এলাকায় অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়।তল্লাশির এক পর্যায়ে বাসের একটি আসনে বসা জাহিদা বেগমের ব্যাগ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত মাদক বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল।এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রাজনীতি
বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে আমরা সমঝোতা ত্যাগ করেছিলাম
বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে আমরা সমঝোতা ত্যাগ করেছিলামনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, বিগত নির্বাচনে ইসলামের স্বার্থে তারা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাননি এবং সবসময়ই স্বচ্ছ ও প্রকাশ্য রাজনীতি করেছেন।শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক দল যখন ইসলামকে উপেক্ষা করে গোপন আঁতাতে লিপ্ত ছিল, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। আমরা কোনো গুপ্ত রাজনীতি করি না; আমাদের কার্যক্রম সবই প্রকাশ্য।”শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে ফয়জুল করীম বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রমিক কার্ড চালুর দাবি জানান তিনি। এ কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের চিকিৎসা, খাদ্য ও আবাসনের নিশ্চয়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, সংসদে আবারও মুক্তিযুদ্ধ ও রাজাকার ইস্যু উত্থাপন করে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর উচিত তাদের অবস্থান পরিষ্কার করা—তারা শরিয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চায় নাকি প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করে।এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসা থেকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান তিনি। দেশে নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ তৈরির অভিযোগ তুলে এসব বন্ধ করার আহ্বানও জানান এই নেতা।সমাবেশে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
তেতুলিয়ায় তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবি
তেতুলিয়ায় তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবিনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম পাশের দেশের প্রভাব বা চাপকে ভয় না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জ্বালানি তেলের খনি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির। তিনি মনে করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় অনুসন্ধান চালালে তা লাভজনক হতে পারে।তিনি প্রস্তাব করেন, একটি পশ্চিমা কোম্পানি, একটি এশীয় কোম্পানি এবং বাংলাদেশ যৌথভাবে কাজ করলে তেলের খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।জানা যায়, পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ার শালবাহন এলাকায় ১৯৮৬-৮৭ সালে দেশি-বিদেশি যৌথ জরিপে প্রায় ৯০০ মিটার গভীরে উত্তোলনযোগ্য জ্বালানি তেলের অস্তিত্বের সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অনুসন্ধান দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে সে সময় প্রচারিত হয়। এ খবরে দেশজুড়ে আশার সঞ্চার হয় এবং অনেকেই ধারণা করতে থাকেন—বাংলাদেশ হয়তো তেলের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নির্দেশনায় তেল উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পেট্রোলিয়াম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে একটি ফরাসি কোম্পানিও অনুসন্ধানে যুক্ত হয়। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সরকার ও ওই কোম্পানির মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জাতীয় বাজেট থেকে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং শালবাহনে প্রায় ১০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ৮ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত কূপ খননও সম্পন্ন হয়।১৯৮৮ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন কূপের উদ্বোধন করা হলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই রহস্যজনকভাবে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ফরাসি কোম্পানি জানায়, সেখানে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য তেলের মজুদ পাওয়া যায়নি।বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শেখ আবদুল্লাহ নাসির বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বচ্ছ চুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের জরিপ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে তেতুলিয়ায় পুনরায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে।তিনি আরও বলেন, নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ উত্তোলন সম্ভব হলে দেশের আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
রাজনীতি
ইশরাককে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, পাল্টা জবাবে জামায়াত এমপি
ইশরাককে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, পাল্টা জবাবে জামায়াত এমপিনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬বিরোধী দলকে নিয়ে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বক্তব্যের পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্য।বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “যদি বিরোধী দলের পতনের কথা বলা হয়, তবে ভবিষ্যতে বিরোধী দলই ক্ষমতায় আসবে—ইনশাআল্লাহ।”এর আগে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, “বিরোধী দল যদি সরকারকে পতনের হুমকি দেয়, তাহলে তাদের অবস্থান থেকেই তাদের পতন ঘটানো হবে।”তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।
জাতীয়
রাতেই কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা, ১১ জেলায় সতর্কতা
রাতেই কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা, ১১ জেলায় সতর্কতানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ রাতেই কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের অন্তত ১১টি জেলায় ঝড়ো হাওয়া, বজ্রবৃষ্টি ও দমকা বাতাস বয়ে যেতে পারে।আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত।এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকাতেও আবহাওয়া অস্থির থাকতে পারে। সেখানে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ভোলা, ফেনী, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী ও কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে।তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে গিয়ে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।সতর্কবার্তা:ঝড়ের সময় অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়া, নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা এবং নদীপথে চলাচলে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, কাল গেজেট
সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, কাল গেজেটস্টাফ রিপোর্টার:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। শূন্য পদের বিপরীতে সমসংখ্যক প্রার্থী থাকায় আইন অনুযায়ী সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হচ্ছে।ইসি সূত্রে জানা গেছে, গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এরপর তাদের শপথ গ্রহণের আয়োজন করা হবে।রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, প্রার্থীদের বৈধ তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
সারাদেশ
বাউফলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংসদ ভবন পরিদর্শনে এমপি মাসুদ
বাউফলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংসদ ভবন পরিদর্শনে এমপি মাসুদনিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬বাউফল উপজেলার একদল শিক্ষার্থীকে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন করালেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী-এর সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।বুধবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, নিজ এলাকার শিক্ষার্থীদের দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা সরাসরি দেখানোর উদ্দেশ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবনে নিয়ে যেতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং এটিকে এলাকার জন্য একটি গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব ধারণা অর্জনে সহায়ক হবে।স্থানীয়দের মতে, শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের ভিজিট তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সারাদেশ
১০ বছর পর চালু হচ্ছে বরিশালের শিশু হাসপাতাল
১০ বছর পর চালু হচ্ছে বরিশালের শিশু হাসপাতালনিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬দীর্ঘ ১০ বছর অচল থাকার পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে বরিশালের একমাত্র শিশু হাসপাতাল। হাম রোগের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো এবং শিশুদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জানা যায়, নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকায় ২০১৭ সালে ২৫০ শয্যার এই শিশু হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও এতদিন তা চালু করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান আকস্মিকভাবে হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের ভবন, কক্ষ ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। সবকিছু প্রস্তুত থাকলেও বিদ্যুৎ সাবস্টেশন না থাকায় হাসপাতালটি চালু হয়নি বলে জানা যায়। এ সময় অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক সংযোগ সচল করার বিষয়টিও যাচাই করা হয়।বিভাগীয় কমিশনার আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাম রোগীদের আইসোলেশনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়।এ লক্ষ্যে গণপূর্ত বিভাগকে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা জোরদারে ফায়ার সার্ভিস এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সিটি কর্পোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে দ্রুত সেবা চালুর লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে কাজ শুরু করেছেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক খন্দকার আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন এবং সিভিল সার্জন ডা. এস এম মঞ্জুর ই-ইলাহীসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খসরু জানান, দেশের অন্যান্য জেলায় শিশু হাসপাতাল চালু হলেও বরিশালেরটি দীর্ঘদিন পড়ে ছিল। তিনি নতুন বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, অতীতে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে হাসপাতালটির কাজ দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল। এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকলেও বর্তমানে তা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত হাসপাতালটি চালু হলে বরিশালসহ পুরো বিভাগের শিশুদের চিকিৎসা সেবা অনেকটাই সহজলভ্য হবে এবং হাম রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসবে।
রাজনীতি
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্ড চান আসিফ মাহমুদ
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্ড চান আসিফ মাহমুদডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র এক অনুষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ “কার্ড” চালুর আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, দেশের বর্তমান বড় সমস্যা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে তিনি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবিরোধী কার্ড চালুর দাবি জানান।সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্বলতার পরিচয় দিচ্ছে। জ্বালানি সংকট, অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অসংগতি তুলে ধরেন তিনি।এনসিপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ বলেন, দলকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং নির্বাচনে ভোটের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, এনসিপিকে ভোট দিলে একটি ভোটও নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ, ইসহাক সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শিক্ষা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক চালু
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক চালুনিজস্ব প্রতিনিধি:জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতার লক্ষ্যে হেল্প ডেস্ক চালু করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল শাখা।হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান, দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এতে করে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনেক শিক্ষার্থীই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জাতীয়
কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আহত ৫
কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আহত ৫নিজস্ব প্রতিনিধি | রাজশাহীরাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে এক শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজে ভাঙচুর ও অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এতে অধ্যক্ষসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আকবর আলী উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের কক্ষে প্রবেশ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। বিশেষ করে পূর্ববর্তী অধ্যক্ষের সময়কার আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।এর কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তরা অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায় এবং অফিস কক্ষে ভাঙচুর করে।আহতদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা, অধ্যাপক রেজাউল করিম আলমসহ আরও দুইজন কর্মচারী। আহতদের কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা অভিযোগ করে বলেন, “তারা নিয়মিত কলেজে এসে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইতেন, মূলত চাঁদার দাবিই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। অধ্যক্ষের পক্ষে কথা বলায় আমাকেও মারধর করা হয়েছে।”তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আকবর আলী দাবি করেন, কলেজের অনিয়ম ও দুর্নীতির হিসাব চাইতে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। তার ভাষ্য, “শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের ওপর হামলা করেন, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।”অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একটি মহল তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করায় এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেন।দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই উপস্থিত ছিল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে কিছু লোক জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জাতীয়
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবি, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবি, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কানিজস্ব প্রতিবেদক:সকল মানুষের দল-মত নির্বিশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির।তিনি বলেন, সম্প্রতি বিএনপি-সমর্থিত এক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সংসদে দাবি করেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যেতে হয়েছিল তৎকালীন প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী। প্রধান বিচারপতি নাকি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, তিনি জামিন দিলে তার পরিণতি সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার মতো হতে পারে।এই প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট নাসির বলেন, এমন পরিস্থিতি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকার ইঙ্গিত বহন করে। বিচার বিভাগকে যদি পরাধীন রাখা হয়, তাহলে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হয়ে ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায়, ভবিষ্যতে যে কোনো সরকারকেই বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে।এদিকে হাইকোর্টে ভার্চ্যুয়াল কোর্ট ব্যবস্থার বিরোধিতায় আইনজীবীদের চলমান আন্দোলন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, অনেক ক্ষেত্রে এই আন্দোলন ব্যক্তিগত আয়-সংক্রান্ত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। অথচ আইনজীবীদের উচিত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবিতে সোচ্চার হওয়া।অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির মনে করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় সকল আইনজীবীর ঐক্যবদ্ধভাবে উদ্যোগ নেওয়া নৈতিক দায়িত্ব।
জাতীয়
সরকারি দায়িত্ব শেষে মাদ্রাসার শিক্ষকতায় ফিরলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
সরকারি দায়িত্ব শেষে মাদ্রাসার শিক্ষকতায় ফিরলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন শেষে আবারও নিজের মূল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে গেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া (জিরি মাদরাসা)-তে নিয়মিত পাঠদান করছেন।জানা গেছে, তিনি সপ্তাহে দুইদিন দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর সমমান) বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় শিক্ষককে ফিরে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানান, “হুজুরের ক্লাস শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি বাস্তব জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—এটা আমাদের জন্য গর্বের।”প্রতিষ্ঠানটির মুহতামিম মাওলানা খুবাইব বিন তৈয়ব বলেন, “২০২১ সাল থেকে তিনি এখানে শিক্ষকতা করছেন। উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকাকালে নিয়মিত ক্লাস নিতে পারেননি, তবে এখন আবার শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরে আসা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।”নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ড. খালিদ হোসেন বলেন, “শিক্ষকতাই আমার মূল পরিচয়। জীবনের এই পর্যায়ে এসে আবার শিক্ষার্থীদের মাঝে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। বাকি সময়টুকু শিক্ষার সঙ্গেই কাটাতে চাই।”উল্লেখ্য, দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে তিনি ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৫ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় হাজিদের উদ্বৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা পায়। বর্তমানে তিনি ইতিহাস ও হাদিস শাস্ত্র পড়ানোর পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞানচর্চায় অবদান রেখে চলেছেন।
রাজনীতি
রাজশাহীতে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় দখল ঘিরে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
শ্রমিক দল ও প্রতিপক্ষ শ্রমিকদের মুখোমুখি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, ভাঙচুরে আতঙ্কনিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:রাজশাহীতে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।অভিযোগ রয়েছে, মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখির নেতৃত্বে তার সমর্থকরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে ৫ থেকে ৬টি ককটেলের বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আতঙ্কে স্থানীয় লোকজন ছুটোছুটি শুরু করেন। এ সময় দুই পক্ষের হাতেই রড, পাইপসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।জানা গেছে, সরকারের পরিবর্তনের পর রফিকুল ইসলাম পাখি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন শ্রমিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ ওঠে।এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পাখিকে অবরুদ্ধ করে ইউনিয়ন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং নতুন নির্বাচনের দাবি তোলেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নেয়।দুপুর থেকেই শিরোইল এলাকায় পাখির বিরোধী শ্রমিকরা অবস্থান নেন। অপরদিকে, তার সমর্থকরা রেলগেট এলাকায় জড়ো হন। পরে বিকেলে মিছিল নিয়ে শিরোইলের দিকে অগ্রসর হলে শুরু হয় সংঘর্ষ।সংঘর্ষ চলাকালে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। দোকানপাট, ভবনের কাঁচ ও একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেনি। অনেকটা নীরব দর্শকের মতো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে পুলিশ।তাণ্ডব শেষে হামলাকারীরা রেলগেট এলাকার দিকে সরে যায়। তবে সংঘর্ষের পর থেকে শিরোইল বাস টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গণে সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গণে সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশনিজস্ব প্রতিবেদক:শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস ও সহিংসতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান সহিংস ছাত্ররাজনীতি গভীর উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) মধুর ক্যান্টিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, পেশিশক্তির প্রদর্শন ও সহিংস কর্মকাণ্ড শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত জ্ঞানচর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নিরাপদ ক্ষেত্র। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও ভীতির সংস্কৃতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।তিনি আরও বলেন, অতীতের সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধ করে প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষাঙ্গনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সংবাদ সম্মেলন থেকে দুই দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়—১. ২৪ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ উত্তর গেইট থেকে সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা।২. ২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, দেশব্যাপী ক্যাম্পাসসমূহে সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
জাতীয়
সাগরে ডুবছে শত শত যুবকের ইউরোপ স্বপ্ন
সাগরে ডুবছে শত শত যুবকের ইউরোপ স্বপ্নডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ যেতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন দেশের শত শত যুবক। দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে ১৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ করেও অনেকেই পৌঁছাতে পারছেন না গন্তব্যে; বরং প্রাণ হারাচ্ছেন ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউয়ে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “ইউরোপ গেম” নামে পরিচিত এই বিপজ্জনক যাত্রা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চাভিলাষী মানসিকতা ও দ্রুত সফল হওয়ার প্রবণতাও এ ঝুঁকির অন্যতম কারণ।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইতালি যাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই বাংলাদেশি। চলতি বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত ৫,৯০১ জন ইতালিতে পৌঁছেছেন, যার মধ্যে ১,৩৫৮ জন বাংলাদেশি।বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৬ থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবকরাই সবচেয়ে বেশি এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়াচ্ছেন। তাদের অধিকাংশই দেশের বিভিন্ন জেলার গ্রামাঞ্চল থেকে আসা।লিবিয়া ফেরত বাংলাদেশিদের তথ্য বলছে, প্রায় ৬০ শতাংশকে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ৮৯ শতাংশই কোনো কাজ পাননি, বরং নির্যাতন ও মানবেতর অবস্থার শিকার হয়েছেন।সম্প্রতি সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ঠান্ডা ও খাদ্যের অভাবে ১৩ বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতদের সবাই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ পরিবারের।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন। তবে এ যাত্রায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন, তার নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ধারণা করছে, ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই বাংলাদেশি।অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানব পাচার রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয়তা এবং সামাজিক-ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন তারা।সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অবৈধভাবে বিদেশগমন করলে পূর্ণ আইনি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে অবৈধ অভিবাসন রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, অবৈধ পথে বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়লে তা দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি পরিবারগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং ঝুঁকিপূর্ণ এ যাত্রা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।