সকল সংবাদ 439 টি
শিক্ষা
তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিত, ক্ষোভ প্রকাশ এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের
তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিত, ক্ষোভ প্রকাশ এমপি কামরুজ্জামান কামরুলেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে কোনো শিক্ষকের উপস্থিতি পাননি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে উপজেলার আবিদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুগনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কায়েতকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় কোনো বিদ্যালয়েই শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা যায়।সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে মধ্যনগর ও ধর্মপাশা উপজেলার এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার পথে হঠাৎ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান এমপি কামরুজ্জামান কামরুল। সেখানে গিয়ে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিদর্শন শেষে এমপি কামরুল বলেন, “বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশ
টাকার জন্য অক্সিজেন খুলে দিল কর্মচারী, মৃত্যু মুমূর্ষু রোগীর
টাকার জন্য অক্সিজেন খুলে দিল কর্মচারী, মৃত্যু মুমূর্ষু রোগীরআজকের পয়গাম ডেস্ক:বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মুখ থেকে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগের পর অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।নিহত দিপালী সিকদার (৪০) মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি এলাকার বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।স্বজনদের অভিযোগ, রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। শয্যা সংকটের কারণে তাকে ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় মেডিসিন বিভাগের এক কর্মচারী অন্য রোগীর জন্য ট্রলি সরাতে গিয়ে দিপালীর অক্সিজেন সংযোগ খুলে দেন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলেও তিনি তা পুনরায় সংযুক্ত করেননি বলে অভিযোগ করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর মৃত্যু ঘটে।ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা অভিযুক্ত কর্মচারীকে আটক করে মারধর করেন। পরে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাও বিঘ্নিত হয় বলে জানা গেছে।হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।এ ঘটনায় নিহতের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাইয়ে কঠোর বিধিনিষেধ, রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে
পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাইয়ে কঠোর বিধিনিষেধ, রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গেডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সদ্য ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর নতুন ও কঠোর নিয়ম জারি করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে গরুসহ সব ধরনের গবাদিপশু জবাই কার্যত নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে কোনো গরু, ষাঁড়, বলদ বা মহিষ জবাই করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক। এই দুই ধরনের অনুমোদন ছাড়া পশু জবাই করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।নতুন নিয়মে আরও বলা হয়েছে, জবাইয়ের জন্য পশুর বয়স নির্ধারণে কঠোর মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। সাধারণত ১৪ বছরের বেশি বয়সী, প্রজনন বা শ্রমে অক্ষম পশুকেই কেবল জবাইয়ের উপযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এছাড়া গুরুতর অসুস্থ, আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম পশুর ক্ষেত্রেও বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য হবে।স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এসেছে কঠোরতা। এখন থেকে অনুমোদিত কসাইখানা বা নির্ধারিত সরকারি স্থানে ছাড়া কোথাও পশু জবাই করা যাবে না। প্রকাশ্যে বা জনসমাগমস্থলে জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।সরকার জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়মিত নজরদারি করবেন। পরিদর্শনে বাধা দিলে সেটিও আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।সূত্র: স্থানীয় গণমাধ্যম
আন্তর্জাতিক
উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ আবহাওয়া: বজ্রপাত ও ঝড়-বৃষ্টিতে নিহত অন্তত ৯০ জন
উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ আবহাওয়া: বজ্রপাত ও ঝড়-বৃষ্টিতে নিহত অন্তত ৯০ জনডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে ভারী বৃষ্টি, ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৩ মে) একদিনেই অন্তত ৮৯ জন এবং পরবর্তীতে আরও একজনসহ মোট ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।ত্রাণ কমিশনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় জানান, দুর্যোগে ৫৩ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৮৭টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতে ১১৪টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে।স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবল বাতাসে গাছ উপড়ে পড়া, বাড়ির দেয়াল ধসে যাওয়া এবং বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ার ঘটনায় অধিকাংশ প্রাণহানি ঘটেছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়ায় গাছ, বিলবোর্ড ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে পড়ছে; রাস্তার দোকানপাট ও যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সূত্র: যমুনা টিভি
সারাদেশ
‘মারা গেলে লাশটা নড়াইলে নিও না’—বাবাকে মাশরাফির আবেগঘন অনুরোধ
‘মারা গেলে লাশটা নড়াইলে নিও না’—বাবাকে মাশরাফির আবেগঘন অনুরোধস্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক Mashrafe Bin Mortaza-কে নিয়ে আবেগঘন মন্তব্য করেছেন তার বাবা গোলাম মুর্তজা। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মাশরাফি এবং এক পর্যায়ে বাবাকে বলেছেন, “আমি মারা গেলে আমার লাশটা নড়াইলে নিও না।”সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গোলাম মুর্তজা বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে অনেকটাই আড়ালে রয়েছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। পরিবারের সদস্যরাও কঠিন সময় পার করছেন বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, “আগের সেই হাসিখুশি মাশরাফিকে আর দেখা যায় না। খুব কম কথা বলে, সবসময় চুপচাপ থাকে। সে মানসিকভাবে অনেক আঘাত পেয়েছে।”পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিয়েও কথা বলেন গোলাম মুর্তজা। তিনি দাবি করেন, তাদের পরিবার কখনো অবৈধ কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল না এবং জমিজমা ও খামারের আয়ের ওপর নির্ভর করেই জীবনযাপন করছেন।এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভক্ত-সমর্থকদের অনেকে মাশরাফির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তার সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
ক্যাম্পাস
গে’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিল
‘গে’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিলনিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের পয়গাম রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে ‘গে’ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করেছে কলেজ প্রশাসন। একই ঘটনায় এক বহিরাগতসহ পাঁচজনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়।কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাতে কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় সন্দেহজনক অবস্থায় এক শিক্ষার্থী ও এক বহিরাগতকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম উঠে আসে। পরদিন জরুরি একাডেমিক কাউন্সিল সভায় অভিযুক্ত চার শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।অভিযুক্তরা হলেন— বিএএএমএস ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন (আরিয়ান শাহ রাব্বি) এবং বিইউএমএস ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। তাদের মধ্যে দুজন কলেজ শাখা ছাত্রদলের পদধারী নেতা বলে জানা গেছে।কলেজ প্রশাসনের দাবি, তদন্তে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত ডিভাইস থেকে আপত্তিকর তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া হোস্টেলের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে আরও কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান বলেন, “ঘটনার পর একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে। তবে তাদের ছাত্রত্ব আপাতত বহাল রয়েছে।”কলেজ প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আরও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
সারাদেশ
তথ্য ফাঁসের অভিযোগে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি আতঙ্ক
তথ্য ফাঁসের অভিযোগে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি আতঙ্কনিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন-এর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে তার নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিভিন্ন শাখা ও উপজেলায় বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ছয় কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁসের আশঙ্কায় আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক কার্যালজুড়ে অস্থিরতা ও বদলি আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।ঈদের আগে মাত্র পাঁচ থেকে ছয় কর্মদিবস বাকি থাকতেই এ ধরনের বদলিকে অনেকেই “আক্রোশমূলক বদলি” হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা, মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোটকক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়ে প্রায় ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, শুধু অতিরিক্ত ভোটকক্ষ দেখিয়েই নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত প্রায় ১৪ লাখ টাকারও কোনো সঠিক ব্যয় দেখানো হয়নি। বরং ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।একই সঙ্গে বরিশাল সদরসহ ১০ উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আপ্যায়ন বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।এ নিয়ে গত ৭ মে জাতীয় দৈনিক আমার দেশ�-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বরিশালজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই তথ্য ফাঁসের অভিযোগে একের পর এক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদার-কে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজং-কে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে বদলির ক্ষেত্রেও জেলা প্রশাসকের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজম-কে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে। এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদার-কে ওএসডি করে মানবসম্পদ শাখায় পদায়ন করা হয় এবং পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়।এনডিসি আশ্রাফুল ইসলাম-কে পাঁচ মাসের প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি পদ থেকে সরিয়ে অন্য শাখায় বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।সর্বশেষ বদলির তালিকায় রয়েছেন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খান, খাদিজা বেগম, আনিছুর রহমান, মহিউদ্দীন খান, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীন এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলাম।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজনীতি
ইসলামী আন্দোলনে আসছে ছাত্রী উইং, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
ইসলামী আন্দোলনে আসছে ছাত্রী উইং, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামসাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি প্রথমবারের মতো পৃথক ‘ছাত্রী উইং’ গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। আগামী ঈদুল আজহার পর এই ইউনিটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।দলীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নারী ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই নতুন এই ছাত্রী সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় দলটির কোনো স্বতন্ত্র নারী ইউনিট ছিল না। তবে গত বছরের ৮ মার্চ একটি মহিলা ইউনিট গঠন করা হয়। এরপর মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নে দেখা যায়, তরুণ নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে কার্যকর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন।দলটির নেতারা মনে করছেন, ইসলামি মূল্যবোধভিত্তিক নারী নেতৃত্ব তৈরিতে এই উইং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, দাওয়াহ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।গাজী আতাউর রহমান বলেন, নারীদের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম আগেও ছিল, তবে এখন পৃথক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। তিনি জানান, নতুন এই ইউনিট ইসলামী আন্দোলনের অধীনেই স্বতন্ত্রভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, নেতৃত্বে আলেমা, চিকিৎসক ও শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। আগামী ১৮ মে কেন্দ্রীয় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরে গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারী শিক্ষার্থীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করছে দলটি। তবে ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রমে নতুন এই উইং কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।
সারাদেশ
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযান, আটক ৮
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযান, আটক ৮নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এবং র্যাব-৮ এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেত বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা উন্নত চিকিৎসা ও দ্রুত পরীক্ষার আশ্বাস দিয়ে রোগীদের প্রলুব্ধ করতেন।আটককৃতরা হলেন— মো. রুমান, মো. রুবেল, ছাবিনা আক্তার নাজমা, লাবনী খানম, সুমি বেগম, মিম আক্তার, আইসা আক্তার ও হাফিজা বেগম। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।সূত্র আরও জানায়, হাসপাতালের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে তারা রোগী সংগ্রহ করতেন এবং প্রতিটি রোগীর বিপরীতে কমিশন পেতেন। রোগীপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হতো বলে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন।এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হলেও তাদের তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক
সীমান্তে বিএসএফের গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় উত্তেজনা
সীমান্তে বিএসএফের গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় উত্তেজনানিজস্ব প্রতিনিধি, লালমনিরহাট:লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরে বিজিবির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ধবলগুড়ী সীমান্তের ৮৭৩ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি এলাকায় কয়েকটি বাংলাদেশি গরু ঘাস খাচ্ছিল। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা গরুগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় গ্রামবাসী বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে তিস্তা ৬১ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। পরে বিএসএফ সদস্যরা ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরে যায়।বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।এ বিষয়ে বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বলেন, সীমান্তের জিরো লাইনে থাকা বাংলাদেশি গরু নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বিজিবির তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।
আন্তর্জাতিক
তামিলনাড়ুতে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের
তামিলনাড়ুতে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়েরআন্তর্জাতিক ডেস্ক: আজকের পয়গাম ভারতের তামিলনাড়ুর নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি জোসেফ বিজয় দায়িত্ব গ্রহণের পরই রাজ্যে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মসজিদ, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসস্ট্যান্ডের ৫০০ মিটারের মধ্যে থাকা ৭১৭টি রাষ্ট্র পরিচালিত মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।মঙ্গলবার (১২ মে) প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, তামিলনাড়ু স্টেট মার্কেটিং কর্পোরেশন (টিএএসএমএসি) পরিচালিত এসব দোকান আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যে টিএএসএমএসি’র অধীনে মোট ৪ হাজার ৭৬৫টি মদের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৬টি উপাসনালয়ের পাশে, ১৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিকটে এবং ২৫৫টি বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে অবস্থিত।বিবৃতিতে বলা হয়, সাধারণ মানুষের স্বার্থ ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ থেকে মদের দোকান সরানোর দাবি জানিয়ে আসছিল।যদিও টিএএসএমএসি থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হয়। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির আয় ৪৮ হাজার কোটি রুপিরও বেশি ছিল বলে জানা গেছে। এরপরও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার।বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই থালাপতি বিজয়ের প্রথম বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। তবে বিপুল রাজস্ব হারানোর কারণে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকার আর্থিক চাপে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক
তামিলনাড়ুতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের
তামিলনাড়ুতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়েরডেস্ক রিপোর্ট: আজকের পয়গাম ভারতের তামিলনাড়ুর নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার এক বার্তায় তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি মুসলিমদের ওপর নির্যাতন চালালে বা সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে ধর্মেরই হোক, আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।ক্ষমতা গ্রহণের পর সামাজিক শৃঙ্খলা ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাজ্যজুড়ে ৭০০-র বেশি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে থাকা এসব দোকান পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে।তিনি বলেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে নারীদের নিরাপত্তা জোরদার, মাদকবিরোধী ইউনিট গঠন এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ের দল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে ঐতিহাসিক জয় লাভ করে সরকার গঠন করে। এরপর থেকেই সামাজিক সংস্কারমূলক নানা পদক্ষেপের কারণে তিনি দেশজুড়ে আলোচনায় রয়েছেন।সূত্র: আর আর চ্যানেল ও এবিপি।
অপরাধ
ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা ৩০ হাজার
ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা সিলগালা, জরিমানা ৩০ হাজারস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ওষুধ তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে সেটি সিলগালা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও উৎপাদন সামগ্রী জব্দ করা হয়। পাশাপাশি কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চরআলগী গ্রামের মোখলেছুর রহমান একটি গার্মেন্টস কারখানার ভেতরে অবৈধভাবে যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা গড়ে তোলেন। যদিও কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করেনি, তবে সেখানে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ওষুধ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম মজুদ রাখা হয়েছিল।অভিযান শেষে ড্রাগ অ্যাক্ট ১৯৪০ অনুযায়ী কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করা হয় এবং জব্দ করা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ধ্বংস করা হয়।অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিম এবং ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর প্রতিনিধি উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সোহেল রানা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সারাদেশ
ঢাবি ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন
ঢাবি ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠননিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে।অভিযুক্ত শিক্ষক বরুণ কুমার সাহা প্রতিষ্ঠানটির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। রোববার (১০ মে) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জামিল উদ্দীন।ভুক্তভোগী কয়েকজন ছাত্রীর অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক বিভিন্ন সময় তাদের পোশাক নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করতেন। এছাড়া স্কুল ক্যাম্পাসে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে কথা বলতে দেখলে ভিডিও ধারণ করে তা অভিভাবক ও প্রশাসনের কাছে পাঠানোর হুমকিও দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষক তাকে একসময় বলেছিলেন— ভবিষ্যতে টপস ও জিন্স পরে এলে তাকে নাকি চিনতে পারবেন না। ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও অনভিপ্রেত।অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে ইতোমধ্যে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রাজনীতি
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণের ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণের ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মডেল থানা দক্ষিণ শাখার ২০২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ আশরাফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মাহাদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মান্না ইসলাম।কমিটি ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শপথ পাঠ করান ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বরিশাল মহানগরের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম।এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করেন এবং ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।২৫ নং ওয়ার্ড ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
শিক্ষা
সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষের অবসর উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান
সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষের অবসর উপলক্ষে সম্মাননা প্রদাননিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুন অর রশিদ হাওলাদার স্যারের অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক ও বই উপহার প্রদান করা হয়েছে।ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ শাখার পক্ষ থেকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিনিধি মুহাম্মদ রিফাত লস্কর, মুহাম্মদ সাজিদ এবং ইসমাঈল হোসেন। তারা অধ্যক্ষ স্যারের হাতে সম্মাননা স্মারক ও বই তুলে দেন।বক্তারা বলেন, প্রফেসর হারুন অর রশিদ হাওলাদার স্যার একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা ও অভিভাবকসুলভ আচরণ শিক্ষার্থীদের জীবনে গভীর প্রভাব রেখেছে।সম্মাননা প্রদান শেষে তারা বলেন—“আপনার দিকনির্দেশনা ও অভিভাবকসুলভ স্নেহ আমাদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।”অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন উপস্থিত সবাই।
সারাদেশ
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব
দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিবনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাদুঘর গ্রামে তার নিজ এলাকায় পারিবারিকভাবে এ বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়। ৬২ বছর বয়সী এই প্রবীণ আলেমের দ্বিতীয় বিয়ের খবর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় কয়েকজন আলেম উপস্থিত ছিলেন। কনে আমাতুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের কন্যা। তিনি পরিবারের পাঁচ বোনের মধ্যে বড়।জানা গেছে, কনে আমাতুর রহমানও পূর্বে বিবাহিত ছিলেন। কয়েক মাস আগে তার প্রথম স্বামী মৃত্যুবরণ করেন। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।অন্যদিকে আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী চলতি বছরের ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। সেই সংসারে তার চার ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করেই এই নতুন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া’র প্রিন্সিপাল এবং জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সারাদেশ
কাঁচামাটিয়া নদী রক্ষায় ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
কাঁচামাটিয়া নদী রক্ষায় ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গাম ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কাঁচামাটিয়া নদীকে অবৈধ দখল ও দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক সময়ের প্রমত্তা কাঁচামাটিয়া নদী বর্তমানে প্রভাবশালী মহলের দখল, বর্জ্য ফেলা এবং অপরিকল্পিত ভরাটের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে রাস্তা নির্মাণ ও দখলের ফলে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীটি অচিরেই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।পিএফজি কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, কাঁচামাটিয়া নদী এই অঞ্চলের পরিবেশ, কৃষি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদী রক্ষায় দ্রুত ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পিএফজি অ্যাম্বাসেডর এ.কে.এম. আতিকুর রাজ্জাক ভূঁইয়া হীরা বলেন, কাঁচামাটিয়া নদী ঈশ্বরগঞ্জের প্রাণ। অবৈধ দখলদারদের কারণে নদী ধ্বংসের মুখে পড়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদী রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামাল হোসেন সরকার বলেন, নদী দখল ও দূষণ পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি। দ্রুত নদী খনন ও দখলমুক্ত না করা হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।স্মারকলিপিতে নদীর সকল অবৈধ দখল উচ্ছেদ, দূষণ বন্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা, জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং, নদীতীর সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ, স্থায়ী মনিটরিং ব্যবস্থা গঠন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ ইউসুফ লিটন, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি হামিদ, সুজন সম্পাদক নীলকণ্ঠ আইচ মজুমদার, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মমতাজ বেগম, পিএফজি সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, হাবিবুর রহমান শাহীন ও আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।স্মারকলিপির অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।