সকল সংবাদ 441 টি
জাতীয়
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীনিজস্ব প্রতিবেদক:পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Khawaja Asif ইসরায়েলকে “অশুভ এবং মানবতার জন্য অভিশাপ” বলে আখ্যায়িত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চলমান শান্তি আলোচনার মধ্যেই Israel লেবাননে হামলা চালাচ্ছে এবং নিরীহ মানুষের প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রথমে Gaza Strip, এরপর Iran এবং এখন Lebanon—একটির পর একটি অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে।এদিকে, পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad-এ United States ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনার আগ মুহূর্তে খাজা আসিফের এমন মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, তার এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান এবং নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ
জাতীয়
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষা নিয়ে ভীত হওয়ার প্রয়োজন নেই: শিক্ষামন্ত্রীস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১৪আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অযথা ভীত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রচলিত নকলের ধরণ পরিবর্তিত হয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে হচ্ছে। এ ধরনের নকল প্রতিরোধে শিগগিরই আইন প্রণয়ন করা হবে। এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এইচএসসি পরীক্ষা সব বোর্ডে একক প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই বরং এটি শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন যেকোনো কার্যক্রম সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। আগের মতো সরাসরি উপস্থিত না থেকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রায় ২,২৮৪টি কলেজে ৪০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে, যা দেশের মোট উচ্চশিক্ষার্থীর প্রায় ৭০ শতাংশ। এদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পাঠ্যক্রম আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নতুন কারিকুলামে টেকনিক্যাল ও দক্ষতাভিত্তিক কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। স্নাতক পর্যায়ে দ্বিতীয় বর্ষে উন্নত আইসিটি এবং তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে কর্মমুখী কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাখাতে বিনিয়োগের ঘাটতির কারণে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।তিনদিনব্যাপী এই কর্মশালায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়ে উঠবে।
জাতীয়
সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউট
সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউটসংসদ রিপোর্টার📅 প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | 🕕 সময়: ১৮:১৫ (আপডেট: ১৮:২৫)‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। এ নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের এটি তৃতীয়বারের মতো ওয়াকআউট।ওয়াকআউটের সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধীদলের যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে একাধিক ‘গণবিরোধী’ বিল পাস করা হয়েছে, যার দায় তারা নিতে চান না। এরপর তার নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদ ত্যাগ করেন।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, “আজকের দিন বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য বেদনাদায়ক। সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফাভাবে আইন পাস করছে, যা দেশের জন্য শুভ নয়।”এদিকে, বিরোধীদলের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বক্তব্য দিয়ে বলেন, বিরোধীদল আইন প্রণয়নের সব ধাপে অংশগ্রহণ করেছে, এমনকি সমর্থনও দিয়েছে। তাই তাদের ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে মাগরিবের নামাজের পর আবার সংসদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারের অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিলসহ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা সংক্রান্ত একাধিক বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়, যদিও এসব বিলে বিরোধীদল আপত্তি জানিয়েছিল।
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল ইরান
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল ইরানআন্তর্জাতিক ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমলে প্রণালিতে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা হবে।তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি হাজার হাজার বছর ধরে উন্মুক্ত ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে আগ্রাসন থেকে সরে না এলে প্রণালি পুরোপুরি খোলা হবে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।খাতিবজাদেহ আরও বলেন, ইরান আন্তর্জাতিক রীতি ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলবে। তবে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি আন্তর্জাতিক জলসীমার অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সেখানে নিরাপদ চলাচল ইরান ও ওমানের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে।সাক্ষাৎকারে নিরাপদ চলাচল বলতে জাহাজ থেকে কোনো ফি আদায় বা হুমকি দেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইরান চায় প্রণালিটি শান্তিপূর্ণ থাকুক এবং স্বাভাবিক বাণিজ্যিক চলাচল বজায় থাকুক।তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে ‘অপব্যবহার’ করা হলে ইরান তা মেনে নেবে না। নিরাপদ চলাচল একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সূত্র: বিবিসি
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের পথে ইরানি আলোচক দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক শনিবার
পাকিস্তানের পথে ইরানি আলোচক দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক শনিবারনিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।জানা গেছে, আগামী শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, এই আলোচনা ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওই দফাগুলো নিয়ে এখনো কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে বলে জানা গেছে।তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা ইরানি জনগণের মধ্যে সংশয় তৈরি করেছে। তবুও এই আলোচনা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।সূত্র: বিবিসি
রাজনীতি
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোটার উপস্থিতি কম
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, ভোটার উপস্থিতি কমস্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া | ০৯ এপ্রিল ২০২৬বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ উঠেছে। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল বিএনপির বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছেন।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে শুরু থেকেই ভোটার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। বেলা বাড়লেও উপস্থিতি তেমন বাড়েনি। বগুড়ার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, দুপুর ১২টা পর্যন্ত অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ৭ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।বগুড়া করনেশন স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টায় মাত্র ১০৭টি ভোট পড়েছে, যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৬০ জন। কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি কম হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়বে বলে তিনি আশা করছেন।এদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মালতিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর যেসব কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার নিয়ম, তা সকালেই আগাম স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া রাজাপুর কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দিয়ে বিএনপি কেন্দ্র দখল করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনার সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৪ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৭৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১০ জন। মোট ১৫০টি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী— বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন (ফুলকপি)।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে ৮ প্লাটুন বিজিবি, পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবের টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক কর্মকর্তারাও দায়িত্ব পালন করছেন।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগাননিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬জুলাই বিপ্লবে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে রায়ের প্রতিবাদ জানান।বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বলেন, “আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।” এ সময় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জাতীয়
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, সাবেক ভিসিসহ কয়েকজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, সাবেক ভিসিসহ কয়েকজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজানিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পুলিশের এএসআই মো. আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন।রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশিদসহ আরও দুই শিক্ষককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি পমেল বড়ুয়াকে ১০ বছর, আওয়ামী লীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপের রংপুর সভাপতি ডা. মো. সারোয়াত হোসেন (চন্দন) কে ৫ বছর এবং আরএমপির সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান (বেল্টু) কে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে বেরোবির সাবেক প্রক্টর মো. শরীফুল ইসলাম খালাস পেয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়। গত বছরের ৬ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।মামলায় অভিযোগ রয়েছে—ঊর্ধ্বতন নির্দেশদাতা হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন।রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এই রায়ের মাধ্যমে বহুল আলোচিত আবু সাঈদ হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নিষ্পত্তি হলো।
জাতীয়
বগুড়ায় এনসিপি নেত্রী রাফিয়ার ইন্তেকাল, পরিবার ও সংগঠনে শোকের ছায়া
বগুড়ায় এনসিপি নেত্রী রাফিয়ার ইন্তেকাল, পরিবার ও সংগঠনে শোকের ছায়াবগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাফিয়া আপু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মরহুমা রাফিয়া আপু ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল একজন সংগঠক। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন আপন বোনের মতো—সবার খোঁজখবর রাখা, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করা ছিল তার স্বভাব। বগুড়া জেলা এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাফিয়া আপু পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের ছিলেন। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি সবসময় আপনজনদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতেন। তার হঠাৎ চলে যাওয়া পরিবারে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনায় তারা ভেঙে পড়েছেন।তার মৃত্যুতে সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, রাফিয়া আপুর মতো নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হারানো সংগঠনের জন্য বড় ক্ষতি। তার আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবাই মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন—আল্লাহ যেন তাকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।
দুর্ঘটনা
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজকের পয়গাম ডেস্ক | বরিশালবরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরআইচা গ্রামের বাসিন্দা রিনা আক্তারের ঘর অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন শায়খে চরমোনাই।সংবাদ পেয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই-এর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য টিন, ঘর মেরামতের বিভিন্ন সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় তুলে দেন বরিশাল মহানগর নেতৃবৃন্দ।নেতৃবৃন্দ বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মানুষের দুর্যোগ-দুর্বিপাকে পাশে থাকবে বলে তারা আশ্বাস দেন।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এ সহায়তা পেয়ে শায়খে চরমোনাই ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইসলাম ও জীবন
শরিয়াহ বোর্ডকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ ও পূর্ণ সুরক্ষা দেওয়া হবে: গভর্নর
শরিয়াহ বোর্ডকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ ও পূর্ণ সুরক্ষা দেওয়া হবে: গভর্নরআজকের পয়গাম ডেস্ক:ব্যাংকগুলোর শরিয়াহ বোর্ডের সদস্যদের স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, শরিয়াহ বোর্ডের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা থাকা উচিত নয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তাদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নবগঠিত শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য, বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং আলেম-উলামা, দাঈ ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।গভর্নর বলেন, অতীতে ইসলামী ব্যাংকিং খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অর্থপাচারের ঘটনা ঘটেছে, যার অন্যতম কারণ ছিল যথাযথ তদারকির অভাব। ইসলামী ব্যাংকিং মূলত পণ্যভিত্তিক কাঠামোর ওপর পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার ব্যত্যয় ঘটেছে। এ কারণে বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, শরিয়াহ বোর্ডকে সর্বোচ্চভাবে ক্ষমতায়ন করতে হবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে ইসলামী ব্যাংকিং সেবা প্রদানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং খাতকে টেকসই ও আস্থাশীল করতে সুদমুক্ত ব্যবস্থা, ধোঁকামুক্ত লেনদেন এবং লাভ-ক্ষতির ঝুঁকি ভাগাভাগির নীতির কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। তারা শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি, শরিয়াহ সেক্রেটারিয়েট ও শরিয়াহ অডিট ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।বক্তারা বড় বিনিয়োগ অনুমোদনে শরিয়াহ বোর্ডের মতামত বাধ্যতামূলক করা, স্বতন্ত্র ইসলামী ব্যাংকিং আইন প্রণয়ন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং তদারকির জন্য পৃথক উচ্চপর্যায়ের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন। এছাড়া শরিয়াহ সুপারভাইজারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, বহিঃস্থ শরিয়াহ নিরীক্ষা চালু, কমপ্লায়েন্স রেটিং প্রবর্তন এবং পৃথক কোর ব্যাংকিং সিস্টেম ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়।সভায় বক্তারা ইসলামী ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পরিচালনা পর্ষদ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য ন্যূনতম শরিয়াহ জ্ঞান বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গবেষণা, কমপ্লায়েন্স ও অডিট বিভাগ শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে অধ্যাপক ড. আবু বকর রফিক, মুফতী শাহেদ রহমানী, ড. মোহাম্মদ মনজুরে ইলাহী, ড. মুফতী ইউসুফ সুলতান এবং মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ্ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা
শিক্ষার মান উন্নয়নে বরিশাল সার্কিট হাউসে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময় সভা
শিক্ষার মান উন্নয়নে বরিশাল সার্কিট হাউসে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময় সভাবরিশাল প্রতিনিধি: আজকের পয়গামশিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বরিশালে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল ২০২৬) বরিশাল সার্কিট হাউসে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন।সভায় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সকল শিক্ষককে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে নানা প্রস্তাব ও মতামত তুলে ধরেন।মতবিনিময় সভাটি শিক্ষকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে এবং শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্মরণীয় সাক্ষাৎ: শিক্ষাবৃত্তি ও সরাসরি ফ্লাইটে ইতিবাচক আশ্বাস
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্মরণীয় সাক্ষাৎ: শিক্ষাবৃত্তি ও সরাসরি ফ্লাইটে ইতিবাচক আশ্বাস ডেস্ক রিপোর্ট । আজকের পয়গামপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি এবং সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি উষ্ণতা ও আন্তরিকতায় ভরপুর ছিল বলে জানা গেছে।নির্ধারিত সময়ে প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদার পরিবেশে তাদের স্বাগত জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনার মুহাম্মদ ইকবাল খান, একান্ত সচিব সাদেক আহমদ এবং মাওলানা হাফেজ জাহিদ হোসেন। বৈঠকের শুরুতেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং সৌজন্য সাক্ষাৎ মানবিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুসের প্রেরিত পত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। তিনি তা গ্রহণ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রধান উপদেষ্টাকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। আলোচনায় দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি সহযোগিতা এবং ধর্মীয় বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে উপপ্রধানমন্ত্রীসহ বাণিজ্য, ধর্ম, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ বৃত্তি প্রদানের আশ্বাস দেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত দুই দেশের শিক্ষাগত সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।এছাড়া ঢাকা-করাচি ও ঢাকা-লাহোর সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়টি উত্থাপন করা হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। এতে ভবিষ্যতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।বৈঠক শেষে বিদায়ের সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রতিনিধি দলকে লনে এগিয়ে দেন এবং সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সাক্ষাৎ শেষ হয়। সংশ্লিষ্টরা এ সাক্ষাৎকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
রাজনীতি
সংস্কার থেকে পেছালে ফের অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
সংস্কার থেকে পেছালে ফের অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারিনিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের পয়গাম:রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রশ্নে সরকার পিছিয়ে গেলে আবারও গণঅভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিডিএল ভবনে ‘ভয়েস অব রিফর্ম’ আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ-প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এ সংলাপে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য নয়; বরং রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষ্যেই সংঘটিত হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বর্তমান ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে ভবিষ্যতে যে কেউ ‘হাসিনা’ হয়ে উঠতে পারে। তাই সময়ের দাবি হচ্ছে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সংস্কার।তিনি আরও বলেন, সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম থেকে সরে আসে, তবে জুলাইয়ের মতো আরেকটি অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে তদন্তের দায়িত্ব আবারও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে ফিরে যেতে পারে। ফলে অতীতের সহিংস ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।সংলাপে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণসংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত গৃহীত হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আইন এখনও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে রয়েছে। তিনি দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।সংলাপে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।সংলাপটি সঞ্চালনা করেন ‘ভয়েস অব রিফর্ম’-এর উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুর।
রাজনীতি
গণভোটের রায় না মানলে সরকার ‘অবৈধ’: এনসিপির হুঁশিয়ারি
গণভোটের রায় না মানলে সরকার ‘অবৈধ’: এনসিপির হুঁশিয়ারিনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬সংস্কার প্রশ্নে জাতীয় নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় কার্যকর না হলে বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ ঘোষণা’ করে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।রোববার রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করছে এবং রাষ্ট্র সংস্কার সংক্রান্ত জরুরি অধ্যাদেশগুলো বাতিল করছে। তিনি বলেন, “গণভোটের রায় মেনে না নিলে সেদিন থেকেই আমরা এই সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করব। জনগণের অর্জন নষ্ট করার চেষ্টা করলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।”তিনি আরও বলেন, এনসিপি শুরু থেকেই সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিল। তবে সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। গণভোটকে ঘিরে ‘নাটকীয়তা’ তৈরি হওয়ায় আন্দোলনে নামা ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিএনপির উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, “ইতিহাসে দেখা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষা না হলে বড় পরিবর্তন ঘটে। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পর ১৯৭১ এসেছে। একইভাবে ২০২৪ সালের আন্দোলনের চেতনা রক্ষা না হলে ভবিষ্যতে আবারও বড় আন্দোলন হতে পারে।”তিনি দাবি করেন, জিয়াউর রহমানের আমলের গণভোটের সঙ্গে বর্তমান গণভোটের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগেরটি ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আর বর্তমান গণভোট রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের বদলে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে সরকারের নির্বাহী বিভাগ অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। এতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।ফোনে আড়িপাতা সংক্রান্ত বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, পূর্ববর্তী শাসনামলে বহু সংস্থার হাতে আড়িপাতার ক্ষমতা ছিল, যা অন্তর্বর্তী সরকার সীমিত করেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই সীমাবদ্ধতা তুলে দিয়ে আবারও একাধিক সংস্থাকে এ ক্ষমতা ফিরিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এনসিপি নেতারা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান।
রাজনীতি
চরমোনাই মাহফিলে এনসিপি মুখপাত্র সারজিস ও অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের একান্ত বৈঠক: বরিশাল সিটি নির্বাচনে সমর্থনের আশ্বাস
চরমোনাই মাহফিলে এনসিপি মুখপাত্র সারজিস ও অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের একান্ত বৈঠক: বরিশাল সিটি নির্বাচনে সমর্থনের আশ্বাসনিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | আজকের পয়গামবরিশালের ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের আধ্যাত্মিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশে এক বিশেষ ও একান্ত আলাপচারিতায় মিলিত হয়েছেন এনসিপি (ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি) উত্তর অঞ্চলের মুখপাত্র সারজিস এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির।সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এই বৈঠকে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলাপ হয়। বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের প্রতি নিজের ব্যক্তিগত সমর্থন ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন এনসিপি মুখপাত্র সারজিস।ব্যক্তিগত সমর্থনের আশ্বাসআলাপচারিতার এক পর্যায়ে সারজিস আসন্ন মেয়র নির্বাচনে অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের পক্ষ নিয়ে তাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক এবং যোগ্য নেতৃত্বের প্রতি আস্থার জায়গা থেকেই এই সমর্থনের বিষয়টি উঠে আসে।অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসিরের প্রতিক্রিয়াবৈঠক শেষে অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "চরমোনাই মাহফিলের এই পবিত্র পরিবেশে সারজিস ভাইয়ের সাথে আলাপচারিতা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে যে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন, তা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, বরিশালের মানুষের সেবায় আমাদের এই ব্যক্তিগত ঐক্য ও পরামর্শ আগামীতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"চরমোনাই মাহফিলে দুই নেতার এই আকস্মিক ও গভীর আলাপচারিতা এবং নির্বাচনের আগে এমন ব্যক্তিগত সমর্থনের বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
রাজনীতি
তারেক রহমানের গণতন্ত্র কি এমনই?— বরিশাল আইনজীবী সমিতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন অ্যাডভোকেট নাসিরের
তারেক রহমানের গণতন্ত্র কি এমনই?— বরিশাল আইনজীবী সমিতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন অ্যাডভোকেট নাসিরেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামবরিশাল আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ আবদুল্লাহ নাসির।বুধবার (২ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন, “৩৬ জুলাই ২০২৪ ছাত্র-জনতার রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে যে গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তা প্রশ্নবিদ্ধ করছে।” তিনি দাবি করেন, দেশের সাধারণ মানুষ মনে করেছিল ধর্ম-বর্ণ-দলমত নির্বিশেষে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।অ্যাডভোকেট নাসিরের অভিযোগ, নির্বাচনে শুধুমাত্র সরকার সমর্থিত নীল প্যানেলকে প্রথমে মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয় এবং পরে জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেলকে ফরম প্রদান করা হয়। তবে অন্যান্য সাধারণ আইনজীবীরা ফরম সংগ্রহ করতে গেলে নির্বাচন কমিশন তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তিনি বলেন, “এতে সাধারণ আইনজীবীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।”তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নজরে আনা হলেও তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি এ নিয়ে মামলা পর্যন্ত হয়েছে, যা বরিশালের আইনজীবী মহলে ‘লজ্জাজনক’ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।অ্যাডভোকেট নাসির বলেন, “যদি গণতন্ত্রে আস্থা থাকে, তাহলে সকলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। প্রশাসক নিয়োগের পরিবর্তে সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও নির্বাচনের রোডম্যাপ দেওয়া উচিত।” তিনি তারেক রহমানকে জনগণের আস্থা অর্জনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।শেষে তিনি বলেন, “৩৬ জুলাই ২০২৪ হয়েছিল ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য, জুলুম প্রতিষ্ঠার জন্য নয়।”— শেখ আবদুল্লাহ নাসিরঅ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
রাজনীতি
বরিশাল আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অভিনন্দন
বরিশাল আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অভিনন্দননিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | আজকের পয়গামবরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (বিএনপি সমর্থিত পূর্ণ প্যানেল) বিপুল ভোটে জয়লাভ করায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর শাখা।আজ এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিজয়ী সকল সদস্যকে এই অভিনন্দন জানানো হয়।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ যা বলেনইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বিজয় ন্যায়বিচার ও পেশাজীবীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতিফলন। আইনজীবীরা সমাজের দর্পণ এবং সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার রক্ষার শেষ আশ্রয়স্থল। নবনির্বাচিত কমিটি তাদের মেধা ও সততার মাধ্যমে বরিশালের বিচারপ্রার্থী মানুষের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করবেন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করবেন বলে আমরা আশাবাদী।শুভেচ্ছা জ্ঞাপনেইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের পক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন:মাওলানা নাসির উদ্দিন নাইসঅ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বরিশাল মহানগরআহ্বায়ক, মিডিয়া সেল, বরিশাল মহানগরনেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত কমিটির সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন এই নেতৃত্ব আইনজীবীদের ঐক্য বজায় রেখে একটি আধুনিক ও ইনসাফভিত্তিক বার গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।