সকল সংবাদ 445 টি
আন্তর্জাতিক
তীব্র সংঘাতের মধ্যেও প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরান
তীব্র সংঘাতের মধ্যেও প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরানআন্তর্জাতিক ডেস্ক:ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাতের মধ্যেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার আয় করছে। এই বিপুল অর্থের মূল উৎস দেশটির তেল রপ্তানি।মার্কিন সংবাদমাধ্যম Bloomberg-এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরানের তেল রপ্তানি কার্যক্রম থেমে নেই। বরং প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হচ্ছে।এই তেল মূলত খার্গ দ্বীপের টার্মিনাল হয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়।যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রণালিতে আংশিক অবরোধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হয়েছে এবং অনেকেই তেল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। তবে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়েই ইরান তার তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি হওয়ায় ইরানের আয়ও বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে একই পরিমাণ তেল বিক্রি করে দৈনিক প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করত, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ কোটি ডলারে।এছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় করেও প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ডলার আয় করছে ইরান।বিশ্লেষকদের মতে, চলমান এই সংঘাত ইরানের জন্য অর্থনৈতিকভাবে নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশের জন্ম দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক
নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ
নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহআজকের পয়গামপ্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৮:৪২নেপালের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)-এর নেতা বালেন্দ্র শাহ (বালেন)। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবন ‘শীতল নিবাস’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাকে পদ ও গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান।৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ পেশায় একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং সাবেক জনপ্রিয় র্যাপার। তিনি নেপালের ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি-কে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এই আসনটি দীর্ঘদিন ধরে ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতিবিরোধী ‘জেন জি’ আন্দোলনে ৭৬ জন নিহত হওয়ার পর দেশটিতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বালেন্দ্র শাহের দল আরএসপি ২৭৫ সদস্যের সংসদে ১৮২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।এর আগে তিনি কাঠমান্ডু-এর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কয়েক দশকের মধ্যে তিনিই নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, ভারত-চীন সীমান্তবর্তী এই দেশে তিনিই প্রথম মধেসি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেন।সূত্র: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক
শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীআন্তর্জাতিক ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে শিগগিরই সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে দুই দেশ। এমনটাই জানিয়েছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভেডেফুল।ডয়েচলান্ডফাঙ্ক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ হয়েছে এবং এখন সরাসরি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। তার মতে, খুব দ্রুতই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।জানা গেছে, সম্ভাব্য এই বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলমান সংঘাত বন্ধ করতে হলে ইরানকেই উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমানে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে তিনি আগ্রহী নন এবং বিষয়টি এখন ইরানের নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে।অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের আলোচনার সদিচ্ছা নিয়ে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জাতীয়
নেপালের ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ
নেপালের ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহআন্তর্জাতিক ডেস্ক | আজকের পয়গামর্যাপার থেকে রাজনীতিতে উঠে আসা বালেন্দ্র শাহ নেপালের ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল তাকে শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।শপথ অনুষ্ঠানে শাহের পরনে ছিল আঁটসাঁট ট্রাউজার্স ও জ্যাকেট, মাথায় কালো নেপালি টুপি এবং চোখে সানগ্লাস—যা তার স্বতন্ত্র স্টাইলকেই সামনে নিয়ে আসে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটে দীর্ঘদিন ধরে ভুগতে থাকা নেপালের জন্য তার নেতৃত্ব নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তার দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) ২৭৫ সদস্যের সংসদে ১৮২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। দুর্নীতিবিরোধী জেন-জি আন্দোলনের পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল।রাজধানী কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ নেপালের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে মাধেসি নৃগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা প্রথম নেতা হিসেবে তিনি দেশটির শীর্ষ পদে বসলেন।বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের সময়কার সহিংসতার তদন্ত বাস্তবায়ন করা। দীর্ঘদিনের বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছেন শাহ।ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত নেপালে দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন কিছু নয়। ১৯৯০ সালের পর থেকে একাধিক সরকার এলেও খুব কমই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পেরেছে। ফলে বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে নতুন সরকার কতটা স্থিতিশীলতা আনতে পারে—সেদিকেই এখন নজর সবার।
আন্তর্জাতিক
খামেনির জীবনের শেষ ছবি প্রকাশ করল ইরান
খামেনির জীবনের শেষ ছবি প্রকাশ করল ইরানইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর জীবিত অবস্থায় তোলা সর্বশেষ একটি ছবি প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হওয়ার মাত্র কিছুক্ষণ আগে ছবিটি ধারণ করা হয়েছিল।রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ছবিটি তোলা হয়—যা সম্ভাব্য হামলার মাত্র ২০ মিনিট আগে।প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, খামেনি একটি সোফায় বসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করছেন। তার পাশের টেবিলে রাখা রয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির নিহত কমান্ডার Qasem Soleimani-এর বাঁধানো একটি ছবি।এছাড়াও পাশের শেলফে দুটি ফ্রেমবন্দি ছবি দেখা যায়, যার একটি হলো ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও প্রথম সর্বোচ্চ নেতা Ruhollah Khomeini-এর।ছবিটি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং ঘটনাটির সত্যতা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠছে।
সারাদেশ
বড় সুসংবাদ: ২ লাখ টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজ
বড় সুসংবাদ: ২ লাখ টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজচট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রকাশিত: ১২:২১, ২৭ মার্চ ২০২৬দেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় ২ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ট্যাংকারগুলো সময়মতো পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৭০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এ সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতার থেকে নির্ধারিত দুটি এলএনজি ট্যাংকার এখনো না পৌঁছানোয় বিকল্প উৎস থেকে এই সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রকাশিত: ১২:২১, ২৭ মার্চ ২০২৬দেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় ২ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ট্যাংকারগুলো সময়মতো পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৭০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এ সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতার থেকে নির্ধারিত দুটি এলএনজি ট্যাংকার এখনো না পৌঁছানোয় বিকল্প উৎস থেকে এই সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ইসলাম ও জীবন
রমজানের কাজা রোজার বিধিবিধান
রমজানের কাজা রোজার বিধিবিধাননিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬মহিমান্বিত রমজান মাস শেষ হয়েছে। এ মাসে রোজা রাখা ছিল মুসলমানদের ওপর ফরজ ইবাদত। তবে নানা কারণে অনেকের রোজা ছুটে যায়—কখনো অলসতা বা গাফিলতির কারণে, আবার কখনো শরিয়তসম্মত ওজরে। ইসলামী শরিয়তে এ ধরনের ছুটে যাওয়া রোজা পূরণের জন্য রয়েছে কাজা রোজার বিধান।কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, অসুস্থতা বা সফরের কারণে কেউ রোজা রাখতে না পারলে পরে তা পূরণ করে নিতে হবে। তাই ছুটে যাওয়া রোজা পরবর্তীতে কাজা করে আদায় করলেই দায়িত্ব পালন হয়ে যায়।জেনে-বুঝে রমজানের রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ। তবে গ্রহণযোগ্য ওজর থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজা আদায় করলেই হবে, কাফফারা দিতে হবে না। কাজা রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখা বাধ্যতামূলক নয়—সুবিধামতো সময়ে রাখা যায়।তবে কেউ রোজা শুরু করার পর শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা হিসেবে টানা দুই মাস রোজা রাখা বা তা সম্ভব না হলে ৬০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়াতে হবে।একাধিক রোজা ভেঙে ফেললেও একটি কাফফারাই যথেষ্ট। তবে যতগুলো রোজা নষ্ট হয়েছে, সেগুলোর কাজা আলাদাভাবে আদায় করতে হবে।অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাই তাদের রোজা ভেঙে গেলে কোনো কাজা বা কাফফারা নেই। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ রোজার নিয়ত না করলে তওবা করে পরে কাজা আদায় করতে হবে।কাজা রোজা থাকা অবস্থায় শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা জায়েজ হলেও আগে ফরজ কাজা আদায় করা উত্তম। একইসঙ্গে কাজা ও নফল রোজার নিয়ত একসঙ্গে করা যাবে না।কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদেকের আগে করতে হয়। বছরে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজের ১০ থেকে ১৩ তারিখ—এই পাঁচ দিন ছাড়া যেকোনো দিন কাজা রোজা রাখা যায়।বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই উত্তম। কারণ মানুষের জীবন অনিশ্চিত—তাই ফরজ দায়িত্ব যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করাই মুমিনের কর্তব্য।নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬মহিমান্বিত রমজান মাস শেষ হয়েছে। এ মাসে রোজা রাখা ছিল মুসলমানদের ওপর ফরজ ইবাদত। তবে নানা কারণে অনেকের রোজা ছুটে যায়—কখনো অলসতা বা গাফিলতির কারণে, আবার কখনো শরিয়তসম্মত ওজরে। ইসলামী শরিয়তে এ ধরনের ছুটে যাওয়া রোজা পূরণের জন্য রয়েছে কাজা রোজার বিধান।কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, অসুস্থতা বা সফরের কারণে কেউ রোজা রাখতে না পারলে পরে তা পূরণ করে নিতে হবে। তাই ছুটে যাওয়া রোজা পরবর্তীতে কাজা করে আদায় করলেই দায়িত্ব পালন হয়ে যায়।জেনে-বুঝে রমজানের রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ। তবে গ্রহণযোগ্য ওজর থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজা আদায় করলেই হবে, কাফফারা দিতে হবে না। কাজা রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখা বাধ্যতামূলক নয়—সুবিধামতো সময়ে রাখা যায়।তবে কেউ রোজা শুরু করার পর শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা হিসেবে টানা দুই মাস রোজা রাখা বা তা সম্ভব না হলে ৬০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়াতে হবে।একাধিক রোজা ভেঙে ফেললেও একটি কাফফারাই যথেষ্ট। তবে যতগুলো রোজা নষ্ট হয়েছে, সেগুলোর কাজা আলাদাভাবে আদায় করতে হবে।অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাই তাদের রোজা ভেঙে গেলে কোনো কাজা বা কাফফারা নেই। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ রোজার নিয়ত না করলে তওবা করে পরে কাজা আদায় করতে হবে।কাজা রোজা থাকা অবস্থায় শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা জায়েজ হলেও আগে ফরজ কাজা আদায় করা উত্তম। একইসঙ্গে কাজা ও নফল রোজার নিয়ত একসঙ্গে করা যাবে না।কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদেকের আগে করতে হয়। বছরে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজের ১০ থেকে ১৩ তারিখ—এই পাঁচ দিন ছাড়া যেকোনো দিন কাজা রোজা রাখা যায়।বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই উত্তম। কারণ মানুষের জীবন অনিশ্চিত—তাই ফরজ দায়িত্ব যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করাই মুমিনের কর্তব্য।
জাতীয়
স্বাধীনতা দিবসে কুয়ালালামপুর হাইকমিশনে প্রবাসীদের আবেগঘন আয়োজন
স্বাধীনতা দিবসে কুয়ালালামপুর হাই কমিশনে আবেগঘন পরিবেশ — বশির ইবনে জাফরমালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে মান্যবর হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় সংগীত বাজতে থাকে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা একই কাতারে দাঁড়িয়ে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তা শোনেন।লেখক বশির ইবনে জাফর তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিলো প্রবাসের পুরো আকাশ যেন লাল-সবুজের রঙে সেজেছে। বাতাসে ভেসে আসছিলো— “মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো, মরি হায়, হায় রে।” ক্ষণিকের জন্য যেন মালয়েশিয়ায় একখণ্ড অখণ্ড বাংলাদেশ ফিরে এসেছিল।তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বৈরাচার আমলে এভাবে স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ তারা কখনো পাননি। এমনকি কোনো দাবি-দাওয়ার আওয়াজ উঠলে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রবাসেও হামলা-মামলার হয়রানির অভিযোগ ছিল।এ প্রসঙ্গে তিনি পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত স্মরণ করেন— “আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন” (সূরা আলে ইমরান: ২৬)।তিনি বলেন, যে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার ভুক্তভোগী তারা ছিলেন, সেই শাসনের প্রধানই আজ দেশছাড়া—এ বিষয়টি তাদের মধ্যে ভিন্ন এক অনুভূতির জন্ম।
অপরাধ
হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক
হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালকস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী। অন্যদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান পাখি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৫০০-৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। এসময় গুলিতে দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন।পরে তাকে প্রথমে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়।
ইসলাম ও জীবন
চরমোনাই মাহফিলে অংশ নিতে ২৫ নং ওয়ার্ড ছাত্র কাফেলা, তিন দিনের আধ্যাত্মিক সমাবেশ
চরমোনাই মাহফিলে অংশ নিতে ২৫ নং ওয়ার্ড ছাত্র কাফেলা, তিন দিনের আধ্যাত্মিক সমাবেশনিজস্ব প্রতিবেদক:ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫ নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও একটি স্বতন্ত্র ছাত্র কাফেলা চরমোনাই মাহফিলে অংশগ্রহণ করবে। প্রতি বছরের মতো এ বছরও শুধুমাত্র ছাত্রদের নিয়ে গঠিত এই কাফেলাটি একটি আলাদা, সুন্দর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করে থাকে।কাফেলার বিশেষত্ব হলো—এতে শুধুমাত্র ছাত্ররাই অংশগ্রহণ করে। ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। কাফেলায় ছাত্রদের জন্য উন্নতমানের খাবার-দাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি একসঙ্গে থাকা, খাওয়া, ঘুমানো ও ঘোরাফেরার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ।আয়োজকদের মতে, এই কাফেলাটি শুধু একটি যাত্রা নয়; বরং এটি তিন দিনের একটি স্মরণীয় সমাবেশে পরিণত হয়, যেখানে পিকনিকমুখর আনন্দের পাশাপাশি থাকে আধ্যাত্মিক আবহ।আগামী ১, ২ ও ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য এই কাফেলায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।যোগাযোগ: ওয়ার্ড সভাপতি মুহাম্মাদ সাব্বির হাওলাদার (মোবাইল: ০১৭৩৫-৩৫৫৪৪৪)।
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরানআন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।এর আগে বুধবার মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।সূত্র জানায়, ইরান তাদের জবাবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে— প্রতিপক্ষের আগ্রাসী হত্যাকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়াতে কার্যকর ও নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণের ওপর জোর দিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে তারা।ইরান আরও বলেছে, যুদ্ধের অবসান শুধু একটি ফ্রন্টে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট সব অঞ্চলে এবং প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেত্রেও কার্যকর করতে হবে।এদিকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বকে বৈধ অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে ইরান জানিয়েছে, এটি বহাল থাকবে এবং প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা হিসেবেও বিবেচিত হবে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়া প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব শর্ত জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় উত্থাপিত দাবির বাইরের বিষয়, যা ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আগ্রাসনের কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে ইরান ‘তৃতীয় ধোঁকাবাজি’ হিসেবে দেখছে। তাদের অভিযোগ, আলোচনার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে শান্তির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা, বৈশ্বিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষিণ ইরানে সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসনের প্রস্তুতির সময় নেওয়ার কৌশল গ্রহণ করছে।এছাড়া ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইরানের পূর্ণ সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ইরানের অভিযোগ, অতীতের মতো এবারও আলোচনার মধ্যেই নতুন করে সংঘাতের পথ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।এর আগে বুধবার মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।সূত্র জানায়, ইরান তাদের জবাবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে— প্রতিপক্ষের আগ্রাসী হত্যাকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়াতে কার্যকর ও নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণের ওপর জোর দিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে তারা।ইরান আরও বলেছে, যুদ্ধের অবসান শুধু একটি ফ্রন্টে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট সব অঞ্চলে এবং প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেত্রেও কার্যকর করতে হবে।এদিকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বকে বৈধ অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে ইরান জানিয়েছে, এটি বহাল থাকবে এবং প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা হিসেবেও বিবেচিত হবে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়া প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব শর্ত জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় উত্থাপিত দাবির বাইরের বিষয়, যা ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আগ্রাসনের কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে ইরান ‘তৃতীয় ধোঁকাবাজি’ হিসেবে দেখছে। তাদের অভিযোগ, আলোচনার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে শান্তির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা, বৈশ্বিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষিণ ইরানে সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসনের প্রস্তুতির সময় নেওয়ার কৌশল গ্রহণ করছে।এছাড়া ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইরানের পূর্ণ সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ইরানের অভিযোগ, অতীতের মতো এবারও আলোচনার মধ্যেই নতুন করে সংঘাতের পথ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।
রাজনীতি
স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত“৫৫ বছর পরও স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি”— পীর সাহেব চরমোনাইমহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন’ শীর্ষক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হলেও দীর্ঘ ৫৫ বছরেও মানুষ সেই প্রত্যাশিত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, তা একটি ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী নষ্ট করে দিয়েছে। তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং বিদেশি শক্তির প্রভাবের দিকে ঝুঁকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভূমিকাও সমালোচনা করেন তিনি।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে কাজ করলে সহযোগিতা করা হবে, অন্যথায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। তিনি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যে ভেজাল রোধ, মাদক নির্মূল এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশবাসী প্রত্যাশিত উন্নয়ন পায়নি; বরং নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বেড়েছে।ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনরা। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং শাসন কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রীপরিষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশ সফর ও সমঝোতার অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।“৫৫ বছর পরও স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি”— পীর সাহেব চরমোনাইমহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন’ শীর্ষক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হলেও দীর্ঘ ৫৫ বছরেও মানুষ সেই প্রত্যাশিত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, তা একটি ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী নষ্ট করে দিয়েছে। তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং বিদেশি শক্তির প্রভাবের দিকে ঝুঁকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভূমিকাও সমালোচনা করেন তিনি।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে কাজ করলে সহযোগিতা করা হবে, অন্যথায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। তিনি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যে ভেজাল রোধ, মাদক নির্মূল এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশবাসী প্রত্যাশিত উন্নয়ন পায়নি; বরং নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বেড়েছে।ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনরা। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং শাসন কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রীপরিষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশ সফর ও সমঝোতার অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
চাকরি
এপ্রিলে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
এপ্রিলে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগনিজস্ব প্রতিবেদকঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরছেন সাধারণ মানুষ। তবে স্বস্তির খবর হলো—আগামী এপ্রিল মাসেও টানা পাঁচ দিনের ছুটি উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।জানা গেছে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সরকারি ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর সঙ্গে যদি ১৫ ও ১৬ এপ্রিল (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) ছুটি নেওয়া যায়, তাহলে মিলবে টানা ছুটির সুযোগ।এরপর রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি—শুক্র ও শনিবার (১৭ ও ১৮ এপ্রিল)। ফলে মাত্র দুই দিনের ছুটি ব্যবস্থাপনা করলেই টানা পাঁচ দিনের অবকাশ কাটানো সম্ভব হবে।এ সুযোগকে ঘিরে ইতোমধ্যে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন।
আন্তর্জাতিক
বিশ্বব্যাপী হিলিয়াম সংকট যুদ্ধের প্রভাবে এমআরআই সেবায় বিলম্বের শঙ্কা
বিশ্বব্যাপী হিলিয়াম সংকটযুদ্ধের প্রভাবে এমআরআই সেবায় বিলম্বের শঙ্কাআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে বিশ্বব্যাপী হিলিয়াম সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব চিকিৎসা খাতসহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে পড়তে পারে। বিশেষ করে এমআরআই (MRI) স্ক্যান সেবায় বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বে ব্যবহৃত হিলিয়ামের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ বর্তমানে ঝুঁকির মুখে। এর প্রধান কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে বাধা এবং কাতারের উৎপাদন কমে যাওয়া। হিলিয়াম মূলত এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) উৎপাদনের উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। ফলে এলএনজি উৎপাদন ব্যাহত হলে হিলিয়াম সরবরাহও কমে যায়।২০২৫ সালে কাতার প্রায় ৬৩ মিলিয়ন ঘনমিটার হিলিয়াম উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তবে এই সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে সমুদ্রপথে রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।এদিকে কাতারের রাস লাফান ও মেসাইদ শিল্পাঞ্চলে হামলার কারণে এলএনজি উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দেশটির রপ্তানি সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ কমে গেছে। ফলে হিলিয়াম উৎপাদনেও সরাসরি প্রভাব পড়েছে। কাতার জানিয়েছে, তাদের তরল হিলিয়াম রপ্তানি বছরে প্রায় ১৪ শতাংশ কমতে পারে।হিলিয়াম পরিবহনও অত্যন্ত জটিল। এটি তরল আকারে বিশেষ কন্টেইনারে সংরক্ষণ করতে হয় এবং ৪৫ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করলে তা গ্যাসে পরিণত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পরিবহনে বিলম্ব হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তাইওয়ান ও চীন—যারা কাতারের হিলিয়ামের বড় ক্রেতা। সরবরাহ বিঘ্নিত হলে বাজারে চাপ বাড়বে এবং দামও বাড়তে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ৩০ দিনের সংকটে হিলিয়ামের দাম ১০-২০ শতাংশ এবং ৬০-৯০ দিনের সংকটে ২৫-৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায়ও তরল অবস্থায় স্থিতিশীল থাকে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমআরআই মেশিনে ব্যবহৃত সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগনেট ঠান্ডা রাখতে এটি অপরিহার্য। হিলিয়াম ছাড়া শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি সম্ভব নয়, ফলে নির্ভুল চিকিৎসা চিত্রায়ণও ব্যাহত হতে পারে।বিশ্বে ব্যবহৃত মোট হিলিয়ামের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমআরআই মেশিনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, স্মার্টফোন, গাড়ি ও ডেটা সেন্টারসহ আধুনিক প্রযুক্তির প্রায় সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিলিয়ামের কার্যকর বিকল্প এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। যদিও কিছু গবেষণায় বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে কাজ চলছে, তা এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহারযোগ্য হয়নি।উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পর থেকে বিশ্বে একাধিকবার হিলিয়াম সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিকে সেই ধারাবাহিকতার পঞ্চম বড় সংকট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসা, প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে এর প্রভাব আরও গভীর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এমআরআইসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবায় বিলম্ব অনিবার্য হয়ে উঠবে।
সারাদেশ
পদ্মা নদীতে বাস ডুবিসহ দুর্ঘটনা যোগাযোগ ব্যবস্থার ৫৬ বছরের ব্যর্থতার ফল: পীর সাহেব চরমোনাই
পদ্মা নদীতে বাস ডুবিসহ দুর্ঘটনা যোগাযোগ ব্যবস্থার ৫৬ বছরের ব্যর্থতার ফল: পীর সাহেব চরমোনাইনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামঢাকা, ২৬ মার্চ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, পদ্মা নদীতে বাস ডুবির ঘটনা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটতে থাকা দুর্ঘটনাগুলো দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ৫৬ বছরের ব্যর্থতার সমন্বিত পরিণতি। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো এখনো ভঙ্গুর ও দুর্ঘটনাপ্রবণ বলে তিনি আক্ষেপ করেন।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নিয়মিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আজ ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে। স্বাধীনতার এত বছর পরেও দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর অবস্থা প্রাগৈতিহাসিক কালের মতো দুর্বল। আধুনিক বিশ্বে এতো দুর্ঘটনা আর কোথাও ঘটে না। গত ৫৫ বছরে যারা দেশ পরিচালনা করেছেন, তাদের সবাইকে এ অবস্থার দায় নিতে হবে।বৈঠকে গতকাল দৌলতদিয়া ঘাটের দুর্ঘটনাসহ এবারের ঈদে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, অতীতের সব সরকারের ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত ছিল যোগাযোগ ব্যবস্থা। কিন্তু পদে পদে দুর্নীতির কারণে গণযোগাযোগ খাত এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণযোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সকল ধরনের সিন্ডিকেট উপেক্ষা করতে হবে। গাড়ির ফিটনেস, চালকের লাইসেন্সসহ এ খাতের সব স্তরে বিশ্বমান নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, এসব দুর্ঘটনা আসলে দুর্ঘটনা নয়, বরং পদ্ধতিগত গণহত্যার শামিল।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, জিএম রুহুল আমীন, মুফতি মানসুর আহমেদ সাকি প্রমুখ।
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজে হামলা হবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজে হামলা হবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীঅনলাইন ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১৪:০৬ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা করা হবে না। বাকি দেশগুলো হলো—ভারত, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান ও ইরাক।বুধবার (২৫ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে সেখানে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যেসব দেশকে ইরান মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও জানান, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে—বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের বাণিজ্যিক জাহাজে কোনো ধরনের হামলা চালানো হবে না। এসব দেশের সঙ্গে ইরানের আলোচনা হয়েছে এবং তারা সমন্বয়ের ভিত্তিতে চলতে সম্মত হয়েছে। ফলে এই দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে সবসময় নিরাপদ চলাচলের সুযোগ পাবে, এমনকি চলমান সংঘাতের পরও।প্রসঙ্গত, জ্বালানি পণ্য পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। বৈশ্বিক জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরান এই প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ ভোগান্তিতে পড়ছে।
অপরাধ
১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারা
১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারাকলকাতা প্রতিনিধিপ্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৮দিল্লির একটি বিশেষ আদালত দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ১১ দিনের জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর হেফাজতে পাঠিয়েছে। গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তারের পর ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের নয়াদিল্লিতে নেওয়া হয় এবং মঙ্গলবার বিশেষ এনআইএ আদালতে হাজির করা হয়।অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং পরে বাংলাদেশে ফেরার সময় বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়।গত ২৪ মার্চ পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রশান্ত শর্মা তাদের ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে এনআইএ জানায়, চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ থেকে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাদের আটক করে। এ সময় আদালত মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলে।বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর রাহুল ত্যাগী আদালতে বলেন, অভিযুক্তদের অবৈধ অনুপ্রবেশের পেছনে বৃহত্তর কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এ কারণে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় অটোরিকশায় ভ্রমণকালে গুলিতে নিহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এ হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; এর পেছনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এনআইএ বর্তমানে খতিয়ে দেখছে—ভারতে অবস্থানকালে অভিযুক্তদের কারা আশ্রয় ও সহায়তা দিয়েছে এবং মেঘালয় থেকে বনগাঁ পর্যন্ত তাদের চলাচলের নেটওয়ার্ক কীভাবে গড়ে উঠেছে।গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই ঘটনার সঙ্গে বৃহত্তর কোনো নাশকতার পরিকল্পনাও জড়িত থাকতে পারে। ফলে ঘটনাটি ঘিরে দুই দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সারাদেশ
মহান স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উপহার বিতরণ করলেন এমপি অলিউল্লাহ
মহান স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উপহার বিতরণ করলেন এমপি অলিউল্লাহবরগুনা: ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন বরগুনা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ এমপি (পীর সাহেব কেওড়াবুনিয়া)।বুধবার মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানিয়ে তাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।