স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
“৫৫ বছর পরও স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি”— পীর সাহেব চরমোনাই
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন’ শীর্ষক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হলেও দীর্ঘ ৫৫ বছরেও মানুষ সেই প্রত্যাশিত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, তা একটি ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী নষ্ট করে দিয়েছে। তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং বিদেশি শক্তির প্রভাবের দিকে ঝুঁকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভূমিকাও সমালোচনা করেন তিনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে কাজ করলে সহযোগিতা করা হবে, অন্যথায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। তিনি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যে ভেজাল রোধ, মাদক নির্মূল এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশবাসী প্রত্যাশিত উন্নয়ন পায়নি; বরং নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বেড়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনরা। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং শাসন কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রীপরিষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশ সফর ও সমঝোতার অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।
সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
“৫৫ বছর পরও স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি”— পীর সাহেব চরমোনাই
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন’ শীর্ষক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হলেও দীর্ঘ ৫৫ বছরেও মানুষ সেই প্রত্যাশিত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, তা একটি ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী নষ্ট করে দিয়েছে। তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং বিদেশি শক্তির প্রভাবের দিকে ঝুঁকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভূমিকাও সমালোচনা করেন তিনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে কাজ করলে সহযোগিতা করা হবে, অন্যথায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। তিনি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যে ভেজাল রোধ, মাদক নির্মূল এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশবাসী প্রত্যাশিত উন্নয়ন পায়নি; বরং নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বেড়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনরা। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং শাসন কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রীপরিষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশ সফর ও সমঝোতার অভিযোগ জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।
সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।