রমজানের কাজা রোজার বিধিবিধান
রমজানের কাজা রোজার বিধিবিধান
নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬
মহিমান্বিত রমজান মাস শেষ হয়েছে। এ মাসে রোজা রাখা ছিল মুসলমানদের ওপর ফরজ ইবাদত। তবে নানা কারণে অনেকের রোজা ছুটে যায়—কখনো অলসতা বা গাফিলতির কারণে, আবার কখনো শরিয়তসম্মত ওজরে। ইসলামী শরিয়তে এ ধরনের ছুটে যাওয়া রোজা পূরণের জন্য রয়েছে কাজা রোজার বিধান।
কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, অসুস্থতা বা সফরের কারণে কেউ রোজা রাখতে না পারলে পরে তা পূরণ করে নিতে হবে। তাই ছুটে যাওয়া রোজা পরবর্তীতে কাজা করে আদায় করলেই দায়িত্ব পালন হয়ে যায়।
জেনে-বুঝে রমজানের রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ। তবে গ্রহণযোগ্য ওজর থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজা আদায় করলেই হবে, কাফফারা দিতে হবে না। কাজা রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখা বাধ্যতামূলক নয়—সুবিধামতো সময়ে রাখা যায়।
তবে কেউ রোজা শুরু করার পর শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা হিসেবে টানা দুই মাস রোজা রাখা বা তা সম্ভব না হলে ৬০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়াতে হবে।
একাধিক রোজা ভেঙে ফেললেও একটি কাফফারাই যথেষ্ট। তবে যতগুলো রোজা নষ্ট হয়েছে, সেগুলোর কাজা আলাদাভাবে আদায় করতে হবে।
অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাই তাদের রোজা ভেঙে গেলে কোনো কাজা বা কাফফারা নেই। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ রোজার নিয়ত না করলে তওবা করে পরে কাজা আদায় করতে হবে।
কাজা রোজা থাকা অবস্থায় শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা জায়েজ হলেও আগে ফরজ কাজা আদায় করা উত্তম। একইসঙ্গে কাজা ও নফল রোজার নিয়ত একসঙ্গে করা যাবে না।
কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদেকের আগে করতে হয়। বছরে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজের ১০ থেকে ১৩ তারিখ—এই পাঁচ দিন ছাড়া যেকোনো দিন কাজা রোজা রাখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই উত্তম। কারণ মানুষের জীবন অনিশ্চিত—তাই ফরজ দায়িত্ব যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করাই মুমিনের কর্তব্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গাম
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬
মহিমান্বিত রমজান মাস শেষ হয়েছে। এ মাসে রোজা রাখা ছিল মুসলমানদের ওপর ফরজ ইবাদত। তবে নানা কারণে অনেকের রোজা ছুটে যায়—কখনো অলসতা বা গাফিলতির কারণে, আবার কখনো শরিয়তসম্মত ওজরে। ইসলামী শরিয়তে এ ধরনের ছুটে যাওয়া রোজা পূরণের জন্য রয়েছে কাজা রোজার বিধান।
কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, অসুস্থতা বা সফরের কারণে কেউ রোজা রাখতে না পারলে পরে তা পূরণ করে নিতে হবে। তাই ছুটে যাওয়া রোজা পরবর্তীতে কাজা করে আদায় করলেই দায়িত্ব পালন হয়ে যায়।
জেনে-বুঝে রমজানের রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ। তবে গ্রহণযোগ্য ওজর থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজা আদায় করলেই হবে, কাফফারা দিতে হবে না। কাজা রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখা বাধ্যতামূলক নয়—সুবিধামতো সময়ে রাখা যায়।
তবে কেউ রোজা শুরু করার পর শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা হিসেবে টানা দুই মাস রোজা রাখা বা তা সম্ভব না হলে ৬০ জন অসহায় মানুষকে খাওয়াতে হবে।
একাধিক রোজা ভেঙে ফেললেও একটি কাফফারাই যথেষ্ট। তবে যতগুলো রোজা নষ্ট হয়েছে, সেগুলোর কাজা আলাদাভাবে আদায় করতে হবে।
অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাই তাদের রোজা ভেঙে গেলে কোনো কাজা বা কাফফারা নেই। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ রোজার নিয়ত না করলে তওবা করে পরে কাজা আদায় করতে হবে।
কাজা রোজা থাকা অবস্থায় শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা জায়েজ হলেও আগে ফরজ কাজা আদায় করা উত্তম। একইসঙ্গে কাজা ও নফল রোজার নিয়ত একসঙ্গে করা যাবে না।
কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদেকের আগে করতে হয়। বছরে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজের ১০ থেকে ১৩ তারিখ—এই পাঁচ দিন ছাড়া যেকোনো দিন কাজা রোজা রাখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই উত্তম। কারণ মানুষের জীবন অনিশ্চিত—তাই ফরজ দায়িত্ব যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করাই মুমিনের কর্তব্য।