রাজনীতি
মোট সংবাদ: 129 টি
নতুন দায়িত্ব পেয়েই যে বার্তা দিলেন সারজিস আলম
নতুন দায়িত্ব পেয়েই যে বার্তা দিলেন সারজিস আলমনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামআসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নবগঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন-এর নির্দেশনায় ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ এবং অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা।কমিটিতে সব বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এক্স-অফিসিও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সার্বিক সহায়তা করবেন বলেও জানানো হয়েছে।দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম বলেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত যারা প্রার্থী হতে আগ্রহী, তারা প্রস্তুতি নিন—“আমরা আসছি আপনার খোঁজে…”
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের স্ত্রী বা নিকটাত্মীয়দের নাম প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে দলটি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দলটি একটি নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত সংগঠন। সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গ্রহণ করা হয় এবং এখানে স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই।জামায়াত জানায়, মনোনয়ন প্রক্রিয়া মহিলা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে অসত্য তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দেশবাসীকে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল
সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলবরিশাল প্রতিনিধি | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বরিশাল নগরীর সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার। রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে বরিশাল প্রেস ক্লাব, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, রিপোর্টার্স ইউনিটি, অনলাইন সাংবাদিক ইউনিয়ন, সম্পাদক ও প্রকাশক পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন ও মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খসরুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।ইফতারের পূর্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জিয়া উদ্দিন সিকদার দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমবান্ধব রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে কয়েক’শ সাংবাদিকের উপস্থিতি তার প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের আস্থার প্রতিফলন।বক্তারা আরও বলেন, আগামী দিনে জিয়া সিকদারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে বরিশালের গণমাধ্যমকর্মীরা পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
পীরসাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎ
পীরসাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সৌজন্য সাক্ষাৎআজকের পয়গাম ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সম্মানিত আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীরসাহেব চরমোনাই)-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে খেলাফত মজলিস আমির মামুনুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে খেলাফত মজলিস আমির মামুনুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎআজকের পয়গাম ডেস্ক:জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আজ ১১ দলীয় জোটের শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর আমির মাওলানা মামুনুল হক-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।সাক্ষাৎকালে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়। উভয় নেতা পারস্পরিক সমঝোতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণমানুষের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।মতবিনিময় শেষে তারা একসঙ্গে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কলঙ্কমুক্ত করতে অভিযোগ তদন্তের আহ্বান — পীর সাহেব চরমোনাই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কলঙ্কমুক্ত করতে অভিযোগ তদন্তের আহ্বান — পীর সাহেব চরমোনাইনিজস্ব প্রতিবেদক: মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ইলেকশন মেকানিজম নিয়ে ওঠা অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ওপর কলঙ্কের দাগ হয়ে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচনে সীমাহীন জালিয়াতির ফলে সৃষ্ট স্বৈরতান্ত্রিক পরিস্থিতি উৎখাতের লক্ষ্যেই চব্বিশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল এবং বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা সভা”-য় সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর এ কথা বলেন।তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতনের মাধ্যমে জনগণ চিরতরে স্বৈরতন্ত্রের বিলোপ প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগে জানা যায়, অনেক ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোট গণনায় ছলচাতুরিসহ নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে।তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের অনিয়ম রোধে এত ত্যাগ ও প্রাণের বিনিময়ের পরও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অতীতের পুনরাবৃত্তি জাতিকে হতাশ করেছে।নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনী অনিয়ম সংক্রান্ত সকল অভিযোগ নির্মোহভাবে তদন্ত করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।সভায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীরা, দলের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
টকশোর বক্তব্য নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি: অবস্থান পরিষ্কার করলেন আব্দুল হান্নান মাসুদ
সম্প্রতি Star News–এর একটি টকশোতে দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন আব্দুল হান্নান মাসুদ। তিনি বলেন, তার বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করা হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।তিনি জানান, টকশোতে তিনি বলেছিলেন—“আমাদের প্রত্যাশা ছিল আমরা এককভাবে ৩০০ আসনে ইলেকশন করবো। সেখান থেকে যদি ৬টি আসনও পেতাম, সেটাই আমাদের জন্য বেশি সম্মানজনক হতো। কিন্তু আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি।”জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন—“জামায়াতের সঙ্গে জোট করাটা ভুল ছিল বলব না। সময় ও পরিস্থিতি আমাদের সে দিকে যেতে বাধ্য করেছে। তবে আমরা যদি না যেতাম, আরও ভালো হতো।”তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বক্তব্যের একটি অংশে বলা হয়েছিল— জোট না হলে এনসিপি এককভাবে ৩–৪টি আসন পেতে পারত। কিন্তু তিনি কোথাও বলেননি যে, জোট না করলে তারা অতিরিক্ত ৩–৪টি আসন বেশি পেতেন। এই দুই বক্তব্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।আব্দুল হান্নান মাসুদ অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেইজ ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল তার বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তার মন্তব্য ছিল রাজনৈতিক বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও আত্মসমালোচনার জায়গা থেকে; কাউকে দোষারোপ করা বা বিভ্রান্তিকর বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়।সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বক্তব্য উদ্ধৃত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও ভাষ্য বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
জোট রাজনীতি ও সমন্বয় ঘাটতি: ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন : রিপোর্টার পুস্পিতা খান
সাম্প্রতিক জাতীয় রাজনীতিতে ইসলামী ধারার দলগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য জোট ও সমন্বয় প্রসঙ্গ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) একসঙ্গে নির্বাচনী সমন্বয়ে অংশ নিত, তাহলে বহু আসনে ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারত।দলীয় সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের দাবি, প্রায় ৫০টির বেশি আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজয় হয়েছিল। সেসব আসনে জোটগত সমন্বয় থাকলে সরকার গঠনের বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারত বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।এ সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত হতাশা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, ভবিষ্যতে তা পুনরায় সৃষ্টি হওয়া কঠিন হতে পারে।জোট রাজনীতির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জোটে থাকা ছোট দলগুলোর ভোট স্থানান্তর সবসময় কার্যকর হয় না। উদাহরণ হিসেবে এলডিপি’র সীমিত ভোট প্রাপ্তি কিংবা ইসলামী ধারার নেতাদের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও প্রত্যাশিত ভোট স্থানান্তর না হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ প্রসঙ্গে মামুনুল হক–সহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসলামী ধারার দলগুলোর মধ্যে আস্থার ঘাটতি ও কৌশলগত ভিন্নতা ভবিষ্যৎ ঐক্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে করে বৃহৎ দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা বা সমন্বয় নির্ভর রাজনীতিই সামনে এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে বিকল্প শক্তি গড়ে তোলা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
বরিশাল মহানগর ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটিকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের শুভেচ্ছা
বরিশাল মহানগর শাখার ২০২৬ সেশনের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর এর পক্ষ থেকে সভাপতি : মোঃ সিরাজুল ইসলাম। এক শুভেচ্ছা বার্তায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর শাখার পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগরীর ছাত্র শিবিরের নবনির্বাচিত সভাপতি হাসান নাঈম ও সেক্রেটারি আব্দুর রহমান সুজনসহ সকল দায়িত্বশীলদের জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।বার্তায় বলা হয়, আল্লাহ তাআলা যেন তাদেরকে দ্বীনের খেদমতে কবুল করেন এবং ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার কাজে সফলতা দান করেন।
শরীয়াহ প্রশ্নে আপস নয়, ঐক্য থেকে সরে আসার কারণ ব্যাখ্যা করলেন শেখ ফজলুল করিম মারুফ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ইসলাম ও শরীয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করার লক্ষ্য নিয়েই বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী চিন্তাবিদ শেখ ফজলুল করিম মারুফ। তিনি বলেন, শরীয়াহ প্রশ্নকে ভিত্তি করে “ইউদিন ইসলাম” মতভেদ পাশে রেখে ঐক্য গড়ে তুলেছিল।তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে ইসলাম ও শরীয়াহ প্রশ্নকে আড়াল করেছে। তবে দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান বিবেচনায় তিনি মনে করেন, তারা শরীয়াহকে বাদ দেয়নি; বরং কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বিষয়টি উহ্য রেখেছে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থানের সঙ্গে একমত হওয়া সম্ভব হলেও তাতে দীর্ঘমেয়াদে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠিত হতো যে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে প্রকাশ্যে ইসলাম ও শরীয়াহকে সামনে রেখে রাজনীতি করার মতো কোনো দল নেই। এতে “বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় ইসলাম ও শরীয়াহভিত্তিক রাজনীতি সম্ভব নয়” — এমন ধারণা শক্তিশালী হয়ে উঠত।তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি ঠেকাতেই প্রায় সোয়া এক বছর ধরে নির্মিত ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্বাচনের মাত্র ২৫ দিন আগে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তারা।শেখ মারুফ দাবি করেন, তাদের দলকে পশ্চিমা শক্তিগুলোর কাছে উগ্রবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এতে কিছু মহল সমর্থনও দিয়েছে। পর্দা বিষয়ে তাদের দৃঢ় অবস্থান পশ্চিমা বিশ্বে অস্বস্তির কারণ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তার অভিযোগ, বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–কে দুর্বল দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং শরীয়াহভিত্তিক প্রচারণা জোরদার হওয়ার পর দলটির ভোট কম দেখানোর অপচেষ্টা হয়েছে। তিনি একে বহুমাত্রিক “ইঞ্জিনিয়ারিং” হিসেবে অভিহিত করেন।তিনি আরও বলেন, শরীয়াহ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অযৌক্তিক ভীতি রয়েছে এবং এ কারণেই ইসলামী আন্দোলনের শক্তি কমিয়ে দেখানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
বারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে প্রশ্ন
বারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে প্রশ্নরফিকুল ইসলাম | অতিথি প্রতিবেদকবরিশাল অঞ্চলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মজিবর রহমান সরওয়ার। উপনির্বাচন ও সাধারণ নির্বাচন মিলিয়ে বরিশাল–৫ (সিটি-সদর) আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবারের মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—বারবার জয় সত্ত্বেও কেন তিনি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন না।বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুগ্ম মহাসচিব সরওয়ার দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। দলের পুরনো ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি ১৯৯১, ১৯৯৮, ২০০১, ২০০৮ ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া দুটি উপনির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।সংসদে তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় হুইপ ছিলেন এবং জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। যোগ্যতার বিচারে মন্ত্রী হওয়ার মতো ঘাটতি চোখে না পড়লেও বাস্তব রাজনৈতিক সমীকরণ ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।এবারের মন্ত্রিসভায় বরিশাল জেলা থেকে প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ভোলা থেকে নির্বাচিত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে এসব আলোচনায় সরওয়ারের নাম নেই।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হতে পারে এবং সেখানে নতুন মুখ যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সম্ভাব্য তালিকাতেও সরওয়ারের নাম নেই বলে জানা গেছে। ফলে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে—দলীয় পদ, নির্বাচনী অভিজ্ঞতা ও ভোটার সমর্থন থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি উপেক্ষিত?দলের ভেতরের সমীকরণবিএনপির নীতিনির্ধারণী স্তরে দীর্ঘদিন ধরে অলিখিত একটি সমীকরণ কাজ করে—কারা থাকবেন ফ্রন্টলাইনে, আর কারা সংগঠন সামলাবেন। দলীয় সূত্রের দাবি, সরওয়ারকে এই দুই তালিকার বাইরেই রাখা হয়েছে। সংসদে তার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্ষমতার ভাগ বণ্টনের সময় তিনি “নিরাপদ পছন্দ”, কিন্তু “প্রাধান্যপ্রাপ্ত পছন্দ” নন।দলের প্রভাবশালী বলয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক সবসময় মসৃণ ছিল না বলেও নেতাদের অনেকে মনে করেন। বরিশাল অঞ্চলে নিজস্ব রাজনৈতিক বলয় গড়ে তোলার চেষ্টা তাকে কখনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চোখে স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে—যা মন্ত্রিসভা গঠনের সময় ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।জনপ্রিয়তা বনাম কেন্দ্রীয় আস্থাবরিশালে সরওয়ারের জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত হলেও জাতীয় রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা ও কেন্দ্রীয় আস্থা এক বিষয় নয়। এক সাবেক বিএনপি নেতা বলেন, ভোটে জয়ী হওয়া এক বিষয়, আর মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া আরেক বিষয়; মন্ত্রিত্বের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে নিঃশর্ত সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সমন্বয়ের প্রশ্নেই সরওয়ার বারবার পিছিয়ে পড়েছেন। সংসদে সক্রিয় থাকলেও তিনি কখনো দলের প্রচারযোগ্য মুখ হয়ে ওঠেননি।মেয়র অধ্যায় কি প্রভাব ফেলেছে?বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন সরওয়ারকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী করেছে। তবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব ধরে রাখার বিষয়টি তাকে কেন্দ্রের চোখে অতিরিক্ত স্থানীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।জাতীয় রাজনীতিতে দৃশ্যমানতা ও মিডিয়া উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তিনি তুলনামূলকভাবে নীরব ছিলেন। ইতিবাচক সংবাদ কম এবং নেতিবাচক সংবাদ বেশি প্রচারিত হওয়াও তার রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রভাবিত করেছে বলে মত রয়েছে।ক্ষমতার এক ধাপ দূরেতিনবারের সংসদ সদস্য, দুইবার উপনির্বাচনে জয়, গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদ—সবকিছু থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া কেবল কাকতালীয় নয়; বরং দলীয় ক্ষমতার কাঠামো, আস্থা ও নিয়ন্ত্রণ রাজনীতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বরিশাল–৫ আসনের ভোটাররা তাকে পাঁচবার সংসদে পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেই সংসদের ভেতরেই তিনি থেকে গেছেন ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে এক ধাপ দূরে—এটাই তার রাজনৈতিক জীবনের বড় বৈপরীত্য।মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন জানান, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময়ে সরওয়ার ৫৫টি মামলার আসামি ছিলেন, চার বছরে ৯ বার গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর কারাবরণ করেন। ২০১৪ সালের পর তার বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা হয়নি।রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন রয়ে গেছে—ভোটে গ্রহণযোগ্য নেতা হয়েও কেন ক্ষমতার কেন্দ্রে জায়গা মিলছে না সরওয়ারের?
জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত
জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিতআজকের পয়গাম। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সংসদীয় দলের সভা জাতীয় সংসদ ভবন–এ অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সম্মানিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। সভায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব, সংসদীয় কার্যক্রমে করণীয় এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সভায় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবেন নবনির্বাচিত
বিএনপি সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বিএনপি সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস ইসলামী আন্দোলনেরআজকের পয়গাম । প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের প্রেক্ষাপটে আগামীর নবগঠিত সরকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোডে দলটির আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম–এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলনের আমীর জানান, দেশ গঠনে সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সরকার জনকল্যাণমূলক কাজ করলে তারা পাশে থাকবে; তবে জনবিরোধী বা ইসলামবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে প্রতিবাদ জানানো হবে।তিনি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন, প্রতিবাদ বা আন্দোলনের আগে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়।নেতারা আশা প্রকাশ করেন, দেশে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করা হবে।
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম-এর সঙ্গে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বাসভবনে গিয়ে এই সাক্ষাৎ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সহনশীলতা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেন প্রধান উপদেষ্টা: ডঃ ইউনুস
প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেনঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:আজ রাজধানীর অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিদায়ী ভাষণ দেন। তিনি গত দিনের কাজগুলো নিয়ে কথা বলেন এবং সবার সঙ্গে আগামীর শুভেচ্ছা ভাগাভাগি করেন। ভাষণের পর উপস্থিতদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।অধ্যাপক ইউনূস ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে এই দায়িত্বে ছিলেন। আগামীকাল নতুন সরকার শপথ নেবার পর তার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২১২টি আসনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।এই সিদ্ধান্ত ও ঘটনা সংশ্লিষ্টদের কাছে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীর
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীরইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই সনদ দেশের সব রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত এবং সর্বসম্মতভাবে স্বাক্ষরিত একটি দলিল। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং গণভোটের মাধ্যমে জনগণও এর প্রতি সম্মতি দিয়েছে। তাই এই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।রোববার রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে অনেক আসনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও এজেন্ট বের করে দেওয়া, ব্যালট শিটে কাটাকাটি, অকারণে ভোট বাতিলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করতে হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বরগুনা-১ আসনের এমপি মাওলানা অলিউল্লাহ মাহমুদ।নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও গণআস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এই দাবি গুরুত্বপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান শামসুদ্দোহা আশরাফীর
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বানঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও জোট রাজনীতি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হতাশ না হয়ে সাংগঠনিক কাজে মনোযোগী থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, জোটে থাকলেও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক লাভ অর্জিত হতো না এবং দীর্ঘমেয়াদে দলীয় অস্তিত্ব সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।বক্তব্যে বলা হয়, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—বিশেষ করে আল্লামা মামুনুল হক-এর নির্বাচনী অভিজ্ঞতা—জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতার উদাহরণ হিসেবে সামনে রয়েছে।জোট রাজনীতি নিয়ে অভিযোগনেতাদের দাবি, জোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, সমন্বয় ঘাটতি ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে অন্যান্য জোটভুক্ত দলগুলোর সহযোগিতা ও অসহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগবক্তব্যে নির্বাচনকে “পরিকল্পিত ছক” হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, কয়েক মাস আগে থেকেই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল এবং শেষ পর্যায়ে তা বাস্তব রূপ দেওয়া হয়। পশ্চিমা বিশ্বের চাপ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়।ভোটের হার ও রাজনৈতিক শক্তিদলীয় সূত্রের হিসাব অনুযায়ী:১১ দলীয় জোট মোট ভোট পেয়েছে প্রায় ৩১.৭৬%গড় হিসেবে প্রতি দলের অংশ দাঁড়ায় প্রায় ২.৮৮%ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে পেয়েছে প্রায় ২.৭০% ভোটনেতারা দাবি করেন, বিভিন্ন দল ও ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে বহু আসন ছেড়ে দেওয়ার পরও প্রায় ২০ লাখের বেশি সমর্থন দলটির পক্ষে রয়েছে।ভবিষ্যৎ কর্মপন্থাদলীয় নেতারা বলেন, আগামী পাঁচ বছর লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফল আসবে বলে তারা আশাবাদী।— ডেস্ক রিপোর্ট
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগ
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দীনকে পুলিশ সদস্যরা অসদাচরণ করে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে ঘাড় ধরে স্থান ত্যাগ করান। ঘটনাটি উপস্থিত অনেকের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি করে।সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন—একজন সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে এমন আচরণ কতটা যৌক্তিক। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়াবিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে নাগরিকদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।