রাজনীতি
মোট সংবাদ: 117 টি
বিএনপি সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বিএনপি সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস ইসলামী আন্দোলনেরআজকের পয়গাম । প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের প্রেক্ষাপটে আগামীর নবগঠিত সরকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোডে দলটির আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম–এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলনের আমীর জানান, দেশ গঠনে সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সরকার জনকল্যাণমূলক কাজ করলে তারা পাশে থাকবে; তবে জনবিরোধী বা ইসলামবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে প্রতিবাদ জানানো হবে।তিনি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন, প্রতিবাদ বা আন্দোলনের আগে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়।নেতারা আশা প্রকাশ করেন, দেশে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করা হবে।
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম-এর সঙ্গে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বাসভবনে গিয়ে এই সাক্ষাৎ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সহনশীলতা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেন প্রধান উপদেষ্টা: ডঃ ইউনুস
প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেনঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:আজ রাজধানীর অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিদায়ী ভাষণ দেন। তিনি গত দিনের কাজগুলো নিয়ে কথা বলেন এবং সবার সঙ্গে আগামীর শুভেচ্ছা ভাগাভাগি করেন। ভাষণের পর উপস্থিতদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।অধ্যাপক ইউনূস ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে এই দায়িত্বে ছিলেন। আগামীকাল নতুন সরকার শপথ নেবার পর তার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২১২টি আসনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।এই সিদ্ধান্ত ও ঘটনা সংশ্লিষ্টদের কাছে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীর
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীরইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই সনদ দেশের সব রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত এবং সর্বসম্মতভাবে স্বাক্ষরিত একটি দলিল। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং গণভোটের মাধ্যমে জনগণও এর প্রতি সম্মতি দিয়েছে। তাই এই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।রোববার রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে অনেক আসনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও এজেন্ট বের করে দেওয়া, ব্যালট শিটে কাটাকাটি, অকারণে ভোট বাতিলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করতে হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বরগুনা-১ আসনের এমপি মাওলানা অলিউল্লাহ মাহমুদ।নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও গণআস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এই দাবি গুরুত্বপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান শামসুদ্দোহা আশরাফীর
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বানঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও জোট রাজনীতি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হতাশ না হয়ে সাংগঠনিক কাজে মনোযোগী থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, জোটে থাকলেও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক লাভ অর্জিত হতো না এবং দীর্ঘমেয়াদে দলীয় অস্তিত্ব সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।বক্তব্যে বলা হয়, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—বিশেষ করে আল্লামা মামুনুল হক-এর নির্বাচনী অভিজ্ঞতা—জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতার উদাহরণ হিসেবে সামনে রয়েছে।জোট রাজনীতি নিয়ে অভিযোগনেতাদের দাবি, জোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, সমন্বয় ঘাটতি ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে অন্যান্য জোটভুক্ত দলগুলোর সহযোগিতা ও অসহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগবক্তব্যে নির্বাচনকে “পরিকল্পিত ছক” হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, কয়েক মাস আগে থেকেই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল এবং শেষ পর্যায়ে তা বাস্তব রূপ দেওয়া হয়। পশ্চিমা বিশ্বের চাপ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়।ভোটের হার ও রাজনৈতিক শক্তিদলীয় সূত্রের হিসাব অনুযায়ী:১১ দলীয় জোট মোট ভোট পেয়েছে প্রায় ৩১.৭৬%গড় হিসেবে প্রতি দলের অংশ দাঁড়ায় প্রায় ২.৮৮%ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে পেয়েছে প্রায় ২.৭০% ভোটনেতারা দাবি করেন, বিভিন্ন দল ও ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে বহু আসন ছেড়ে দেওয়ার পরও প্রায় ২০ লাখের বেশি সমর্থন দলটির পক্ষে রয়েছে।ভবিষ্যৎ কর্মপন্থাদলীয় নেতারা বলেন, আগামী পাঁচ বছর লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফল আসবে বলে তারা আশাবাদী।— ডেস্ক রিপোর্ট
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগ
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দীনকে পুলিশ সদস্যরা অসদাচরণ করে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে ঘাড় ধরে স্থান ত্যাগ করান। ঘটনাটি উপস্থিত অনেকের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি করে।সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন—একজন সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে এমন আচরণ কতটা যৌক্তিক। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়াবিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে নাগরিকদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমানঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম-এর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে যাবেন। দলীয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।এর আগে রোববার সন্ধ্যায় তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর বাসায় সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।পরে তিনি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর বাসায়ও যান।প্রেক্ষাপটরাজনৈতিক মহলে ধারাবাহিক এসব সৌজন্য সাক্ষাৎকে চলমান রাজনৈতিক সমন্বয় ও যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
খতিব থেকে সংসদ সদস্য: রংপুর-৬ আসনে বিজয়ী মাওলানা নুরুল আমিন
বিজয়ী মাওলানা নুরুল আমিনপ্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় এসেছেন ৫১ বছর বয়সী মাওলানা নুরুল আমিন। মসজিদের মিম্বার থেকে সরাসরি জাতীয় সংসদে যাওয়ার এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।পেশা ও পরিচিতিমাওলানা নুরুল আমিন পেশায় একজন ইমাম ও খতিব। তিনি পীরগঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরিন-এর কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি এবং দেশব্যাপী ইসলামী বক্তা হিসেবে পরিচিত।তিনি উপজেলার চতরা ইউনিয়নের আলতাব নগর জামে মসজিদের খতিব। নির্বাচনের পরদিনও তিনি মসজিদে ইমামতি করেন, যেখানে হাজারো মুসল্লির সমাগম ঘটে। নির্বাচনী ফলাফলজামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১,২০,১২৮ ভোট।নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,১৭,৭০৩ ভোট। বিজয় প্রতিক্রিয়াবিজয়ের পর তিনি বলেন,“ভোটাররা আমাকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচিত করেছেন। আমি কোনো দলের নয়, পীরগঞ্জের সব মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।”তিনি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, আল্লাহর রহমতেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে।ব্যক্তিগত পরিচয়শহীদ আবু সাঈদের রক্তস্নাত পীরগঞ্জের দুরামীতিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা নুরুল আমিন ১৯৭৪ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মাওলানা আজিজুর রহমান ও মাতা আমেনা খাতুন।অঙ্গীকারতিনি বলেন, জনগণের দেওয়া দায়িত্ব সম্মানের সঙ্গে পালন করে পীরগঞ্জের উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে কাজ করবেন।
গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতি
গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতিআজকের পয়গাম | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর সব কমিটি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।শনিবার রাতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, দেশে আর কোনো গোপন রাজনৈতিক কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সব স্তরের কমিটি প্রকাশ করতে হবে।তিনি আরও লেখেন, তাদের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীর পরিচয় দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত রাখার ফলে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়গুলো দলীয়ভাবে দায়মুক্ত থাকে—যা রাজনৈতিক অপকৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।ছাত্রদল সভাপতির অভিযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা, শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন স্লোগান, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো এবং বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে শিবির সরাসরি না এসে সহযোগী দল বা গোপন টিম ব্যবহার করে।তিনি দাবি করেন, এই ধরনের “গুপ্ত রাজনীতি” বন্ধ করতে হবে এবং বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিকভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্য দেশের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংগঠনগুলোর পারস্পরিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।
নির্যাতিত নারীকে দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন জামায়াত আমির
নির্যাতিত নারীকে দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন জামায়াত আমিরনিজস্ব প্রতিবেদক । আজকের পয়গাম ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির, নোয়াখালীর হাতিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক নারীকে দেখতে আজ হেলিকপ্টারযোগে নোয়াখালী যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে আমির ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন এবং তাকে দেখতে যাওয়ার আশ্বাস দেন।এ সফরে তার সঙ্গে যাওয়ার কথা রয়েছে নাহিদ ইসলাম, আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তিনি ভুক্তভোগী নারীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, “পুরো বাংলাদেশ আপনার পাশে আছে।”জেলা জামায়াতের নেতারা জানান, আমির নির্যাতিত নারীকে নিজের বোন হিসেবে উল্লেখ করে তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এদিকে নোয়াখালী-৬ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেছেন, দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।ঘটনাপ্রবাহস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ১১টার দিকে হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তরা ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে। তারা তার স্বামীকে বেঁধে রেখে এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে তাকে পাশবিক নির্যাতন করে।পরদিন বিকেলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার চিকিৎসা চলছে।প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।➡️ সংশ্লিষ্টদের দাবি, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় আহত ১ হাজার নেতাকর্মী
নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচনের দিন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হামলার ঘটনায় প্রায় ১ হাজার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলীয় নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধপূর্ণ এলাকায় একাধিক দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতরসহ অনেকে আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনের দিন কয়েকটি কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তারা জানিয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।উল্লেখ্য, আহতদের সঠিক সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় ১ হাজার নেতাকর্মী আহত
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নির্বাচনের দিন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১ হাজার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সহিংসতার মাত্রা বেড়ে যায়।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় এসব নেতাকর্মী আহত হন। অনেককে স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে রাজধানীর বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই উত্তেজনা সহিংস রূপ নেয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে এবং সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। তারা সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
জামায়াতের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ: বিশ্লেষণে উঠে এল ১০ দিক
জামায়াতের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ: বিশ্লেষণে উঠে এল ১০ দিকনিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে না পারার পেছনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, কৌশলগত ও সামাজিক কারণ রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনী বাস্তবতা, ভোটের মনস্তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক কৌশলের সীমাবদ্ধতা দলটির ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।নিচে আলোচিত হলো উল্লেখযোগ্য ১০টি কারণ—১️⃣ নতুন ভোটারদের ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশাপ্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ তরুণ ভোটারকে সম্ভাব্য বড় সমর্থকভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাস্তবে দেখা গেছে অধিকাংশ নতুন ভোটার পারিবারিক রাজনৈতিক আদর্শ থেকেই প্রভাবিত হয়েছেন। ফলে তারা প্রচলিত দলীয় ধারা থেকে বড় আকারে সরে আসেননি।২️⃣ ঐতিহাসিক ভোট বাস্তবতার সীমাবদ্ধতাঅতীত নির্বাচনে দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ১৯৯১ সালে ১৮টি আসন এবং ২০০১ সালে ১৭টি আসন। চতুর্থ পর্যায়ের দল থেকে হঠাৎ প্রথম সারিতে উঠে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাস্তব রাজনৈতিক সমীকরণে কঠিন।৩️⃣ সৌজন্য আচরণকে ভোট সমর্থন মনে করাপ্রচারণায় জনসাধারণের হাসিমুখ, করমর্দন ও আশ্বাসকে প্রকৃত ভোট সমর্থন হিসেবে ধরে নেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের সমর্থন সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে।৪️⃣ প্রতিপক্ষকে আক্রমণাত্মক প্রচারণাপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রচারণা সাধারণ ভোটারের কাছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে—এমন ধারণাও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।৫️⃣ “পরিবর্তনের জোয়ার” ধারণার অতিরঞ্জনদেশের ভোটাররা দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত দলগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। শুধুমাত্র দুর্নাম বা ব্যর্থতা তুলে ধরলে ভোটারদের আনুগত্য পরিবর্তন হবে—এই ধারণা বাস্তবে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।৬️⃣ ইসলামী দলগুলোর ঐক্য ভেঙে যাওয়াইসলামী শক্তির ঐক্যের প্রত্যাশা তৈরি হলেও জোটের ভাঙন ও মতপার্থক্যের কারণে ধর্মপ্রাণ ভোটারদের একাংশ হতাশ হন।৭️⃣ একাত্তরের ভূমিকা বিষয়ে দ্ব্যর্থতামুক্তিযুদ্ধকালীন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না দেওয়া এবং ঐতিহাসিক বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক জনমনে সংশয় তৈরি করেছে।৮️⃣ নীতিগত অবস্থানে অসামঞ্জস্যনির্বাচনের সময়সূচি, নির্বাচন পদ্ধতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং রাজনৈতিক কৌশল বিষয়ে বারবার অবস্থান পরিবর্তন জনআস্থায় প্রভাব ফেলেছে।৯️⃣ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষকদের অতিরঞ্জনপ্রবাসী ও অনলাইন বিশ্লেষকদের অতিরিক্ত আশাবাদী মূল্যায়ন নেতাকর্মীদের মধ্যে বাস্তবতার চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস তৈরি করে, যা মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।🔟 আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় সমর্থন সম্পর্কে ভুল ধারণারাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বা আন্তর্জাতিক মহল নিজেদের পক্ষে রয়েছে—এমন ধারণা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।ভোট বাস্তবতা বনাম রাজনৈতিক প্রত্যাশাবিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্বাচনী সাফল্য মূলত স্থানীয় সমীকরণ, সাংগঠনিক শক্তি, জোট রাজনীতি ও ভোটার আচরণের ওপর নির্ভরশীল। প্রচারণা বা জনসমাগম সবসময় ভোটে রূপান্তরিত হয় না।আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনী প্রেক্ষাপট এবং একাধিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ফলে অর্জিত আসন ও ভোটকে দলটির জন্য অগ্রগতির লক্ষণ হিসেবেও দেখছেন অনেকে।ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ও করণীয়কিছু আসনে ফল প্রকাশে বিলম্ব, ভোট ব্যবধান ও আসন ব্যবধানের পার্থক্য এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তদন্ত ও আইনি উদ্যোগের পাশাপাশি জনমত গঠন জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।পরিশেষে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য বাস্তবভিত্তিক কৌশল, স্থির নীতি, ঐক্য এবং ভোটার মনস্তত্ত্ব বোঝার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
গুলিভর্তি পিস্তল-দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী গ্রেফতার
গুলিভর্তি পিস্তল-দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী গ্রেফতারনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবারবগুড়ার নন্দীগ্রামে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে পাঁচ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল ও বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আবদুস সালাম (৩০), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও তেঁতুলিয়াগাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে;আবু বক্কর (২৮), একই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে;এবং পারভেজ মোশারফ (২৫), শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের রূপিহার গ্রামের আবু মুসার ছেলে।স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সেনাবাহিনীর অভিযানসেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেজর মেহেদী হাসান, ক্যাপ্টেন জিসান ও লেফটেন্যান্ট ফাতিনের নেতৃত্বে শাজাহানপুর ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা মঙ্গলবার বিকালে তেঁতুলিয়াগাড়ি গ্রামে অভিযান চালান।অভিযানকালে আবদুস সালামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করলে তাকে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে একটি চায়নিজ পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং ৩৫টি বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবু বক্কর ও পারভেজ মোশারফকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজনকে নন্দীগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনি ব্যবস্থানন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, অস্ত্র আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল অস্ত্রসহ আটক
আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল অস্ত্রসহ আটকনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের যন্ত্রাংশসহ আটক করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।অভিযানে যা উদ্ধারযৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মজিবর রহমান মাদবরের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা রুমা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তল্লাশিতে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্রও জব্দ করা হয়েছে।রাজনৈতিক পরিচয়স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন।প্রশাসনের বক্তব্যজাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, “অভিযানের সময় আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটক দু’জনকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।”জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, “সাবেক চেয়ারম্যানকে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আটক নারীর বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের দাবি করা হয়েছে—বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে।
জামায়াতের ভোট কোনদিকে—হাতপাখা নাকি ধানের শীষ?
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে শেষ মুহূর্তের হিসাবজামায়াতের ভোট কোনদিকে—হাতপাখা নাকি ধানের শীষ?নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ শেষ হওয়ায় এখন চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত প্রার্থীরা। বরিশালের ছয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে সদর-৫ আসন। নগরজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম কি বিজয়ের হাসি হাসবেন, নাকি নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি ধরে রাখতে সক্ষম হবেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার?জামায়াতের সমর্থন ঘিরে জটিল সমীকরণরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহ-সেক্রেটারি মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ফয়জুল করীমকে সমর্থন দেওয়ায় নির্বাচনি সমীকরণে বড় পরিবর্তনের আভাস দেখা দেয়। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় জামায়াত নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে না পারায় হাতপাখা শিবির পুরো সুবিধা নিতে পারেনি—এমন আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।জামায়াতের একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, দলীয় প্রার্থী ত্যাগ স্বীকার করলেও মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। ফলে ১১ দলীয় জোটের ভোটারদের মধ্যে কিছুটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। যদিও বিশ্লেষকদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত যদি জামায়াত ও জোটের ভোট একত্রে হাতপাখায় পড়ে, তাহলে ফলাফল বদলে যেতে পারে।বিএনপির ঘাঁটি রক্ষার লড়াইঅন্যদিকে, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার শুরুতে দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধে কিছুটা কোণঠাসা থাকলেও শেষ মুহূর্তে নেতাকর্মীদের একমঞ্চে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তবে প্রচারণা নিয়ে অগোছালোভাবের অভিযোগ ছিল শুরু থেকেই।সরোয়ার বিএনপির পাশাপাশি অন্যান্য ভোটব্যাংকে টানার কৌশল নিয়েছেন বলেও জানা গেছে, যা নিয়ে দলীয় তৃণমূলে কিছু অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে কৌশলে তা সামাল দিয়ে নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।হাতপাখার আশাবাদহাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ফয়জুল করীম দাবি করছেন, জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের সমর্থন ছাড়াও আওয়ামী লীগের একটি অংশ এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের সমর্থনও তিনি পাবেন। তার ভাষ্য, “মানুষ সৎ ও আদর্শিক রাজনীতির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন যা বলে, তা-ই করে—এই বিশ্বাস থেকেই জনগণ হাতপাখায় ভোট দেবে।”জামায়াতের ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকেই জামায়াত সমর্থন দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”এ বিষয়ে জামায়াত নেতা মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, পীর সাহেবের সম্মানে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে হাতপাখাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।তৃতীয় শক্তি হিসেবে বাসদএ আসনে বাসদের প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্ত্তীও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। মহানগরীর শ্রমজীবী মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য ভোটব্যাংকেও প্রভাব ফেলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।শেষ কথাসব মিলিয়ে বরিশাল-৫ আসনে মূল লড়াই ধানের শীষ ও হাতপাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। তবে জামায়াতের সমর্থন কোনদিকে কতটা কার্যকর হয়—সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ভোটের ফলাফলেই। এখন পুরো নগরজুড়ে একটাই আলোচনা—শেষ হাসি কে হাসবেন?
ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না : ডা. শফিকুর রহমান
ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না : ডা. শফিকুর রহমানআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরও ভোট চুরি হতে পারে উল্লেখ করে ভোটের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ভোটারদের কেন্দ্র না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ’ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। তার ভাষায়, ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে এবং জুলাই বাস্তবায়িত হবে। একই সঙ্গে আবরারসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, ১১ দলীয় জোট শুরু থেকেই সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে এসেছে।তিনি আরও বলেন, সমাজের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশ বর্তমান অবস্থা থেকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। তরুণদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তরুণরা দয়া নয়, কাজ চায়; তারা দেশের উন্নয়নে অংশীদার হতে চায়। সে লক্ষ্যেই তরুণদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।২০০৮ সালের পর দেশে গণরায়ের সঠিক প্রতিফলন হয়নি দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। গ্রামের ভোটাররা আগ্রহ নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার আশা, গণরায়ের সঠিক প্রতিফলন ঘটলে বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক ধারায় অগ্রসর হবে।নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে ন্যায়নিষ্ঠ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা সবার কর্তব্য। এতে জনগণের আস্থা ও সম্মান অর্জিত হবে।
সাম্য ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়তে চাই : ফয়জুল করীম
সাম্য ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়তে চাই : ফয়জুল করীমবরিশাল-৫ (আসন)সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আমিরে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।রোববার বিকেলে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতার মূল ভিত্তি ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সেই আদর্শ থেকে দেশকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ কৃষক-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিচার ব্যবস্থায়ও সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।তিনি বলেন, “আমি এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে অপরাধী অপরাধের শাস্তি পাবে, আর নিরপরাধ মানুষ সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে। যে ব্যক্তি দোষী নয়, তাকে যেন আর হয়রানির শিকার হতে না হয়।”পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বারবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান হয়নি। দুর্নীতি, মিথ্যা মামলা ও অবিচার সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।ফয়জুল করীম আরও বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে একটি মিথ্যা মামলাও থাকতে দেব না। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান—সব ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের জন্য সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আমার অঙ্গীকার।”তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা আমাকে একবার পরীক্ষা করুন। যদি আমি ব্যর্থ হই, তাহলে আর আপনাদের সামনে দাঁড়াব না।”জনসভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য উজ্জ্বল দাস হিন্দুদের হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।জনসভা শেষে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করা হয়।