neexra

শরীয়াহ প্রশ্নে আপস নয়, ঐক্য থেকে সরে আসার কারণ ব্যাখ্যা করলেন শেখ ফজলুল করিম মারুফ

Rasel Shikder, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: 19 ফেব. 2026, 10:05 অপরাহ্ন পঠিত: 70 বার
শরীয়াহ প্রশ্নে আপস নয়, ঐক্য থেকে সরে আসার কারণ ব্যাখ্যা করলেন শেখ ফজলুল করিম মারুফ
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ইসলাম ও শরীয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনীতি করার লক্ষ্য নিয়েই বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী চিন্তাবিদ শেখ ফজলুল করিম মারুফ। তিনি বলেন, শরীয়াহ প্রশ্নকে ভিত্তি করে “ইউদিন ইসলাম” মতভেদ পাশে রেখে ঐক্য গড়ে তুলেছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে ইসলাম ও শরীয়াহ প্রশ্নকে আড়াল করেছে। তবে দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান বিবেচনায় তিনি মনে করেন, তারা শরীয়াহকে বাদ দেয়নি; বরং কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বিষয়টি উহ্য রেখেছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থানের সঙ্গে একমত হওয়া সম্ভব হলেও তাতে দীর্ঘমেয়াদে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠিত হতো যে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে প্রকাশ্যে ইসলাম ও শরীয়াহকে সামনে রেখে রাজনীতি করার মতো কোনো দল নেই। এতে “বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় ইসলাম ও শরীয়াহভিত্তিক রাজনীতি সম্ভব নয়” — এমন ধারণা শক্তিশালী হয়ে উঠত।
তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি ঠেকাতেই প্রায় সোয়া এক বছর ধরে নির্মিত ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্বাচনের মাত্র ২৫ দিন আগে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
শেখ মারুফ দাবি করেন, তাদের দলকে পশ্চিমা শক্তিগুলোর কাছে উগ্রবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এতে কিছু মহল সমর্থনও দিয়েছে। পর্দা বিষয়ে তাদের দৃঢ় অবস্থান পশ্চিমা বিশ্বে অস্বস্তির কারণ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তার অভিযোগ, বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–কে দুর্বল দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং শরীয়াহভিত্তিক প্রচারণা জোরদার হওয়ার পর দলটির ভোট কম দেখানোর অপচেষ্টা হয়েছে। তিনি একে বহুমাত্রিক “ইঞ্জিনিয়ারিং” হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, শরীয়াহ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অযৌক্তিক ভীতি রয়েছে এবং এ কারণেই ইসলামী আন্দোলনের শক্তি কমিয়ে দেখানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

#বাংলাদেশ #সংবাদ #politics
neexra