সকল সংবাদ 332 টি
সারাদেশ
বিয়েবাড়িতে চাঁদার দাবিতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, আহত ৩
বিয়েবাড়িতে চাঁদার দাবিতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, আহত ৩আজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা করবেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবুলাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫)-এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসান (১৮)সহ কয়েকজন সেখানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা দাবিকৃত চাঁদার পরিমাণ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনে।পরিস্থিতি শান্ত করতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে হামলাকারীরা বরের পিতা বাবুলাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাথ বিশ্বাসকে মারধর করে। এ সময় টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর এবং আশপাশের বাড়িঘরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।আহত ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, “আমরা প্রবাসে থাকি। ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। অনুষ্ঠান চলাকালে আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। হঠাৎ কিশোর গ্যাং এসে হামলা চালায়। আমার ও আমার ছোট ভাইয়ের গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।”স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, বিয়েবাড়িতে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম মোল্লা জানান, ঘটনার সময় তিনি তারাবির নামাজে ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজি বা সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সারাদেশ
নরসিংদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
নরসিংদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলআমেনা আক্তার হত্যার বিচার দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর আয়োজনআজকের পয়গাম | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নরসিংদীর মাধবদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা আমেনা আক্তারের ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলটি বিকাল ৪টায় টিভি সেন্টার রামপুরা, ঢাকা থেকে বের হয়। অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানান।
রাজনীতি
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নরসিংদীর মাধবদী থানার মহিষাশুড়া ইউনিয়নে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, প্রথম দফায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বিচারের নামে উল্টো ভুক্তভোগী কিশোরীকে এলাকাছাড়া করা হয়। পরবর্তীতে সাহস পেয়ে ধর্ষকচক্র আবারও কিশোরীকে তার বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে হত্যা করে। পুরো ঘটনাকে তিনি “লোমহর্ষক ও বর্বরতার সীমা ছাড়ানো” বলে উল্লেখ করেন।তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও দুর্বৃত্তায়নের কারণেই এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মহিষাশুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতির বলয়ের হওয়ায় প্রথম দফায় ধর্ষণের দুঃসাহস দেখিয়েছে এবং বিচারের নামে নির্যাতিতের ওপরই চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে। পাশাপাশি যে রাজনৈতিক চক্র অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সারা দেশের দলীয় কমিটি পুনর্গঠন করে অপরাধী ও অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের বাদ দিতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনার দায় দলকেও নিতে হবে।
সারাদেশ
রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ও নেপথ্য সমঝোতা: প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ
হাসিনা পালিয়েছে ২৪ সালের আগস্টে আর তারেক রহমান দেশে এসেছে ২৫ সালের ডিসেম্বরে। মাঝখানে অন্যান্য নেতাকর্মীরা দেশে আসলেও তারেক রহমান আসেনি।তারেক রহমানের দেশে ফিরা নিয়ে যতবার প্রশ্ন করা হয়েছে ততবারই বলেছে- নিরাপত্তার কারণে আসতে পারছে না।কিন্তু নিরাপত্তাটাই আসল কারণ ছিল না।আরেকটা বড় কারণ ছিল নেগোসিয়েশন বা সমঝোতা।তারেক রহমান দেশে আসার আগে সব রাজনৈতিক দল, পাশ্ববর্তী দেশ এবং বাহিনীদের সাথে নেগোসিয়েশন করে তবেই দেশে আসার প্ল্যান করেছিল।তবে সবচেয়ে বড় নেগোসিয়েশনটা হয়েছিল দেশের বাহিনীগুলোর সাথে। তাছাড়া তারেক রহমানের দ্বন্দ্বটাও ছিল বাহিনীদের সাথেই।দেশের বাহিনীরাই তাকে মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করিয়েছিল। সেজন্যে বাহিনীদের সাথে সমঝোতা না করে দেশে ফিরতে পারছিল না সে।বাহিনীদের সাথে তারেক রহমানের সমঝোতা ছিল অনেকটা এরকম- বাহিনীর যেসকল উর্ধ্বতন কর্মকতারা গু*ম খুনের সাথে জড়িত তাদের মামলাগুলো আস্তে আস্তে সরিয়ে ফেলতে হবে।তাদেরকে জেল বা ফাঁসি হওয়া থেকে বাঁচাতে হবে, বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের পুনঃতদন্ত বন্ধ করতে হবে, আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার স্পেস দিতে হবে এবং ভারতের সাথে সম্পর্কের জোরদার করতে হবে।এই সমঝোতা গুলো মানলে বাহিনীরা তারেক রহমানের বিএনপিকে নির্বাচনে জিতিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বানাতে যত ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার সেগুলো করবে- এমনটাই কথা হয়েছিল।বাহিনীরা শুধুমাত্র বিএনপিকে তাদের পছন্দ হিসাবে বেছে নিয়েছিল কারণ জামায়াত বা অন্য দলের সাথে তাদের পরিকল্পনা মিলছিল না। তাছাড়া জামায়াত বা অন্য দলগুলো ক্ষমতায় চলে আসলে বাহিনীদের এই স্বার্থগুলোও হাসিল হওয়া কঠিন হতো ।তাই তারা বিএনপি তথা তারেক রহমানকে বেছে নিয়েছিল এবং তাকে নির্বাচনে জিতাতে প্রশাসনিক সব সাপোর্ট দিয়েছিল।নেগোসিয়েশনের অংশ হিসাবে তারেক রহমানও নির্বাচনে জিতার পর তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে শুরু করে।এজন্যেই হুট করে ডিজিএফআইয়ের চিফ বানানো হয় জেনারেল কায়সার চৌধুরীকে যার সাথে হাসিনার দহরমমহরম সম্পর্ক ছিল।তারপর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকেও প্রসিকিউশন থেকে বাদ দেয়া হয় কারণ তাজুল ইসলাম জুলাই হত্যা মামলাগুলোর উকিল ছিলেন এবং বাহিনীদের গুম খুনের মামলাগুলো সামলাচ্ছিলেন।তাজুল ইসলাম বলেছিলেন- কোটি টাকা দিলেও তার টিমকে কিনা যাবে না। তাজুল ইসলাম থাকলে বাহিনীদের উর্ধ্বতন কর্মকতারা ছাড়া পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তো তাই আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাজুল ইসলামকে সাথে সাথেই বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে।এরপর ইউনূস সরকারের আমলে বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের যে পুনঃতদন্ত চালু করা হয়েছিল সেটাও দুদিন আগে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকতাদের বাঁচিয়ে দেয়া যায়।রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি বানানো হয়েছে রামনাথ পূজারীকে। শুধু তাই না গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসানো হয়েছে দলীয় লোকদেরকে যাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী নেগোসিয়েশনটা সহজ হয়।তারপর একে একে আওয়ামী লীগের নেতাদেরকেও জামিনের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে, তাদের কার্যালয় খুলার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, রাজনীতিতে ফিরার স্পেস করে দেয়া হয়েছে।আমরা হয়তো ভাবছি এই কাজগুলো হুট করেই হচ্ছে। কিন্তু না, এই নেগোসিয়েশন গুলো হয়েছিল নির্বাচনের আগেই।তারেক রহমান যখন তিন বাহিনীর প্রধানের সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিল তখন সে বাহিনী প্রধানদের সাথে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দেখেই বুঝা যাচ্ছিল বাহিনীদের কাছে কতটা অসহায় এবং ধরা সে।যেই ঘটনাগুলো আমরা ইদানীং ঘটতে দেখছি, যে ঘটনাগুলো দেখে আমরা অবাক হচ্ছি সেগুলো মোটেও হুট করে ঘটছে না সেগুলোর নীলনকশা আঁকা হয়েছিল নির্বাচনের বহু আগেইIbrahim Khalil Shawon
সারাদেশ
নরসিংদীর নির্মমতা: বিচারহীনতার শঙ্কায় ক্ষুব্ধ জনমত
নরসিংদীর নির্মমতা: বিচারহীনতার শঙ্কায় ক্ষুব্ধ জনমত✍️ হাসিব আর রহমাননরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর বিচার চাওয়ায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শরিষাক্ষেতে তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।অভিযোগ রয়েছে, প্রথম ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ দেওয়া হয়। সর্বশেষ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।ঘটনাটি ঘিরে বিচার প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হচ্ছে।লেখক তার প্রতিক্রিয়ায় গভীর শোক, ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন— সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে এমন নির্মমতা বন্ধ হবে না। তিনি আল্লাহর কাছে বিচার প্রার্থনা করে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
সারাদেশ
রমজান ও ঈদ নিরাপত্তায় বিশেষ অভিযান: ৯৫ জন গ্রেপ্তার
রমজান ও ঈদ নিরাপত্তায় বিশেষ অভিযান: ৯৫ জন গ্রেপ্তারঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)–এর তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় পবিত্র রমজান মাসে নগরবাসীর নিরাপদ সিয়াম পালন ও শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে, যা গত বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়।🔹 অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।🔹 চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, খুনের মামলায় পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।🔹 পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আইন-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
সারাদেশ
বরিশালে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের রিজিওনাল অর্গানাইজিং পলিসি অ্যান্ড অ্যাকশন সামিট অনুষ্ঠিত
বরিশালে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের রিজিওনাল অর্গানাইজিং পলিসি অ্যান্ড অ্যাকশন সামিট অনুষ্ঠিতনিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বরিশালের চাঁদমারীস্থ এমসি অডিটোরিয়ামে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে Regional Organizing Policy & Action Summit অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সৈয়দ ফজলুল করিম (রহ.) জোনের জিম্মাদার মুতাসিম বিল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সামিটটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য গাজী মুহাম্মাদ রেদোয়ান ও সালাউদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সামিটে সৈয়দ ফজলুল করিম (রহ.) জোনের আওতাধীন বরিশাল জেলা ও মহানগর, ভোলা উত্তর ও দক্ষিণ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার জেলা ও থানা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সারাদেশ
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতার
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতারআজকের পয়গাম ডেস্ক:জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও গণইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজনে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ, তরুণ সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বলেন, তাদের রক্তের ঋণ জাতি কখনো শোধ করতে পারবে না।বক্তারা আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদিসহ জুলাইয়ের শহীদরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবেন। তাদের আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।দোয়া শেষে উপস্থিত রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। গণইফতারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন, যা একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা “Justice For Hadi” স্লোগান উচ্চারণ করে শহীদদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।#আজকের_পয়গাম #JusticeForHadi #জুলাই_শহীদ #দোয়া_মাহফিল #গণইফতার
ইসলাম ও জীবন
পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষার্থে ঝালকাঠিতে র্যালি অনুষ্ঠিত
পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষার্থে ঝালকাঠিতে র্যালি অনুষ্ঠিতআজকের পয়গাম ডেস্ক:পবিত্র মাহে রমযানের সম্মান, মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষার আহ্বানে ঝালকাঠিতে এক বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র্যালিটির আয়োজন করে বাংলাদেশ হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীন ও বাংলাদেশ তোলাবায়ে মুছলিহীন।র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।বক্তারা বলেন, রমযান আত্মশুদ্ধি, সংযম, তাকওয়া ও নৈতিকতার মাস। এ মাসের পবিত্রতা রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে এবং ইসলামী আদর্শে ব্যক্তি ও সমাজ জীবন গড়ে তুলতে হবে। তারা সামাজিক অনৈতিকতা, অপসংস্কৃতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিহার করে সিয়ামের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রতিফলনের আহ্বান জানান।সমাবেশে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।বক্তারা আরও বলেন, রমযানের শিক্ষা যদি ব্যক্তি জীবনে ধারণ করা যায়, তবে সমাজে ন্যায়, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হবে।শেষে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়— তিনি যেন সকলকে মাহে রমযানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করেন।#আজকের_পয়গাম #রমযান #ঝালকাঠি #ইসলামী_র্যালি
শিক্ষা
বরিশালে শিক্ষক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বরিশালে শিক্ষক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সন্ধ্যাবরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডস্থ শিক্ষক ভবনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (BTA), বরিশাল আঞ্চলিক শাখার আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৫টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ার।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (BTA), বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি সুনীল বরণ হালদার।বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাস। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। ইফতার পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
সারাদেশ
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধ
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে গ্রেফতার এবং ২০ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আদালত বর্জন করে কর্মবিরতি পালন করেছেন জেলার আইনজীবীরা।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫টি আদালতের কোনোটিতেই আইনজীবীরা উপস্থিত হননি। তালাবদ্ধ ছিল আদালত ভবনও। তবে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চলমান ছিল বলে জানা গেছে।ভবন দুটিই তালাবদ্ধসরেজমিনে দেখা যায়, জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনটি তালাবদ্ধ। এখানে অন্তত তিন শতাধিক আইনজীবী চেম্বার করেন। ভবনের পেছনে অবস্থিত ‘এনএক্স ভবন’ নামের আরেকটি কার্যালয়েও প্রায় পাঁচ শতাধিক আইনজীবীর চেম্বার রয়েছে। সেটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।আদালত চত্বরে কয়েকজন আইনজীবীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেলেও তারা কোর্ট বর্জন করে সময় কাটাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বিচারপ্রার্থীরা নিজ নিজ মামলার তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হন। আইনজীবী ছাড়াই সংশ্লিষ্ট বিচারকরা বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।রাতে বাড়িতে অভিযান অভিযোগএদিকে যেসব আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাদের কয়েকজনের বাড়িতে রাতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মহসিন মন্টু অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে তার বাসায় যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। তবে তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। এতে তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।একই ধরনের অভিযোগ করেন আইনজীবী হাফেজ উদ্দিন বাবলু। তিনি বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকজন সহকর্মীর বাড়িতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। বিষয়টি নেক্কারজনক। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি।”ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
সারাদেশ
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫আজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ঈদ উপলক্ষে সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাগুরা পৌরসভার শিবরামপুর ও বাটিকাডাঙ্গা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তারিকুল শেখ এবং একই ওয়ার্ডের নেতা আবু মিয়ার মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।সংঘর্ষের সময় ওয়ার্ড সভাপতির কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।শাহ শিবলী সাদিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জানান— পৌর এলাকার বাটিকাডাঙ্গা পাকার মাথায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজনীতি
গভর্নর পরিবর্তন ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ
গভর্নর পরিবর্তন ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মনসুর সাহেবের অপসারণ এবং নতুন গভর্নর নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিভিন্ন মহল থেকে দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।সমালোচকদের দাবি, দায়িত্বে থাকাকালে ড. মনসুর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর ব্যাংক হিসাব জব্দ (ফ্রিজ) করেন। রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট করে ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল অঙ্কের অর্থ আটকে দেওয়ার পদক্ষেপও তিনি নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া দেউলিয়াত্বের মুখে পড়া কয়েকটি ব্যাংককে পুনরুদ্ধারে নীতিগত পদক্ষেপ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলেও তার সমর্থকরা উল্লেখ করছেন। তারা তাকে বিশ্বমানের অর্থনীতিবিদ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এও কাজ করার অভিজ্ঞতা রাখেন।অন্যদিকে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে অপসারণ করে নতুন গভর্নর হিসেবে একজন ব্যবসায়ীকে দায়িত্ব দেওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হলো।এদিকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা জনাব আমীর খসরু। এ পরিবর্তনের পর দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা মহলে শঙ্কা ও প্রশ্ন উঠেছে।সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নতুন গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর সমন্বিত পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে টেকসই পথে এগিয়ে নেবে— নাকি ঋণের বোঝা বাড়বে, তা সময়ই বলে দেবে।
জাতীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত করে খুনিদের বিচার দাবি
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত করে খুনিদের বিচার দাবিস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়— যা দেশের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক ঘটনা।বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে এত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু বিরল ও মর্মান্তিক।তিনি অভিযোগ করেন, এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কোনো নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত এখনো সম্পন্ন হয়নি। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং কী স্বার্থে এ বর্বরতা সংঘটিত হয়েছে— তা আজও জাতির সামনে পরিষ্কার নয়।চরমোনাই পীর বলেন, ঘটনার বহু বছর পার হয়ে গেলেও প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয়নি। আর সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।তিনি পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষর করেন।
সারাদেশ
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনা
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনানিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ-এর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থলে যান হান্নান মাসউদ। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর পুনর্বাসিত সন্ত্রাসীরা যোগ দেয় বলেও দাবি করা হয়।হামলায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও হামলা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করা হয়।নির্বাচনের পর থেকে হাতিয়ায় সংঘটিত সব সহিংস ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সারাদেশ
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্ন
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্নস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে গত দুই মাসে মোট ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবার মান বৃদ্ধি লক্ষ্য করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো সম্পন্ন করা হবে ইনশাআল্লাহ।স্থানীয়দের মতে, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা ও নাগরিক সুবিধা আরও উন্নত হবে।
জাতীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল — নাহিদ ইসলাম
পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল — নাহিদ ইসলামঅনলাইন ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ভারতের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বনানী সামরিক কবরস্থান পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, দিনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন–এর এক সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া–এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জাতীয়
এ বছর জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ, সর্বনিম্ন কত ও সর্বোচ্চ কত টাকা
এ বছর জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকাআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন–এর বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।ফিতরার নির্ধারিত হারসভায় জানানো হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিসমিস, খেজুর বা পনির দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। নির্ধারিত পরিমাণ ও বাজারমূল্য অনুযায়ী হার হলো—গম/আটা: অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) — ১১০ টাকাযব: ১ সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) — ৫৯৫ টাকাখেজুর: ১ সা’ — ২,৪৭৫ টাকাকিসমিস: ১ সা’ — ২,৬৪০ টাকাপনির: ১ সা’ — ২,৮০৫ টাকাকমিটি জানায়, দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে সংগৃহীত এসব পণ্যের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী আদায় করা যাবেমুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যের যে কোনো একটি বা তার বাজারমূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যের দামের পার্থক্য থাকায় স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী প্রদান করলেও ফিতরা আদায় হবে।সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আলেম ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।