সারাদেশ
মোট সংবাদ: 97 টি
১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীআজকের পয়গাম ডেস্ক: আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন।মন্ত্রী জানান, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তির সুবিধাভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে ১০ মার্চ বগুড়ায় একই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের কারণে ওই সফর স্থগিত করা হয়েছে।বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, নির্ধারিত কর্মসূচিটি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, উপনির্বাচন চলমান থাকায় ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কোনো কর্মসূচি রাখছেন না।সরকারের এ উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার মাধ্যমে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশআজকের পয়গাম ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।দলটির মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় গোটা মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। চলমান মিসাইল হামলা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় প্রবাসীদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সরকারকে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।অর্থনীতিতে যুদ্ধের প্রভাবের আশঙ্কাঅধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহ এই যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহসহ বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক অভিঘাত দেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্মমহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, আহমদ আব্দুল কাইয়ুম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
কলাপাড়ায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস, মারধরের পর এক ব্যক্তির মৃত্যু
কলাপাড়ায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস, মারধরের পর এক ব্যক্তির মৃত্যুপটুয়াখালী প্রতিনিধি: কলাপাড়া উপজেলার এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে ‘হাতপাখা’ প্রতীকের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর এক নেতার বিরুদ্ধে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন।পরিবারের দাবি, ওই স্ট্যাটাস দেওয়ার পর তাকে স্থানীয় একটি রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং আজ তিনি মারা যান।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহতের স্বজনরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পোষাকখাতে বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধে জোর দাবি; ঈদ আনন্দ নষ্ট না করার আহ্বান
পোষাকখাতে বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধে জোর দাবি; ঈদ আনন্দ নষ্ট না করার আহ্বানআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোষাকখাতের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, কোনো অজুহাতেই শ্রমিকদের ঈদের আনন্দ নষ্ট করা যাবে না।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ঈদ ঘনিয়ে এলেই দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা পোষাকখাতের শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। দিন-রাত পরিশ্রম করা শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে টালবাহানা করা অনভিপ্রেত ও অন্যায়।তিনি বলেন, মালিকরা শ্রমিকদের শ্রমের ওপর নির্ভর করেই সম্পদশালী হয়েছেন। অথচ ঈদ এলে বেতন-বোনাস পরিশোধ নিয়ে নানা জটিলতা সৃষ্টি করা সমর্থনযোগ্য নয়। শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে কোনো ছলচাতুরী না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতি বছর ঈদের আগে শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে সরকার ও মালিকপক্ষকে বৈঠকে বসতে হয়। অনেক সময় মালিকদের বিভিন্ন দাবি সরকার মেনে নিলেও শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধে গড়িমসি দেখা যায়। চলতি বছরও নগদ প্রণোদনার দাবি তুলেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, দেশের অন্যতম সুবিধাপ্রাপ্ত ও লাভজনক খাত হিসেবে পোষাকশিল্পের উচিত শ্রমিকদের অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া। দলটি আগামী বিশ রোজার মধ্যে সকল শ্রমিকের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সম্পূর্ণ পরিশোধের জোর দাবি জানিয়েছে।
মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১
মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:০৪ পিএমসুনামগঞ্জের Chhatak Upazila–এ মসজিদের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াকুট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফজল মিয়া (৫০) নোয়াকুট গ্রামের সোনু মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের আর্থিক হিসাব ও পরিচালনা কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ফজল মিয়া। পরে তাকে উদ্ধার করে Companiganj Upazila Health Complex–এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।Chhatak Police Station–এর এসআই তোহা জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। সেখানে পৌঁছে বিস্তারিত জানা যাবে।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে জানা গেছে।আজকের পয়গাম বিষয়টির সর্বশেষ আপডেট জানাতে পাঠকদের সঙ্গে থাকবে।
নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: গ্রেপ্তার ৭, অভিযুক্তদের একজন জামায়াত কর্মী—মীমাংসায় বিএনপি নেতা
নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: গ্রেপ্তার ৭, অভিযুক্তদের একজন জামায়াত কর্মী—মীমাংসায় বিএনপি নেতানিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাপ্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪২ পিএমনরসিংদীর মাধবদী এলাকায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ৪ জন সরাসরি অপরাধে জড়িত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রেপ্তারদের একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র কর্মী এবং স্থানীয় এক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা ঘটনাটি মীমাংসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ নুরা। তার সঙ্গে আরও তিনজন সহযোগী ছিল। এদের মধ্যে এবাদুল্লাহ নামে একজন জামায়াত কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে। গত সংসদ নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন বলেও জানা গেছে।ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর ১৫ দিন পর্যন্ত তাদের মামলা করতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ‘মীমাংসা’র নামে সময়ক্ষেপণ করেছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে যায়। সালিস বৈঠকে পরিবারটিকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ সময় আসামিপক্ষ সালিস কমিটি ও পুলিশকে ৮ হাজার টাকা দিয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।পরিবারটি আরও জানায়, তারা প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি পাচ্ছেন। এলাকায় স্থায়ী বাসিন্দা না হওয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত তারা।অন্যদিকে, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীকে আসামি করায় তার স্বজনেরা বাদীর বাড়ি ঘেরাও করেন। তাদের দাবি, এলাকার সম্মানের কথা বিবেচনা করে তিনি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ বরাদ্দ জামায়াত আমিরের জন্য
ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ বরাদ্দ জামায়াত আমিরের জন্যনিজস্ব প্রতিবেদক:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান–এর জন্য ঢাকার মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা ২৯ নম্বর এই সরকারি বাসভবনটি বর্তমানে সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছে।গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ২৫ বছর খালি পড়ে থাকায় ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। বর্তমানে প্রায় ৯০ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রঙের ফিনিশিং ও রাস্তার কিছু অংশের কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাসভবনটি পুরোপুরি বসবাসের উপযোগী করতে আরও এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে।ইতিহাস ও রাজনৈতিক গুরুত্বব্রিটিশ আমলে প্রায় আড়াই একর জমির ওপর নির্মিত দোতলা লাল রঙের ভবনটি ‘লাল বাড়ি’ নামে পরিচিত। স্বাধীনতার পর এটি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারিত হয়।১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও শেখ হাসিনা এই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এখানে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে নিয়মিত কার্যালয় পরিচালনা করেন খালেদা জিয়া। সে সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাড়িটি ছিল অত্যন্ত সরগরম।২০০১ সালে খালেদা জিয়া বাসভবনটি ছেড়ে দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় সেখানে আর কোনো বিরোধীদলীয় নেতা বসবাস করেননি।দলীয় সিদ্ধান্ত এখনো হয়নিবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি–র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বাসভবন বরাদ্দ দিয়েছে। তবে দলীয়ভাবে এখনো সেখানে ওঠার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংসদের অধিবেশন শুরু হলে বিষয়টি দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, মিন্টো রোডের এই বাসভবনের আশপাশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইজিপি, বিভাগীয় কমিশনারসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন অবস্থিত।দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় পর ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে যাচ্ছে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিয়েবাড়িতে চাঁদার দাবিতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, আহত ৩
বিয়েবাড়িতে চাঁদার দাবিতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, আহত ৩আজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তারা থানায় মামলা করবেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবুলাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫)-এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসান (১৮)সহ কয়েকজন সেখানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা দাবিকৃত চাঁদার পরিমাণ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনে।পরিস্থিতি শান্ত করতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে হামলাকারীরা বরের পিতা বাবুলাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাথ বিশ্বাসকে মারধর করে। এ সময় টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর এবং আশপাশের বাড়িঘরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।আহত ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, “আমরা প্রবাসে থাকি। ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। অনুষ্ঠান চলাকালে আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। হঠাৎ কিশোর গ্যাং এসে হামলা চালায়। আমার ও আমার ছোট ভাইয়ের গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।”স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, বিয়েবাড়িতে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম মোল্লা জানান, ঘটনার সময় তিনি তারাবির নামাজে ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজি বা সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
নরসিংদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
নরসিংদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলআমেনা আক্তার হত্যার বিচার দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর আয়োজনআজকের পয়গাম | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নরসিংদীর মাধবদীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা আমেনা আক্তারের ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলটি বিকাল ৪টায় টিভি সেন্টার রামপুরা, ঢাকা থেকে বের হয়। অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানান।
রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ও নেপথ্য সমঝোতা: প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ
হাসিনা পালিয়েছে ২৪ সালের আগস্টে আর তারেক রহমান দেশে এসেছে ২৫ সালের ডিসেম্বরে। মাঝখানে অন্যান্য নেতাকর্মীরা দেশে আসলেও তারেক রহমান আসেনি।তারেক রহমানের দেশে ফিরা নিয়ে যতবার প্রশ্ন করা হয়েছে ততবারই বলেছে- নিরাপত্তার কারণে আসতে পারছে না।কিন্তু নিরাপত্তাটাই আসল কারণ ছিল না।আরেকটা বড় কারণ ছিল নেগোসিয়েশন বা সমঝোতা।তারেক রহমান দেশে আসার আগে সব রাজনৈতিক দল, পাশ্ববর্তী দেশ এবং বাহিনীদের সাথে নেগোসিয়েশন করে তবেই দেশে আসার প্ল্যান করেছিল।তবে সবচেয়ে বড় নেগোসিয়েশনটা হয়েছিল দেশের বাহিনীগুলোর সাথে। তাছাড়া তারেক রহমানের দ্বন্দ্বটাও ছিল বাহিনীদের সাথেই।দেশের বাহিনীরাই তাকে মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করিয়েছিল। সেজন্যে বাহিনীদের সাথে সমঝোতা না করে দেশে ফিরতে পারছিল না সে।বাহিনীদের সাথে তারেক রহমানের সমঝোতা ছিল অনেকটা এরকম- বাহিনীর যেসকল উর্ধ্বতন কর্মকতারা গু*ম খুনের সাথে জড়িত তাদের মামলাগুলো আস্তে আস্তে সরিয়ে ফেলতে হবে।তাদেরকে জেল বা ফাঁসি হওয়া থেকে বাঁচাতে হবে, বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের পুনঃতদন্ত বন্ধ করতে হবে, আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার স্পেস দিতে হবে এবং ভারতের সাথে সম্পর্কের জোরদার করতে হবে।এই সমঝোতা গুলো মানলে বাহিনীরা তারেক রহমানের বিএনপিকে নির্বাচনে জিতিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বানাতে যত ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার সেগুলো করবে- এমনটাই কথা হয়েছিল।বাহিনীরা শুধুমাত্র বিএনপিকে তাদের পছন্দ হিসাবে বেছে নিয়েছিল কারণ জামায়াত বা অন্য দলের সাথে তাদের পরিকল্পনা মিলছিল না। তাছাড়া জামায়াত বা অন্য দলগুলো ক্ষমতায় চলে আসলে বাহিনীদের এই স্বার্থগুলোও হাসিল হওয়া কঠিন হতো ।তাই তারা বিএনপি তথা তারেক রহমানকে বেছে নিয়েছিল এবং তাকে নির্বাচনে জিতাতে প্রশাসনিক সব সাপোর্ট দিয়েছিল।নেগোসিয়েশনের অংশ হিসাবে তারেক রহমানও নির্বাচনে জিতার পর তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে শুরু করে।এজন্যেই হুট করে ডিজিএফআইয়ের চিফ বানানো হয় জেনারেল কায়সার চৌধুরীকে যার সাথে হাসিনার দহরমমহরম সম্পর্ক ছিল।তারপর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকেও প্রসিকিউশন থেকে বাদ দেয়া হয় কারণ তাজুল ইসলাম জুলাই হত্যা মামলাগুলোর উকিল ছিলেন এবং বাহিনীদের গুম খুনের মামলাগুলো সামলাচ্ছিলেন।তাজুল ইসলাম বলেছিলেন- কোটি টাকা দিলেও তার টিমকে কিনা যাবে না। তাজুল ইসলাম থাকলে বাহিনীদের উর্ধ্বতন কর্মকতারা ছাড়া পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তো তাই আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাজুল ইসলামকে সাথে সাথেই বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে।এরপর ইউনূস সরকারের আমলে বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের যে পুনঃতদন্ত চালু করা হয়েছিল সেটাও দুদিন আগে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকতাদের বাঁচিয়ে দেয়া যায়।রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি বানানো হয়েছে রামনাথ পূজারীকে। শুধু তাই না গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসানো হয়েছে দলীয় লোকদেরকে যাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী নেগোসিয়েশনটা সহজ হয়।তারপর একে একে আওয়ামী লীগের নেতাদেরকেও জামিনের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে, তাদের কার্যালয় খুলার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, রাজনীতিতে ফিরার স্পেস করে দেয়া হয়েছে।আমরা হয়তো ভাবছি এই কাজগুলো হুট করেই হচ্ছে। কিন্তু না, এই নেগোসিয়েশন গুলো হয়েছিল নির্বাচনের আগেই।তারেক রহমান যখন তিন বাহিনীর প্রধানের সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিল তখন সে বাহিনী প্রধানদের সাথে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দেখেই বুঝা যাচ্ছিল বাহিনীদের কাছে কতটা অসহায় এবং ধরা সে।যেই ঘটনাগুলো আমরা ইদানীং ঘটতে দেখছি, যে ঘটনাগুলো দেখে আমরা অবাক হচ্ছি সেগুলো মোটেও হুট করে ঘটছে না সেগুলোর নীলনকশা আঁকা হয়েছিল নির্বাচনের বহু আগেইIbrahim Khalil Shawon
নরসিংদীর নির্মমতা: বিচারহীনতার শঙ্কায় ক্ষুব্ধ জনমত
নরসিংদীর নির্মমতা: বিচারহীনতার শঙ্কায় ক্ষুব্ধ জনমত✍️ হাসিব আর রহমাননরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর বিচার চাওয়ায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। শরিষাক্ষেতে তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।অভিযোগ রয়েছে, প্রথম ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ দেওয়া হয়। সর্বশেষ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।ঘটনাটি ঘিরে বিচার প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হচ্ছে।লেখক তার প্রতিক্রিয়ায় গভীর শোক, ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন— সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে এমন নির্মমতা বন্ধ হবে না। তিনি আল্লাহর কাছে বিচার প্রার্থনা করে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
রমজান ও ঈদ নিরাপত্তায় বিশেষ অভিযান: ৯৫ জন গ্রেপ্তার
রমজান ও ঈদ নিরাপত্তায় বিশেষ অভিযান: ৯৫ জন গ্রেপ্তারঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)–এর তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় পবিত্র রমজান মাসে নগরবাসীর নিরাপদ সিয়াম পালন ও শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে, যা গত বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়।🔹 অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।🔹 চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, খুনের মামলায় পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।🔹 পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আইন-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
বরিশালে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের রিজিওনাল অর্গানাইজিং পলিসি অ্যান্ড অ্যাকশন সামিট অনুষ্ঠিত
বরিশালে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের রিজিওনাল অর্গানাইজিং পলিসি অ্যান্ড অ্যাকশন সামিট অনুষ্ঠিতনিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বরিশালের চাঁদমারীস্থ এমসি অডিটোরিয়ামে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে Regional Organizing Policy & Action Summit অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সৈয়দ ফজলুল করিম (রহ.) জোনের জিম্মাদার মুতাসিম বিল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সামিটটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য গাজী মুহাম্মাদ রেদোয়ান ও সালাউদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সামিটে সৈয়দ ফজলুল করিম (রহ.) জোনের আওতাধীন বরিশাল জেলা ও মহানগর, ভোলা উত্তর ও দক্ষিণ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার জেলা ও থানা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতার
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতারআজকের পয়গাম ডেস্ক:জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও গণইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজনে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ, তরুণ সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বলেন, তাদের রক্তের ঋণ জাতি কখনো শোধ করতে পারবে না।বক্তারা আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদিসহ জুলাইয়ের শহীদরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবেন। তাদের আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।দোয়া শেষে উপস্থিত রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। গণইফতারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন, যা একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা “Justice For Hadi” স্লোগান উচ্চারণ করে শহীদদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।#আজকের_পয়গাম #JusticeForHadi #জুলাই_শহীদ #দোয়া_মাহফিল #গণইফতার
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধ
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে গ্রেফতার এবং ২০ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আদালত বর্জন করে কর্মবিরতি পালন করেছেন জেলার আইনজীবীরা।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫টি আদালতের কোনোটিতেই আইনজীবীরা উপস্থিত হননি। তালাবদ্ধ ছিল আদালত ভবনও। তবে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চলমান ছিল বলে জানা গেছে।ভবন দুটিই তালাবদ্ধসরেজমিনে দেখা যায়, জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনটি তালাবদ্ধ। এখানে অন্তত তিন শতাধিক আইনজীবী চেম্বার করেন। ভবনের পেছনে অবস্থিত ‘এনএক্স ভবন’ নামের আরেকটি কার্যালয়েও প্রায় পাঁচ শতাধিক আইনজীবীর চেম্বার রয়েছে। সেটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।আদালত চত্বরে কয়েকজন আইনজীবীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেলেও তারা কোর্ট বর্জন করে সময় কাটাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বিচারপ্রার্থীরা নিজ নিজ মামলার তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হন। আইনজীবী ছাড়াই সংশ্লিষ্ট বিচারকরা বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।রাতে বাড়িতে অভিযান অভিযোগএদিকে যেসব আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাদের কয়েকজনের বাড়িতে রাতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মহসিন মন্টু অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে তার বাসায় যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। তবে তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। এতে তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।একই ধরনের অভিযোগ করেন আইনজীবী হাফেজ উদ্দিন বাবলু। তিনি বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকজন সহকর্মীর বাড়িতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। বিষয়টি নেক্কারজনক। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি।”ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫আজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ঈদ উপলক্ষে সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাগুরা পৌরসভার শিবরামপুর ও বাটিকাডাঙ্গা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তারিকুল শেখ এবং একই ওয়ার্ডের নেতা আবু মিয়ার মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।সংঘর্ষের সময় ওয়ার্ড সভাপতির কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।শাহ শিবলী সাদিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জানান— পৌর এলাকার বাটিকাডাঙ্গা পাকার মাথায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনা
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনানিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ-এর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থলে যান হান্নান মাসউদ। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর পুনর্বাসিত সন্ত্রাসীরা যোগ দেয় বলেও দাবি করা হয়।হামলায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও হামলা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করা হয়।নির্বাচনের পর থেকে হাতিয়ায় সংঘটিত সব সহিংস ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্ন
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্নস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে গত দুই মাসে মোট ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবার মান বৃদ্ধি লক্ষ্য করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো সম্পন্ন করা হবে ইনশাআল্লাহ।স্থানীয়দের মতে, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা ও নাগরিক সুবিধা আরও উন্নত হবে।