সকল সংবাদ 451 টি
সারাদেশ
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতার
জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও গণইফতারআজকের পয়গাম ডেস্ক:জুলাই যুদ্ধের রামপুরায় শহীদ ওসমান হাদি ও অন্যান্য জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও গণইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজনে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ, তরুণ সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বলেন, তাদের রক্তের ঋণ জাতি কখনো শোধ করতে পারবে না।বক্তারা আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদিসহ জুলাইয়ের শহীদরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবেন। তাদের আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।দোয়া শেষে উপস্থিত রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। গণইফতারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন, যা একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা “Justice For Hadi” স্লোগান উচ্চারণ করে শহীদদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।#আজকের_পয়গাম #JusticeForHadi #জুলাই_শহীদ #দোয়া_মাহফিল #গণইফতার
ইসলাম ও জীবন
পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষার্থে ঝালকাঠিতে র্যালি অনুষ্ঠিত
পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষার্থে ঝালকাঠিতে র্যালি অনুষ্ঠিতআজকের পয়গাম ডেস্ক:পবিত্র মাহে রমযানের সম্মান, মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষার আহ্বানে ঝালকাঠিতে এক বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র্যালিটির আয়োজন করে বাংলাদেশ হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীন ও বাংলাদেশ তোলাবায়ে মুছলিহীন।র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।বক্তারা বলেন, রমযান আত্মশুদ্ধি, সংযম, তাকওয়া ও নৈতিকতার মাস। এ মাসের পবিত্রতা রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে এবং ইসলামী আদর্শে ব্যক্তি ও সমাজ জীবন গড়ে তুলতে হবে। তারা সামাজিক অনৈতিকতা, অপসংস্কৃতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিহার করে সিয়ামের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রতিফলনের আহ্বান জানান।সমাবেশে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।বক্তারা আরও বলেন, রমযানের শিক্ষা যদি ব্যক্তি জীবনে ধারণ করা যায়, তবে সমাজে ন্যায়, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হবে।শেষে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়— তিনি যেন সকলকে মাহে রমযানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করেন।#আজকের_পয়গাম #রমযান #ঝালকাঠি #ইসলামী_র্যালি
শিক্ষা
বরিশালে শিক্ষক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বরিশালে শিক্ষক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সন্ধ্যাবরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডস্থ শিক্ষক ভবনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (BTA), বরিশাল আঞ্চলিক শাখার আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৫টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ার।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (BTA), বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি সুনীল বরণ হালদার।বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাস। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। ইফতার পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
সারাদেশ
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধ
বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, ভবন তালাবদ্ধআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে গ্রেফতার এবং ২০ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আদালত বর্জন করে কর্মবিরতি পালন করেছেন জেলার আইনজীবীরা।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫টি আদালতের কোনোটিতেই আইনজীবীরা উপস্থিত হননি। তালাবদ্ধ ছিল আদালত ভবনও। তবে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চলমান ছিল বলে জানা গেছে।ভবন দুটিই তালাবদ্ধসরেজমিনে দেখা যায়, জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনটি তালাবদ্ধ। এখানে অন্তত তিন শতাধিক আইনজীবী চেম্বার করেন। ভবনের পেছনে অবস্থিত ‘এনএক্স ভবন’ নামের আরেকটি কার্যালয়েও প্রায় পাঁচ শতাধিক আইনজীবীর চেম্বার রয়েছে। সেটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।আদালত চত্বরে কয়েকজন আইনজীবীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেলেও তারা কোর্ট বর্জন করে সময় কাটাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বিচারপ্রার্থীরা নিজ নিজ মামলার তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হন। আইনজীবী ছাড়াই সংশ্লিষ্ট বিচারকরা বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।রাতে বাড়িতে অভিযান অভিযোগএদিকে যেসব আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাদের কয়েকজনের বাড়িতে রাতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মহসিন মন্টু অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে তার বাসায় যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। তবে তিনি তখন বাসায় ছিলেন না। এতে তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।একই ধরনের অভিযোগ করেন আইনজীবী হাফেজ উদ্দিন বাবলু। তিনি বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকজন সহকর্মীর বাড়িতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। বিষয়টি নেক্কারজনক। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি।”ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
সারাদেশ
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫আজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ঈদ উপলক্ষে সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাগুরা পৌরসভার শিবরামপুর ও বাটিকাডাঙ্গা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তারিকুল শেখ এবং একই ওয়ার্ডের নেতা আবু মিয়ার মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।সংঘর্ষের সময় ওয়ার্ড সভাপতির কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।শাহ শিবলী সাদিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জানান— পৌর এলাকার বাটিকাডাঙ্গা পাকার মাথায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজনীতি
গভর্নর পরিবর্তন ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ
গভর্নর পরিবর্তন ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মনসুর সাহেবের অপসারণ এবং নতুন গভর্নর নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিভিন্ন মহল থেকে দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।সমালোচকদের দাবি, দায়িত্বে থাকাকালে ড. মনসুর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর ব্যাংক হিসাব জব্দ (ফ্রিজ) করেন। রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট করে ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল অঙ্কের অর্থ আটকে দেওয়ার পদক্ষেপও তিনি নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া দেউলিয়াত্বের মুখে পড়া কয়েকটি ব্যাংককে পুনরুদ্ধারে নীতিগত পদক্ষেপ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলেও তার সমর্থকরা উল্লেখ করছেন। তারা তাকে বিশ্বমানের অর্থনীতিবিদ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এও কাজ করার অভিজ্ঞতা রাখেন।অন্যদিকে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে অপসারণ করে নতুন গভর্নর হিসেবে একজন ব্যবসায়ীকে দায়িত্ব দেওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হলো।এদিকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা জনাব আমীর খসরু। এ পরিবর্তনের পর দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা মহলে শঙ্কা ও প্রশ্ন উঠেছে।সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নতুন গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর সমন্বিত পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে টেকসই পথে এগিয়ে নেবে— নাকি ঋণের বোঝা বাড়বে, তা সময়ই বলে দেবে।
জাতীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত করে খুনিদের বিচার দাবি
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত করে খুনিদের বিচার দাবিস্টাফ রিপোর্টারপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়— যা দেশের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক ঘটনা।বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে এত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু বিরল ও মর্মান্তিক।তিনি অভিযোগ করেন, এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কোনো নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত এখনো সম্পন্ন হয়নি। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং কী স্বার্থে এ বর্বরতা সংঘটিত হয়েছে— তা আজও জাতির সামনে পরিষ্কার নয়।চরমোনাই পীর বলেন, ঘটনার বহু বছর পার হয়ে গেলেও প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয়নি। আর সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।তিনি পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষর করেন।
সারাদেশ
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনা
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, হাতিয়ায় উত্তেজনানিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ-এর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থলে যান হান্নান মাসউদ। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর পুনর্বাসিত সন্ত্রাসীরা যোগ দেয় বলেও দাবি করা হয়।হামলায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও হামলা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করা হয়।নির্বাচনের পর থেকে হাতিয়ায় সংঘটিত সব সহিংস ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সারাদেশ
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্ন
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে ২৭ প্রকল্প সম্পন্নস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে গত দুই মাসে মোট ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবার মান বৃদ্ধি লক্ষ্য করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো সম্পন্ন করা হবে ইনশাআল্লাহ।স্থানীয়দের মতে, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা ও নাগরিক সুবিধা আরও উন্নত হবে।
জাতীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল — নাহিদ ইসলাম
পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল — নাহিদ ইসলামঅনলাইন ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ভারতের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বনানী সামরিক কবরস্থান পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, দিনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন–এর এক সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া–এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জাতীয়
এ বছর জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ, সর্বনিম্ন কত ও সর্বোচ্চ কত টাকা
এ বছর জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ১১০ ও সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকাআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন–এর বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।ফিতরার নির্ধারিত হারসভায় জানানো হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিসমিস, খেজুর বা পনির দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। নির্ধারিত পরিমাণ ও বাজারমূল্য অনুযায়ী হার হলো—গম/আটা: অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) — ১১০ টাকাযব: ১ সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) — ৫৯৫ টাকাখেজুর: ১ সা’ — ২,৪৭৫ টাকাকিসমিস: ১ সা’ — ২,৬৪০ টাকাপনির: ১ সা’ — ২,৮০৫ টাকাকমিটি জানায়, দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে সংগৃহীত এসব পণ্যের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী আদায় করা যাবেমুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যের যে কোনো একটি বা তার বাজারমূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যের দামের পার্থক্য থাকায় স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী প্রদান করলেও ফিতরা আদায় হবে।সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আলেম ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি
নতুন দায়িত্ব পেয়েই যে বার্তা দিলেন সারজিস আলম
নতুন দায়িত্ব পেয়েই যে বার্তা দিলেন সারজিস আলমনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামআসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নবগঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন-এর নির্দেশনায় ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ এবং অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা।কমিটিতে সব বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এক্স-অফিসিও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সার্বিক সহায়তা করবেন বলেও জানানো হয়েছে।দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম বলেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত যারা প্রার্থী হতে আগ্রহী, তারা প্রস্তুতি নিন—“আমরা আসছি আপনার খোঁজে…”
রাজনীতি
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের স্ত্রী বা নিকটাত্মীয়দের নাম প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে দলটি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দলটি একটি নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত সংগঠন। সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গ্রহণ করা হয় এবং এখানে স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই।জামায়াত জানায়, মনোনয়ন প্রক্রিয়া মহিলা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে অসত্য তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দেশবাসীকে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
জাতীয়
রাত ৮টার পর চলাচল নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষার্থীকে লাঠিপেটা ঘিরে বিতর্ক
রাত ৮টার পর চলাচল নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষার্থীকে লাঠিপেটা ঘিরে বিতর্কস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামসোহরাওয়ার্দী উদ্যান দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল হিসেবে পরিচিত— এমন অভিযোগ নগরবাসীর মধ্যে বহুদিনের। দিনের বেলাতেও এখানে স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের গাঁজা সেবন করতে দেখা যায় বলে স্থানীয়রা জানান। আর রাত নামলেই মাদকসেবন, ধূমপান ও অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে পরিবেশ অসহনীয় হয়ে ওঠে।টিএসসি থেকে শাহবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় রাতে চলাফেরার স্বাভাবিক পরিবেশ থাকে না। গাঁজা, বিড়ি, প্রস্রাব ও মাদকের দুর্গন্ধে পরিবেশ বিরক্তিকর হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন।এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময় টেলিভিশন ও গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচার হয়েছে। জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার সম্প্রতি রাত ৮টার পর রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলাফেরা ও সমাগম সীমিত করার নির্দেশনা জারি করেছে— যা অনেকের মতে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।গত রাতে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান চালানোর সময় দায়িত্বরত ডিসি মাসুদ একটি শিক্ষার্থীকে উদ্যানে অবস্থান করতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আইন অনুযায়ী বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় জবাবদিহিতা চাওয়া প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়।তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, শিক্ষার্থীর উত্তর দেওয়ার ভঙ্গি ও আচরণে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যায়। পরে পুলিশ তাকে লাঠিপেটা করে বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন আচরণও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ পুলিশি ব্যবহারের সমালোচনা করছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন— সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের বেলায় উদ্যানে অবস্থান করার কারণ কী।জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক আচরণ বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
প্রযুক্তি
৫জি নেটওয়ার্কেও অর্থ চুরির ফাঁদ: ‘টু-জি’ সিগন্যাল দেখলেই সাবধান!
প্রযুক্তি ডেস্ক | আপনার ফোনে পুরোদমে ফাইভ-জি বা ফোর-জি নেটওয়ার্ক কাজ করছে, অথচ হঠাৎ করেই সিগন্যাল ড্রপ করে ‘২জি’ (2G) হয়ে গেল? সাথে সাথে ফোনে এল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া সংক্রান্ত কোনো জরুরি বার্তা? সাবধান! আপনি হয়তো কোনো ভয়ংকর ডিজিটাল ফাঁদে পা দিতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ নামক এক প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র।প্রতারণার নতুন কৌশল: ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ কী?প্রতারকরা এখন আর শুধু দূর থেকে কল দেয় না, বরং তারা আপনার খুব কাছেই অবস্থান করে। তারা ব্যবহার করছে ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ বা ‘আইএমএসআই ক্যাচার’ নামক একটি পোর্টেবল যন্ত্র। এটি নিজেকে একটি আসল মোবাইল টাওয়ার হিসেবে জাহির করে।কিভাবে কাজ করে এটি?নেটওয়ার্ক ছিনতাই: যন্ত্রটি চালু করলে ৫০০ মিটারের মধ্যে থাকা সব ফোনকে এটি শক্তিশালী সিগন্যাল দিয়ে নিজের নেটওয়ার্কে টেনে নেয়।টু-জি ডাউনগ্রেড: আমাদের বর্তমান ফোর-জি বা ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক অত্যন্ত সুরক্ষিত। কিন্তু ২জি নেটওয়ার্ক অনেক পুরনো এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল। তাই প্রতারক যন্ত্রটি জোরপূর্বক আপনার ফোনকে ২জি মোডে নামিয়ে আনে।অফিসিয়াল আইডি ব্যবহার: ২জি নেটওয়ার্কে মেসেজ প্রেরকের নাম (Sender ID) পরিবর্তন করা খুব সহজ। ফলে প্রতারকরা ব্যাংক বা সরকারি দপ্তরের নাম (যেমন: SBI, HDFC, Govt Alert) ব্যবহার করে বার্তা পাঠাতে পারে, যা দেখে সাধারণ মানুষের বোঝার উপায় থাকে না যে এটি ভুয়া।যেসব বার্তায় লুকিয়ে আছে বিপদএই ভুয়া টাওয়ার থেকে সাধারণত আতঙ্ক বা অতিরিক্ত লোভ তৈরি করার মতো বার্তা পাঠানো হয়:KYC আপডেট: "আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আজই বন্ধ হয়ে যাবে, কেওয়াইসি আপডেট করতে লিংকে ক্লিক করুন।"পরিষেবা বিচ্ছিন্ন: "বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিল বকেয়া থাকায় আজ রাতেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে।"কুরিয়ার বা রিওয়ার্ড: "আপনার নামে একটি পার্সেল আটকে আছে" অথবা "হাজার টাকার গিফট কার্ড পয়েন্ট রিডিম করুন।"ভয়ানক পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ঘটনা২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লি, নয়ডা এবং সাইবারাবাদে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে বড় বড় প্রতারক চক্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।২০২৫ সালে কেবল ভারতেই সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি রুপির বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে।টেলিকম কেন্দ্রিক সাইবার অপরাধ গত এক বছরে প্রায় ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।নিরাপদ থাকার অব্যর্থ উপায়প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই ডিজিটাল লুটতরাজ থেকে বাঁচতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন:টু-জি সেটিংস বন্ধ করা: ফোনের সেটিংস থেকে 'Allow 2G' অপশনটি বন্ধ করে রাখুন (অ্যান্ড্রয়েড ১২ বা তার পরবর্তী ভার্সনে এটি সম্ভব)।অপ্রত্যাশিত লিংকে ক্লিক না করা: এসএমএসে আসা কোনো শর্ট-লিংকে ক্লিক করে তথ্য প্রদান করবেন না।অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার: ব্যাংকিং বা বিল সংক্রান্ত যাবতীয় কাজের জন্য সরাসরি ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।সিগন্যাল পর্যবেক্ষণ: যদি জনাকীর্ণ এলাকায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি থেকে ২জি-তে নেমে যায়, তবে সেই মুহূর্তে আসা কোনো এসএমএস বিশ্বাস করবেন না।
আন্তর্জাতিক
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ব্যাপক বিমান হামলা: নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো
আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর এক ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছেন। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ নিতে নির্দিষ্ট আস্তানায় এই অভিযান চালিয়েছে। তবে কাবুল এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে একে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে।হামলার কারণ ও লক্ষ্যবস্তুপাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, সোমবার ভোরে আফগানিস্তানের নানগারহার, পাকতিকা এবং খোস্ত প্রদেশে এই অভিযান চালানো হয়। পাকিস্তানের দাবি, তারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং ইসলামিক স্টেট খোরসান প্রদেশের (আইএস-কে) অন্তত সাতটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গোপন আস্তানা ধ্বংস করেছে।অভিযানে আক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রগুলো হলো:নানগারহারের ইব্রাহিম কেন্দ্র ও দুটি নতুন আস্তানা।খোস্ত প্রদেশের মৌলভি আব্বাস কেন্দ্র ও ইসলাম সেন্টার।পাকতিকার মোল্লা রাহবার ও মুখলিস ইয়ার কেন্দ্র।ইসলামাবাদের অবস্থানপাকিস্তান সরকারের দাবি, তাদের কাছে ‘অকাট্য প্রমাণ’ রয়েছে যে সম্প্রতি পাকিস্তানে সংঘটিত আত্মঘাতী হামলাগুলো আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা এই ‘প্রতিশোধমূলক’ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।কাবুলের তীব্র প্রতিবাদ ও পাল্টা হুঁশিয়ারিঅন্যদিকে, এই হামলাকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:হামলায় জঙ্গি আস্তানা নয়, বরং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।নিহতের তালিকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাবুলে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং একে একটি ‘উস্কানিমূলক কাজ’ বলে বর্ণনা করেছে।আফগান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন ও সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার এই ঘটনার ‘সমুচিত জবাব’ দেওয়ার অধিকার তারা রাখে।উত্তপ্ত সীমান্ত পরিস্থিতিআলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টিটিপি-কে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন এখন সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
আন্তর্জাতিক
ওবামা আমলের ঐতিহাসিক পরিবেশ নীতি বাতিল করলেন ট্রাম্প
বারাক ওবামা প্রশাসনের নেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবেশ বিষয়ক নীতি বাতিল করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের আইনি ও নীতিগত ভিত্তি ‘এনডেঞ্জারমেন্ট ফাইন্ডিং’ (Endangerment Finding) প্রত্যাহারের মাধ্যমে গ্রিনহাউজ গ্যাস সংক্রান্ত কড়াকড়ি তুলে নিলেন তিনি।কী ছিল এই ‘এনডেঞ্জারমেন্ট ফাইন্ডিং’?সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে নেওয়া এই নীতি অনুযায়ী, গ্রিনহাউজ গ্যাসকে জনস্বাস্থ্যের জন্য সরাসরি হুমকিস্বরূপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই মূলত আমেরিকায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হয় এবং অটোমোবাইল বা গাড়ি নির্মাণ শিল্পের ওপর পরিবেশগত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নির্গত বিষাক্ত কার্বনের পরিমাণ কমিয়ে আনা।ট্রাম্পের যুক্তি: শিল্পখাত ও অর্থনীতির মুক্তিপ্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নীতি পরিবর্তনের বিষয়টিকে মার্কিন ইতিহাসের “সবচেয়ে বড় নিয়ম শিথিলকরণ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে:ওবামা আমলের এই সিদ্ধান্ত ছিল আমেরিকার গাড়ি শিল্পের জন্য এক বড় অন্তরায়।এর ফলে গাড়ির উৎপাদন খরচ এবং বাজারমূল্য উভয়ই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল।এই নীতি বাতিলের ফলে সাধারণ মানুষ সস্তায় গাড়ি কিনতে পারবে এবং শিল্পখাত আবার প্রাণ ফিরে পাবে।ওবামার ক্ষোভ ও পরিবেশবাদীদের উদ্বেগট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করতেই এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”পরিবেশ বিজ্ঞানীরাও এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রাকৃতিকভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও লাগামহীন শিল্পায়ন এবং বন উজাড়ের ফলে এই গ্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ওবামার সেই নীতি বাতিল হওয়ার ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি আরও ত্বরান্বিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।ভবিষ্যৎ প্রভাবট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে যেমন মার্কিন বাজারে গাড়ির দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে আমেরিকার অবস্থান এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে দেশটির ভূমিকা বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ল।
জাতীয়
ঈদুল ফিতরে দীর্ঘ ছুটির হাতছানি: ১২ দিনের মহোৎসবের সুযোগ!
আসন্ন ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক দীর্ঘ ছুটির আনন্দ। যদিও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ঈদের মূল ছুটি পাঁচ দিনের, তবে শবে কদর ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটির সমন্বয়ে এটি এক দীর্ঘ অবকাশে রূপ নিতে পারে।১. ঈদের মূল পাঁচ দিনের ছুটি২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উপলক্ষে সরকার ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটি নির্ধারিত করেছে।২. ছুটি বেড়ে যেভাবে সাত দিন হতে পারেঈদের ছুটির ঠিক আগেই রয়েছে পবিত্র শবে কদরের ছুটি। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:১৭ মার্চ (মঙ্গলবার): শবে কদরের সরকারি ছুটি।১৮ মার্চ (বুধবার): এই দিনটি অফিস চলাকালীন দিন।১৯ - ২৩ মার্চ: ঈদের ছুটি।যদি কোনো সরকারি চাকুরিজীবী মাঝের একদিন অর্থাৎ ১৮ মার্চ (বুধবার) নৈমিত্তিক ছুটি নিতে পারেন, তবে তিনি ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।৩. ১০ বা ১২ দিনের ‘মেগা ভ্যাকেশন’ যেভাবে সম্ভবঈদের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই ক্যালেন্ডারে যোগ হচ্ছে স্বাধীনতা দিবসের ছুটি। একটু কৌশলী হলে এই ছুটি অবিশ্বাস্য লম্বা করা সম্ভব:২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার ও বুধবার): এই দুই দিন অফিস।২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার): স্বাধীনতা দিবসের ছুটি।২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি।হিসাবটি লক্ষ্য করুন:যদি কেউ ১৮ মার্চের পাশাপাশি ঈদের পর ২৪ ও ২৫ মার্চ ছুটি নিতে পারেন, তবে তিনি ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত একটানা ১২ দিনের একটি লম্বা ছুটি কাটাতে পারবেন। আর যদি কেউ শুধুমাত্র ২৪ ও ২৫ মার্চ ছুটি নেন, তবে ঈদের পাঁচ দিনসহ টানা ১০ দিনের ছুটি নিশ্চিত হবে।এক নজরে ছুটির ক্যালেন্ডার:তারিখদিনছুটির কারণ১৭ মার্চমঙ্গলবারশবে কদর১৮ মার্চবুধবারনৈমিত্তিক ছুটি (সম্ভাব্য)১৯-২৩ মার্চবৃহস্পতি-সোমঈদুল ফিতর২৪-২৫ মার্চমঙ্গল-বুধনৈমিত্তিক ছুটি (সম্ভাব্য)২৬ মার্চবৃহস্পতিবারস্বাধীনতা দিবস২৭-২৮ মার্চশুক্র-শনিসাপ্তাহিক ছুটিএই দীর্ঘ ছুটির সুযোগে অনেকেই গ্রামের বাড়ি যাওয়া বা পরিবার নিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা এখন থেকেই শুরু করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, শবে কদর ও ঈদের ছুটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে একদিন এদিক-ওদিক হতে পারে।