জাতীয়
মোট সংবাদ: 90 টি
ভাষা দিবসে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পবিত্র কুরআন খতম
পিরোজপুর প্রতিনিধি: মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পবিত্র কুরআন খতমের আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ পিরোজপুর জেলা শাখা।শুক্রবার সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এতে সংগঠনের জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।আয়োজকরা বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সমাজে কুরআনের শিক্ষার প্রসার প্রয়োজন।অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শ্রদ্ধা
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে।সংগঠনটির এক বার্তায় বলা হয়, ভাষাকে অবমূল্যায়নমুক্ত করা এবং বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই সব শহীদ ভাইদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।বার্তায় আরও বলা হয়, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও চর্চার মাধ্যমে জাতির ঐক্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয় আরও সুদৃঢ় হবে।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর আমীর, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে উচ্চশিক্ষা ও উচ্চ আদালতে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তার নির্মম ও চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় ভাষা আন্দোলন–এর ২১ ফেব্রুয়ারিতে। মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে বাধ্য হওয়া এবং সেই আন্দোলনে গুলি চালিয়ে হত্যার মতো বর্বরতা ইতিহাসে বিরল।তিনি বলেন, তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণেই রফিক, আব্দুল জব্বার, বরকত ও আব্দুস সালামসহ বহু ভাষা সংগ্রামী শহীদ হন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা কামনা করেন। একই সঙ্গে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের প্রায় পৌনে এক শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও দেশের উচ্চশিক্ষা ও উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা এখনো পূর্ণ মর্যাদা পায়নি। এটি ভাষা শহীদদের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। এবারের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনি পুনরায় দাবি জানান— উচ্চ আদালত ও উচ্চশিক্ষায় বাংলার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।এছাড়া তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার বিকাশ, চর্চা ও সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ: রোজাদারদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ: মুসল্লিদের জন্য জরুরি নির্দেশনানিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র মাহে রমজানে রোজা পালন মুসলমানদের জন্য ফরজ ইবাদত। রোজা সহীহ রাখতে কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকা জরুরি। অসতর্কতা বা অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় রোজা ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই রোজা ভঙ্গের কারণগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ইচ্ছাকৃতভাবে খাওয়া বা পান করা, ধূমপান করা, স্বামী-স্ত্রীর সহবাস, ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপাত ঘটানো, মুখভর্তি বমি ইচ্ছাকৃতভাবে করা, ঋতুস্রাব বা প্রসবোত্তর রক্তস্রাব শুরু হওয়া এবং শরীরে শক্তি জোগায় এমন পুষ্টিকর স্যালাইন বা ইনজেকশন গ্রহণ করলে রোজা ভেঙে যায়।যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয়ভুলে খাওয়ার পর মনে পড়ে ইচ্ছাকৃতভাবে খাওয়া চালিয়ে যাওয়া, অসুস্থতা বা সফরের কারণে রোজা ভঙ্গ করলে পরবর্তীতে কাজা রোজা আদায় করতে হয়।যেসব ক্ষেত্রে কাজা ও কাফফারা উভয়ই প্রযোজ্যইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে খাওয়া বা পান করা এবং স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করলে কাজার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করতে হয়। কাফফারা হিসেবে ধারাবাহিক ৬০টি রোজা রাখা অথবা ৬০ জন দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার প্রদান করতে হয়।যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয় নাভুলে খেয়ে ফেলা, অনিচ্ছাকৃত বমি, রক্ত পরীক্ষা দেওয়া, দাঁত ব্রাশ করা (পানি গিলে না ফেললে) এবং সুগন্ধি ব্যবহার করলে রোজা ভঙ্গ হয় না।ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়; মিথ্যা, গীবত, অশালীন আচরণ ও ঝগড়া-বিবাদ থেকেও বিরত থাকাই রোজার প্রকৃত শিক্ষা।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে অফিস-আদালত-ব্যাংকের নতুন সময়সূচি কার্যকর
পবিত্র রমজান উপলক্ষে অফিস-আদালত-ব্যাংকের নতুন সময়সূচি কার্যকরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে সরকারি অফিস, আদালত ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজান মাস শুরু হওয়ায় সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় এনে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন অফিস সময় নির্ধারণ করে।সরকারি অফিসরমজান মাসজুড়ে সরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি যথারীতি শুক্র ও শনিবার। এর আগে সরকারি অফিস সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।আদালতবাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। অফিস সময় থাকবে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। উভয় ক্ষেত্রেই দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট ও এর অধীন অন্যান্য আদালতের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পৃথকভাবে নির্ধারণ করবে।ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানবাংলাদেশ ব্যাংক এর জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, সব তফসিলি ব্যাংক সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। লেনদেন চলবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে এই সময়েও বিকল্প ব্যবস্থায় গ্রাহকসেবা চালু রাখতে হবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ আইন-বিধি অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনায় সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।শেয়ারবাজাররমজান মাসে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে এবং চলবে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর ১টা ৪০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিটের পোস্ট-ক্লোজিং অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।পবিত্র রমজান মাসে ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনজীবনের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে এ সময়সূচি কার্যকর করা হয়েছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন
দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভাগুলোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা হয়। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন,“যত দ্রুত সম্ভব এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের মূল্যায়ন প্রসঙ্গেঅন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া–র বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরে কথা বলা হবে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের আলাদা মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন।আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনীতি নিয়ে মন্তব্যমন্ত্রী বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতটা খারাপ নয়; বরং আগের তুলনায় উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতিও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে এবং ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণে এসেছে।তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে; সব কিছু স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে অবস্থানকার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন স্থানে দলটির অফিস খোলার বিষয়টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেও মন্তব্য করেন।
বরিশাল: সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৩ আওয়ামী লীগ নেতার জামিন লাভ
বরিশাল থেকে বার্তা: মহানগরসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি তিন আওয়ামী লীগ নেতা (including সাবেক সংসদ সদস্য) আজ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।বরিশাল শহরের আন্তর্জাতিক আমলি আদালত আজ অস্তমিত সময়ে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের বক্তব্যে জানা যায়, তিনজনেই নথিভুক্ত জামিন শর্ত পূরণ করে মুক্তি লাভ করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী আদালত কার্যক্রমের জন্য উপস্থিত থাকতে হবে।এই তিন নেতার বিরুদ্ধে যে ঘটনাগুলোর সূত্রে মামলা দায়ের হয়েছিল, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালত সূত্র জানিয়েছে, জামিনের শর্তে তারা নির্দিষ্ট সময় আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য থাকবেন এবং মামলার তদন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জামিন ঘটনায় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে — কেউ এটিকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন আবার কেউ দাবি করছেন রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে আইন প্রয়োগের একটি দিক হিসেবে ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।জামিনপ্রাপ্ত নেতারা বের হওয়ার পর বক্তব্য দিয়ে বলেন, “আইনের সম্মান বজায় রেখে আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়ায় অংশ নেবো এবং আমাদের পক্ষে সত্য প্রমাণ করার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”বর্তমানে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনজনই জামিনে মুক্ত থাকবেন।
যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা: জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তার
যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা: জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তারআজকের পয়গাম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবারসিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উল্লাপাড়া থানার ওসি সাকিউল আজম।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল আলিম সরদার এবং সেক্রেটারি আব্দুল কাদের খন্দকার।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে উল্লাপাড়া উপজেলার গজাইল বাজারে উধুনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের দোকানে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, জামায়াতের নেতাকর্মীরা দোকানটিতে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ ১০–১২ জনকে আসামি করে উল্লাপাড়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলায় উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান জয়লাভ করেন। এর জেরে পূর্বশত্রুতার ধারাবাহিকতায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়।ওসি সাকিউল আজম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় উধুনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনা
সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনাবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় ৪২ সদস্যের হতে পারে।দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাহউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।সম্ভাব্য মন্ত্রণালয় বণ্টনযোগাযোগ মন্ত্রণালয় — মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঅর্থ মন্ত্রণালয় — আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীবাণিজ্য মন্ত্রণালয় — আব্দুল আউয়াল মিন্টুসড়ক পরিবহন — সালাহউদ্দিন আহমেদশিক্ষা — এহসানুল হক মিলনজ্বালানি ও বিদ্যুৎ — ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুপানিসম্পদ — মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদস্বাস্থ্য — ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনটেকনোক্র্যাট ও জোটসঙ্গীদের অন্তর্ভুক্তিটেকনোক্র্যাট কোটায় নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবীর রিজভী এবং আমিনুল হক আলোচনায় আছেন।জোটসঙ্গী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও ববি হাজ্জাজ।রাষ্ট্রপতি পদ নিয়েও আলোচনাকিছু মহলে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস–এর নামও আলোচনায় রয়েছে।আরও যাদের নাম আলোচনায়মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ওয়াদুদ ভূইয়া, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শামা ওবায়েদ, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং রকিবুল ইসলাম বকুল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন মন্ত্রিসভার গঠন দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রমজানে কর্মঘণ্টা কমালো সংযুক্ত আরব আমিরাত
রমজানে কর্মঘণ্টা কমানোর ঘোষণা সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারেরআজকের পপয়গাম পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বেসরকারি খাতের কর্মীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রমজান মাসে কর্মীদের জন্য নির্ধারিত সময়সূচিতে দুই ঘণ্টা কম কাজ করতে হবে।সাধারণ সময়ে আমিরাতে কর্মীরা প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা কাজ করেন। রমজানে তা কমিয়ে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত কাজ করলে তা ওভারটাইম হিসেবে গণ্য হবে এবং কর্মীরা অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পাবেন।মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাজের ধরন ও ব্যবসায়িক প্রয়োজন অনুযায়ী নমনীয় সময়সূচি বা দূরবর্তী (রিমোট) কর্মপদ্ধতি চালু করতে পারবে।এদিকে সরকারি খাতের অফিস সময়ও কমানো হয়েছে। রমজান মাসে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে বিশেষ দায়িত্বপূর্ণ কিছু পদে এই সময়সূচি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ায় বাসিন্দারা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি ইবাদত ও আত্মিক চর্চায় বেশি সময় দিতে পারবেন।সূত্র: গালফ নিউজ
সাইন্সল্যাব জামে মসজিদের ইমামকে অব্যাহতি: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের অভিযোগ
সাইন্সল্যাব জামে মসজিদের ইমামকে অব্যাহতি: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের অভিযোগনিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী এক ইমামকে হঠাৎ অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ইমাম দাবি করেছেন, প্রায় এক যুগ ধরে নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করলেও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কারণে তাকে অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।অভিযোগে জানা যায়, অব্যাহতির বিষয়ে কোনো পূর্ব আলোচনা, নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি ন্যূনতম সৌজন্যতাও দেখানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশে বাধাইমাম জানান, শুক্রবার মসজিদে গিয়ে নিজের নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে খাদেম তাকে জানান— কক্ষের চাবি সভাপতির নিয়ন্ত্রণে এবং তাকে রুমে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। বিষয়টি তাকে মানসিকভাবে ব্যথিত করে।তিনি অজু করে মসজিদে প্রবেশ করেন এবং দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন।পূর্বঘোষণা অনুযায়ী জুমার নামাজ পরিচালনাছুটিতে থাকায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পেশ ইমাম জুমার নামাজ পরিচালনা করেন। নামাজ শেষে বিষয়টি নিয়ে সভাপতির সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি দীর্ঘ সময় মসজিদে অবস্থান করেন। তবে সভাপতি বা কমিটির কেউ এ বিষয়ে আলোচনা করেননি বলে অভিযোগ করা হয়।পরে সভাপতি এসে কেবল দোয়া চান। অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলেননি। এতে তিনি নিজেকে অপরিচিত মুসল্লির মতো আচরণের শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন।রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগঘটনার পেছনে “দলান্ধতা” কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন ওই ইমাম। তার দাবি, মসজিদ কমিটির সভাপতি একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থক, এবং সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়।হোয়াটসঅ্যাপে অব্যাহতি পত্রতিনি জানান, জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়ার তথ্য জানার পরও কেবল হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে অব্যাহতি পত্র পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি জানতে সভাপতিকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি।আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতিভুক্তভোগী ইমাম বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয় নয়; বরং আলেম সমাজের বিরুদ্ধে প্রণীত কথিত বানোয়াট নিয়মনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই তিনি আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন ভোটাররা
ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন ভোটাররাআনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকালত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রিজের উভয় প্রান্ত, মইজ্জারটেক ও চাতরী চৌমুহনী এলাকায় দেখা যায় ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।মোড়ে মোড়ে, স্টেশনে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা কোনো যানবাহন এলেই হুমড়ি খেয়ে উঠছেন। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ঝুলে ঝুলে গন্তব্যের পথে রওনা দিচ্ছেন। যানবাহনের সংকটের কারণে কেউ কেউ কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু হেঁটেই পার হচ্ছেন। কারও হাতে, কারও কাঁধে ব্যাগ—তবু মুখে ভোট দেওয়ার আনন্দের হাসি।যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত চাপের সুযোগ নিয়ে কয়েকগুণ ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। রেহেনা আক্তার নামে এক যাত্রী জানান, “ব্রিজ থেকে বাঁশখালী গুনাগুরি পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া সাধারণত ৮০-১০০ টাকা হলেও এখন ২০০-৩০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।”অন্যদিকে চালকেরা বলছেন, যানজট ও গাড়ি স্বল্পতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।সব কষ্ট-ভোগান্তির মাঝেও ভোটারদের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই। রাফসান নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা নতুন ভোটার। এবারের মতো ভোটের আমেজ আগে দেখিনি। তরুণদের ভোটেই জনগণের সরকার নির্ধারিত হবে।”আব্দুল কাদের নামে আরেক ভোটার জানান, “নবম সংসদ নির্বাচনের পর এমন আগ্রহ দেখছি। এরপর আর কোনো নির্বাচনে বাড়ি যাইনি। এবার বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তাই ভোট দিতে বাড়ি যাচ্ছি।”ভোটকে ঘিরে মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও বাড়িমুখো জনস্রোত নির্বাচন ঘিরে বাড়তি উৎসবের আবহ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত থেকে টানা ৭২ ঘণ্টার জন্য সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ৭২ ঘণ্টা) সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।এছাড়া, একই প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয় যে, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, সেই সংকট কেটে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরেছে। তাই তিনি এখন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান।আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি*) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।উপাচার্য বলেন, ‘‘আমি মনে করছি, দায়িত্ব পালনের একটি ভালো পর্যায়ে আমরা পৌঁছেছি। তাই এখন আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’’দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে দেশের এক বিশেষ ক্রান্তিকালে আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তখন বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল। সেই কঠিন সময়ে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সবার সহযোগিতায় আমরা সেই আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয় এখন সার্বিকভাবে একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে।’’তবে পদত্যাগের ফলে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও তিনি সচেতন। উপাচার্য উল্লেখ করেন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা যদি মনে করেন যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে তাঁর আরও কিছুদিন থাকা প্রয়োজন, তবে ‘স্মুথ ট্রানজিশন’ বা মসৃণ হস্তান্তরের স্বার্থে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে রাজি আছেন।
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদের
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদেরআজকের পয়গাম | জাতীয় ডেস্ক📅 ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও আদর্শ ইসলামী আকীদা ও শরীয়াহভিত্তিক শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যা মুসলমানদের ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে।আলেমদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্ব ইসলামী শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে “বহুত্ববাদ” ও “অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) শাসনব্যবস্থা” প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা সেক্যুলার চিন্তাধারারই নতুন রূপ।ইনক্লুসিভ শব্দ নিয়ে আপত্তিআলেমগণ বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটি ব্যবহার করে সঠিক ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের সীমারেখা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে ভালো ও মন্দের পার্থক্য করার সুযোগ সংকুচিত হয় এবং ইসলামী বিধানের বিরোধিতা করাও কঠিন হয়ে পড়ে।তাদের মতে, এই পরিভাষা মুসলমানদের আকীদাগত দুর্বলতায় ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল, যা দীর্ঘমেয়াদে ঈমান ধ্বংসের কারণ হতে পারে।বহুত্ববাদ ও প্রগতিশীলতা প্রসঙ্গেবিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহুত্ববাদ মূলত সেক্যুলারিজমেরই নতুন মোড়ক, যা ইসলামী শাসনব্যবস্থার পরিপন্থী। একইভাবে ‘প্রগতিশীলতা’ শব্দটি ব্যবহার করে নৈতিকতা বিবর্জিত ও ধর্মীয় মূল্যবোধহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আলেমরা।উল্লেখ্য, সম্প্রতি জামায়াত-শিবির নিজেদের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।ভোটের বিষয়ে আলেমদের আহ্বানআলেমগণ বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে ঈমান ও আকীদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ কারণে তারা জামায়াতকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ ও হারাম বলে অভিহিত করেন।তারা মুসলমানদের পশ্চিমা রাজনৈতিক পরিভাষার ফাঁদে পা না দিয়ে দীন ও ঈমান রক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান।বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন—মুফতি আজিজুল ইসলাম কাসেমীআহ্বায়ক, বাংলাদেশ দারুল ইফতা ও গবেষণা পরিষদ, হাটহাজারী(বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণের পক্ষে)
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার):বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবসের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠককালে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউর প্রায় ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দায়িত্ব পালন করবে।ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এ সময় আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ঘিরে কঠোর ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, তিন স্তরের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এ ব্যবস্থাকে ঘিরে নির্বাচন বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের একটি অংশ ইসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।ইসি সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল ঘোষণার জন্য নির্বাচন ভবনের খোলা চত্বরে বড় আকারের ডিজিটাল মনিটরিং স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের জন্য ৮৭টি আলাদা বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুরো ফলাফল ব্যবস্থাপনা ইন্টারনেটবিহীন একটি ক্লোজড নেটওয়ার্কে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।ইন্টারনেট ছাড়াই ফলাফল আদান-প্রদানইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, এবার ফলাফল কোনোভাবেই হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করা হচ্ছে না। ইসির নিজস্ব সুরক্ষিত ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই ফলাফল আদান-প্রদান হবে।তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও অভ্যন্তরীণ সিস্টেমের স্বচ্ছতা, অডিটযোগ্যতা ও মানবিক ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে।নির্বাচন ভবনেই কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণাইসি জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করার পর তা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হবে। কোনো আসনের মোট কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়ার পরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে মোট ফলাফল ও ভোটের হার আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হবে।ফল যাচাইয়ের তিন ধাপভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রের ফলাফল সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। সেখানে স্ক্যান কপি ও ডেটা ইনপুট মিলিয়ে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাবে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয়ভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণার টিমফলাফল ঘোষণার দায়িত্বে থাকবেন তিন সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় টিম। পুরো প্রক্রিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন ইসির সিনিয়র সচিব।ভোটের হার জানানো হবে ধাপে ধাপেভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার গণমাধ্যমকে জানানো হবে। ভোটগ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করা হবে।নতুন প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনাএবার আগের ‘কপোত’ অ্যাপের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ইএমএস সফটওয়্যারের বিশেষ মডিউল ‘আরএমএস’ (রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের ফলাফল দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকবে।স্বচ্ছতা নিয়ে আপত্তিসুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রম নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে। তাঁর মতে, সরাসরি ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ফল না নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে ফল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ।কমিশনের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াটি প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত। তবে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ইসির ভূমিকা নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন উঠছে, তা নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, চলবে যেসব বাহন
নিষেধাজ্ঞার বাইরে যেসব বাহনডেস্ক নিউজ | আজকের পয়গামবরিশাল | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে যানবাহন চলাচলে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ একটি সরকারি নির্দেশনা জারি করেছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টা।এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।যেসব ক্ষেত্রে চলাচলের অনুমতি থাকবেসরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরুরি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত কিছু যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। যেমন—পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর যানবাহনসশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের প্রয়োজনীয় যানজরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পরিবহনকারী গাড়িনিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের যানবাহনসংবাদপত্র ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পরিবহনবিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দর যাতায়াতে বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে যাতায়াতে বাধা দেওয়া হবে না।প্রার্থী, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধানির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার ব্যবহার করে একটি করে ছোট যানবাহন চালাতে পারবেন।এছাড়া অনুমোদন সাপেক্ষে সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।সরকার জানিয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসক বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।