জাতীয়
মোট সংবাদ: 59 টি
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, সেই সংকট কেটে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরেছে। তাই তিনি এখন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান।আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি*) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।উপাচার্য বলেন, ‘‘আমি মনে করছি, দায়িত্ব পালনের একটি ভালো পর্যায়ে আমরা পৌঁছেছি। তাই এখন আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’’দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে দেশের এক বিশেষ ক্রান্তিকালে আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তখন বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল। সেই কঠিন সময়ে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সবার সহযোগিতায় আমরা সেই আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয় এখন সার্বিকভাবে একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে।’’তবে পদত্যাগের ফলে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও তিনি সচেতন। উপাচার্য উল্লেখ করেন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা যদি মনে করেন যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে তাঁর আরও কিছুদিন থাকা প্রয়োজন, তবে ‘স্মুথ ট্রানজিশন’ বা মসৃণ হস্তান্তরের স্বার্থে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে রাজি আছেন।
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদের
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদেরআজকের পয়গাম | জাতীয় ডেস্ক📅 ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও আদর্শ ইসলামী আকীদা ও শরীয়াহভিত্তিক শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যা মুসলমানদের ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে।আলেমদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্ব ইসলামী শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে “বহুত্ববাদ” ও “অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) শাসনব্যবস্থা” প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা সেক্যুলার চিন্তাধারারই নতুন রূপ।ইনক্লুসিভ শব্দ নিয়ে আপত্তিআলেমগণ বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটি ব্যবহার করে সঠিক ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের সীমারেখা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে ভালো ও মন্দের পার্থক্য করার সুযোগ সংকুচিত হয় এবং ইসলামী বিধানের বিরোধিতা করাও কঠিন হয়ে পড়ে।তাদের মতে, এই পরিভাষা মুসলমানদের আকীদাগত দুর্বলতায় ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল, যা দীর্ঘমেয়াদে ঈমান ধ্বংসের কারণ হতে পারে।বহুত্ববাদ ও প্রগতিশীলতা প্রসঙ্গেবিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহুত্ববাদ মূলত সেক্যুলারিজমেরই নতুন মোড়ক, যা ইসলামী শাসনব্যবস্থার পরিপন্থী। একইভাবে ‘প্রগতিশীলতা’ শব্দটি ব্যবহার করে নৈতিকতা বিবর্জিত ও ধর্মীয় মূল্যবোধহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আলেমরা।উল্লেখ্য, সম্প্রতি জামায়াত-শিবির নিজেদের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।ভোটের বিষয়ে আলেমদের আহ্বানআলেমগণ বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে ঈমান ও আকীদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ কারণে তারা জামায়াতকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ ও হারাম বলে অভিহিত করেন।তারা মুসলমানদের পশ্চিমা রাজনৈতিক পরিভাষার ফাঁদে পা না দিয়ে দীন ও ঈমান রক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান।বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন—মুফতি আজিজুল ইসলাম কাসেমীআহ্বায়ক, বাংলাদেশ দারুল ইফতা ও গবেষণা পরিষদ, হাটহাজারী(বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণের পক্ষে)
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার):বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবসের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠককালে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউর প্রায় ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দায়িত্ব পালন করবে।ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এ সময় আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ঘিরে কঠোর ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, তিন স্তরের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এ ব্যবস্থাকে ঘিরে নির্বাচন বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের একটি অংশ ইসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।ইসি সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল ঘোষণার জন্য নির্বাচন ভবনের খোলা চত্বরে বড় আকারের ডিজিটাল মনিটরিং স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের জন্য ৮৭টি আলাদা বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুরো ফলাফল ব্যবস্থাপনা ইন্টারনেটবিহীন একটি ক্লোজড নেটওয়ার্কে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।ইন্টারনেট ছাড়াই ফলাফল আদান-প্রদানইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, এবার ফলাফল কোনোভাবেই হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করা হচ্ছে না। ইসির নিজস্ব সুরক্ষিত ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই ফলাফল আদান-প্রদান হবে।তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও অভ্যন্তরীণ সিস্টেমের স্বচ্ছতা, অডিটযোগ্যতা ও মানবিক ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে।নির্বাচন ভবনেই কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণাইসি জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করার পর তা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হবে। কোনো আসনের মোট কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়ার পরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে মোট ফলাফল ও ভোটের হার আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হবে।ফল যাচাইয়ের তিন ধাপভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রের ফলাফল সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। সেখানে স্ক্যান কপি ও ডেটা ইনপুট মিলিয়ে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাবে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয়ভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণার টিমফলাফল ঘোষণার দায়িত্বে থাকবেন তিন সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় টিম। পুরো প্রক্রিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন ইসির সিনিয়র সচিব।ভোটের হার জানানো হবে ধাপে ধাপেভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার গণমাধ্যমকে জানানো হবে। ভোটগ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করা হবে।নতুন প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনাএবার আগের ‘কপোত’ অ্যাপের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ইএমএস সফটওয়্যারের বিশেষ মডিউল ‘আরএমএস’ (রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের ফলাফল দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকবে।স্বচ্ছতা নিয়ে আপত্তিসুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রম নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে। তাঁর মতে, সরাসরি ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ফল না নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে ফল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ।কমিশনের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াটি প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত। তবে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ইসির ভূমিকা নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন উঠছে, তা নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, চলবে যেসব বাহন
নিষেধাজ্ঞার বাইরে যেসব বাহনডেস্ক নিউজ | আজকের পয়গামবরিশাল | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে যানবাহন চলাচলে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ একটি সরকারি নির্দেশনা জারি করেছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টা।এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।যেসব ক্ষেত্রে চলাচলের অনুমতি থাকবেসরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরুরি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত কিছু যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। যেমন—পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর যানবাহনসশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের প্রয়োজনীয় যানজরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পরিবহনকারী গাড়িনিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের যানবাহনসংবাদপত্র ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পরিবহনবিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দর যাতায়াতে বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে যাতায়াতে বাধা দেওয়া হবে না।প্রার্থী, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধানির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার ব্যবহার করে একটি করে ছোট যানবাহন চালাতে পারবেন।এছাড়া অনুমোদন সাপেক্ষে সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।সরকার জানিয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসক বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।