সকল সংবাদ 332 টি
রাজনীতি
বারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে প্রশ্ন
বারবার জয়, তবু মন্ত্রিসভায় নয় — সরওয়ারকে ঘিরে প্রশ্নরফিকুল ইসলাম | অতিথি প্রতিবেদকবরিশাল অঞ্চলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মজিবর রহমান সরওয়ার। উপনির্বাচন ও সাধারণ নির্বাচন মিলিয়ে বরিশাল–৫ (সিটি-সদর) আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবারের মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—বারবার জয় সত্ত্বেও কেন তিনি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন না।বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুগ্ম মহাসচিব সরওয়ার দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। দলের পুরনো ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি ১৯৯১, ১৯৯৮, ২০০১, ২০০৮ ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া দুটি উপনির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।সংসদে তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় হুইপ ছিলেন এবং জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। যোগ্যতার বিচারে মন্ত্রী হওয়ার মতো ঘাটতি চোখে না পড়লেও বাস্তব রাজনৈতিক সমীকরণ ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।এবারের মন্ত্রিসভায় বরিশাল জেলা থেকে প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ভোলা থেকে নির্বাচিত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে এসব আলোচনায় সরওয়ারের নাম নেই।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হতে পারে এবং সেখানে নতুন মুখ যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সম্ভাব্য তালিকাতেও সরওয়ারের নাম নেই বলে জানা গেছে। ফলে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে—দলীয় পদ, নির্বাচনী অভিজ্ঞতা ও ভোটার সমর্থন থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি উপেক্ষিত?দলের ভেতরের সমীকরণবিএনপির নীতিনির্ধারণী স্তরে দীর্ঘদিন ধরে অলিখিত একটি সমীকরণ কাজ করে—কারা থাকবেন ফ্রন্টলাইনে, আর কারা সংগঠন সামলাবেন। দলীয় সূত্রের দাবি, সরওয়ারকে এই দুই তালিকার বাইরেই রাখা হয়েছে। সংসদে তার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্ষমতার ভাগ বণ্টনের সময় তিনি “নিরাপদ পছন্দ”, কিন্তু “প্রাধান্যপ্রাপ্ত পছন্দ” নন।দলের প্রভাবশালী বলয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক সবসময় মসৃণ ছিল না বলেও নেতাদের অনেকে মনে করেন। বরিশাল অঞ্চলে নিজস্ব রাজনৈতিক বলয় গড়ে তোলার চেষ্টা তাকে কখনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চোখে স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে—যা মন্ত্রিসভা গঠনের সময় ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।জনপ্রিয়তা বনাম কেন্দ্রীয় আস্থাবরিশালে সরওয়ারের জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত হলেও জাতীয় রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা ও কেন্দ্রীয় আস্থা এক বিষয় নয়। এক সাবেক বিএনপি নেতা বলেন, ভোটে জয়ী হওয়া এক বিষয়, আর মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া আরেক বিষয়; মন্ত্রিত্বের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে নিঃশর্ত সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সমন্বয়ের প্রশ্নেই সরওয়ার বারবার পিছিয়ে পড়েছেন। সংসদে সক্রিয় থাকলেও তিনি কখনো দলের প্রচারযোগ্য মুখ হয়ে ওঠেননি।মেয়র অধ্যায় কি প্রভাব ফেলেছে?বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন সরওয়ারকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী করেছে। তবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব ধরে রাখার বিষয়টি তাকে কেন্দ্রের চোখে অতিরিক্ত স্থানীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।জাতীয় রাজনীতিতে দৃশ্যমানতা ও মিডিয়া উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তিনি তুলনামূলকভাবে নীরব ছিলেন। ইতিবাচক সংবাদ কম এবং নেতিবাচক সংবাদ বেশি প্রচারিত হওয়াও তার রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রভাবিত করেছে বলে মত রয়েছে।ক্ষমতার এক ধাপ দূরেতিনবারের সংসদ সদস্য, দুইবার উপনির্বাচনে জয়, গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদ—সবকিছু থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া কেবল কাকতালীয় নয়; বরং দলীয় ক্ষমতার কাঠামো, আস্থা ও নিয়ন্ত্রণ রাজনীতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বরিশাল–৫ আসনের ভোটাররা তাকে পাঁচবার সংসদে পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেই সংসদের ভেতরেই তিনি থেকে গেছেন ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে এক ধাপ দূরে—এটাই তার রাজনৈতিক জীবনের বড় বৈপরীত্য।মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন জানান, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময়ে সরওয়ার ৫৫টি মামলার আসামি ছিলেন, চার বছরে ৯ বার গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর কারাবরণ করেন। ২০১৪ সালের পর তার বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা হয়নি।রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন রয়ে গেছে—ভোটে গ্রহণযোগ্য নেতা হয়েও কেন ক্ষমতার কেন্দ্রে জায়গা মিলছে না সরওয়ারের?
সারাদেশ
পাবনায় ২ গ্রুপের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে স্পটে ১ জন নিহত
পাবনায় তুমুল সংঘর্ষে নিহত ১পাবনা প্রতিনিধি | প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আব্দুল গফুর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের খয়েরবাড়িয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল গফুর ওই গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার নিহতের ছেলে আলমের সঙ্গে একই গ্রামের আবু তালেবের ছেলে ময়েন উদ্দিনের (৪৫) টাকা লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। আলমের অভিযোগ, পূর্বে নেওয়া টাকা পরিশোধ না করেই পুনরায় টাকা দাবি করায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।এর জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়েন উদ্দিন লোকজন নিয়ে আলমের বাড়িতে গেলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে আব্দুল গফুর, মানিক হোসেন (৪৩), ময়েন উদ্দিন, ময়ূরী খাতুন (৩৪)সহ কয়েকজন আহত হন।আহতদের উদ্ধার করে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল গফুরকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মানিক হোসেনকে পাবনা সদর হাসপাতাল এ স্থানান্তর করা হয়েছে।ঘটনার পর পুলিশ ময়েন উদ্দিন, তার স্ত্রী রেশমা খাতুন (৩৪), মানিক হোসেন ও সজিব হোসেন (২৫)-কে আটক করেছে।নিহতের ছেলে আলম অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তাদের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং মারধরের ঘটনাতেই তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, টাকাপয়সা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
জাতীয়
রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ: রোজাদারদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ: মুসল্লিদের জন্য জরুরি নির্দেশনানিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র মাহে রমজানে রোজা পালন মুসলমানদের জন্য ফরজ ইবাদত। রোজা সহীহ রাখতে কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকা জরুরি। অসতর্কতা বা অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় রোজা ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই রোজা ভঙ্গের কারণগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ইচ্ছাকৃতভাবে খাওয়া বা পান করা, ধূমপান করা, স্বামী-স্ত্রীর সহবাস, ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপাত ঘটানো, মুখভর্তি বমি ইচ্ছাকৃতভাবে করা, ঋতুস্রাব বা প্রসবোত্তর রক্তস্রাব শুরু হওয়া এবং শরীরে শক্তি জোগায় এমন পুষ্টিকর স্যালাইন বা ইনজেকশন গ্রহণ করলে রোজা ভেঙে যায়।যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয়ভুলে খাওয়ার পর মনে পড়ে ইচ্ছাকৃতভাবে খাওয়া চালিয়ে যাওয়া, অসুস্থতা বা সফরের কারণে রোজা ভঙ্গ করলে পরবর্তীতে কাজা রোজা আদায় করতে হয়।যেসব ক্ষেত্রে কাজা ও কাফফারা উভয়ই প্রযোজ্যইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে খাওয়া বা পান করা এবং স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করলে কাজার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করতে হয়। কাফফারা হিসেবে ধারাবাহিক ৬০টি রোজা রাখা অথবা ৬০ জন দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার প্রদান করতে হয়।যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয় নাভুলে খেয়ে ফেলা, অনিচ্ছাকৃত বমি, রক্ত পরীক্ষা দেওয়া, দাঁত ব্রাশ করা (পানি গিলে না ফেললে) এবং সুগন্ধি ব্যবহার করলে রোজা ভঙ্গ হয় না।ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়; মিথ্যা, গীবত, অশালীন আচরণ ও ঝগড়া-বিবাদ থেকেও বিরত থাকাই রোজার প্রকৃত শিক্ষা।
জাতীয়
পবিত্র রমজান উপলক্ষে অফিস-আদালত-ব্যাংকের নতুন সময়সূচি কার্যকর
পবিত্র রমজান উপলক্ষে অফিস-আদালত-ব্যাংকের নতুন সময়সূচি কার্যকরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে সরকারি অফিস, আদালত ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজান মাস শুরু হওয়ায় সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় এনে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন অফিস সময় নির্ধারণ করে।সরকারি অফিসরমজান মাসজুড়ে সরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি যথারীতি শুক্র ও শনিবার। এর আগে সরকারি অফিস সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।আদালতবাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। অফিস সময় থাকবে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। উভয় ক্ষেত্রেই দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট ও এর অধীন অন্যান্য আদালতের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পৃথকভাবে নির্ধারণ করবে।ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানবাংলাদেশ ব্যাংক এর জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, সব তফসিলি ব্যাংক সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। লেনদেন চলবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে এই সময়েও বিকল্প ব্যবস্থায় গ্রাহকসেবা চালু রাখতে হবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ আইন-বিধি অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনায় সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।শেয়ারবাজাররমজান মাসে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে এবং চলবে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর ১টা ৪০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিটের পোস্ট-ক্লোজিং অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।পবিত্র রমজান মাসে ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনজীবনের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে এ সময়সূচি কার্যকর করা হয়েছে।
সারাদেশ
বরিশালে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, রাস্তার পাশে মিলল লাশ
বরিশালে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, রাস্তার পাশে মিলল লাশবরিশাল, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা–কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতে স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, তারাবির নামাজ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন সাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাদামতলা এলাকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে তার মরদেহ রাস্তার পাশের পানিতে ফেলে রাখা হয়।খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ–এর বিমানবন্দর থানা পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।রাজনৈতিক ও জমি বিরোধের অভিযোগস্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী ও তার ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।রায়পাশা–কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা জানান, নিহতের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল।পুলিশের বক্তব্যবিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। হত্যার পর লাশ পানিতে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঘটনার পর র্যাব, সিআইডি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।
শিক্ষা
আজ থেকেই স্কুল ছুটি, ২৬ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সব বিদ্যালয়
আজ থেকেই স্কুল ছুটি, ২৬ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সব বিদ্যালয়ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আজ (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ মার্চ পর্যন্ত এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।এ সিদ্ধান্ত পৃথকভাবে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি শেষে সাপ্তাহিক বন্ধ (শুক্র ও শনিবার) থাকায় বিদ্যালয়গুলো পুনরায় খুলবে ২৯ মার্চ।আগের সূচি পরিবর্তনএর আগে শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ৮ মার্চ থেকে রোজা ও ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন সরকার সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি কার্যকর করেছে।আদালতের নির্দেশনা প্রসঙ্গরমজানের শুরু থেকেই ছুটি দেওয়ার বিষয়ে পূর্বে একটি রিট আবেদনের শুনানিতে হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছিল। পরে চেম্বার আদালতে সেই আদেশ বাতিল করা হলেও সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্তে প্রথম রোজা থেকেই ছুটি কার্যকর করা হয়েছে।
জাতীয়
দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন
দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভাগুলোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা হয়। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন,“যত দ্রুত সম্ভব এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের মূল্যায়ন প্রসঙ্গেঅন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া–র বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরে কথা বলা হবে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের আলাদা মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন।আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনীতি নিয়ে মন্তব্যমন্ত্রী বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতটা খারাপ নয়; বরং আগের তুলনায় উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতিও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে এবং ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণে এসেছে।তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে; সব কিছু স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে অবস্থানকার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন স্থানে দলটির অফিস খোলার বিষয়টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেও মন্তব্য করেন।
জাতীয়
বরিশাল: সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৩ আওয়ামী লীগ নেতার জামিন লাভ
বরিশাল থেকে বার্তা: মহানগরসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি তিন আওয়ামী লীগ নেতা (including সাবেক সংসদ সদস্য) আজ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।বরিশাল শহরের আন্তর্জাতিক আমলি আদালত আজ অস্তমিত সময়ে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের বক্তব্যে জানা যায়, তিনজনেই নথিভুক্ত জামিন শর্ত পূরণ করে মুক্তি লাভ করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী আদালত কার্যক্রমের জন্য উপস্থিত থাকতে হবে।এই তিন নেতার বিরুদ্ধে যে ঘটনাগুলোর সূত্রে মামলা দায়ের হয়েছিল, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালত সূত্র জানিয়েছে, জামিনের শর্তে তারা নির্দিষ্ট সময় আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য থাকবেন এবং মামলার তদন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না।স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জামিন ঘটনায় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে — কেউ এটিকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন আবার কেউ দাবি করছেন রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে আইন প্রয়োগের একটি দিক হিসেবে ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।জামিনপ্রাপ্ত নেতারা বের হওয়ার পর বক্তব্য দিয়ে বলেন, “আইনের সম্মান বজায় রেখে আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়ায় অংশ নেবো এবং আমাদের পক্ষে সত্য প্রমাণ করার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”বর্তমানে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনজনই জামিনে মুক্ত থাকবেন।
রাজনীতি
জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত
জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিতআজকের পয়গাম। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সংসদীয় দলের সভা জাতীয় সংসদ ভবন–এ অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সম্মানিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। সভায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব, সংসদীয় কার্যক্রমে করণীয় এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সভায় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবেন নবনির্বাচিত
সারাদেশ
ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ
ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগআজকের পয়গাম। প্রকাশ ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ পরশুরাম উপজেলা-এ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক গৃহবধূকে তালাক দেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী রুনা আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী নূর মোহাম্মদ সুমন নিষেধ অমান্য করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় তাকে তালাক দেন।ঘটনাটি চিথলিয়া ইউনিয়নের পাগলীরকুল গ্রামে ঘটে। রুনা আক্তারের দাবি, ভোটের আগের রাতে স্বামী তাকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বলেন এবং ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি রাজষপুর আলী আজ্জম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দমতো ভোট দেন।তিনি জানান, বিষয়টি জানার পর স্বামী তাকে মারধর করেন এবং বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে আদালতের মাধ্যমে তালাক দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেশীদের জানানো হয়।তবে নূর মোহাম্মদ সুমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে তালাক দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, তার স্ত্রী ভোটার নন—তাই ভোট দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং তাদের দুই সন্তান রয়েছে। তালাক সংক্রান্ত একটি এফিডেভিট ১৫ ফেব্রুয়ারি নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে সম্পাদিত হয়েছে বলেও জানা গেছে।এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনীতি
বিএনপি সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বিএনপি সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস ইসলামী আন্দোলনেরআজকের পয়গাম । প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের প্রেক্ষাপটে আগামীর নবগঠিত সরকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোডে দলটির আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম–এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলনের আমীর জানান, দেশ গঠনে সহযোগিতা চেয়ে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সরকার জনকল্যাণমূলক কাজ করলে তারা পাশে থাকবে; তবে জনবিরোধী বা ইসলামবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে প্রতিবাদ জানানো হবে।তিনি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন, প্রতিবাদ বা আন্দোলনের আগে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়।নেতারা আশা প্রকাশ করেন, দেশে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করা হবে।
রাজনীতি
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম-এর সঙ্গে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বাসভবনে গিয়ে এই সাক্ষাৎ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সহনশীলতা ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
রাজনীতি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেন প্রধান উপদেষ্টা: ডঃ ইউনুস
প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিদায় নিলেনঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:আজ রাজধানীর অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিদায়ী ভাষণ দেন। তিনি গত দিনের কাজগুলো নিয়ে কথা বলেন এবং সবার সঙ্গে আগামীর শুভেচ্ছা ভাগাভাগি করেন। ভাষণের পর উপস্থিতদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।অধ্যাপক ইউনূস ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে এই দায়িত্বে ছিলেন। আগামীকাল নতুন সরকার শপথ নেবার পর তার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২১২টি আসনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে।এই সিদ্ধান্ত ও ঘটনা সংশ্লিষ্টদের কাছে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
রাজনীতি
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীর
উচ্চকক্ষ গঠন জুলাই সনদের ভিত্তিতেই হতে হবে — চরমোনাই পীরইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই সনদ দেশের সব রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত এবং সর্বসম্মতভাবে স্বাক্ষরিত একটি দলিল। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং গণভোটের মাধ্যমে জনগণও এর প্রতি সম্মতি দিয়েছে। তাই এই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।রোববার রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে অনেক আসনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও এজেন্ট বের করে দেওয়া, ব্যালট শিটে কাটাকাটি, অকারণে ভোট বাতিলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করতে হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বরগুনা-১ আসনের এমপি মাওলানা অলিউল্লাহ মাহমুদ।নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও গণআস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এই দাবি গুরুত্বপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
রাজনীতি
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান শামসুদ্দোহা আশরাফীর
জোট ভাঙা ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বানঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও জোট রাজনীতি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হতাশ না হয়ে সাংগঠনিক কাজে মনোযোগী থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, জোটে থাকলেও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক লাভ অর্জিত হতো না এবং দীর্ঘমেয়াদে দলীয় অস্তিত্ব সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।বক্তব্যে বলা হয়, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—বিশেষ করে আল্লামা মামুনুল হক-এর নির্বাচনী অভিজ্ঞতা—জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতার উদাহরণ হিসেবে সামনে রয়েছে।জোট রাজনীতি নিয়ে অভিযোগনেতাদের দাবি, জোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, সমন্বয় ঘাটতি ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে অন্যান্য জোটভুক্ত দলগুলোর সহযোগিতা ও অসহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগবক্তব্যে নির্বাচনকে “পরিকল্পিত ছক” হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, কয়েক মাস আগে থেকেই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল এবং শেষ পর্যায়ে তা বাস্তব রূপ দেওয়া হয়। পশ্চিমা বিশ্বের চাপ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়।ভোটের হার ও রাজনৈতিক শক্তিদলীয় সূত্রের হিসাব অনুযায়ী:১১ দলীয় জোট মোট ভোট পেয়েছে প্রায় ৩১.৭৬%গড় হিসেবে প্রতি দলের অংশ দাঁড়ায় প্রায় ২.৮৮%ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে পেয়েছে প্রায় ২.৭০% ভোটনেতারা দাবি করেন, বিভিন্ন দল ও ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে বহু আসন ছেড়ে দেওয়ার পরও প্রায় ২০ লাখের বেশি সমর্থন দলটির পক্ষে রয়েছে।ভবিষ্যৎ কর্মপন্থাদলীয় নেতারা বলেন, আগামী পাঁচ বছর লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফল আসবে বলে তারা আশাবাদী।— ডেস্ক রিপোর্ট
রাজনীতি
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগ
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অধ্যাপককে পুলিশি আচরণের অভিযোগঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দীনকে পুলিশ সদস্যরা অসদাচরণ করে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে ঘাড় ধরে স্থান ত্যাগ করান। ঘটনাটি উপস্থিত অনেকের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি করে।সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন—একজন সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে এমন আচরণ কতটা যৌক্তিক। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়াবিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে নাগরিকদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
রাজনীতি
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমানঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম-এর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে যাবেন। দলীয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।এর আগে রোববার সন্ধ্যায় তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর বাসায় সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।পরে তিনি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর বাসায়ও যান।প্রেক্ষাপটরাজনৈতিক মহলে ধারাবাহিক এসব সৌজন্য সাক্ষাৎকে চলমান রাজনৈতিক সমন্বয় ও যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনীতি
খতিব থেকে সংসদ সদস্য: রংপুর-৬ আসনে বিজয়ী মাওলানা নুরুল আমিন
বিজয়ী মাওলানা নুরুল আমিনপ্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় এসেছেন ৫১ বছর বয়সী মাওলানা নুরুল আমিন। মসজিদের মিম্বার থেকে সরাসরি জাতীয় সংসদে যাওয়ার এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।পেশা ও পরিচিতিমাওলানা নুরুল আমিন পেশায় একজন ইমাম ও খতিব। তিনি পীরগঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরিন-এর কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি এবং দেশব্যাপী ইসলামী বক্তা হিসেবে পরিচিত।তিনি উপজেলার চতরা ইউনিয়নের আলতাব নগর জামে মসজিদের খতিব। নির্বাচনের পরদিনও তিনি মসজিদে ইমামতি করেন, যেখানে হাজারো মুসল্লির সমাগম ঘটে। নির্বাচনী ফলাফলজামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১,২০,১২৮ ভোট।নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,১৭,৭০৩ ভোট। বিজয় প্রতিক্রিয়াবিজয়ের পর তিনি বলেন,“ভোটাররা আমাকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচিত করেছেন। আমি কোনো দলের নয়, পীরগঞ্জের সব মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।”তিনি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, আল্লাহর রহমতেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে।ব্যক্তিগত পরিচয়শহীদ আবু সাঈদের রক্তস্নাত পীরগঞ্জের দুরামীতিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা নুরুল আমিন ১৯৭৪ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মাওলানা আজিজুর রহমান ও মাতা আমেনা খাতুন।অঙ্গীকারতিনি বলেন, জনগণের দেওয়া দায়িত্ব সম্মানের সঙ্গে পালন করে পীরগঞ্জের উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে কাজ করবেন।