neexra

সকল সংবাদ 332 টি

রমজান উপলক্ষে টিসিবির বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু সারাদেশ
16 ফেব্রুয়ারি, 2026

রমজান উপলক্ষে টিসিবির বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু

রমজান উপলক্ষে টিসিবির বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরুরমজান মাসকে সামনে রেখে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বিশেষ ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়ে ১২ মার্চ পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।এই উদ্যোগের আওতায় স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রায় ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি প্রতিদিন অতিরিক্ত ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ ট্রাক সেল থেকে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে কেনা প্রতি প্যাকেজে নিম্নআয়ের ক্রেতাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। ট্রাক সেলের কার্যক্রমটিসিবির তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ট্রাকে ৪০০ জন করে পণ্য কিনতে পারবেন।ট্রাক সেলের মূল্য তালিকাভোজ্যতেল: ১১৫ টাকা প্রতি লিটারমসুর ডাল: ৭০ টাকা প্রতি কেজিচিনি: ৮০ টাকা প্রতি কেজি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য২ লিটার সয়াবিন তেল: ২০০ টাকাট্রাক সেলে একই তেল: ২৩০ টাকাডাল ও চিনিতে কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেশিমোট সুবিধাভোগী২০ দিনের এই কার্যক্রমে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন।দুই দামের বিষয়ে সমালোচনাঅর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেছেন, একই শ্রেণির মানুষের জন্য দুই ধরনের মূল্য নির্ধারণ বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে। তাঁর মতে, সরকার যে জনকল্যাণমূলক উদ্দেশ্যে কর্মসূচি চালু করেছে, একাধিক মূল্য নির্ধারণ করলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাক সেলের বাড়তি মূল্যের কারণে ২০ দিনে সরকারের ভর্তুকি ব্যয় প্রায় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিম্নবিত্ত মানুষের ওপর পড়বে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।বাজার পরিস্থিতিনির্বাচনের পর রমজানকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজার ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মতে, পণ্যমূল্য তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।তথ্য হালনাগাদ চলমানসারা বছর ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিতরণের লক্ষ্যে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
হরিণাফুলিয়ার প্রবীণ শিক্ষক মাস্টার নান্নান মল্লিক ইন্তেকাল সারাদেশ
16 ফেব্রুয়ারি, 2026

হরিণাফুলিয়ার প্রবীণ শিক্ষক মাস্টার নান্নান মল্লিক ইন্তেকাল

হরিণাফুলিয়ার প্রবীণ শিক্ষক মাস্টার নান্নান মল্লিক ইন্তেকালস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬গভীর শোকের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, হরিণাফুলিয়া জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার প্রবীণ শিক্ষক ও সুপরিচিত আলেম মাস্টার নান্নান মল্লিক সাহেব ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।তিনি হযরত পীর সাহেব হরিণাফুলিয়ার অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষক ছিলেন। তাঁর স্নেহময় তত্ত্বাবধানে হাজারো মুফতি, মুহাদ্দিস ও মাওলানা শিক্ষা গ্রহণ করে দ্বীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ করেছেন।মরহুমের জানাজার নামাজ আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাদ জোহর হরিণাফুলিয়া জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।এলাকাবাসী, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবরের আভাস শিক্ষা
16 ফেব্রুয়ারি, 2026

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবরের আভাস

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবরের আভাসস্টাফ রিপোর্টার | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬পবিত্র রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময়সূচি ও ছুটি পুনর্বিন্যাসের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। দেশে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষক সংখ্যা সাড়ে তিন লাখেরও বেশি। রমজানে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুশীলন ও শারীরিক সক্ষমতার কথা বিবেচনায় নিয়ে অনেক শিক্ষক-অভিভাবক সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।এদিকে মাদরাসাগুলোতে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের ছুটি শুরু হলেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১৫ রমজান পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্তে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের একটি অংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আবেদন জানিয়েছেন।মাউশির একজন কর্মকর্তা জানান, রমজানের ছুটি সমন্বয়ের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী রোজা পালন ও নামাজ আদায় করে থাকে—এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।শিক্ষকদের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সারাদিন রোজা রেখে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকা এবং রাতে তারাবির নামাজ আদায় করা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অতীতেও রমজানে ছুটি সমন্বয়ের নজির রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে করা আবেদনের ভিত্তিতেই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে। জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ আবেদন করেন।এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে। রমজানে শিক্ষার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধা বিবেচনায় ছুটি পুনঃনির্ধারণ করা হলে তা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির কারণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতি রাজনীতি
15 ফেব্রুয়ারি, 2026

গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতি

গুপ্ত রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সভাপতিআজকের পয়গাম | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর সব কমিটি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।শনিবার রাতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, দেশে আর কোনো গোপন রাজনৈতিক কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সব স্তরের কমিটি প্রকাশ করতে হবে।তিনি আরও লেখেন, তাদের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীর পরিচয় দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত রাখার ফলে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়গুলো দলীয়ভাবে দায়মুক্ত থাকে—যা রাজনৈতিক অপকৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।ছাত্রদল সভাপতির অভিযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা, শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন স্লোগান, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো এবং বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে শিবির সরাসরি না এসে সহযোগী দল বা গোপন টিম ব্যবহার করে।তিনি দাবি করেন, এই ধরনের “গুপ্ত রাজনীতি” বন্ধ করতে হবে এবং বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিকভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্য দেশের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংগঠনগুলোর পারস্পরিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা: জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তার জাতীয়
15 ফেব্রুয়ারি, 2026

যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা: জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তার

যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা: জামায়াতের ২ নেতা গ্রেপ্তারআজকের পয়গাম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবারসিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উল্লাপাড়া থানার ওসি সাকিউল আজম।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল আলিম সরদার এবং সেক্রেটারি আব্দুল কাদের খন্দকার।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে উল্লাপাড়া উপজেলার গজাইল বাজারে উধুনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের দোকানে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, জামায়াতের নেতাকর্মীরা দোকানটিতে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ ১০–১২ জনকে আসামি করে উল্লাপাড়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলায় উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান জয়লাভ করেন। এর জেরে পূর্বশত্রুতার ধারাবাহিকতায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়।ওসি সাকিউল আজম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় উধুনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনা জাতীয়
15 ফেব্রুয়ারি, 2026

সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনা

সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জোর আলোচনাবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় ৪২ সদস্যের হতে পারে।দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাহউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।সম্ভাব্য মন্ত্রণালয় বণ্টনযোগাযোগ মন্ত্রণালয় — মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঅর্থ মন্ত্রণালয় — আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীবাণিজ্য মন্ত্রণালয় — আব্দুল আউয়াল মিন্টুসড়ক পরিবহন — সালাহউদ্দিন আহমেদশিক্ষা — এহসানুল হক মিলনজ্বালানি ও বিদ্যুৎ — ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুপানিসম্পদ — মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদস্বাস্থ্য — ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনটেকনোক্র্যাট ও জোটসঙ্গীদের অন্তর্ভুক্তিটেকনোক্র্যাট কোটায় নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবীর রিজভী এবং আমিনুল হক আলোচনায় আছেন।জোটসঙ্গী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও ববি হাজ্জাজ।রাষ্ট্রপতি পদ নিয়েও আলোচনাকিছু মহলে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস–এর নামও আলোচনায় রয়েছে।আরও যাদের নাম আলোচনায়মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ওয়াদুদ ভূইয়া, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শামা ওবায়েদ, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং রকিবুল ইসলাম বকুল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন মন্ত্রিসভার গঠন দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
রমজানে কর্মঘণ্টা কমালো সংযুক্ত আরব আমিরাত জাতীয়
15 ফেব্রুয়ারি, 2026

রমজানে কর্মঘণ্টা কমালো সংযুক্ত আরব আমিরাত

রমজানে কর্মঘণ্টা কমানোর ঘোষণা সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারেরআজকের পপয়গাম পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বেসরকারি খাতের কর্মীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রমজান মাসে কর্মীদের জন্য নির্ধারিত সময়সূচিতে দুই ঘণ্টা কম কাজ করতে হবে।সাধারণ সময়ে আমিরাতে কর্মীরা প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা কাজ করেন। রমজানে তা কমিয়ে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত কাজ করলে তা ওভারটাইম হিসেবে গণ্য হবে এবং কর্মীরা অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পাবেন।মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাজের ধরন ও ব্যবসায়িক প্রয়োজন অনুযায়ী নমনীয় সময়সূচি বা দূরবর্তী (রিমোট) কর্মপদ্ধতি চালু করতে পারবে।এদিকে সরকারি খাতের অফিস সময়ও কমানো হয়েছে। রমজান মাসে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে বিশেষ দায়িত্বপূর্ণ কিছু পদে এই সময়সূচি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ায় বাসিন্দারা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি ইবাদত ও আত্মিক চর্চায় বেশি সময় দিতে পারবেন।সূত্র: গালফ নিউজ

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
নির্যাতিত নারীকে দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন জামায়াত আমির রাজনীতি
15 ফেব্রুয়ারি, 2026

নির্যাতিত নারীকে দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন জামায়াত আমির

নির্যাতিত নারীকে দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন জামায়াত আমিরনিজস্ব প্রতিবেদক ।   আজকের পয়গাম ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির, নোয়াখালীর হাতিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক নারীকে দেখতে আজ হেলিকপ্টারযোগে নোয়াখালী যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে আমির ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন এবং তাকে দেখতে যাওয়ার আশ্বাস দেন।এ সফরে তার সঙ্গে যাওয়ার কথা রয়েছে নাহিদ ইসলাম, আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তিনি ভুক্তভোগী নারীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, “পুরো বাংলাদেশ আপনার পাশে আছে।”জেলা জামায়াতের নেতারা জানান, আমির নির্যাতিত নারীকে নিজের বোন হিসেবে উল্লেখ করে তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এদিকে নোয়াখালী-৬ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেছেন, দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।ঘটনাপ্রবাহস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ১১টার দিকে হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তরা ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে। তারা তার স্বামীকে বেঁধে রেখে এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে তাকে পাশবিক নির্যাতন করে।পরদিন বিকেলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার চিকিৎসা চলছে।প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।➡️ সংশ্লিষ্টদের দাবি, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় আহত ১ হাজার নেতাকর্মী রাজনীতি
14 ফেব্রুয়ারি, 2026

নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় আহত ১ হাজার নেতাকর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচনের দিন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হামলার ঘটনায় প্রায় ১ হাজার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলীয় নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধপূর্ণ এলাকায় একাধিক দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতরসহ অনেকে আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনের দিন কয়েকটি কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তারা জানিয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।উল্লেখ্য, আহতদের সঠিক সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় ১ হাজার নেতাকর্মী আহত রাজনীতি
14 ফেব্রুয়ারি, 2026

নির্বাচনের দিন থেকে এ পর্যন্ত হামলায় ১ হাজার নেতাকর্মী আহত

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নির্বাচনের দিন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১ হাজার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সহিংসতার মাত্রা বেড়ে যায়।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় এসব নেতাকর্মী আহত হন। অনেককে স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে রাজধানীর বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই উত্তেজনা সহিংস রূপ নেয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে এবং সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। তারা সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
সাইন্সল্যাব জামে মসজিদের ইমামকে অব্যাহতি: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের অভিযোগ জাতীয়
14 ফেব্রুয়ারি, 2026

সাইন্সল্যাব জামে মসজিদের ইমামকে অব্যাহতি: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের অভিযোগ

সাইন্সল্যাব জামে মসজিদের ইমামকে অব্যাহতি: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যের অভিযোগনিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী এক ইমামকে হঠাৎ অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ইমাম দাবি করেছেন, প্রায় এক যুগ ধরে নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করলেও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কারণে তাকে অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।অভিযোগে জানা যায়, অব্যাহতির বিষয়ে কোনো পূর্ব আলোচনা, নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি ন্যূনতম সৌজন্যতাও দেখানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশে বাধাইমাম জানান, শুক্রবার মসজিদে গিয়ে নিজের নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে খাদেম তাকে জানান— কক্ষের চাবি সভাপতির নিয়ন্ত্রণে এবং তাকে রুমে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। বিষয়টি তাকে মানসিকভাবে ব্যথিত করে।তিনি অজু করে মসজিদে প্রবেশ করেন এবং দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন।পূর্বঘোষণা অনুযায়ী জুমার নামাজ পরিচালনাছুটিতে থাকায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পেশ ইমাম জুমার নামাজ পরিচালনা করেন। নামাজ শেষে বিষয়টি নিয়ে সভাপতির সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি দীর্ঘ সময় মসজিদে অবস্থান করেন। তবে সভাপতি বা কমিটির কেউ এ বিষয়ে আলোচনা করেননি বলে অভিযোগ করা হয়।পরে সভাপতি এসে কেবল দোয়া চান। অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলেননি। এতে তিনি নিজেকে অপরিচিত মুসল্লির মতো আচরণের শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন।রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগঘটনার পেছনে “দলান্ধতা” কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন ওই ইমাম। তার দাবি, মসজিদ কমিটির সভাপতি একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থক, এবং সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়।হোয়াটসঅ্যাপে অব্যাহতি পত্রতিনি জানান, জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়ার তথ্য জানার পরও কেবল হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে অব্যাহতি পত্র পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি জানতে সভাপতিকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি।আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতিভুক্তভোগী ইমাম বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয় নয়; বরং আলেম সমাজের বিরুদ্ধে প্রণীত কথিত বানোয়াট নিয়মনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই তিনি আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
জামায়াতের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ: বিশ্লেষণে উঠে এল ১০ দিক রাজনীতি
14 ফেব্রুয়ারি, 2026

জামায়াতের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ: বিশ্লেষণে উঠে এল ১০ দিক

জামায়াতের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ: বিশ্লেষণে উঠে এল ১০ দিকনিজস্ব প্রতিবেদকপ্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে না পারার পেছনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, কৌশলগত ও সামাজিক কারণ রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনী বাস্তবতা, ভোটের মনস্তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক কৌশলের সীমাবদ্ধতা দলটির ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।নিচে আলোচিত হলো উল্লেখযোগ্য ১০টি কারণ—১️⃣ নতুন ভোটারদের ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশাপ্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ তরুণ ভোটারকে সম্ভাব্য বড় সমর্থকভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাস্তবে দেখা গেছে অধিকাংশ নতুন ভোটার পারিবারিক রাজনৈতিক আদর্শ থেকেই প্রভাবিত হয়েছেন। ফলে তারা প্রচলিত দলীয় ধারা থেকে বড় আকারে সরে আসেননি।২️⃣ ঐতিহাসিক ভোট বাস্তবতার সীমাবদ্ধতাঅতীত নির্বাচনে দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ১৯৯১ সালে ১৮টি আসন এবং ২০০১ সালে ১৭টি আসন। চতুর্থ পর্যায়ের দল থেকে হঠাৎ প্রথম সারিতে উঠে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাস্তব রাজনৈতিক সমীকরণে কঠিন।৩️⃣ সৌজন্য আচরণকে ভোট সমর্থন মনে করাপ্রচারণায় জনসাধারণের হাসিমুখ, করমর্দন ও আশ্বাসকে প্রকৃত ভোট সমর্থন হিসেবে ধরে নেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের সমর্থন সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে।৪️⃣ প্রতিপক্ষকে আক্রমণাত্মক প্রচারণাপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রচারণা সাধারণ ভোটারের কাছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে—এমন ধারণাও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।৫️⃣ “পরিবর্তনের জোয়ার” ধারণার অতিরঞ্জনদেশের ভোটাররা দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত দলগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। শুধুমাত্র দুর্নাম বা ব্যর্থতা তুলে ধরলে ভোটারদের আনুগত্য পরিবর্তন হবে—এই ধারণা বাস্তবে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।৬️⃣ ইসলামী দলগুলোর ঐক্য ভেঙে যাওয়াইসলামী শক্তির ঐক্যের প্রত্যাশা তৈরি হলেও জোটের ভাঙন ও মতপার্থক্যের কারণে ধর্মপ্রাণ ভোটারদের একাংশ হতাশ হন।৭️⃣ একাত্তরের ভূমিকা বিষয়ে দ্ব্যর্থতামুক্তিযুদ্ধকালীন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না দেওয়া এবং ঐতিহাসিক বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক জনমনে সংশয় তৈরি করেছে।৮️⃣ নীতিগত অবস্থানে অসামঞ্জস্যনির্বাচনের সময়সূচি, নির্বাচন পদ্ধতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং রাজনৈতিক কৌশল বিষয়ে বারবার অবস্থান পরিবর্তন জনআস্থায় প্রভাব ফেলেছে।৯️⃣ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষকদের অতিরঞ্জনপ্রবাসী ও অনলাইন বিশ্লেষকদের অতিরিক্ত আশাবাদী মূল্যায়ন নেতাকর্মীদের মধ্যে বাস্তবতার চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস তৈরি করে, যা মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।🔟 আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় সমর্থন সম্পর্কে ভুল ধারণারাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বা আন্তর্জাতিক মহল নিজেদের পক্ষে রয়েছে—এমন ধারণা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।ভোট বাস্তবতা বনাম রাজনৈতিক প্রত্যাশাবিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্বাচনী সাফল্য মূলত স্থানীয় সমীকরণ, সাংগঠনিক শক্তি, জোট রাজনীতি ও ভোটার আচরণের ওপর নির্ভরশীল। প্রচারণা বা জনসমাগম সবসময় ভোটে রূপান্তরিত হয় না।আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনী প্রেক্ষাপট এবং একাধিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ফলে অর্জিত আসন ও ভোটকে দলটির জন্য অগ্রগতির লক্ষণ হিসেবেও দেখছেন অনেকে।ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ও করণীয়কিছু আসনে ফল প্রকাশে বিলম্ব, ভোট ব্যবধান ও আসন ব্যবধানের পার্থক্য এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তদন্ত ও আইনি উদ্যোগের পাশাপাশি জনমত গঠন জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।পরিশেষে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য বাস্তবভিত্তিক কৌশল, স্থির নীতি, ঐক্য এবং ভোটার মনস্তত্ত্ব বোঝার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
গুলিভর্তি পিস্তল-দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী গ্রেফতার রাজনীতি
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

গুলিভর্তি পিস্তল-দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী গ্রেফতার

গুলিভর্তি পিস্তল-দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী গ্রেফতারনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবারবগুড়ার নন্দীগ্রামে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে পাঁচ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি বিদেশি পিস্তল ও বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আবদুস সালাম (৩০), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও তেঁতুলিয়াগাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে;আবু বক্কর (২৮), একই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে;এবং পারভেজ মোশারফ (২৫), শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের রূপিহার গ্রামের আবু মুসার ছেলে।স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সেনাবাহিনীর অভিযানসেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেজর মেহেদী হাসান, ক্যাপ্টেন জিসান ও লেফটেন্যান্ট ফাতিনের নেতৃত্বে শাজাহানপুর ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা মঙ্গলবার বিকালে তেঁতুলিয়াগাড়ি গ্রামে অভিযান চালান।অভিযানকালে আবদুস সালামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করলে তাকে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে একটি চায়নিজ পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং ৩৫টি বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবু বক্কর ও পারভেজ মোশারফকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজনকে নন্দীগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনি ব্যবস্থানন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, অস্ত্র আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল অস্ত্রসহ আটক রাজনীতি
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল অস্ত্রসহ আটক

আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল অস্ত্রসহ আটকনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের যন্ত্রাংশসহ আটক করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।অভিযানে যা উদ্ধারযৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মজিবর রহমান মাদবরের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা রুমা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তল্লাশিতে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্রও জব্দ করা হয়েছে।রাজনৈতিক পরিচয়স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন।প্রশাসনের বক্তব্যজাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, “অভিযানের সময় আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটক দু’জনকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।”জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, “সাবেক চেয়ারম্যানকে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আটক নারীর বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের দাবি করা হয়েছে—বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
‘প্রতিশোধ’ নিয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল পাকিস্তান খেলা
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

‘প্রতিশোধ’ নিয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল পাকিস্তান

‘প্রতিশোধ’ নিয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল পাকিস্তানক্রীড়া ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে আগের হারের প্রতিশোধ নিয়েছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৩২ রানের জয়ে গ্রুপ ‘এ’-তে শীর্ষে উঠে গেছে তারা। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে ভারতকেও পেছনে ফেলেছে বাবর আজমের দল।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ বলে ৭৩ রান করেন সাহিবজাদা ফারহান। তার ইনিংসে ছিল দৃষ্টিনন্দন সব বাউন্ডারি ও ছক্কার মার। শেষ দিকে অধিনায়ক বাবর আজম ও শাদাব খান গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যুক্তরাষ্ট্র শুরুটা ভালো করলেও পরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ। পাওয়ারপ্লে শেষে ফিল্ড ছড়িয়ে দিলে রান তুলতে হিমশিম খায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি।শাদাব খান ও উসমান তারিক ছিলেন বল হাতে উজ্জ্বল। দুজন মিলে ৮ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে শিকার করেন ৪টি উইকেট। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র।এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে টানা জয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে দলটি।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন ভোটাররা জাতীয়
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন ভোটাররা

ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন ভোটাররাআনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকালত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোট উৎসবে শামিল হতে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রিজের উভয় প্রান্ত, মইজ্জারটেক ও চাতরী চৌমুহনী এলাকায় দেখা যায় ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।মোড়ে মোড়ে, স্টেশনে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা কোনো যানবাহন এলেই হুমড়ি খেয়ে উঠছেন। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ঝুলে ঝুলে গন্তব্যের পথে রওনা দিচ্ছেন। যানবাহনের সংকটের কারণে কেউ কেউ কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু হেঁটেই পার হচ্ছেন। কারও হাতে, কারও কাঁধে ব্যাগ—তবু মুখে ভোট দেওয়ার আনন্দের হাসি।যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত চাপের সুযোগ নিয়ে কয়েকগুণ ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। রেহেনা আক্তার নামে এক যাত্রী জানান, “ব্রিজ থেকে বাঁশখালী গুনাগুরি পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া সাধারণত ৮০-১০০ টাকা হলেও এখন ২০০-৩০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।”অন্যদিকে চালকেরা বলছেন, যানজট ও গাড়ি স্বল্পতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।সব কষ্ট-ভোগান্তির মাঝেও ভোটারদের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই। রাফসান নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা নতুন ভোটার। এবারের মতো ভোটের আমেজ আগে দেখিনি। তরুণদের ভোটেই জনগণের সরকার নির্ধারিত হবে।”আব্দুল কাদের নামে আরেক ভোটার জানান, “নবম সংসদ নির্বাচনের পর এমন আগ্রহ দেখছি। এরপর আর কোনো নির্বাচনে বাড়ি যাইনি। এবার বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তাই ভোট দিতে বাড়ি যাচ্ছি।”ভোটকে ঘিরে মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও বাড়িমুখো জনস্রোত নির্বাচন ঘিরে বাড়তি উৎসবের আবহ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
জামায়াতের ভোট কোনদিকে—হাতপাখা নাকি ধানের শীষ? রাজনীতি
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

জামায়াতের ভোট কোনদিকে—হাতপাখা নাকি ধানের শীষ?

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে শেষ মুহূর্তের হিসাবজামায়াতের ভোট কোনদিকে—হাতপাখা নাকি ধানের শীষ?নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ শেষ হওয়ায় এখন চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত প্রার্থীরা। বরিশালের ছয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে সদর-৫ আসন। নগরজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম কি বিজয়ের হাসি হাসবেন, নাকি নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি ধরে রাখতে সক্ষম হবেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার?জামায়াতের সমর্থন ঘিরে জটিল সমীকরণরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহ-সেক্রেটারি মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ফয়জুল করীমকে সমর্থন দেওয়ায় নির্বাচনি সমীকরণে বড় পরিবর্তনের আভাস দেখা দেয়। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় জামায়াত নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে না পারায় হাতপাখা শিবির পুরো সুবিধা নিতে পারেনি—এমন আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।জামায়াতের একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, দলীয় প্রার্থী ত্যাগ স্বীকার করলেও মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। ফলে ১১ দলীয় জোটের ভোটারদের মধ্যে কিছুটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। যদিও বিশ্লেষকদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত যদি জামায়াত ও জোটের ভোট একত্রে হাতপাখায় পড়ে, তাহলে ফলাফল বদলে যেতে পারে।বিএনপির ঘাঁটি রক্ষার লড়াইঅন্যদিকে, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার শুরুতে দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধে কিছুটা কোণঠাসা থাকলেও শেষ মুহূর্তে নেতাকর্মীদের একমঞ্চে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তবে প্রচারণা নিয়ে অগোছালোভাবের অভিযোগ ছিল শুরু থেকেই।সরোয়ার বিএনপির পাশাপাশি অন্যান্য ভোটব্যাংকে টানার কৌশল নিয়েছেন বলেও জানা গেছে, যা নিয়ে দলীয় তৃণমূলে কিছু অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে কৌশলে তা সামাল দিয়ে নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।হাতপাখার আশাবাদহাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ফয়জুল করীম দাবি করছেন, জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের সমর্থন ছাড়াও আওয়ামী লীগের একটি অংশ এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের সমর্থনও তিনি পাবেন। তার ভাষ্য, “মানুষ সৎ ও আদর্শিক রাজনীতির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন যা বলে, তা-ই করে—এই বিশ্বাস থেকেই জনগণ হাতপাখায় ভোট দেবে।”জামায়াতের ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকেই জামায়াত সমর্থন দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”এ বিষয়ে জামায়াত নেতা মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, পীর সাহেবের সম্মানে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে হাতপাখাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।তৃতীয় শক্তি হিসেবে বাসদএ আসনে বাসদের প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্ত্তীও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। মহানগরীর শ্রমজীবী মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য ভোটব্যাংকেও প্রভাব ফেলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।শেষ কথাসব মিলিয়ে বরিশাল-৫ আসনে মূল লড়াই ধানের শীষ ও হাতপাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। তবে জামায়াতের সমর্থন কোনদিকে কতটা কার্যকর হয়—সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ভোটের ফলাফলেই। এখন পুরো নগরজুড়ে একটাই আলোচনা—শেষ হাসি কে হাসবেন?

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ জাতীয়
11 ফেব্রুয়ারি, 2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত থেকে টানা ৭২ ঘণ্টার জন্য সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ৭২ ঘণ্টা) সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।এছাড়া, একই প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয় যে, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

2 months,1 week আগে বিস্তারিত
neexra