সকল সংবাদ 333 টি
জাতীয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধডেস্ক রিপোর্ট | আজকের পয়গামত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত থেকে টানা ৭২ ঘণ্টার জন্য সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ৭২ ঘণ্টা) সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।এছাড়া, একই প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয় যে, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজনীতি
ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না : ডা. শফিকুর রহমান
ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না : ডা. শফিকুর রহমানআজকের পয়গাম ডেস্কপ্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরও ভোট চুরি হতে পারে উল্লেখ করে ভোটের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ভোটারদের কেন্দ্র না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ’ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। তার ভাষায়, ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে এবং জুলাই বাস্তবায়িত হবে। একই সঙ্গে আবরারসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, ১১ দলীয় জোট শুরু থেকেই সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে এসেছে।তিনি আরও বলেন, সমাজের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশ বর্তমান অবস্থা থেকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। তরুণদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তরুণরা দয়া নয়, কাজ চায়; তারা দেশের উন্নয়নে অংশীদার হতে চায়। সে লক্ষ্যেই তরুণদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।২০০৮ সালের পর দেশে গণরায়ের সঠিক প্রতিফলন হয়নি দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। গ্রামের ভোটাররা আগ্রহ নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার আশা, গণরায়ের সঠিক প্রতিফলন ঘটলে বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক ধারায় অগ্রসর হবে।নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে ন্যায়নিষ্ঠ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা সবার কর্তব্য। এতে জনগণের আস্থা ও সম্মান অর্জিত হবে।
সারাদেশ
প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক জামায়াত নেতা
প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক জামায়াত নেতাযশোর প্রতিনিধি | আজকের পয়গাম১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪:২৫ মিনিটযশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান তারা। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে এসে সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাউকে আটক না করে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেয়। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।তবে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন।এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, “সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। নির্বাচনের সময় একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।”বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও তিনি জানান।
জাতীয়
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, সেই সংকট কেটে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরেছে। তাই তিনি এখন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান।আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি*) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।উপাচার্য বলেন, ‘‘আমি মনে করছি, দায়িত্ব পালনের একটি ভালো পর্যায়ে আমরা পৌঁছেছি। তাই এখন আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’’দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে দেশের এক বিশেষ ক্রান্তিকালে আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তখন বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল। সেই কঠিন সময়ে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সবার সহযোগিতায় আমরা সেই আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয় এখন সার্বিকভাবে একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে।’’তবে পদত্যাগের ফলে যেন কোনো প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও তিনি সচেতন। উপাচার্য উল্লেখ করেন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা যদি মনে করেন যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে তাঁর আরও কিছুদিন থাকা প্রয়োজন, তবে ‘স্মুথ ট্রানজিশন’ বা মসৃণ হস্তান্তরের স্বার্থে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে রাজি আছেন।
সারাদেশ
আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (বর্তমান তারিখ*) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই ভাষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ক গণভোট—এই দুটি বিষয়কে সামনে রেখেই তিনি আজ দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরবেন।প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশন বিটিভির ফিড থেকে ভাষণটি একযোগে প্রচার করবে।
জাতীয়
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদের
যে কারণে জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান আলেমদেরআজকের পয়গাম | জাতীয় ডেস্ক📅 ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও আদর্শ ইসলামী আকীদা ও শরীয়াহভিত্তিক শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যা মুসলমানদের ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে।আলেমদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্ব ইসলামী শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে “বহুত্ববাদ” ও “অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) শাসনব্যবস্থা” প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা সেক্যুলার চিন্তাধারারই নতুন রূপ।ইনক্লুসিভ শব্দ নিয়ে আপত্তিআলেমগণ বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটি ব্যবহার করে সঠিক ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের সীমারেখা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে ভালো ও মন্দের পার্থক্য করার সুযোগ সংকুচিত হয় এবং ইসলামী বিধানের বিরোধিতা করাও কঠিন হয়ে পড়ে।তাদের মতে, এই পরিভাষা মুসলমানদের আকীদাগত দুর্বলতায় ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল, যা দীর্ঘমেয়াদে ঈমান ধ্বংসের কারণ হতে পারে।বহুত্ববাদ ও প্রগতিশীলতা প্রসঙ্গেবিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহুত্ববাদ মূলত সেক্যুলারিজমেরই নতুন মোড়ক, যা ইসলামী শাসনব্যবস্থার পরিপন্থী। একইভাবে ‘প্রগতিশীলতা’ শব্দটি ব্যবহার করে নৈতিকতা বিবর্জিত ও ধর্মীয় মূল্যবোধহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আলেমরা।উল্লেখ্য, সম্প্রতি জামায়াত-শিবির নিজেদের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।ভোটের বিষয়ে আলেমদের আহ্বানআলেমগণ বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে ঈমান ও আকীদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ কারণে তারা জামায়াতকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ ও হারাম বলে অভিহিত করেন।তারা মুসলমানদের পশ্চিমা রাজনৈতিক পরিভাষার ফাঁদে পা না দিয়ে দীন ও ঈমান রক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান।বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন—মুফতি আজিজুল ইসলাম কাসেমীআহ্বায়ক, বাংলাদেশ দারুল ইফতা ও গবেষণা পরিষদ, হাটহাজারী(বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও মুফতিগণের পক্ষে)
জাতীয়
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার):বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবসের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠককালে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউর প্রায় ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দায়িত্ব পালন করবে।ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এ সময় আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
রাজনীতি
সাম্য ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়তে চাই : ফয়জুল করীম
সাম্য ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়তে চাই : ফয়জুল করীমবরিশাল-৫ (আসন)সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আমিরে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।রোববার বিকেলে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতার মূল ভিত্তি ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সেই আদর্শ থেকে দেশকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ কৃষক-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিচার ব্যবস্থায়ও সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।তিনি বলেন, “আমি এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে অপরাধী অপরাধের শাস্তি পাবে, আর নিরপরাধ মানুষ সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে। যে ব্যক্তি দোষী নয়, তাকে যেন আর হয়রানির শিকার হতে না হয়।”পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বারবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান হয়নি। দুর্নীতি, মিথ্যা মামলা ও অবিচার সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।ফয়জুল করীম আরও বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে একটি মিথ্যা মামলাও থাকতে দেব না। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান—সব ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের জন্য সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আমার অঙ্গীকার।”তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা আমাকে একবার পরীক্ষা করুন। যদি আমি ব্যর্থ হই, তাহলে আর আপনাদের সামনে দাঁড়াব না।”জনসভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য উজ্জ্বল দাস হিন্দুদের হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।জনসভা শেষে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করা হয়।
জাতীয়
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের
ফল প্রকাশে কড়া প্রস্তুতি ইসির, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদেরনিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের পয়গামপ্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ঘিরে কঠোর ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, তিন স্তরের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এ ব্যবস্থাকে ঘিরে নির্বাচন বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের একটি অংশ ইসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।ইসি সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল ঘোষণার জন্য নির্বাচন ভবনের খোলা চত্বরে বড় আকারের ডিজিটাল মনিটরিং স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের জন্য ৮৭টি আলাদা বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুরো ফলাফল ব্যবস্থাপনা ইন্টারনেটবিহীন একটি ক্লোজড নেটওয়ার্কে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।ইন্টারনেট ছাড়াই ফলাফল আদান-প্রদানইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, এবার ফলাফল কোনোভাবেই হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করা হচ্ছে না। ইসির নিজস্ব সুরক্ষিত ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই ফলাফল আদান-প্রদান হবে।তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও অভ্যন্তরীণ সিস্টেমের স্বচ্ছতা, অডিটযোগ্যতা ও মানবিক ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে।নির্বাচন ভবনেই কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণাইসি জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করার পর তা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হবে। কোনো আসনের মোট কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়ার পরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে মোট ফলাফল ও ভোটের হার আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হবে।ফল যাচাইয়ের তিন ধাপভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রের ফলাফল সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। সেখানে স্ক্যান কপি ও ডেটা ইনপুট মিলিয়ে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাবে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয়ভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।কেন্দ্রীয় ফল ঘোষণার টিমফলাফল ঘোষণার দায়িত্বে থাকবেন তিন সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় টিম। পুরো প্রক্রিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন ইসির সিনিয়র সচিব।ভোটের হার জানানো হবে ধাপে ধাপেভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার গণমাধ্যমকে জানানো হবে। ভোটগ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ভোটের হার প্রকাশ করা হবে।নতুন প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনাএবার আগের ‘কপোত’ অ্যাপের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ইএমএস সফটওয়্যারের বিশেষ মডিউল ‘আরএমএস’ (রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের ফলাফল দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকবে।স্বচ্ছতা নিয়ে আপত্তিসুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রম নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে। তাঁর মতে, সরাসরি ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ফল না নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে ফল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ।কমিশনের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াটি প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত। তবে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ইসির ভূমিকা নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন উঠছে, তা নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
রাজনীতি
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, জোটে অসন্তোষ
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, জোটে অসন্তোষআজকের পয়গাম ডেস্ক | লক্ষ্মীপুরতারিখ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এ আসনে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া শাহাদাত হোসেন সেলিম বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, ধারাবাহিক গণসংযোগ ও ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে নিজেকে তুলে ধরছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, সংগঠনিক শক্তির কারণে তিনি এ আসনে অন্যতম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জাকির হোসেন পাটোয়ারী নির্বাচন ঘোষণার আগেই এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় ছিলেন। নিয়মিত গণসংযোগ, পথসভা ও সামাজিক উদ্যোগের ফলে তিনি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখে পরিণত হয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিকে ১০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে এনসিপি নেতা মাহবুব আলমের নাম ঘোষণা করা হলে জোটের তৃণমূল পর্যায়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, মাহবুব আলম একসময় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সে সময়ের কিছু ছবি এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এছাড়া তার বাবা আজিজুর রহমান ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক—এই বিষয়টিও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং জামায়াতের নিজস্ব প্রার্থী না থাকায় ইসলামী ধারা সমর্থনকারী অনেক ভোটার বিকল্প হিসেবে হাতপাখা প্রতীকের দিকে ঝুঁকছেন। এতে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে।সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে প্রধান লড়াই বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল জানতে ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
রাজনীতি
শাকিব খানের নামে ‘জামায়াতের প্রচারণা’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের শিকার হলেন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ও নিউজ কার্ডে দাবি করা হচ্ছে, তিনি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন। তবে যাচাই করে দেখা গেছে, বিষয়টি পুরোপুরি অসত্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারসাজি।ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা যাচ্ছেসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই কার্ডটিতে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করা হয়েছে। কার্ডের সঙ্গে যুক্ত লিংকে ক্লিক করলে দেখা যায়, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ভাষণ দিচ্ছেন এবং তার ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন শাকিব খান। ভিডিওটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ও শিরোনামে একে ‘জামায়াতের ভাইরাল গান’-এ শাকিব খানের অংশগ্রহণ বলে প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে আরও কয়েকজন তারকার উপস্থিতি কৃত্রিমভাবে দেখানো হয়েছে।ফ্যাক্ট চেক ও বাস্তবতাভিডিওটি প্রযুক্তিগতভাবে বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এটি ‘ডিপফেক’ বা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি একটি ভুয়া ভিডিও। বাস্তবে শাকিব খানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রচারণার কোনো সম্পর্ক নেই। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে সাধারণ নেটিজেনদের অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে একে সত্য বলে মনে করছেন, যা অভিনেতার ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্যশাকিব খানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও বা কার্ড সম্পর্কে অভিনেতা কিছুই জানতেন না। সূত্রটি আরও জানায়, আসন্ন নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচারণায় অংশ নেননি শাকিব খান। তিনি বর্তমানে নিজের পেশাগত কাজ নিয়েই ব্যস্ত।শুটিংয়ে ব্যস্ত শাকিব রাজনৈতিক মাঠ থেকে দূরে থাকা এই অভিনেতা বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘প্রিন্স’-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। জানা গেছে, ‘প্রিন্স’-এর কাজ শেষ করে তিনি দুই সপ্তাহের সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন এবং এরপরই নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর শুটিং শুরু করবেন।
রাজনীতি
ভোটের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আশা ইসির
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল দ্রুততম সময়ে প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণের পরদিন, অর্থাৎ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। একইসঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেওয়া নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি।প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দ্রুত গণনাসংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় কাজের পরিধি বাড়লেও ফলাফল প্রকাশে দেরি হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন ইসি আনোয়ারুল। তিনি জানান, আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম ও উন্নত ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহারের ফলে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও গণনা করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, "দুর্গম বা বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকার কারণে সামান্য সময় লাগতে পারে, তবে অতীতের মতো ফলাফলের জন্য তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে না।"মাঠপর্যায়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তানির্বাচনী সহিংসতা রোধে এবং ভোটারদের নির্বিঘ্ন উপস্থিতি নিশ্চিতে এবার কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য মাঠে থাকবেন।নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি আরও জানান: বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সাপেক্ষে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের জন্য ‘বডি-ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর মাঠপর্যায়ের তথ্য কেন্দ্রীয় সেলে পাঠানোর জন্য একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করবে। গুজব রোধ ও কড়াকড়িনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন কোনো অপপ্রচার বা গুজব ছড়াতে না পারে, সে জন্য একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভোটারদের মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।স্বচ্ছতার অঙ্গীকার রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি উল্লেখ করেন, "৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা, তা বাস্তবায়নে এই নির্বাচন একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।"
রাজনীতি
চাঁদাবাজদের কবল থেকে মুক্ত পেতে হাতপাখায় ভোটের আহ্বান — মুফতী ফয়জুল করীম
চাঁদাবাজদের কবল থেকে মুক্ত পেতে হাতপাখায় ভোটের আহ্বান — মুফতী ফয়জুল করীমবরিশাল প্রতিনিধি | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বরিশালকে চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম।সোমবার বিকেল ৩টায় বরিশাল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,“বরিশাল আজ চাঁদাবাজদের কবলে জর্জরিত। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সৎ, ন্যায়ভিত্তিক ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সে লক্ষ্যে সবাইকে হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে জনগণের জানমাল ও সম্মান রক্ষায় তিনি আপসহীন থাকবেন এবং কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।জনসভায় বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সমাবেশ শেষে শহীদ মিনার এলাকা থেকে শুরু করে সদর রোড, বাজার রোড ও চকবাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সারাদেশ
ভোটের আগে ৪ দিন মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে কঠোর বিধিনিষেধ, লেনদেনে নতুন সীমা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ও অবৈধ লেনদেন রোধে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার ওপর বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগে ও পরে মিলিয়ে টানা চার দিন অর্থাৎ ৯৬ ঘণ্টা এই সেবাগুলো সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।কখন থেকে কার্যকর হবে?বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুরু করে নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।বিকাশ-রকেট-নগদে লেনদেনের নতুন নিয়মপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস সেবায় ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে (পি-টু-পি) টাকা পাঠানোর সুযোগ কমিয়ে আনা হয়েছে। সর্বোচ্চ সীমা: একজন গ্রাহক প্রতি বারে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন। লেনদেনের সংখ্যা: দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে। দৈনিক মোট সীমা: সব মিলিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও আইবিএফটিশুধু মোবাইল ব্যাংকিং নয়, ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হয়েছে। নির্দেশিত সময়ে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) আওতাধীন ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফাণ্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) সেবার মাধ্যমে এক ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।যেসব সেবা চালু থাকবেসাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে কিছু জরুরি সেবাকে এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। কেনাকাটার পেমেন্ট (মার্চেন্ট পেমেন্ট) এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিসহ বিভিন্ন পরিষেবা বিল পরিশোধের (ইউটিলিটি বিল) ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম ও সীমা বহাল থাকবে। অর্থাৎ, বিল বা কেনাকাটার ক্ষেত্রে কোনো নতুন বাধা নেই।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় কালো টাকার ছড়াছড়ি ও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা বন্ধ করতেই এই আগাম সতর্কতা। পাশাপাশি ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন তারা নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য দিয়ে তাৎক্ষণিক সহায়তা করে।
সারাদেশ
দেশের বাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন, নতুন দাম কার্যকর
দেশের বাজারে আবারও বড় অংকের পতন হয়েছে স্বর্ণের দামে। সবশেষ গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।স্বর্ণের নতুন বাজারদরবাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বিক্রি হবে।রুপার দামেও পতনস্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। সবশেষ সমন্বয়ে ভরিতে ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।বাড়তি খরচ ও ভ্যাটবাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে ক্রেতাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, স্বর্ণের উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। এছাড়া বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশও যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে।বাজার ওঠানামার খতিয়ানচলতি বছরে স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১০ বার কমানো হয়েছে। এর আগে, ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। অন্যদিকে, রুপার বাজারও ছিল অস্থিতিশীল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৭ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে।
রাজনীতি
জনপ্রত্যাশা পূরণে বরিশাল গড়ার প্রত্যয়ে জেন জি’র সঙ্গে মতবিনিময়
জনপ্রত্যাশা পূরণে বরিশাল গড়ার প্রত্যয়ে জেন জি’র সঙ্গে মতবিনিময়আজকের পয়গাম | বরিশালজনপ্রত্যাশা পূরণে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য বরিশাল গড়ার লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতী ফয়জুল করীম।শুক্রবার নগরীর একটি মিলনায়তনে “To build a Barisal that meets public expectations” শীর্ষক GEN Z Meetup অনুষ্ঠানে তিনি তরুণদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের মতামত শোনেন।মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের নেতৃত্ব। তাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার ভিত্তিতেই আগামীর বরিশাল গড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও সন্ত্রাসমুক্ত বরিশাল গড়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণদের নৈতিকতা ও আদর্শিক চেতনায় গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তরুণ প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, চলবে যেসব বাহন
নিষেধাজ্ঞার বাইরে যেসব বাহনডেস্ক নিউজ | আজকের পয়গামবরিশাল | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে যানবাহন চলাচলে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ একটি সরকারি নির্দেশনা জারি করেছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টা।এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।যেসব ক্ষেত্রে চলাচলের অনুমতি থাকবেসরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরুরি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত কিছু যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। যেমন—পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর যানবাহনসশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের প্রয়োজনীয় যানজরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পরিবহনকারী গাড়িনিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের যানবাহনসংবাদপত্র ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পরিবহনবিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দর যাতায়াতে বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে যাতায়াতে বাধা দেওয়া হবে না।প্রার্থী, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধানির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার ব্যবহার করে একটি করে ছোট যানবাহন চালাতে পারবেন।এছাড়া অনুমোদন সাপেক্ষে সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।সরকার জানিয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসক বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।
রাজনীতি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে বক্তব্য দেওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে বক্তব্য দেওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তিওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন শবনম খাদিজা নামে এ নারী। ছবি: সংগৃহীতশরীফ ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে ঢাকা-১১ আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন শবনম খাদিজা নামে এক নারী। এ সময় নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোটও চান তিনি। নিজেকে হাদির বোন পরিচয় দিলেও তার আসল পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হওয়া ওই সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন ।ওই নারী ভাষণ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। সেখানে তিনি এই নারীকে ভুয়া বলে উল্লেখ করেন।ফেসবুক পোস্টে হাদির স্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ ওসমান হাদি তার জীবদ্দশায় কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাই দলগুলোকে নিজ স্বার্থে শহীদ ওসমান হাদির নাম ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি। তবে সবাই তার আদর্শ ব্যবহার করলে কোন বাধা নেই বলেও জানান।