neexra

সততার নজির: ৮২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন হাতপাখার চেয়ারম্যান আব্দুল হক মৃধা।

Rasel Shikder, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: 02 সেপ্টে. 2026, 12:26 অপরাহ্ন পঠিত: 27 বার
সততার নজির: ৮২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন হাতপাখার চেয়ারম্যান আব্দুল হক মৃধা।
ছবি: সংগৃহীত

সততার নজির: ৮২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন চেয়ারম্যান আব্দুল হক মৃধা।

​আজকের পয়গাম ডেস্ক, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

​সরকারি প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে সততা ও স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ নম্বর ময়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল হক মৃধা। খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দের টাকা থেকে বিরাশি লাখ ছাব্বিশ হাজার চৌত্রিশ টাকা অব্যয়িত থাকায় তা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন তিনি।

​দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলধারা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ নম্বর ঘোষপুর ইউনিয়নের লঙ্কাচার-গুলিরচর মধুমতি নদী থেকে ১০ নম্বর ময়না ইউনিয়নের কান্দাকুল হয়ে বারাসিয়া নদী পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়।

​প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ ছিল দুই কোটি তেরো লাখ টাকা। এর মধ্যে খাল পুনঃখনন কাজে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে এক কোটি ত্রিশ লাখ তিয়াত্তর হাজার নয়শ ছেষট্টি টাকা। ফলে অব্যয়িত বিরাশি লাখ ছাব্বিশ হাজার চৌত্রিশ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়া হয়েছে।

​চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল হক মৃধা বলেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা আমার কাছে আমানত হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। খাল পুনঃখননে যত টাকা প্রয়োজন হয়েছে ততটুকুই ব্যয় করেছি। অবশিষ্ট টাকা জনগণের ও রাষ্ট্রের টাকা। তাই তা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছি। আমি আমানতের খেয়ানত করতে চাই না।

​খাল খনন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার খালটি ভালোভাবে পুনঃখনন করা হয়েছে। চেয়ারম্যান নিজে নিয়মিত কাজের তদারকি করায় খননকাজে ত্রুটি কমেছে।

​স্থানীয়দের মতে, খালটি পুনঃখননের ফলে পানি নিষ্কাশন, কৃষিকাজ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন। পাশাপাশি প্রকল্পের অব্যয়িত বিপুল অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল হক মৃধা সততা, জবাবদিহি ও সরকারি অর্থের প্রতি দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

#বাংলাদেশ #সংবাদ #saradesh
neexra