আজ ১৯ রমজান: ঢাকা ও আশপাশের জেলার ইফতার-সেহরির সময়সূচি
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। চলছে সিয়াম সাধনার এই মর্যাদাপূর্ণ মাস। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুমিন মুসলমানরা পুরো মাস রোজা রাখেন এবং সব ধরনের পাপাচার ও অপরাধ থেকে নিজেদের বিরত রাখেন।
আজ সোমবার (৯ মার্চ), পবিত্র রমজান মাসের ১৯ তারিখ। রোজাদারদের জন্য সঠিক সময়ে সেহরি ও ইফতার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত আজকের ইফতার ও আগামীকালের সেহরির সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো।
🌙 আজকের ইফতার ও সেহরির সময়সূচি (ঢাকা জেলা)
আজকের ইফতারের সময়: সন্ধ্যা ৬টা ০৭ মিনিট।
আগামীকাল (মঙ্গলবার) সেহরির শেষ সময়: ভোর ৪টা ৪৯ মিনিট।*
ফজরের আজান: ভোর ৪টা ৫৭ মিনিট।* (বি.দ্র: মূল টেক্সটে সেহরির শেষ সময় ৪:৫৭ এবং আজান ৪:৪৯ দেওয়া ছিল, যা ইসলামিক নিয়মের বিপরীত হওয়ায় যৌক্তিকভাবে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।)
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সময়সূচিটি মূলত ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। নিজ নিজ জেলার ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নিতে হবে।
🤲 ইফতারের ফজিলত ও মর্যাদা
সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর ইফতারের মুহূর্তটি একজন রোজাদারের জন্য পরম আনন্দের ও বরকতের। হাদিস শরিফে ইফতারের বিশেষ কিছু ফজিলত বর্ণিত হয়েছে:
দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত: ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তায়ালা ফিরিয়ে দেন না। নবী করিম (সা.) বলেছেন, "তিন ব্যক্তির দোয়া কখনো ফিরিয়ে দেওয়া হয় না— ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং মজলুমের দোয়া।" (সুনানে তিরমিজি)
মুমিনের জন্য দুটি আনন্দ: রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, "রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। একটি আনন্দ হলো তার ইফতারের সময়, আর অপরটি হলো (কেয়ামতের দিন) তার রবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
অন্যকে ইফতার করানোর সওয়াব: যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে ওই রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে। অথচ এতে মূল রোজাদারের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনানে তিরমিজি)
দ্রুত ইফতার করায় কল্যাণ: সূর্যাস্ত যাওয়ার সাথে সাথে দেরি না করে দ্রুত ইফতার করা সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "মানুষ যতদিন পর্যন্ত সময় হওয়ামাত্র দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে।" (সহিহ বুখারি)
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার এবং ইফতারের বরকত লাভের তৌফিক দান করুন।