neexra

আন্তর্জাতিক

খামেনি নিহত: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার দাবি, ইরানে ৪০ দিনের গণশোক
01 মার্চ, 2026

খামেনি নিহত: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার দাবি, ইরানে ৪০ দিনের গণশোক

খামেনি নিহত: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার দাবি, ইরানে ৪০ দিনের গণশোকআন্তর্জাতিক ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২৬ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রোববার (১ মার্চ) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করে ফারস নিউজ এজেন্সি ও তাসনিম নিউজ এজেন্সি।প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ওই হামলাতেই তিনি নিহত হন এবং প্রাসাদ প্রাঙ্গণ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্যাটেলাইট ছবিতে প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-কে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তাও একই দাবি করেন।প্রথম দিকে ইরান সরকার এ খবর অস্বীকার করে একে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করলেও পরে দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল আইআরআইএনএন খামেনির ছবি প্রচার করে এবং তার শাহাদাতকে ‘অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা’ বলে উল্লেখ করে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও রয়টার্স জানিয়েছে, এ হামলায় খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন। খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের গণশোক ও সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ হামলা আঞ্চলিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

6 months আগে পড়ুন
ইসরাইলের ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু
28 ফেব., 2026

ইসরাইলের ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু

ইসরাইলের ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরুআন্তর্জাতিক ডেস্ক | আজকের পয়গামপ্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইসরাইলের ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইরানের বিভিন্ন স্থানে আজকের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ চালানো হচ্ছে।এদিকে Israel Defense Forces (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ইসরাইলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে আসা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা শনাক্ত করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।আইডিএফ জানায়, সাধারণ জনগণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরাইলি বিমানবাহিনী হুমকি প্রতিহত এবং প্রয়োজন হলে পাল্টা আঘাত হানার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।উল্লেখ্য, তেহরানসহ কয়েকটি শহরে হামলার ঘটনার পর এই পাল্টা হামলার ঘোষণা আসে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং দুই পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ভিত্তিতেই খবর প্রকাশ করা হয়েছে।আজকের পয়গাম পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট পাঠকদের সামনে তুলে ধরবে।

6 months আগে পড়ুন
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ব্যাপক বিমান হামলা: নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো
23 ফেব., 2026

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ব্যাপক বিমান হামলা: নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়ালো

আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর এক ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছেন। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রতিশোধ নিতে নির্দিষ্ট আস্তানায় এই অভিযান চালিয়েছে। তবে কাবুল এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে একে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে।হামলার কারণ ও লক্ষ্যবস্তুপাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, সোমবার ভোরে আফগানিস্তানের নানগারহার, পাকতিকা এবং খোস্ত প্রদেশে এই অভিযান চালানো হয়। পাকিস্তানের দাবি, তারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং ইসলামিক স্টেট খোরসান প্রদেশের (আইএস-কে) অন্তত সাতটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গোপন আস্তানা ধ্বংস করেছে।অভিযানে আক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রগুলো হলো:নানগারহারের ইব্রাহিম কেন্দ্র ও দুটি নতুন আস্তানা।খোস্ত প্রদেশের মৌলভি আব্বাস কেন্দ্র ও ইসলাম সেন্টার।পাকতিকার মোল্লা রাহবার ও মুখলিস ইয়ার কেন্দ্র।ইসলামাবাদের অবস্থানপাকিস্তান সরকারের দাবি, তাদের কাছে ‘অকাট্য প্রমাণ’ রয়েছে যে সম্প্রতি পাকিস্তানে সংঘটিত আত্মঘাতী হামলাগুলো আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা এই ‘প্রতিশোধমূলক’ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।কাবুলের তীব্র প্রতিবাদ ও পাল্টা হুঁশিয়ারিঅন্যদিকে, এই হামলাকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:হামলায় জঙ্গি আস্তানা নয়, বরং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।নিহতের তালিকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাবুলে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং একে একটি ‘উস্কানিমূলক কাজ’ বলে বর্ণনা করেছে।আফগান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন ও সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার এই ঘটনার ‘সমুচিত জবাব’ দেওয়ার অধিকার তারা রাখে।উত্তপ্ত সীমান্ত পরিস্থিতিআলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টিটিপি-কে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন এখন সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

6 months,1 week আগে পড়ুন
ওবামা আমলের ঐতিহাসিক পরিবেশ নীতি বাতিল করলেন ট্রাম্প
23 ফেব., 2026

ওবামা আমলের ঐতিহাসিক পরিবেশ নীতি বাতিল করলেন ট্রাম্প

বারাক ওবামা প্রশাসনের নেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবেশ বিষয়ক নীতি বাতিল করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের আইনি ও নীতিগত ভিত্তি ‘এনডেঞ্জারমেন্ট ফাইন্ডিং’ (Endangerment Finding) প্রত্যাহারের মাধ্যমে গ্রিনহাউজ গ্যাস সংক্রান্ত কড়াকড়ি তুলে নিলেন তিনি।কী ছিল এই ‘এনডেঞ্জারমেন্ট ফাইন্ডিং’?সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে নেওয়া এই নীতি অনুযায়ী, গ্রিনহাউজ গ্যাসকে জনস্বাস্থ্যের জন্য সরাসরি হুমকিস্বরূপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই মূলত আমেরিকায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হয় এবং অটোমোবাইল বা গাড়ি নির্মাণ শিল্পের ওপর পরিবেশগত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নির্গত বিষাক্ত কার্বনের পরিমাণ কমিয়ে আনা।ট্রাম্পের যুক্তি: শিল্পখাত ও অর্থনীতির মুক্তিপ্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নীতি পরিবর্তনের বিষয়টিকে মার্কিন ইতিহাসের “সবচেয়ে বড় নিয়ম শিথিলকরণ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে:ওবামা আমলের এই সিদ্ধান্ত ছিল আমেরিকার গাড়ি শিল্পের জন্য এক বড় অন্তরায়।এর ফলে গাড়ির উৎপাদন খরচ এবং বাজারমূল্য উভয়ই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল।এই নীতি বাতিলের ফলে সাধারণ মানুষ সস্তায় গাড়ি কিনতে পারবে এবং শিল্পখাত আবার প্রাণ ফিরে পাবে।ওবামার ক্ষোভ ও পরিবেশবাদীদের উদ্বেগট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করতেই এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”পরিবেশ বিজ্ঞানীরাও এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রাকৃতিকভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও লাগামহীন শিল্পায়ন এবং বন উজাড়ের ফলে এই গ্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ওবামার সেই নীতি বাতিল হওয়ার ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি আরও ত্বরান্বিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।ভবিষ্যৎ প্রভাবট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে যেমন মার্কিন বাজারে গাড়ির দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে আমেরিকার অবস্থান এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে দেশটির ভূমিকা বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ল।

6 months,1 week আগে পড়ুন
তুষারপাত উপেক্ষা করে জাপানে চলছে ভোটগ্রহণ: বড় জয়ের পথে সানায়ে তাকাইচি
08 ফেব., 2026

তুষারপাত উপেক্ষা করে জাপানে চলছে ভোটগ্রহণ: বড় জয়ের পথে সানায়ে তাকাইচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬তীব্র শীত আর ভারী তুষারপাত উপেক্ষা করে জাপানে শুরু হয়েছে দেশটির সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির জন্য এই নির্বাচনকে তার জনপ্রিয়তার ‘এসিড টেস্ট’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।নির্বাচনের প্রেক্ষাপটগত অক্টোবর মাসে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ভেঙে দিয়ে এই আগাম নির্বাচনের ডাক দেন। মূলত মূল্যস্ফীতি এবং দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (এলডিপি) নতুন করে গণম্যান্ডেট পাইয়ে দিতেই তার এই সাহসী পদক্ষেপ।ভোটের পরিসংখ্যান ও সমীকরণমোট আসন: পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসন।প্রার্থী সংখ্যা: ১ হাজার ২৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।অগ্রিম ভোট: নির্বাচনের মূল তারিখের আগে প্রায় ৪৬ লাখ মানুষ ইতিমধ্যে তাদের ভোট প্রদান করেছেন।জরিপের পূর্বাভাস: জয়ের পথে এলডিপি জোটবিভিন্ন বুথফেরত জরিপ ও জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং তাদের জোট সঙ্গী জাপানিজ ইনোভেশন পার্টি বড় জয়ের পথে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই জোট ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টিরও বেশি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। কর ছাড় এবং জ্বালানিতে ভর্তুকির মতো জনপ্রিয় প্রতিশ্রুতি তাকাইচিকে তরুণ ও মধ্যবিত্ত ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবনির্বাচনের দিনে জাপান সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে এবং উত্তরাঞ্চলে ভারী তুষারপাত শুরু হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।পরিবহন সংকট: তুষারপাতের কারণে অন্তত ৩৭টি ট্রেন লাইন এবং ৫৮টি ফেরি রুট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।ফ্লাইট বাতিল: বৈরী আবহাওয়ায় ৫৪টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর ফলে ভোটার উপস্থিতি বিশেষ করে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম জাপানে শীতকালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।ফলাফল কখন?ভোটগ্রহণ চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। এরপরই শুরু হবে গণনা। আশা করা হচ্ছে, সোমবার ভোরের মধ্যেই প্রাথমিক পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানা যাবে। যদি এই নির্বাচনে তাকাইচি সফল হন, তবে তা জাপানের প্রতিরক্ষা নীতি ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক সংস্কারের পথ আরও প্রশস্ত করবে।

6 months,3 weeks আগে পড়ুন
neexra