সারাদেশ
মোট সংবাদ: 97 টি
আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (বর্তমান তারিখ*) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই ভাষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ক গণভোট—এই দুটি বিষয়কে সামনে রেখেই তিনি আজ দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরবেন।প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশন বিটিভির ফিড থেকে ভাষণটি একযোগে প্রচার করবে।
ভোটের আগে ৪ দিন মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে কঠোর বিধিনিষেধ, লেনদেনে নতুন সীমা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ও অবৈধ লেনদেন রোধে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার ওপর বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগে ও পরে মিলিয়ে টানা চার দিন অর্থাৎ ৯৬ ঘণ্টা এই সেবাগুলো সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।কখন থেকে কার্যকর হবে?বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুরু করে নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।বিকাশ-রকেট-নগদে লেনদেনের নতুন নিয়মপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস সেবায় ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে (পি-টু-পি) টাকা পাঠানোর সুযোগ কমিয়ে আনা হয়েছে। সর্বোচ্চ সীমা: একজন গ্রাহক প্রতি বারে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন। লেনদেনের সংখ্যা: দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে। দৈনিক মোট সীমা: সব মিলিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও আইবিএফটিশুধু মোবাইল ব্যাংকিং নয়, ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হয়েছে। নির্দেশিত সময়ে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) আওতাধীন ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফাণ্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) সেবার মাধ্যমে এক ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।যেসব সেবা চালু থাকবেসাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে কিছু জরুরি সেবাকে এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। কেনাকাটার পেমেন্ট (মার্চেন্ট পেমেন্ট) এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিসহ বিভিন্ন পরিষেবা বিল পরিশোধের (ইউটিলিটি বিল) ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম ও সীমা বহাল থাকবে। অর্থাৎ, বিল বা কেনাকাটার ক্ষেত্রে কোনো নতুন বাধা নেই।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় কালো টাকার ছড়াছড়ি ও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা বন্ধ করতেই এই আগাম সতর্কতা। পাশাপাশি ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন তারা নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য দিয়ে তাৎক্ষণিক সহায়তা করে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন, নতুন দাম কার্যকর
দেশের বাজারে আবারও বড় অংকের পতন হয়েছে স্বর্ণের দামে। সবশেষ গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।স্বর্ণের নতুন বাজারদরবাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বিক্রি হবে।রুপার দামেও পতনস্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। সবশেষ সমন্বয়ে ভরিতে ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।বাড়তি খরচ ও ভ্যাটবাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে ক্রেতাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, স্বর্ণের উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। এছাড়া বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশও যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে।বাজার ওঠানামার খতিয়ানচলতি বছরে স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১০ বার কমানো হয়েছে। এর আগে, ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। অন্যদিকে, রুপার বাজারও ছিল অস্থিতিশীল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৭ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে।
বায়তুল মোকাররমে নিজের বিরুদ্ধেই ডাকা বিক্ষোভে উপস্থিত হলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ডাকা এক বিক্ষোভ মিছিলে খোদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজেই উপস্থিত হয়েছেন। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই ঘটনা ঘটে।ঘটনার প্রেক্ষাপটহেফাজতে ইসলামের সাবেক মহাসচিব মরহুম আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে নিয়ে বিতর্কিত ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল 'আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী স্মৃতি সংসদ'। বিক্ষোভকারীরা যখন তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে সবাইকে অবাক করে দেন।সামাজিক মাধ্যমে চাঞ্চল্যবিক্ষোভস্থলের সামনে তার অবস্থানের ছবি ও ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ কেউ একে সাহসিকতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে নির্বাচনী কৌশল হিসেবে অভিহিত করছেন।ফেসবুকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনাবিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হওয়ার কিছু সময় পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি নিজের ভুলের দায় স্বীকার করে লিখেন:"আমার কথায় বা আচরণে যাঁরা মনঃকষ্ট পেয়েছেন, তাঁদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে নিঃশর্ত দুঃখ প্রকাশ করছি।"রাজনৈতিক পরিস্থিতিঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থীর এমন পদক্ষেপকে অনেকে ভোটারদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। মরহুম আল্লামা বাবুনগরীর অনুসারীদের মধ্যে সৃষ্ট অসন্তোষ দূর করতেই তিনি সরাসরি বিক্ষোভের মুখে উপস্থিত হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন চরমোনাই পীর
বিটিভিতে প্রচার হবে ইসলামী আন্দোলনের রেকর্ডকৃত ভাষণরাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-তে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেকর্ডকৃত ভাষণ সম্প্রচার করা হবে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শায়খ ফজলুল করীম মারুফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উক্ত ভাষণে চরমোনাই পীর মহান স্বাধীনতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরবেন। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বোধ-বিশ্বাসের প্রতিফলনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হবে।এছাড়া ভাষণে রাষ্ট্র গঠনের নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারের সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি এবং বিশেষ খাতভিত্তিক কর্মসূচির পাশাপাশি ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামের নীতি ও অবস্থান ব্যাখ্যা করা হবে। একই সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমিরে ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ দিকনির্দেশনামূলক বার্তাও থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভোট কারচুপির কোনো শঙ্কা নেই, অনিয়ম দেখলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো ধরনের শঙ্কা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি আশ্বস্ত করেছেন, সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তাস্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,"নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং আমাদের প্রস্তুতি অনুযায়ী এটি একটি ফ্রি, ফেয়ার ও ক্রেডিবল নির্বাচন হতে যাচ্ছে।"অনিয়ম রোধে কঠোর হুঁশিয়ারিনির্বাচনী স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে উপদেষ্টা বলেন, কোথাও যদি কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা করা হয়, তবে তা তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,"কোথাও কোনো অনিয়ম বা কারচুপির খবর পাওয়া মাত্রই আমরা কঠোর অ্যাকশন নেব। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।"নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরংপুর বিভাগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিটি স্থানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রশাসনের সততা ও পেশাদারিত্বই হবে এবারের নির্বাচনের মূল চালিকাশক্তি।মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলামরেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলামমহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলীজেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানউল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বাগেরহাটে ৪০৯ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: কড়া নিরাপত্তায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট | ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। জেলার মোট ৫৪৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০৯টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।ভোটকেন্দ্রের শ্রেণিবিন্যাস ও নিরাপত্তানির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, জেলার কেন্দ্রগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে:উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ: ১৮৬টি কেন্দ্রঝুঁকিপূর্ণ: ২২৩টি কেন্দ্রসাধারণ: ১৩৮টি কেন্দ্রপ্রশাসন জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৩ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাদের মধ্যে ৩ জন থাকবেন সশস্ত্র। এছাড়া পুলিশের সশস্ত্র দলও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।সিসিটিভি ও আধুনিক পর্যবেক্ষণনির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বাগেরহাটের সবকটি ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি স্থাপনের ফলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরাসরি ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন, যা একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী ও স্ট্রাইকিং ফোর্সনিরাপত্তা বলয় আরও শক্তিশালী করতে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে থাকবে:বাংলাদেশ সেনাবাহিনীবাংলাদেশ নৌবাহিনীকোস্টগার্ডর্যাবরিটার্নিং কর্মকর্তার বক্তব্যবাগেরহাটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন,শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট উপহার দিতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বিশেষ বাহিনী মোতায়েন থাকবে।উল্লেখ্য, বাগেরহাটের ৪টি আসনে এবার বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।