সাহিত্যে পদক না থাকায় সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দেওয়ার প্রস্তাব ডা. তুষারের
২০২৬ সালের একুশে পদক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান বির্তকের মধ্যে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. আব্দুন নূর তুষার। ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে 'সিরিয়াস' আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টের মূল বক্তব্য
আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে ডা. তুষার এই অদ্ভুত আবেদনটি করেন। তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন:
"সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দিতে বিশেষ আবেদন ও অনুরোধ করছি। এটা একটা সিরিয়াস পোস্ট। সে প্রথম ইংলিশ অক্ষরে বাংলা বই লিখেছিল বলে শুনেছি।"
বিতর্কের নেপথ্যে কী?
সম্প্রতি সরকার ২০২৬ সালের একুশে পদক প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তবে এবারের তালিকায় 'ভাষা ও সাহিত্য' বিভাগে কাউকেই মনোনীত করা হয়নি। শিল্প-সাহিত্যের এই বড় শূন্যস্থান এবং পদক নিয়ে নানা সমালোচনার মাঝেই ডা. তুষার এমন মন্তব্য করলেন। নেটিজেনদের ধারণা, এটি সরাসরি কোনো দাবি নয়, বরং সাহিত্যের শূন্যতা নিয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতি একটি সূক্ষ্ম বিদ্রূপ বা 'স্যাটায়ার'।
সালমান মুক্তাদিরের প্রতিক্রিয়া
ডা. তুষারের এই পোস্টের নিচে সালমান মুক্তাদির নিজেও মন্তব্য করেছেন। তিনি হাস্যরসাত্মকভাবে উত্তর দেন:
"একুশে পদক লাগবে না, ভিসা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। তুষার ভাই প্লিজ এডিট করেন।"
পরে ডা. তুষার পোস্টটি এডিট করে তার ভিসা প্রাপ্তির জন্যও শুভকামনা জানান।
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া
সামাজিক মাধ্যমে এই পোস্টটি নিয়ে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই ডা. তুষারের রসবোধের প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ সালমান মুক্তাদিরের 'ইংরেজি হরফে বাংলা লেখা'র বিষয়টি টেনে তাকে নিয়ে মজা করছেন, আবার অনেকে রাষ্ট্রীয় পদকের মানদণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, এবার ১০ জনের তালিকায় মরণোত্তর পদক পাচ্ছেন সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু এবং চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা।